ar
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

الذهاب إلى القناة على Telegram

🙂🙂🙂

إظهار المزيد
1 954
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-77 أيام
-1830 أيام
أرشيف المشاركات
পাত্রী দেখার ক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয় হলো - . ১) দেখাটা শুধু চেহারা, হাতের কব্জি ও পা দেখবে, ২) নির্জনে দেখবে না; বরং সাথে মেয়ে বা ছেলের কোনো মাহরাম থাকবে, ৩) দেখবে শুধু ছেলে বা অন্য কোনো নারী। ছেলের পিতা, ভাই বা অন্য কেউ দেখবে না, ৪) ছবি আদান-প্রদান না করা ভালো। কারণ তা অন্যের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে, ৫) দেখার পর পছন্দ না হলে দোষ চর্চা করবে না, ৬) ছেলে সরাসরি হাতে স্পর্শ করবে না। মুসাহাফা করবে না, ৭) নির্ভরযোগ্য মহিলা দ্বারাও দেখার কাজ সম্পন্ন করা যাবে। অন্দরে সে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পাত্রীকে দেখবে। তার কোনো দোষ আছে কি না, ৮) যথাসম্ভব তা চুপিসারে হলে ভালো হয়, ৯) দেখার পর্ব এত অধিক আনুষ্ঠানিক করবে না যে, পাত্রীর পরিবারের উপর তা বোঝা হয়ে যায়, বিশাল মেহমানদারীর আয়োজন করতে হয়, ১০) দেখার পর ফোনে কথাবার্তা বলা যাবে না। বিবাহ ঠিক হলেও নয়। . [ মাওলানা আব্দুল্লাহ মাসুম, কুরআন ও সুন্নাহর দর্পণে দাম্পত্য জীবনের আলোকিত পথ, পৃ : ১০৪-১০৫]

সংসারের অশান্তি দুনিয়ার জাহান্নাম। যে জাহান্নামের অংশীদার মাত্র দুইজন। সাথে পুড়তে থাকে সন্তানেরা। কিছু অশান্তি চরম পরিণতি বা বিচ্ছেদ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয়। অবশিষ্টগুলো চরম ধৈর্য্য বা গন্ডারের চামড়া বানালেই রোধ করা সম্ভব। সংসারে ঝগড়া বিবাদ করে কেউ কখনো জয়লাভ করতে পারেনি। প্রকারান্তরে হেরে যাওয়া ছাড়া। স্বামী স্ত্রী কখোনই কেউ কারো শত্রু হতে পারে না। এটা হওয়া মোটেই উচিৎ নয়। "আমি হারব না" এই মনোভাবই ধ্বংস নামিয়ে আনে সংসারে। সংসারে মাত্র দুটি মানুষই যদি একে অপরেকে শত্রু ভাবেন, তাহলে দুনিয়া সামলাবেন কী করে!! ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে, দুই শত্রুর যে কোন একজনের পিছনে যদি রক্তের সম্পর্ক নামক অন্য এক বা একাদিক ইন্ধনদাতা থাকে, তবে সেখানে অশান্তির আগুনে জ্বলা ছাড়া আর কোন রাস্তা থাকে না। প্লিজ, নিজে শেষ হয়ে নিজ সন্তানদের শেষ করবেন না। এমনিতেই সামাজিক অবক্ষয়ে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে আমাদের সন্তানেরা। এর উপর বাবা মা' হয়ে আগুনে ঘি ঢালবেন না। ব্রোকেন ফ্যামিলির বাচ্চারা জানে, কষ্ট আর হাহাকার কী জিনিস!! দুই দিনের দুনিয়ায় কবরে যাওয়া পর্যন্ত স্বামী স্ত্রী, একে অপরের পাশে থাকবেন, বাচ্চারা বাবা মায়ের আদর ভালবাসা পাবে, এটাই তো হওয়া উচিৎ। আমি এ কথাগুলো পুঁথিগত বিদ্যা, বা মুখস্থ কিংবা কারো দেখে বলিনি। আমার সংসার জীবনে যা পালন করে চলেছি, সেটাই বলেছি। ৩০ বছরের সংসার জীবনে স্ত্রীর সাথে আমি কখনো ঝগড়া বা উচ্চস্বরে চিৎকার করে কথা বলিনি। আপনারাও পারবেন ইনশাআল্লাহ। ©Milon Sir

ভালো স্পাউজ কয়জন পায়? ফেসবুক হলো শো অফের জায়গা। কত জুটিকে দেখলাম, সারাদিন ফেবুতে হাবি হাবি / বউ বউ করে মাতিয়ে রাখে। অথচ ভেতরে কিচ্ছু নাই। কিছুদিন পরই ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। সবাই সোলমেইট পায় না। কারো স্বামী খারাপ তো কারো বউ খারাপ। স্বামী স্ত্রী সম্পর্কটাই একটা পরীক্ষা মনে হয়। স্ত্রী খারাপ হলে লুত আলাইহিস সালামের মতো হয়ে যান। জঘন্য সম~@~কা~মী~দের সহযোগী স্ত্রীকেও তিনি সহ্য করে গেছেন। কতটা ধৈর্যশীল হতে পারেন তা স্বামী হিসেবে এক্সাম্পল সেট করে গেছেন। আবার আছিয়া আলাইহিস সালাম সর্বকালের জ~@~ঘ~ন্য ব্যক্তি ফেরাউনের সাথে সংসার করে গেছেন। শত অত্যাচারেও ঈমান হারাননি। কষ্ট সহ্য করেছেন। সবর করেছেন। সব কষ্টের বিনিময়ে জান্নাতে প্রিয় রবের পাশে একটা ঘর চেয়েছেন। খারাপ স্বামী পেয়েও কীভাবে সবর করা যায় তার এক্সাম্পল সেট করে গেছেন। স্পাউজ চক্ষু শীতলকারী নাও হতে পারে। সেজন্য সবর করতে হয় আর দুয়া চালিয়ে যেতে হয়। رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّ اجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا. (সূরা ফুরকান : ৭৪) - ড. উম্মে বুশরা সুমনা

===================================== এটিএম বুথ থেকে জাল ও ছেঁড়া নোট পেলে যা করবেন.. ---------------------------------------------------------------- ~ টাকা গুনে নেওয়ার সময় যদি কোন জাল বা ছেঁড়া নোট পান, একটু সতর্ক হোন যেন আপনি ভুলে পকেটে হাত না দেন এবং বুথ থেকে বের না হন। টাকার পরিমাণ কম হলেও একই কাজ করুন। ~ নোটটি আপনার ২ হাতে ধরে এটিএম মেশিনের উপরে বসানো ক্যমেরার সামনে এমনভাবে ধরুন যেন, নোটের ছেঁড়া অংশ ও নম্বর ক্যামেরাতে দেখা যায়। মূলত আপনি এটিএম থেকেই নোটটি পেয়েছেন তার প্রমাণ হিসেবে এমনটি করতে হবে। টাকার পরিমাণ কম হলে, ক্যামেরার সামনে টাকাগুলো ধীরে ধীরে গুনে দেখান। ~ এরপর বুথ থেকে বের না হয়ে, বাইরের সিকিউরিটি গার্ডকে ডেকে বিষয়টি অবহিত করুন। ~ সিকিউরিটি গার্ডের নাম, বুথের তত্ত্বাবধানকারী নিকটস্থ ব্যাংক শাখার নাম ও এটিএম মেশিনের নম্বরটি সংগ্রহ করুন। ~ ব্যাংক আওয়ারের মধ্যে হলে, নিকটস্থ ব্যাংক শাখা গিয়ে ক্যাশ কাউন্টারে অভিযোগ করুন। অভিযোগের সময়, বুথের লোকেশন ও লেনদেনের সঠিক সময় জানান। লেনদেনের সময় আপনার মোবাইলের মেসেজ ইনবক্সে পাবেন যদি এসএমএস এলার্ট চালু থাকে। ~ প্রয়োজনে, বুথের নাম্বার, সিকিউরিটি গার্ডের নাম, আপনার ব্যাংক একাউন্ট নম্বরও জানাতে পারেন। ~ সামান্য ছেঁড়া নোট হলে, ক্যাশ কাউন্টার থেকেই আপনাকে ছেঁড়া নোটটি পরিবর্তন করে দিবে। তবে জাল টাকা বা একদম অব্যবহৃত নোটের ক্ষেত্রে, একটি আবেদন ফরমে বিস্তারিত সকল তথ্য দিয়ে আবেদন করুন। ফর্মটি ব্যাংক থেকেই আপনাকে দিবে। @Abdullah Al Jaber

ED (ইরেক-টাইল ডিস-ফাংশন) বিশেষ অঙ্গ শক্ত না হওয়া বর্তমানে অনেক ছেলেদের বিয়ে করতে ভয় হয় শুধু মাত্র পর্যাপ্ত পরিমানে বিশেষ অঙ্গ শক্ত হচ্ছেনা বলে। চলুন দেখে নেয়া যাক ইরেকটাইল ডিসফাংশন এর কিছু কারণ।। -যেকোনো ধরনের Heart disease -High cholesterol level -Hypertension -diabetes -Obesity -Smoking -Low testosterone level - Gonadal agenesis 👉👉এছাড়াও, হতাশা, উদ্বিগ্নতা , মানসিক চাপ, সম্পর্কের জটিলতা, পার্টনারের অপমান এই সমস্ত কারণেও উক্ত সমস্যা হতে পারে। ‌ 👉👉বাংলাদেশী পুরুষদের মধ্যে, হতাশা উদ্বিগ্নতা সম্পর্কে জটিলতা অথবা মানসিক চাপ জনিত কারণেই এই সমস্যাটি বেশি দেখা যায়।। ✅✅দাম্পত্য জীবনের সমস্যা বা যৌ-ন সমস্যাকে মানুষ একসময় গোপন সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করতো।কিন্তু বর্তমানে এই সমস্যাগুলোকে সাধারন সমস্যার মতোই মনে করা হচ্ছে। 🔥 মনে রাখবেন, একদিন অথবা এক সপ্তাহ পারলেন না, তারমানে এই নয়, আপনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অথবা আপনার পক্ষে আর সম্ভব না।। আবার পার্টনার, হয়তো একদিন সন্তুষ্ট হলেন না, সন্তুষ্ট না হওয়ার কারণে, ইচ্ছামতো অপমান করলেন, আত্মবিশ্বাস ধ্বংসের পর্যায়ে নিয়ে গেলেন, এমনটি করলে ইরেকটাইল ডিসফাংশন আরো বৃদ্ধি পায়।। ✅👉 অনেকে ইরেকটাইল ডিসফাংশন এবং প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশনের সাথে মিলিয়ে ফেলেন।। দুটি সমস্যা দুই রকম।। ✅✅🔥 এই ধরনের সমস্যা হলে, অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।। রাস্তাঘাটে/বিভিন্ন ফার্মেসিতে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে, নিজের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলবেন না।। ওগুলো আপনাকে সাময়িক আনন্দ দেবার বদলে,‌ স্থায়ীভাবে আপনার যৌন জীবনকে শেষ করে দেবে।। 🔥🔥 মনে রাখবেন প্রত্যেকটি যৌ-ন সমস্যা চিকিৎসাযোগ্য।।‌ শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলো যেমন অসুস্থ হয়ে পড়ে সাময়িকভাবে, ঠিক তেমনি নারী ও পুরুষের গোপন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সাময়িকভাবে অসুস্থ হতে পারে। 🔥🔥মনে রাখবেন Erectile dysfunction কোন লজ্জা বা হাসি ঠাট্টার বিশয় না।মাঝেমধ্যে সুস্থ পুরুষের ও বিশেষ অঙ্গ দৃঢ় নাও হতে পারে। যদি দিনের পর দিন এই সমস্যা হতে থাকে, তাহলে সেটা সমস্যা।। ✅👉🔥 ইরেকটাইল ডিসফাংশন লজ্জায় লুকিয়ে সঠিক চিকিৎসা ও পরামর্শ না করলে লস আপনার।। ডাঃ শেখ সালাহ উদ্দিন এমবিবিএস (ঢাকা) সিএমইউ(আল্ট্রা) জেনারেল ফিজিশিয়ান ও সনোলজিস্ট কন্ট্রিবিউটর , ২০ মিনিট মেডিকেল

এই হাদীস সবারই জানা উচিত। عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” ثَلَاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ: الطَّلَاقُ، وَالنِّكَاحُ، وَالرَّجْعَةُ “ হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন- তিনটি বিষয় এমন যে, ইচ্ছেকৃত করলে ইচ্ছেকৃত এবং ঠাট্টা করে করলেও ইচ্ছেকৃত বলে ধর্তব্য হয়। তা হল, ১/ তালাক ২/ বিবাহ ৩/ তালাকে রেজয়ীপ্রাপ্তা স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২০৩৯, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-২১৯৪} ভিডিওটি দেখা যেতে পারে- https://youtu.be/X9eHuaHIlts

প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় ফরজ গোসলের বিধান প্রশ্ন: রাতে স্বপ্নদোষ হলে এই শীতের সকালে গোসল সম্ভব নয়। তাহলে এ ক্ষেত্রে নামাজ পড়তে চাইলে কী করা উচিত? উত্তর: স্বপ্নদোষ হওয়া বড় নাপাকির অন্তর্ভুক্ত। এ থেকে পবিত্রতার জন্য গোসল করা ফরজ। সুতরাং এমনটি ঘটলে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার সময় পানি গরম করে গোসল করতে হবে। কিন্তু যদি এমন পরিস্থিতির মধ্যে থাকেন যে, সেখানে পানি গরমের কোনো ব্যবস্থা নেই এবং ঠাণ্ডা পানিতে গোসলের কারণে অসুস্থ হওয়ার কিংবা রোগ-ব্যাধি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা আছে তাহলে এক্ষেত্রে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করা জায়েজ। কিন্তু পানি গরমের ব্যবস্থা থাকলে তায়াম্মুম করা জায়েজ হবে না। ◆ আল্লাহ তাআলা বলেন, فَاتَّقُوا اللَّهَ مَا اسْتَطَعْتُم “তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় করো।” [সূরা তাগাবুন: ১৬] ◆ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, إِذَا أَمَرْتُكُمْ بِأَمْرٍ فَأْتُوا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ “আমি যদি তোমাদেরকে কোন বিষয়ে আদেশ করি তাহলে সাধ্য অনুসারে তা পালন করবে।” [সহিহ বুখারি] ◆ হাদিসে আরও এসেছে, প্রখ্যাত সাহাবী আমর ইবনুল আস রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, احتَلمتُ في ليلةٍ باردةٍ في غزوةِ ذاتِ السُّلاسلِ فأشفَقتُ إنِ اغتَسَلتُ أن أَهْلِكَ فتيمَّمتُ، ثمَّ صلَّيتُ بأصحابي الصُّبحَ فذَكَروا ذلِكَ للنَّبيِّ صلَّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ فقالَ: يا عَمرو صلَّيتَ بأصحابِكَ وأنتَ جنُبٌ ؟ فأخبرتُهُ بالَّذي مَنعَني منَ الاغتِسالِ وقُلتُ إنِّي سَمِعْتُ اللَّهَ يقولُ:( وَلَا تَقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا ) فضحِكَ رسولُ اللَّهِ صلَّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ ولم يَقُلْ شيئًا “যাতুস সালাসিল যুদ্ধের সময় এক প্রচণ্ড শীতের রাতে আমার স্বপ্নদোষ হয়। আমার ভয় হল, আমি যদি গোসল করি তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হব। তাই আমি তায়াম্মুম করে লোকজনকে নিয়ে সালাত আদায় করলাম। পরে তারা বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালে তিনি বললেন, "হে আমর, তুমি নাকি জুনুবি (নাপাক) অবস্থায় তোমার সাথীদের নিয়ে সালাত আদায় করেছো?" তখন আমি গোসল না করার কারণ সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলাম এবং বললাম, আমি আল্লাহর এই বাণী শুনেছি, (আল্লাহ বলেছেন,) وَلَا تَقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا “আর তোমরা নিজেরা নিজেদের হত্যা করো না। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি বড়ই দয়াবান’’ (সূরা নিসা: ২৯)। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন এবং কিছুই বললেন না।” [আবু দাউদ-সহিহ] এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সম্মতির মাধ্যমে এমন পরিস্থিতিতে তায়াম্মুম করার বৈধতা প্রমাণিত হয়। ❑ শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায রাহ. বলেন, إذا كان في محل لا يستطيع فيه تدفئة الماء وليس هناك كن يستكن به للغسل بالماء الدافي وخاف على نفسه فإنه يصلي بالتيمم ولا حرج عليه “যদি সে এমন জায়গায় থাকে যেখানে সে পানি গরম করতে পারে না এবং গরম পানি দিয়ে গোসল করার জন্য সেখানে এমন কোনো ঘর না থাকে যেখানে (ঠাণ্ডা থেকে) আত্মরক্ষা করবে এবং (ঠাণ্ডা পানি ব্যবহারের কারণে) শারীরিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাহলে তাকে তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করবে। এতে কোনও আপত্তি নেই।” [binbaz] 🔸উল্লেখ্য যে, এই বিধান স্বপ্নদোষের পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রী মিলন কিংবা জাগ্রত অবস্থায় বীর্যপাতের মাধ্যমে জুনুবি (নাপাক) হওয়ার ক্ষেত্রে, মহিলাদের ঋতুস্রাব থেকে পবিত্র হওয়া ও প্রসূতি নারীর পবিত্রতার জন্য গোসলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য আল্লাহু আলাম। -আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল #abdullahilhadi

😔 যৌন অক্ষমতা 😔 যদি কারও কাম-সুখ ভোগ করার ক্ষেত্রে অনীহা দেখা যায় বা কামক্রিয়া থেকে নিজেকে বিরত করার চেষ্টা দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে সেই ব্যক্তির শারীরিক অক্ষমতাজনিত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই ধরনের সমস্যা যৌনক্রিয়ায় সক্ষম একজন মানুষের বা দম্পতির জীবনের যে কোনও সময় ঘটতে পারে এবং এর ফলে কামজ সুখ থেকে তারা বঞ্চিত হতে পারে। এই কামচক্রের মধ্যে উত্তেজনা থেকে শুরু করে চূড়ান্ত দেহমিলনের সব কটি পর্যায় অন্তর্ভুক্ত। কামের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকতা যে কোনও বয়সের মহিলা বা পুরুষের ক্ষেত্রেই দেখা যেতে পারে। কিন্তু বয়স যত বাড়ে এর সম্ভাবনাও তত বেশি হতে থাকে। চিকিৎসার দ্বারা এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কিন্তু মানুষ এহেন সমস্যা নিয়ে কথা বলতেই দ্বিধা বোধ করে বা নিজের দুর্বলতা পাছে প্রকাশ পেয়ে যায় সেই ভয়ে অনেকে বিষয়টি সামনে আনতে চায় না। যদি কারও যৌনসুখ উপভোগ করার ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা দেখা দেয়, তাহলে তাঁর সঙ্গীর সঙ্গে এই বিষয়ে অবশ্যই কথা বলা উচিত এবং বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন। যথাযথ চিকিৎসার মধ্য দিয়ে সুস্থ যৌন জীবন এবং কাম সুখ উপভোগ করা যায়। যৌন অক্ষমতার উপসর্গগুলি মহিলা এবং পুরুষের ক্ষেত্রে আলাদা হয়। কয়েকটি সাধারণ উপসর্গ হল-- পুরুষের ক্ষেত্রে: উত্থানজনিত অক্ষমতা: মিলনের সময় পুরুষাঙ্গের উত্থানে সমস্যা হয়। বীর্যত্যাগজনিত সমস্যা: বীর্যত্যাগের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারানোর সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে যৌন মিলনের অব্যবহিত আগে অথবা পরে, কিংবা অনেক পরে বীর্যের নিঃসরণ হয়, যা অবশ্যই একধরনের ত্রুটি। যৌনতাড়না কমে যাওয়া-- টেস্টোস্টেরন হরমোনের কম ক্ষরণের জন্য কামশক্তি হারিয়ে যায়। মহিলাদের ক্ষেত্রে: যৌনকামনা নষ্ট হয়ে যায়-- ইস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের কম ক্ষরণের ফলে কামের আকাঙ্ক্ষা কমে যায়। দেহমিলনের চরম পর্যায়ে উত্তেজনা হারানো-- চরম যৌন আকাঙ্ক্ষা সত্ত্বেও যথাযথ উত্তেজনার অভাব। যোনির শুষ্কতা এবং ব্যথা-- যৌন মিলনের আগে এবং সময়ে যোনি শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং তীব্র ব্যথার অনুভূতি জাগে। যৌনতাড়নায় অস্বাভাবিকতার পিছনে থাকে শারীরিক, মানসিক এবং পরিবেশগত কারণ। এগুলি হল-- শারীরিক কারণঃ পুরুষদের ক্ষেত্রে যৌন ক্রিয়ায় অক্ষমতার পিছনে স্নায়ুর দুর্বলতা, রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা, ডায়াবেটিস, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, হার্ট বা কিডনির সমস্যা প্রধান। অতিরিক্ত মদ্যপান এবং কিছু বিশেষ ওষুধের প্রভাবে যৌনক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। মহিলাদের ক্ষেত্রে মল এবং মূত্র ত্যাগের সমস্যা, স্নায়ুগত অব্যবস্থা, বাতের সমস্যা এবং কিছু ওষুধের ব্যবহার কামের উন্মাদনা কমিয়ে দেয়। ইস্ট্রোজেন কম ক্ষরণের ফলে যোনির পিচ্ছিলতা হ্রাস পায়। ফলে যৌন মিলনের সময় ব্যথা অনুভূত হয়। মানসিক এবং পরিবেশগত কারণঃ কর্মক্ষেত্রে অত্যধিক চাপ কামক্রিয়ায় আসক্তি কমে যাওয়ার একটি সাধারণ কারণ। অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে মানসিক উদ্বেগ, অবসাদ, সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কে সমস্যা এবং যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনও আঘাত। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - 🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰 #konna #কন্যা #sexeducation #sexed #sexy #love #sex #kad #lesbian #hotmodel #sexpositive #sexualhealth #k #n #tiktok #sn #b #porn #t #m #kiss #p #sexystyle #tesettur #girl #netflix #memes #selflove #follow #instagram

এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ইমার্জেন্সি পিলের ব্যবহারে মায়ের জিনগত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বারবার ইমার্জেন্সি পিল ব্যবহারের কারণে ডিম্বাশয়ে নানা প্রতিক্রিয়া হতে শুরু করে। যার ফলে জিনগত পরিবর্তন হয় আর তার প্রভাব সরাসরি পড়ে গর্ভজাতের উপরে। ফলে তার ক্রোমোজমে ত্রুটি দেখা দেয়। ❤*** প্রিয় পাঠকদের সুসাস্থ্য এবং সুখী জীবন কামনা করছি ❣❣ Dr. Tajreen Jahan Advisor 20 Minute Medical

👉💊 ইমার্জেন্সি_পিল সম্পর্কে জানুন🤔 👉ইমার্জেন্সি পিল কি ? জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার পিল বা ইমার্জেন্সি পিল (ইসিপি) হলো এমন এক ধরনের পিল যা অরক্ষিত বা অনিরাপদ সহবাসের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবহার করলে গর্ভে সন্তান আসার সম্ভাবনা প্রায় থাকে না। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ রোধে মহিলারা ইসিপি ব্যবহার করতে পারেন। জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার পিল বা ইসিপি কোনো নিয়মিত পদ্ধতি নয়। এটি শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়। জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার পিল বা ইসিপি গর্ভধারণ রোধ করে, কখনও গর্ভপাত ঘটাতে সাহায্য করে না। অরক্ষিত সহবাসের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই জন্মনিরোধক ব্যবহার করতে হবে। তবে সহবাসের ১২ঘন্টার ভিতরে খেলে ভাল হয় অবশ্যই ৭২ ঘন্টার পরে খাওয়া উচিৎ নয় । 🚩নিম্ন লিখিত কারনে ইমার্জেন্সি জন্মনিরোধক ব্যবহার করা বাঞ্চনীয়: • সহবাসের সময় আপনি বা আপনার সঙ্গী যদি কোন জন্মনিরোধক পদ্ধতি ব্যবহার না করে। • যদি আপনি পরপর ৫ দিন জন্মনিরোধক বড়ি খেতে ভুলে যান । • যদি সহবাসের সময় আপনার সঙ্গী কনডম সঠিক ভাবে ব্যবহার না করে থাকেন, অথবা কনডম ফেটে গিয়ে থাকে। • যদি আপনি মনে করেন যে, আপনার জরায়ুতে অবস্থিত জন্মনিরোধক (আই, ইউ, ডি) স্থান্যচুত হয়েছে! • যদি আপনার যোনিতে অবস্থিত ডায়াফ্রাম অথবা জন্ম নিরোধক ক্যাপ সরে গিয়ে থাকে । • যদি নিরাপদকাল গণনায় ভুল হয় তাহলে ইসিপি ব্যবহার করতে হবে । • যখন কোনো পদ্ধতি ছাড়া বা অনিচ্ছাকৃত বা জোরপূর্বক সহবাস হয় তাহলে ইসিপি ব্যবহার করতে হবে । • যদি ইনজেকশনের পরবর্তী ডোজ নিতে ২৮ দিনের বেশি দেরি হয়ে যায় তাহলে ইসিপি ব্যবহার করতে হবে। 🕵জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার পিল বা ইমার্জেন্সি পিল খাবার বড়ি কাদের জন্য? • কোনো নারী যদি ঝুঁকিপূর্ণ সহবাস করে কিন্তু গর্ভবতী হতে না চান, তবে তিনি সহবাসের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই খাবার বড়ি খেতে পারবেন । • সাধারণত গর্ভধারণে সক্ষম সব নারীরা । • যাদেরকে নিয়মিত খাবার বড়ি খেতে নিষেধ করা হয় তারাও এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। • সহবাসের সময় যারা পরিবার পরিকল্পনার কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করেন না । • যদি কেউ পর পর ৩ দিন খাবার বড়ি খেতে ভুলে যান। 💁জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার বড়ি কীভাবে খেতে হবে? • বাজারে ১ ডোজ গর্ভনিরোধক বড়ি পাওয়া যায়। । • কিছু খাওয়ার পরপরই বা ঘুমের আগে এই গর্ভনিরোধক বড়ি খাওয়া ভালো । • অরক্ষিত সহবাসের ১২ ঘন্টার ভিতর এই পিল খেতে হবে। তবে কোনো ভাবেই ৭২ ঘন্টার পরে নয়। 🧟‍♂জরুরি গর্ভনিরোধক পিলের অসুবিধা- • নিয়মিত পদ্ধতি হিসেবে এই খাবার বড়ি ব্যবহার করা যায় না। পদ্ধতিটি শুধুমাত্র জরুরিভাবে ব্যবহারের জন্যই নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ইসিপির কার্যকারিতা দুটি বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয় । মনে রাখবেন, এভারেজ হিসাবে ৮৫% ক্ষেত্রে এটি কাজ করে। • অনিরাপদ সহবাস ও ইসিপি ১ম ডোজ-এর মধ্যে সময়ের ব্যবধান এবং মাসিক চক্রের কোনো সময় অনিরাপদ সহবাস হয়েছে । • ইসিপি ব্যবহারে স্বল্প স্থায়ী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন- বমি বমি ভাব, বমি হওয়া, মাথা ব্যথা, মাথা ঝিমঝিম করা, অবসন্নতা এবং স্তনে ব্যথা হতে পারে । • অনেকের মাসিকের অসুবিধাও হতে পারে । 👉জরুরি গর্ভনিরোধক পিলের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া🤢 • বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে • মাথা ব্যথা হতে পারে • মাথা ঝিমঝিম করতে পারে • অবসন্নতা বোধ হতে পারে • স্তনে ব্যথা হতে পারে • মাসিকের সমস্যা হতে পারে • যোনিপথে রক্তক্ষরণ হতে পারে তবে ভয়ের কিছু নেই। . যদি পিল খাওয়ার পর ৩ ঘন্টার ভিতর বমি হয়ে যায় তাহলে সাথে সাথে আরো একটা পিল খেতে হবে। 👉ইমার্জেন্সি পিল কত ধরণের🤷‍♀ বাংলাদেশের বাজারে এখন অনেক কোম্পানীর ইমার্জেন্সি কনট্রাসেপটিভ পিল পাওয়া যায়। যেগুলো ২ দিন থেকে ৫ দিন পর্যন্ত ব্যাবহার সিস্টেম আছে। অসুরক্ষিত মিলনের পর অনেকেই ইমার্জেন্সি পিলের সাহায্য নিয়ে থাকেন।তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে। 📌জরুরি গর্ভনিরোধক পিল ব্যবহারে সতর্কতা- একই মাসে একাধিকবার জরুরি গর্ভনিরোধক পিল ব্যবহারেও স্বাস্থ্যগত কোনো ক্ষতি নেই । তবে ব্যবহারকারীকে জানতে হবে যে - • অতিরিক্ত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া (বিশেষ করে অনিয়মিত রক্তস্রাব মাথা ব্যথা) হয়ে থাকে। • জরুরি গর্ভনিরোধক খাবার পিল বা ইসিপি পরিবার পরিকল্পনার কোনও নিয়মিত পদ্ধতি নয়। এটি শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহার করা যায়। • ইমার্জেন্সি পিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ ডক্টর বা গাইনোকোলজিস্ট -এর পরামর্শ নেওয়া উচিত। 🚫অরক্ষিত যৌন মিলনের পর ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ইমার্জেন্সি পিল খান অনেক নারীরা। এই পিলের সাইড ইফেক্ট বা অপকারী দিকই বেশি। মাসে ১ বারের বেশি বা ঘনঘন ইমার্জেন্সি পিল খাওয়া উচিত নয়। যেসব মায়েরা বাচ্চাকে বুকের দুধ পান করান তাদের ক্ষেত্রে এই পিলের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি দেখা দিতে পারে। সাধারণত এই পিল গুলো খেলে বুকের দুধের পরিমান কমে যায়।

সতর্ক ⚠️☢️ আপনি যখন মোবাইলে কোন নাম্বার ডায়াল করেন, তখন কানেকশন পাওয়ার আগ পর্যন্ত মোবাইল তার সর্বোচ্চ শক্তি ব্যাবহার করে। এসময় মোবাইল থেকে সর্বোচ্চ রেডিয়েশন বের হয়, যা মানব দেহের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর⚠️ তাই এই রেডিয়েশন থেকে বাঁচতে এসময় মোবাইল কানের কাছে না ধরে রাখাই ভালো🖤 © ant science

♻ শীতে ওজন কমাতে চান ? ♻ বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালে ওজন কমানো একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। শীতে শরীরের মেটাবলিজম হার কমতে থাকে, সেই সাথে শারীরিক কার্যকলাপের পরিমাণও কমে এই সময়ে। আর শীতকালে খাওয়া-দাওয়ার পরিমাণও বাড়ে। সব মিলিয়ে বাড়তে থাকে ওজন। তবে ৫টি সহজ নিয়ম মেনে চললে শীতেও ওজন কমানো সম্ভব। ✅ কাঁপুনি: শীতে কাঁপুনির জন্য এমন না আপনাকে অনেক সকালে গরম কাপড় ছাড়াই বের হয়ে যেতে হবে। যখন আবহাওয়া সহনীয় হবে তখনই আপনি বের হন গরম কাপড় ছাড়া। হতে পারে বিকাল বা সন্ধ্যার সময় যখন সূর্যের তাপ থাকে না। গবেষণা মতে, শীতে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের কাঁপুনি ঘণ্টাখানেকের ব্যায়ামের সমান। শুধু তাই নয় এটি আপনার পেশী সংকোচনও করে। ✅ স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া: শীতে আমরা বেশি খাই এই বিষয়টি একাধিকবার প্রমাণিত। ঠাণ্ডা আবহাওয়া আমাদের ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। কারণ বেশি মাত্রায় ক্যালোরি খেলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। শীতকালে খাওয়া-দাওয়া বেশি হবে সে বিষয়টি ঠিক আছে কিন্তু খাবার দাবার যেনো ফাইবার সমৃদ্ধ ও স্বাস্থ্যকর হয়। ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি ঝুঁকি কমায়। একসাথে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে খাওয়ার চেষ্টা করুন। ✅ গরম পানি এড়িয়ে চলুন: শীতকালে বেশিরভাগ মানুষ গরম পানি খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু আপনি যদি আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাহলে আপনাকে স্বাভাবিক পানি খেতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে যে শরীরের মূল তাপমাত্রার চেয়ে বেশি ঠাণ্ডা পানি খেলে শরীর কঠোর পরিশ্রম করার জন্য প্রস্তুত হয়।এতে করে ওজন কমানোর জন্য অনেক ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে। ✅ হার্বাল টি ও ব্ল্যাক কফি: দুধ, চিনি দেওয়া চা-কফির পরিবর্তে ব্ল্যাক টি বা কফি খাওয়া শুরু করেন। হার্বাল টি, ব্ল্যাক টি বা ব্ল্যাক কফিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি থাকে। প্রতিদিন এই চা-কফি পান করলে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায় এবং তা ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। ✅ গৃহাস্থলির কাজ করা: শীতকালে বাইরে যেয়ে ব্যায়াম করার ইচ্ছা না হলে বাড়ির কাজগুলো নিজ হাতে করার চেষ্টা করুন। ঘর পরিষ্কার করা, মোছা, কাপড় ধোওয়া, বাগান করা ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে। বাড়িতে বা অফিসে কাজ করার সময় ৩০ মিনিট পর পর সিট থেকে উঠে হাটাহাটি করুন। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - https://www.facebook.com/groups/149192167228573 #konna #weightloss #weightlossjourney #fitness #healthylifestyle #motivation #health #healthy #workout #diet #fitnessmotivation #healthyfood #weightlosstransformation #gym #fit #nutrition #fitfam #fatloss #healthyeating #exercise #slimmingworld #weightlossmotivation #transformation #keto

মর্নিং পেনিস ইরেকশন এন্ড মিথ ডা. অপূর্ব চৌধুরী London, England সকালবেলা পেনিস হার্ড হয়ে যাওয়া সকল প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষের একটি স্বাভাবিক শারীরিক বৈশিষ্ট্য । এতে লজ্জা কিংবা অবাক হওয়ার কিছু নেই । কিন্তু যেটায় অবাক হতে হয়, সেটি হলো বেশিরভাগ মানুষ এ ব্যাপারে অজ্ঞ । যেটুকু জানে, হয় মিথ, নয়তো ভুল । এমনকি মেয়েদের ক্ষেত্রেও ভোরবেলা টার্ন অন হওয়া স্বাভাবিক । আজকে শুধু পুরুষদের নিয়ে আলোচনা । নারীদের নিয়ে অন্য দিন আলোচনা করবো । পুরুষের পেনিস ভোর বা সকাল বেলায় হার্ড হয়ে যায় । লোকে এটির প্রথম অর্থ করে - পুরুষ হর্নি হয় এমন শক্ত হলে, অথবা এমন শক্ত হওয়া মানে পুরুষটি হর্নি ফিল করছে, বেশিরভাগ লোকজন এমন টি ভাবে । কিন্তু বাস্তবতা হলো এমন হার্ড পেনিসের সাথে যৌন উত্তেজনার কোনো সম্পর্ক নেই। এটি ভুল । এটি মিথ । এটি অজ্ঞতা । তাহলে আসল সত্যটি কি ! সকালবেলা পুরুষের পেনিস এমন হার্ড হওয়া স্বাভাবিক । এটি পুরুষের শরীরের সক্ষমতা, রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ার স্বাভাবিকতা, এবং এটি পুরুষের ভালো স্বাস্থ্যের ক্লু । সকাল বেলা এমন পেনিস হার্ড হলে পুরুষের সেক্স ড্রাইভ কিছুটা আসে, কিন্তু এমন পেনিস হার্ড হয়ে যাওয়ার মানে নয় তার সেক্স ডিজায়ার বেড়ে গেছে । ওই মুহূর্তে আসলে বেশিরভাগ পুরুষের সেক্স ডিজায়ার সেই স্কেলে থাকে না, যে স্কেলে অন্য সময় টার্ন অন হলে থাকে । যদিও অনেক সময় ওয়েট ড্রিম বা স্বপ্নদোষ হওয়ার পর পুরুষ তার পেনিসকে হার্ড দেখে । সেটি ভিন্ন ব্যাপার । কিন্তু নরমালি সকালের দিকে এমন হার্ড পেনিস মানে সেক্চুয়ালি ইরেক্ট পেনিস নয় । দুটো ভিন্ন জিনিস । সকালের দিকে পুরুষের এমন হার্ড পেনিসকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলে Nocturnal penile tumescence. বা সংক্ষেপে NPT । মেয়েদেরও সকাল বেলায় এমন টার্ন অন হওয়াকে বলে Nocturnal clitoral tumescence বা সংক্ষেপে NCT । রাতে আট-নয় ঘন্টা ঘুমালে আমাদের ঘুমের যে প্রক্রিয়ায় রেপিড আই মুভমেন্ট ঘটে, এবং ঘুমের এই স্টেজে আমরা স্বপ্ন দেখি । ঘুমের এই স্টেজের সময় পুরুষের পেনিস হার্ড হয়ে যায় । এইজন্যে দেখা গেছে প্রতি রাতে পুরুষের পেনিস এমন তিন থেকে পাঁচ বার হার্ড হয়ে যায় । শুধুমাত্র শেষ বারের হার্ডটি সকাল বেলায় এসে ফিল করে এইজন্যে যে লাস্ট রেপিড আই মুভমেন্ট স্টেজ তার কিছুক্ষন আগেই ঘটেছিলো । বাকিগুলো ঘুমের মধ্যে হয় বলে টের পায় না । কিন্তু কেন এমন হয় । এটি হয় মূলত শরীরের বিশেষ করে শরীরের নিচের অংশ এবং পেনিস এরিয়ার প্যারাসিমপেথেটিক নার্ভের স্টিমুলেশনের কারণে । শরীরের প্যারাসিমপ্যাথেটিক এই একটিভিটি অটোনমিক বা স্বয়ংক্রিয়, এতে আপনার কোনো হাত নেই । এটি হয় সেকরাল প্লেক্সাসের নার্ভ স্টিমুলেশন থেকে, যা আমাদের কোমরের দিকে থাকে । ঘুমের মধ্যে সেটি স্বয়ংক্রিয় স্টিমুলেশন সেন্ড করে পেনিসে । এতে এসিটাইলকোলিন নামক রাসায়নিক উপাদান বের হয় রক্তে, আর সেটি নাইট্রিক অক্সাইড বের করে রক্তনালী তে । এতে পেনিসে রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায় এবং পেনিস বেলুনের মতো ফুলে উঠে । এমনকি অনেক সময় মূত্র থলি ভরে গেলে পেশাবের যে চাপ বেড়ে যায়, তখনও পুরুষের পেনিস শক্ত হয়ে যায় একই প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্টিমুলেশনের কারণে । সুতরাং রাতের বেলা কিংবা সকাল বেলা পুরুষের এমন হার্ড হয়ে যাওয়ার অর্থ হর্নি হওয়া নয় । বরং এটির অর্থ তার নার্ভ একটিভিটি গুলো নরমাল, তার রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াটি স্বাভাবিক এবং শরীর সুস্থ । সকাল বেলা যদি এমন পেনিস ইরেকশন না হয় অনেকদিন, তখন আপনার উচিত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া । আপনার শরীরে নার্ভের জটিলতা থেকে ডায়াবেটিস বেড়ে যাওয়া, ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে না থাকা, রক্ত সঞ্চালনে কোথাও বাধা তৈরী হওয়া, ব্লাড প্রেশার বেড়ে যাওয়া, কোনো ডিপ্রেশনে দীর্ঘদিন ভোগ, সেক্সচুয়াল ট্রান্সমিটেড কোনো ডিজিসে ভুগা, এমন সব ইঙ্গিত বহন করে । মিথ এবং অজ্ঞতা, দুটোই ভুল । শরীর সম্পকে সচেতন হওয়া লজ্জার কিছু নয় । ©Dr. Apurba Chowdhury

যৌন অসুস্থতা . . 🟩 যৌন অসুস্থতাকে আমরা দুইটা ভাগে ভাগ করি ১) যৌন বাহিত রোগ ২) যৌন সমস্যা . 1️⃣ যৌন বাহিত রোগ হল , একজন অসুস্থ যৌন রোগীর সাথে উইদাউট প্রটেকশন যৌন সম্পর্ক স্থাপন করার পরে যে রোগ সুস্থ মানুষের দেহে সংক্রমিত হয় তাকে আমরা যৌন রোগ বলতে পারি। যেমন: গনোরিয়া , সিফিলিস , এইডস ইত্যাদি। . 2️⃣ যৌন সমস্যা হল, যা একজন মানুষের দেহ থেকে অন্য মানুষের দেহে ছড়ায় না এমন যৌন অসুস্থতা। যেমন: লিঙ্গ সঠিকভাবে উত্থান না হওয়া , দ্রুত বীর্যপাত , যৌন আগ্রহের অভাব ইত্যাদি। . . 🟩 যৌন সমস্যা সাধারণত চার টি কারণে হয়ে থাকে: . ✳️১) শারীরিক কারণ বা শারীরিক অসুস্থতা ' যেমন: ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ , হাই কোলেস্ট্রল, হরমোনের সমস্যা, থাইরয়েডের সমস্যা ইত্যাদি। . ✳️২) মনোদৈহিক কারণ, মনোদৈহিক কারণে যে যৌন সমস্যা হয় তাকে মনোযৌন সমস্যা বলে । যেমন: উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, বিষন্নতা, পার্টনারদের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাসের অভাব, সেক্স এডুকেশন বা যৌন শিক্ষার অভাব , যৌন সম্পর্ক স্থাপনে সক্ষম হবে এই ভয়, স্বপ্নদোষ নিয়ে ভুল জানা অফুল ধারণা, হস্তমৈথুন নিয়ে ভুল জানা ও ভুল ধারণা , বীর্য নিয়ে ভুল জানা ও ভুল ধারণা ইত্যাদি। . ✳️৩) লাইফ স্টাইল জনিত সমস্যা: রাত জাগা ,পরিমাণ মতো ঘুম না হওয়া , ঠিকভাবে খাবার দাবার না করা , এক্সারসাইজ না করা , প্রয়োজনীয় রেস্ট না নেওয়া , সুষম পুষ্টিকর খাবার না খাওয়া , ইত্যাদি । . ✳️ ৪) নেশা জাতীয় দ্রব্য , মাদক নেওয়া । চেইন স্মোকার । দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ ডায়াবেটিস এলার্জি মানসিক সমস্যা ওষুধ গ্রহণ। যৌন উত্তেজক অনেকটাইম ওষুধ গ্রহণ ।ইত্যাদি । 🟩 চিকিৎসার ক্ষেত্রে , প্রথমে: সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে হয় দ্বিতীয়: সঠিকভাবে চিকিৎসাপদ্ধতি সিলেক্ট করতে হয়। . মনোদৈহিক কারণে যে যৌন সমস্যা হয় তাকে আমরা সাইকোসেক্সুয়াল ডিসফাংশন বলি। এক্ষেত্রে রোগীর ধৈর্য ও ডাক্তারের কথার প্রতি নির্ভরতা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। . অনেক সময় রোগী শারীরিক অক্ষমতা নিয়ে আসলেও দেখা যায় এই অক্ষমতা তৈরীর পিছনে কিছু মানসিক কারণ থাকে। যা অনেক সময় রোগীকে বোঝাতে একটু কষ্ট হয়। . 🟩 অনেক সময় চিকিৎসার প্রয়োজনে কিছু পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে । আমরা সাধারনত অবস্থাভেদে নিম্ন লিখিত পরীক্ষাগুলো দিয়ে থাকি, সকলের ক্ষেত্রেই পরীক্ষা করতে হবে বিষয়টি এরকম। 1)Testosterone 2) prolactin 3)TSH 4)CBC 5) RBS 6) Semen Analysis 7) Duplex study of Penile vessels . এছাড়া অন্যান্য আরও কিছু পরীক্ষা লাগতে পারে। তবে সকল সময় যে পরীক্ষাগুলো করাতে হয় বিষয়টি এমন না। . 🟩 লেখক: . মোঃ ফাইজুল হক ২০ বছরের অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক, ইউনানী এবং আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক, শিক্ষক ও লেখক Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU) Trained on Therapeutic Counselling (Department of Clinical Psychology, University of Dhaka) 🟩 মোবাইল নাম্বার: 01712 859950 (whatsapp) বা, 01972 859950 . 🟩 চেম্বারঃ বাসা# এ-৩৮/১ , ইসলামপুর , [হাসপাতাল রোড , সরকারি হাসপাতাল এবং খাদ্য গোডাউন মোড়ের মাঝে , আমাবাগান জামে মসজিদের গলী ( চার তলা মসজিদ ) ] , ধামরাই , ঢাকা। . আরো বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন আমার লেখা ২ টি বই: ১) বয়সন্ধিকালের যৌন শিক্ষা ২) বড়দের যৌন শিক্ষা Dr. Faizul Haq

২০২৩ সাল যেভাবে কাজে লাগাতে পারেন... ১. বছরের শুরুর রাতে/দিনে অবশ্যই কিছু প্রার্থনা করুন। আপনার পূর্বের বছরের তুলনায় যেন নতুন বছর ভালো যায়, নতুন বছরে যেন নতুন দক্ষতা অর্জন করতে পারেন ও বেশি কাজ করতে পারেন সেই প্রার্থনা করুন। পুরনো বছর সময় ও সুযোগের যা অপচয় করেছেন তা নতুন বছরে না করার অঙ্গীকার করুন। ২. যাদের মা-বাবা বেঁচে আছে তারা মা-বাবার বিশেষ দোয়া নিয়ে বছর শুরু করুন। তাদেরকে আগের চেয়ে বেশি ভালোবাসুন-সেবা করুন। আপনি তাদের প্রতি যত ভালোবাসা দেখাবেন ততোই আপনার জন্য তাদের অন্তর থেকে দোয়া বের হবে। যা হতে পারে আপনার নতুন বছরে জীবন পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় কারণ। ৩. ১২ মাসে ১২টি নতুন কিছু শেখার পরিকল্পনা করুন। আপনার আগ্রহ আছে এমন ১২টি সম্ভাব্য বিষয়ের তালিকা করে কাজ শুরু করুন। একটি সুন্দর পরিকল্পনা কর্মের অর্ধেক সাধন করে। ৪. ১২ মাসে অন্তত ১২টি বই পড়ার পরিকল্পনা করুন। ১২টি বইকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভাগ করুন। প্রতি মাসের প্রথম বা প্রথম দুই সপ্তাহেই বইটি পড়ে ফেলুন। ৫. কম্পিউটার বিষয়ক কয়েকটি দক্ষতা অর্জনের পরিকল্পনা করুন। হতে পারে; ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর, ভিডিও এডিটিং, থ্রিডি, গ্রাফিক্স, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, অ্যাড ডেভেলপমেন্ট বা অনুরুপ। ৬. ডিজিটাল দুনিয়া সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়াতে কিছু পরিকল্পনা করুন। হতে পারে; ডিজিটাল মার্কেটিং, ডিজিটাল কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট, কনটেন্ট মার্কেটিং, ফ্রিল্যান্সিংয়ে পদার্পণ বা অনুরুপ। ৭. যারা কম সার্টিফিকেটধারী বা একাডেমিক আগ্রহ কম তারা উপরের যেকোনো একটি কাজ শিখলেই কর্মে প্রবেশ করতে পারবেন। বছরের প্রথম অংশের মধ্যে সেই যোগ্যতা অর্জন করে চাকরি শুরু করুন। শেষ অংশের মধ্যে নিজেকে পরিপক্ক করার পরিকল্পনা ও কাজ করুন। যেন পরবর্তী বছরে আপনি অভিজ্ঞতা নিয়ে ভালো চাকরিতে সুইচ করতে পারেন। ৮. আপনি চাকরিজীবী হলে আপনার ফিল্ডে যারা ভালো করছে তাদের থেকে শেখার চেষ্টা করুন। আপনার ফিল্ড রিলেটেড বিষয়ে পড়াশোনা করুন। সম্ভব হলে দক্ষ বৃদ্ধির ওপর যেসব প্রশিক্ষণ আছে সেখান থেকে প্রশিক্ষণ নিন। নিজেকে বর্তমান স্তর থেকে উন্নীত করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিন। ৯. একাডেমিক বিষয়ে আগ্রহী হলে আপনার প্রতিযোগিদের থেকে এগিয়ে থাকতে কিছু পরিকল্পনা করুন। প্রথম মাসে পড়াশোনায় তাদের পেছনে ফেলে দিন। কিন্তু সম্ভব হলে আপনার অগ্রগতি গোপন রাখুন। ছয় মাস অব্যহত রাখলে দেখবেন আপনার ধারেপাশে কেউ নেই। এই সময়ের মধ্যে আপনার ফিল্ড রিলেটেড কিছু লেখালেখি করুন। অন্তত একটি লেখা জার্নালে প্রকাশ করার পরিকল্পনা করুন। যেটা যৌথভাবে হলেও। আপনার ফিল্ড রিলেটেড কোথায় কী সুযোগ আছে; যেমন স্কলার্শিপের খোঁজ-খবর নিন। যোগ্য হলে আবেদন করুন। ১০. আপনার ভালো লাগে এমন বিষয়ে যেসব প্রতিযোগিতা হয় যেসব প্রতিযোগিতায় অংশ নিন। এতে আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। আপনার প্রতিযোগিদের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। ১১. সেবামূলক কাজের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখার পরিকল্পনা করুন। যেকোনো সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। আপনার নিকটজন, এলাকা বা এলাকার মানুষের নানা সমস্যা রয়েছে। তাদের সমস্যা সমাধানে সহায়তা করতে পারেন। ১২.নতুন বছরে বদ অভ্যাস ত্যাগ করার ও ভালো অভ্যাস গড়ে তোলার কাজ শুরু করুন। যেমন নেশা থাকলে ছেড়ে দিন। সকালে ঘুম থেকে ওঠা অভ্যাস করুন। ১৩. শত্রুর সংখ্যা কমিয়ে বন্ধুর সংখ্যা বৃদ্ধি করুন। যাদের সঙ্গে খারাপ সম্পর্ক আছে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। পুরনো সবকিছু ভুলে যান, তাদেরকেও অনুরোধ করুন। ১৪. কিছু গুরুত্বপূর্ণ মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করুন। যারা বিভিন্ন সময় আপনার উপকারে আসতে পারে। ১৫. আপনি ঋণ থাকলে ঋণ পরিশোধ করতে চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে কিছু সঞ্চয় করুন। সাধ্যমতো কম বা বেশি যাই হোক সঞ্চয় করতে পারেন। - জীবন পরিবর্তনের জন্য এক বছর অনেক সময়, যদি সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়। মাত্র এক বছর নিজেকে গুছিয়ে নিন। দেখবেন আপনার গোটা জীবনে বড় পরিবর্তন এসেছে। প্রতিটি কাজের সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে। প্রতিটি ভালো কাজের জন্য উত্তম প্রতিদান রয়েছে। সুতারাং সর্বদা ভালোর সঙ্গে থাকুন। -সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।