1 996
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-27 أيام
+430 أيام
أرشيف المشاركات
1 996
#মাহরাম হলো যাদের সামনে পর্দা করা ফরজ নয় এবং বিয়ের ক্ষেত্রে বৈধ নয় বা হালাল নয়!.
#গায়রে_মাহরাম হলো যাদের সামনে পর্দা করা ফরজ এবং বিয়ের ক্ষেত্রে বৈধ বা হালাল।
1 996
🚗হাইব্রিড কার নিয়ে কিছু কথা🚘
🟩প্রথমে আমরা জানার চেষ্টা করি হাইব্রিড গাড়ি কি??
আমাদের দেশে হাইব্রিড গাড়ি বলতে ব্যাটারি চালিত গাড়িকে বোঝায়।সহজ করে বললে হাইব্রিড গাড়ি হল এমন একটি যানবাহন যাতে একাধিক শক্তির উৎস থাকে।হাইব্রিড গাড়িতে একটি বৈদ্যুতিক মোটর এবং একটি পেট্রোল বা ডিজেল ইঞ্জিন ব্যবহার করে।তবে মূল উৎস হিসেবে গ্যাসোলিন (পেট্রোল বা ডিজেল) ইঞ্জিন থাকে।কারণ গ্যাসোলিন (পেট্রোল বা ডিজেল) ইঞ্জিন থেকে শক্তি পেয়ে ব্যাটারি চার্জ হয় এবং সেই ব্যাটারি দিয়ে মোটরটি চলে।
Join Cars Feed BD 🟥
🔶হাইব্রিড গাড়িতে মূল যন্ত্র হিসেবে কি কি থাকে ?
🔸একটি ব্যাটারি প্যাক। যা পিছনের সিটের নিচে থাকে।
🔸একটি পাওয়ার ইনভার্টার।
🔸একটি বৈদ্যুতিক মোটর।
🔸একটি অনবোর্ড ব্যাটারি চার্জার।
🔸ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
🔸চার্জিং পোর্ট। ( যা সাধারনত ফুল ইলেক্ট্রনিক ভেহিকলে বেশি দেখা যায় তবে বর্তমানে কিছু কিছু প্লাগ ইন হাইব্রিড কারে রয়েছে ]
✅হাইব্রিড গাড়ির উপকারিতাঃ
🔸ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়
🔸পরিবেশবান্ধব
🔸শব্দ দুষণ কমায়
🔸জ্বালানি সাশ্রয় করে তাই খরচ কম
🔸হাইব্রিড গাড়িতে ব্যবহৃত হালকা উপকরণ যা শক্তি সঞ্চয় করতে সাহায্য করে।
সবচেয়ে মজার ব্যপার হল, হাইব্রিড গাড়িতে রয়েছে রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেম প্রতিবার আপনি গাড়ি চালানোর সময় ব্রেক প্রেস করলে বৈদ্যুতিক ব্যাটারি একটু রিচার্জ হয়। ব্রেক প্রয়োগের এই গতির ফলে যে শক্তি নির্গত হয় তা একটি অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া দ্বারা ক্যাপচার করা হয় এবং ব্যাটারি রিচার্জ করতে ব্যবহৃত হয়,তাই দীর্ঘ যাত্রায় ব্যাটারি রিচার্জ করার জন্য পর্যায়ক্রমে গাড়ি বন্ধ করার প্রয়োজনীয়তা দূর করে।
🔸জ্বালানি নির্ভরতা হ্রাস করে ।
🟥হাইব্রিড গাড়ির অপকারিতাঃ
🔸তুলনামূলক ক্রয় ব্যয়বহুল তবে বর্তমানে আমাদের দেশে হাইব্রিড গাড়ির ট্যাক্স হ্রাস করা হয়েছে ।
🔸মেইন্টেনেন্স খরচ তুলনামুলক বেশি
🔸নন হাইব্রিড কারের তুলনায় বেশি সেন্সিটিভ।
🔸যেকোনো মেখানিক দ্বারা কাজ করাতে পারবেন না। কারণ হাইব্রিড গাড়ির কাজ করার জন্য দক্ষ মেখানিকের প্রয়োজন হয়। তাই কখনও যদি হাইওয়ে বা দুর্গম রাস্তায় গাড়ি বিকল হয়ে যায় তবে আপনি সমস্যায় পড়তে পারেন।
🔶হাইব্রিড গাড়ি কিভাবে চার্জ হয় ?
হাইব্রিড গাড়ি রিজেনারেটিভ ব্রেকিং সিস্টেমের মাধ্যমে চার্জ হয় অর্থাৎ , প্রতিবার ড্রাইভার ব্রেক করলে ব্যাটারিগুলি ব্রেকিংয়ের মাধ্যমে চার্জ হয়। তবে ডিসি টু ডিসি পাওয়ার কনভার্টার থাকায় ইঞ্জিনটি ব্যাটারিগুলিকেও চার্জ করে থাকে। এছাড়া যেসব গাড়িতে প্লাগ ইন চার্জ সিস্টেম রয়েছে যেমনঃটয়োটা প্রিয়াস সেগুলো আপনি মোবাইল বা ল্যাপটপের মত করেও চার্জ দিতে পারবেন।
‼️‼️বাকী অংশটি পড়তে ভিজিট করুনঃ
https://bit.ly/3KTqeQi
©️THIS BLOG IS THE PROPERTY OF Hotshot Automotive
1 996
আসসালামু আলাইকুম স্যার,
আমি আবির।বয়স ২৮ বছর।বিবাহিত প্রেম করে বিয়ে করেছি আজ প্রায় ৮ বছর হল।আলহামদুলিল্লাহ্ ২জন কন্যা সন্তান আছে আমার।
অনলাইনে আমি আপনার পোস্ট গুলো পড়ি এবং মানুষের বিভিন্ন সমস্যার আপনি যেই সমাধান দেন তা আমার ভাল লাগে।তাই আপনাকে একটা বিষয় শেয়ার করতে চাই,
আমার একটা বদ অভ্যাস আছে।সেটা হল মিলনেফ আগে ফোর প্লে করার সময় আমি স্ত্রীর যৌ/-নাজ্ঞে মুখ দিই। এটা অবশ্য আমার স্ত্রী ও পছন্দ করে।মূল সমস্যা টা হল,- বিয়ের পর থেকে প্রায় ৬ বছর যাবত আমার স্ত্রীর সাথে মি/-লন কালে ১-২ বার ছাড়া আমি কখনো তার অর্গা/-জম হতে দেখিনি।কিন্ত বিগত ১ থেকে দেড় বছর যাবত আমার স্ত্রীর যো/-নাজ্ঞে মুখ দিয়ে কিছুক্ষণ মুভমেন্ট করলে বেপকভাবে যোনিপথ থেকে পানি বের হয়ে আসে।ভংগাকুলে হাত দিয়ে মেসেজ করলেও একি ধরনের পানি বের হয়।আপনার কাছে জানতে চাই এই পানিগুলো কি আমার জন্য ক্ষতিকারক কিনা?জানতে পারলে উপকৃত হবো
অগ্রিম ধন্যবাদ আপনাকে।
পরামর্শঃ ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ!
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই পেজে সমস্যা শেয়ার করার জন্য!!
অনেক সময় পানিতে জীবাণু থাকে যেমন ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস, ছত্রাক ইত্যাদি তখন আপানার ও ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে।
সম্ভব হলে স্ত্রীর প্রসাব পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখবেন কোন ইনফেকশন বা জীবানু আছে কিনা?
থাকলে উপযুক্ত ঔষধ সেবন প্রয়োজন।
অর্গাজমের জন্য অন্য কোন বিকল্প উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে।
ধর্মীয় বিষয় ও জেনে রাখা সমুচিন।
নিকটস্থ বিজ্ঞ মুফতি সাহেবের থেকে মাসালা জেনে নেওয়ার পরামর্শ রইলো।
#DrSRKhan
1 996
ভালো সিগন্যাল স্ট্রেন্থ (ফুল বার নেটওয়ার্ক) থাকার পরেও ভালো ডাউনলোড/আপলোড স্পীড পাচ্ছেন না? তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য!
প্রথমেই বলে রাখি, এই পোস্টের সিগন্যাল ডাটা ইনস্পেক্ট করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপটির নাম "NetMonster", আপনি প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।
ভালো সিগন্যাল কোয়ালিটি বোঝার জন্য আমরা ফোনের সিগন্যাল বারের রেফারেন্স নিয়ে থাকি, ফোনে ফুল বার মানে শক্তিশালী সিগন্যাল আর বার কমতে থাকে মানে সিগন্যাল ও কমতে থাকে। যারা একটু টেকি পারসন, তারা নেটমনস্টার অ্যাপ এর RSRP ভ্যালু দেখে সিগন্যাল কতোটা শক্তিশালী সেটা বোঝার চেষ্টা করেন।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, ফোনে ফুল দাগ সিগন্যাল দেখানোর পরেও কিংবা নেটমনস্টার অ্যাপ এ শক্তিশালী RSRP ভ্যালু থাকার পরেও অনেকের অভিযোগ তিনি বা তারা ভালো LTE স্পীড পাচ্ছেন না। এখন আপনার মোবাইল ক্যারিয়ার এর নিজের ক্যাপাসিটি কম থাকা আলাদা ব্যাপার, কিন্তু সমস্যাটা সিগন্যাল এরও হতে পারে।
মনে রাখবেন, শক্তিশালী সিগন্যাল মানেই কিন্তু কোয়ালিটি সিগন্যাল নয়!
প্রথমে যারা জানেন না, LTE বা 4G তে RSRP ভ্যালু থেকে আপনার সিগন্যাল স্ট্রেন্থ সম্পর্কে জানতে পারবেন (এই ডাটা রেঞ্জ এর উপরে ভিত্তি করে ফোনের সিগন্যাল বার কমবেশি প্রদর্শিত হয়)। এখানে -dBm এ সিগন্যাল স্ট্রেন্থ ডাটা শো করে।
RSRP ভ্যালু রেঞ্জ (LTE):
১) > -70dBm থেকে -84dBm (অসাধারণ সিগন্যাল)
২) -85dBm থেকে -102dBm (ভালো সিগন্যাল)
৩) -103dBm থেকে -111dBm (চলার মতো সিগন্যাল)
৪) < -111dBm (বাজে সিগন্যাল/নো কভারেজ)
এখন এই ডাটা কিন্তু সিগন্যাল কতোটা শক্তিশালী তা ছাড়া আর কিছুই নয়। হ্যা, শক্তিশালী সিগন্যাল হলে আপনি বেশি ভালো কভারেজ পাবেন, কিন্তু ভালো স্পীড যে পাবেন সেটার কোন গ্যারান্টি এই ডাটা থেকে পাওয়া যায় না।
তাহলে কিভাবে নিশ্চিত করবেন যে আপনার প্রাপ্ত সিগন্যাল থেকে ভালো ডাটা স্পীড পাওয়া যাবে কিনা?
এখানে প্রধানত আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে দুইটি ডাটা ভ্যালু উপরে, তা হচ্ছে RSRQ (যেটা সিগন্যাল কোয়ালিটি কেমন সেটা নির্দেশ করে) এবং SNR/SINR (যেটা সিগন্যালের মধ্যে কতোটা নয়েজ মিশ্রিত রয়েছে সেটা নির্দেশ করে)
ধরুন, আপনার RSRP (সিগন্যাল স্ট্রেন্থ) অনেক হাই, মনে করুন -80dBM, কিন্তু আপনার সিগন্যালে অনেক নয়েজ রয়েছে, তাই ওভারঅল সিগন্যাল কোয়ালিটি বেটার নয়, তাহলে আপনি ভালো স্পীড পাবেন না। যতই আপনার ফোনের নেটওয়ার্ক বার ফুল থাকুক কিংবা কভারেজ অনেক ভালো হোক।
RSRQ ভ্যালু রেঞ্জ (LTE):
১) > -5dB (অসাধারণ সিগন্যাল কোয়ালিটি)
২) -9dB থেকে -5dB (ভালো কোয়ালিটি)
৩) -12dB থেকে -9dB (চলার মতো কোয়ালিটি)
৪) < -12dB (অচল/গরীব কোয়ালিটি)
SNR/SINR ভ্যালু রেঞ্জ (LTE):
১) > 12.5dB (ক্রিস্টাল ক্রিয়ার সিগন্যাল)
২) 10dB থেকে 12.5dB (পরিষ্কার সিগন্যাল)
৩) 7dB থেকে 10dB (চলার মতো)
৪) < 7dB (নয়েজি সিগন্যাল)
এবার NetMonster অ্যাপ ওপেন করে, RSRP এর পাশাপাশি RSRQ এবং SNR/SINR ভ্যালু গুলো কমপেয়ার করুন। যদি সিগন্যাল স্টেন্থ এর পাশাপাশি ভালো সিগন্যাল কোয়ালিটি পান এবং সিগন্যাল এ নয়েজ কম থাকে, তাহলে আপনি এক্সিলেন্ট ডাটা স্পীড পেতে বাধ্য! (যদিও ডাটা স্পীড নির্ভর করবে টাওয়ার ক্যাপাসিটি, কোন ব্যান্ড ব্যাবহার করা হচ্ছে, উক্ত ব্যান্ড এর ব্যান্ডউইথ কতো এলোকেট করা রয়েছে, ক্যারিয়ার এগ্রিগেশন সাপোর্ট রয়েছে কিনা ইত্যাদি ফ্যাক্টর এর উপরে)।
আশা করছি এবার পুরো ব্যাপারটার উপরে একটা পরিষ্কার ধারণা তৈরি হলো!
1 996
কেউ ব্যাক্তিত্বের প্রেমে পড়ে। কেউ কন্ঠস্বরের প্রেমে পড়ে। কেউ চঞ্চলতার প্রেমে পড়ে। কেউ মায়াবী চোখের প্রেমে পড়ে। কেউ মানুষটা যেমনই হোক শুধু ওই মানুষের প্রেমে পড়ে। সুন্দর মানেই শুধু সাদা চামড়া নাহ। সবাই সাদা চামড়ার প্রেমে পড়ে না। সৌন্দর্য ব্যাপারটা একেকজনের কাছে একেকরকম।
1 996
List of don'ts:
কাউকে অফিসের বেতন কত জিজ্ঞেস করতে নেই।
কাউকে শুকিয়ে বা মুটিয়ে গেছ কেন জিজ্ঞেস করতে নেই।
কাউকে বয়স কত জিজ্ঞেস করতে নেই।
সন্তানের শিক্ষকের বেতন সন্তানকে দিয়ে শিক্ষককে দিতে নেই।
হিন্দুকে গো মাংস খায় কিনা জিজ্ঞেস করতে নেই।
মুসলমানকে শুকরের মাংস খায় কিনা জিজ্ঞেস করতে নেই।
কাউকে বিয়ে করছ না কেন জিজ্ঞেস করতে নেই।
কাকে ভোট দিবেন জিজ্ঞেস করতে নেই।
কাউকে মুখে ওটা কিসের দাগ জিজ্ঞেস করতে নেই।
রোজার দিনে নারী জাতির কাছে রোজা রেখেছো কি না জিজ্ঞেস করতে নেই।
কাউকে চুল পড়ে যাচ্ছে কেন বা সাদা হয়ে যাচ্ছে কেন বা চুল কালো করছেন না কেন জিজ্ঞেস করতে নেই।
অথবা চুল বড় কেন চুল কাটছেন না কেন জিজ্ঞেস করতে নেই।
এইসব জিজ্ঞেস করতে গলার ভেতরটা কুটকুট করে উঠবে,
তবু জিজ্ঞেস করতে নেই।
এইগুলা জিজ্ঞেস করা ভদ্রলোক এর কাজ নয়।
লেখাঃ Kamrul Hassan Mamun ( পরিমার্জিত )
1 996
নারীর পক্ষে থেকে যদি সেক্সের জন্য আহ্বান করা হয় তবে পুরুষের কাছে খুব ইন্টারেস্টিং হয়, কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো নারী সেক্সের জন্য তেমন একটি আহ্বান করে না, নারীর মনে সেক্স জাগ্রত হয় তবে তারা এটা প্রকাশ করতে চায় না।
যার সামনে পুরো কাপড় খোলা যায় তার সাথে কিসের লজ্জা, সারা দুনিয়ার সাথে আপনার লজ্জা গ্রহণযোগ্য কিন্তু স্বামীর কাছে নায়, তাকে আপনার যৌনতা দিয়ে মুগ্ধ করে রাখুন, অবশ্য মনে রাখতে হবে যৌনতাকে চাপিয়ে রাখা হলে শারীরিক অনেক রোগও তৈরি হতে পারে, যদি মিলনে সুযোগ থাকে তবে কেন কষ্ট করবেন।
স্বামী চাইলে যৌন মিলন হবে, কিন্তু সেটা যদি স্ত্রীর আগ্রহে হয় তবে দুজনেই বেশ তৃপ্তি পাবেন।
এগুলি আমাদের দেশে স্ত্রীরা বুঝতে পারে না বলে এত অশান্তি লেগে থাকে সংসারে
এবং এই একটা বিষয়ের জন্য পুরুষ টা পরকীয়া জরিয়ে পরে
এটা আমাদের সমাজের সকলে নারী দের বুঝতে হবে
©Imran ahsan
1 996
ফেসবুকে গ্রুপ অ্যাডমিনদের @everyone ট্যাগের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে সেটিংসে অপশনটা অফ করে ফেলুন।
1 996
1 996
স্বামী-স্ত্রী প্রচন্ড ঝগড়ার পর, স্বামী রাগ করে মাদ্রাসায় চলে গেল।
দশ মিনিট পরে স্ত্রীর ফোন, "আমি চললাম, তোমার সংসার, ছেলে মেয়ে সব ফেলে। যে দিকে দু'চোখ যায়।
স্বামী ঠিক আছে, যাও বলে ফোনটা কেটে দিল। (এটা বিশ্বাস)!
দুপুরে লাঞ্চ টাইমে বাসায় এসে দেখে স্ত্রী কোথাও যায়নি, বাসাতেই আছে এবং রান্না বান্না করে টেবিলে খাবার সাজিয়ে রেখেছে। (এটা মায়া)
এরপর দুজন দুই রুমে মুড অফ করে শুয়ে আছে, কারো কোন কথা নেই। কেউ কাউকে খেতেও ডাকছে না, নিজেও খাচ্ছে না। (এটা অভিমান)
বিকেলে স্ত্রী তার বাচ্চাকে নিয়ে মাদ্রাসায় চলে গেল। (এটা দায়িত্ববোধ)
স্বামী বেচারা প্রচন্ড ক্ষুধার্ত হয়ে ডাইনিং টেবিলে গিয়ে দেখে দুটো প্লেট সাজানো, দুটো গ্লাসে জল ঢালা, তারপর কি ভেবে ফিরে এলো রুমে। ঠিক করলো স্ত্রী এলে দুজন একসাথে খাবে। (এটা অপেক্ষা)
রুমে এসে স্ত্রীর মোবাইলে টেক্সট করলো, "তুমি যে কারনে যেতে পারোনি, আমিও সে কারণে খেতে পারিনি।" (এটা ভালোবাসা..!)
শুধু ভালোবাসা দিয়ে সংসার টেকে না, সংসার টিকে থাকার জন্য দরকার বিশ্বাস, মায়া, অভিমান, দায়িত্ববোধ এবং অপেক্ষার...।
- শায়খ মুখতার আহমদ
1 996
❄️ শীতে ওজন কমাতে চান ? ❄️
বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শীতকালে ওজন কমানো একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। শীতে শরীরের মেটাবলিজম হার কমতে থাকে, সেই সাথে শারীরিক কার্যকলাপের পরিমাণও কমে এই সময়ে। আর শীতকালে খাওয়া-দাওয়ার পরিমাণও বাড়ে। সব মিলিয়ে বাড়তে থাকে ওজন। তবে ৫টি সহজ নিয়ম মেনে চললে শীতেও ওজন কমানো সম্ভব।
✅ কাঁপুনি:
শীতে কাঁপুনির জন্য এমন না আপনাকে অনেক সকালে গরম কাপড় ছাড়াই বের হয়ে যেতে হবে। যখন আবহাওয়া সহনীয় হবে তখনই আপনি বের হন গরম কাপড় ছাড়া। হতে পারে বিকাল বা সন্ধ্যার সময় যখন সূর্যের তাপ থাকে না।
গবেষণা মতে, শীতে ১০ থেকে ১৫ মিনিটের কাঁপুনি ঘণ্টাখানেকের ব্যায়ামের সমান। শুধু তাই নয় এটি আপনার পেশী সংকোচনও করে।
✅ স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া:
শীতে আমরা বেশি খাই এই বিষয়টি একাধিকবার প্রমাণিত। ঠাণ্ডা আবহাওয়া আমাদের ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। কারণ বেশি মাত্রায় ক্যালোরি খেলে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। শীতকালে খাওয়া-দাওয়া বেশি হবে সে বিষয়টি ঠিক আছে কিন্তু খাবার দাবার যেনো ফাইবার সমৃদ্ধ ও স্বাস্থ্যকর হয়। ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি ঝুঁকি কমায়। একসাথে বেশি খাবার না খেয়ে অল্প অল্প করে খাওয়ার চেষ্টা করুন।
✅ গরম পানি এড়িয়ে চলুন:
শীতকালে বেশিরভাগ মানুষ গরম পানি খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু আপনি যদি আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাহলে আপনাকে স্বাভাবিক পানি খেতে হবে।
গবেষণায় দেখা গেছে যে শরীরের মূল তাপমাত্রার চেয়ে বেশি ঠাণ্ডা পানি খেলে শরীর কঠোর পরিশ্রম করার জন্য প্রস্তুত হয়।এতে করে ওজন কমানোর জন্য অনেক ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে।
✅ হার্বাল টি ও ব্ল্যাক কফি:
দুধ, চিনি দেওয়া চা-কফির পরিবর্তে ব্ল্যাক টি বা কফি খাওয়া শুরু করেন। হার্বাল টি, ব্ল্যাক টি বা ব্ল্যাক কফিতে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি থাকে। প্রতিদিন এই চা-কফি পান করলে মেটাবলিজম বৃদ্ধি পায় এবং তা ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে।
✅ গৃহাস্থলির কাজ করা:
শীতকালে বাইরে যেয়ে ব্যায়াম করার ইচ্ছা না হলে বাড়ির কাজগুলো নিজ হাতে করার চেষ্টা করুন। ঘর পরিষ্কার করা, মোছা, কাপড় ধোওয়া, বাগান করা ক্যালোরি কমাতে সাহায্য করে। বাড়িতে বা অফিসে কাজ করার সময় ৩০ মিনিট পর পর সিট থেকে উঠে হাটাহাটি করুন।
এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন -
🔰https://www.facebook.com/groups/149192167228573 🔰
#konna #weightloss #weightlossjourney #fitness #healthylifestyle #motivation #health #healthy #workout #diet #fitnessmotivation #healthyfood #weightlosstransformation #gym #fit #nutrition #fitfam #fatloss #healthyeating #exercise #slimmingworld #weightlossmotivation #transformation #keto
1 996
এজন্য, নিজেকে অহেতুক উত্তেজিত করা যাবে না। উত্তেজনা এলে তা প্রশমিত করতে প্রস্রাব করে ওজু করে নিতে হবে।
ব্যথা কমাতে হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না। এতে মৈথুন এর সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
মৈথুন করলে ব্যথাঃ Peyronies Disease এর জন্য হতে পারে। বিস্তারিত পড়ুন https://bit.ly/2YVl67e - ৮ নম্বর পয়েন্ট।
৫. লিঙ্গ উত্তেজিত হলে লাল দাগের মত দেখা যায়
দেহের আর সব অংগের মতো পেনিসেও রক্ত সঞ্চালিত হয়। তাই, সেখানেও আছে প্রচুর রক্তনালি। এই রক্তনালিগুলোর কাজ রক্ত সাপ্লাই দেয়া। স্বভাবিক অবস্থায় যতটা রক্ত সঞ্চালিত হয়, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি সঞ্চালিত হয় যখন আপনি উত্তেজিত হন। ফলাফল হিসেবে আপনার পেনিস দৃঢ়, শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে যায়।
আপনার ক্ষেত্রেও ব্যপারটি তা-ই। একারণেই সকালে 'মর্নিং ইরেকশন' হলে বা, স্বপ্নদোষ হলে অথবা অযথাই হস্তমৈথুন করে নিজেকে উত্তেজিত করলে রক্তনালিগুলোতে অতিরিক্ত রক্ত চলে আসে, আর তখন সেটাই আপনি লাল দাগের মতো দেখতে পান।
তবে লক্ষ করবেন-
▪️রক্তনালি গুলো হাত দিয়ে ধরে মৃদু চাপ দিলে ব্যথা অনুভূত হয়?
▪️পেনিস বা অন্ডকোষে অস্বাভাবিক রকম ফোলা মনে হয়?
এরকম কিছু ব্যপার যদি থাকে তবে একজন ইউরোলজিস্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৬. আমার পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা, এটা কি কোন সমস্যা?
পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা এটা কোন সমস্যা নয় । স্কুল জীবন থেকেই রাস্তাঘাটের তথাকথিত হার্বাল, কবিরাজ এবং ভেষজ ডাক্তারদের বিভ্রান্তিকর লেকচার শুনতে শুনতে অনেকের মধ্যেই এ বিষয়ে একটা বদ্ধমূল ভূল ধারণা তৈরি হয়ে আছে। গোঁড়া চিকন আগা মোটা বা বাঁকা পেনিস যৌনমিলনে কোন সমস্যার সৃষ্টি করেনা । এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।
৭. পেনিসের রগগুলো ফুলে উঠেছে! এটা কি কোন সমস্যা?
না।
---
(চলবে, ইনশাআল্লাহ্)
@lost modesty
1 996
#অস্ত্রধারীর_দুঃখগাথা
ফরেনসিক মেডিসিনের ভাষায় পুরুষাঙ্গ বা পেনিস একটি অস্ত্র! প্রকৃতপক্ষে এটা কেবল অস্ত্র নয়, রীতিমত ব্রক্ষ্মাস্ত্র!
এই অস্ত্র পুরুষের পৌরুষত্বের প্রতীক।
যে প্রকৃত সৈনিক, সত্যিকারের যোদ্ধা; সে তার অস্ত্র সযত্নে রাখে। ধৈর্যের মাধ্যমে নিজেকে শানিত করে। হয়ে ওঠে বীর!
আর মামুলি লোকেরা অস্ত্র পেয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার, অপব্যবহার আর ভুল ব্যবহারের মাধ্যমে অকেজো করে ফেলে তার বীরত্বের প্রতীক কে। যা ছিলো তার বাহাদুরির সম্বল তাই পরিনত হয় ব্যর্থতা, লজ্জা আর হতাশার কারন।
সেই অস্ত্র নিয়ে আপনাদের থেকে পাওয়া মৌলিক প্রশ্নগুলোর আলোকে আমাদের আলোচনা থাকবে ‘অস্ত্রধারীর দুঃখগাথা’ শিরোনামে।
---
প্রথম পর্বের আলোচ্য বিষয়ঃ পুরুষাঙ্গের আকার-আকৃতি।
১. পেনিসের সঠিক দৈর্ঘ্য আর প্রস্থ কত? মানে কত ইঞ্চি লম্বা ও মোটা হলে তা ঠিক আছে?
আগে বলুন তো, মানুষের সঠিক দৈর্ঘ্য কত? বুকের বা কোমরের মাপ কত হলে তা পারফেক্ট? আসলে এগুলো "বেকার প্রশ্ন"! একেক মানুষ একেক রকম। জলবায়ু, পরিবেশ আর খাদ্যাভাসের কারনে আফ্রিকানরা লম্বা, সুঠাম। চাইনিজরা খাটো, হালকা পাতলা। তেমনি পেনিস ও একেক জনের একেক রকম।
আমরা গড় করে বের করি- বাঙালি সাড়ে পাঁচ ফুট হলে পারফেক্ট! তেমনি অনেকে গড় করে বলে পেনিসের স্বাভাবিক দৈর্ঘ ৪.৭- ৬.৪ বা ৫.১-৫.৯ বা ৪.৫- ৬.০ ইঞ্চি ইত্যাদি! প্রথমত এগুলো অন্যদেশের গবেষণার ডাটা। আমাদের দেশের কোন অথেনটিক ডাটা নেই। দ্বিতীয়ত এগুলো "গড়" হিসাব! সবার জন্য কমন নয়।
"গড়" মানে বোঝেন তো? একটা নদীর গড় গভীরতা ১০ ফিট হলে তার মানে কোথাও ১৮ ফিট আবার কোথাও ২ ফিট! তাই এসব দেখে "হায় হায়! আমার সব গেলো" টাইপ হা-হুতাশ বন্ধ করুন। পর্নোগ্রাফি আর চটি পড়ে বিশ্বাস হয়ে গেছে যে ইয়া লম্বা আর মস্ত বড় না হলে পুরুষই হওয়া যায় না।
আরে ভাই, ওখানে ক্যামেরার কারসাজি, সার্জারির ফাকি ছাড়াও মনে রাখতে হবে ঐটা রুপালি পর্দা, বাস্তব না। ‘ওর’ টা ঐ রকম বলেই ও এই ক্লিপটা করতে পারছে। সবাই কি সুপারম্যান, উসাইন বোল্ট হয়? ওদের সাথে নিজের তুলনা করা বোকামি। ওদের মত হতে চাওয়া আহাম্মকি!
এখন শুনুন, পেনিসের কাজ যদি হয় স্ত্রীকে খুশি করা এবং গর্ভসঞ্চার, তবে মাত্র ৩ ইঞ্চিই যথেষ্ট। "সাইজ ডাজন্ট ম্যাটার!"।
আপনি উত্তরে সন্তুষ্ট হতে পারেন নি? আপনার পেনিস বড় করাই লাগবে? তাহলে পড়ুন-
i. এটা টেনেহিচড়ে বড় করার কোন উপায় নেই। পেনিস পাম্প বা ঝাঁকানোর ব্যায়াম আর তেল/ মধু/ ক্রিম দিয়ে মালিশ পেনিস ‘তেমন’ বড় করতে সক্ষম নয়। এগুলা ভুয়া। ম্যাসাজ করে করে যা আছে ঐটুকুও নষ্ট করে ফেলবেন না।
ii. চটকদার বিজ্ঞাপনে বিভ্রান্ত হবেন না। মানুষের ৪/৫ ফিট শরীরকে আর মাত্র ৪/৫ ইঞ্চি বড় করতে পারে এমন কোনো মেডিসিন (মারাত্মক ক্ষতিকর হরমোন থেরাপি ছাড়া) নেই। সেখানে ৩/৪ ইঞ্চি পেনিসকে ২/৩ ইঞ্চি বড় করে ফেলবে এমন ভুয়া মেডিসিন স্বপ্নে দেখাও তো বোকামি।
iii. লিঙ্গ সাধারণত প্রাকৃতিকভাবেই ২১ বছর বয়স পর্যন্ত বড় হয়। ততদিন ধৈর্য ধরতে হবে। এর মধ্যে কোনো বাজে অভ্যাস থাকলে তা বাদ দিয়ে লিঙ্গকে সুস্থ হয়ে উঠার সুযোগ দিতে হবে।
iv. রেগুলার নিম্নাঙ্গের লোম পরিস্কার রাখবেন। এতে লিঙ্গ কিছুটা বড় দেখাবে। মানসিক চাপ কমবে।
২. আমার ঐটা বেশিই ছোট! বড় করার কী উপায়?
পেনিস উত্তেজিত অবস্থায় ২ - ২.৫ ইঞ্চির বেশি হয়ই না? একজন ইউরোলজিস্ট সার্জন দেখিয়ে "প্রস্থেসিস" লাগিয়ে নিন।
৩. আমার পেনিস বাঁকা। এটা কী সমস্যা?
আমাদের শরীরের স্ট্যাবল গঠনের পেছনে আছে হাড়ের কাঠামো। হাড় না থাকলে আমরা দাঁড়াতে, হাঁটতে বা চলতে পারতাম না। জোঁকের মত পিছলে যেতাম!
পেনিসে স্পঞ্জের মত ৩ টি মাসল ছাড়া আর কোন শক্ত কাঠামো নেই। তাই পেনিসও কখনোই সম্পূর্ণ সোজা হয়না। এই এক দিকে বাঁকা বা সামান্য মোচড়ানো গঠনটাই স্বাভাবিক গঠন। এটি কোন সমস্যা নয়। তবে হ্যাঁ, অত্যাধিক হস্তমৈথুন বা অন্যকোনো উপায়ে মৈথুন করলে পেনিসের ছোট ছোট রক্তনালী ফেটে মাইক্রোব্লিডিং হয়। এগুলো জমে গিয়ে স্কার বা চল্টা তৈরী করে পেনিসকে এক দিকে বেশি বাঁকিয়ে দিতে পারে বা আকৃতি পরিবর্তন করে দিতে পারে।
সেক্ষেত্রে সারাজীবনের জন্য সব ধরনের বিকৃত যৌনাচার বাদ দিতে হবে। তাহলে আস্তে আস্তে "ফ্যাগোসাইটোসিস" প্রক্রিয়ায় স্কার গুলো শোষিত হতে থাকবে আর নতুন টিশ্যু তৈরি হবে। এতে কত সময় লাগবে তা নির্ভর করে ক্ষতির পরিমান, খাবারের পুষ্টিমান আর শারীরিক ফিটনেসের উপর।
ধৈর্য ধরে সযত্নে রাখুন। একসময়ে স্বাভাবিক মাত্রায় চলে আসবে ইনশাআল্লাহ।
৪. উত্তেজিত হলে/ মৈথুন শেষে পেনিস ব্যথা করে- এমনটা কেনো?
উত্তেজিত হলে ব্যথাঃ হাড় বা হাড্ডি আমাদের শরীরকে ধরে রাখে। Support দেয়। এর জন্যই আমরা দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে পারি। পেনিসে কোনো হাড় নেই। কিছু লিগামেন্ট ছাড়া কোন Support ও নেই। উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি হয়ে এটি উত্থিত হয়। Support না থাকায় এক সময় ফ্যাটিগ হয়ে যায়। ব্যথা করে। হাত দিয়ে ধরলে/ সহবাসের সময় পেনিস সাপোর্ট পায় বলেই ব্যথা কমে যায়।
1 996
💘 যে কথায় মিলনে বাড়বে তৃপ্তি 💘
কথায় বলে- পুরুষ মানুষ দুই প্রকার। জীবিত আর বিবাহিত। সত্যিই কি বিয়ের পর পুরুষের সুখ চলে যায়? তাঁদের মন বিষিয়ে ওঠে? কিন্তু উপায় কী। হ্যাঁ, বিশেষজ্ঞরা বের করেছেন, বিবাহিত কিংবা দাম্পত্য জীবনে কীভাবে সুখে থাকা যায় তার রহস্য। বিশেষ করে মিলনে তৃপ্তি পাওয়ার উপায়।
যৌনসম্পর্ক ভালো হওয়ার জন্য কত লোকই কত কিছুই না করে। কত জন কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করছে।
কিন্তু সমীক্ষা বলছে, এত কিছুর কোনো প্রয়োজন নেই। পার্টনারকে মিলনে সন্তুষ্টি দিতে চান? তাহলে মিলনের একটু আগে তাঁকে আই লাভ ইউ (আমি তোমাকে ভালোবাসি) বলুন। ব্যাস, এতেই বাজিমাত!
মিলনের সময় তাঁরা আই লাভ ইউ বাক্যটি তাঁদের পার্টনারের কাছ থেকে শুনতে পেলেই, তাঁদের তৃপ্তি ভালো হয়।
তাহলে আর দেরী কেন? মিলনের সময় আর যাই করুন, সেই বহুবার বলা কথাটাই সঙ্গীর কানের কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে বলুন, আই লাভ ইউ। ব্যস, যৌন তৃপ্তিতে কোনো খাদ থাকবে না। আর হিনমন্যতায় না ভুগলে সম্ভব হলে তার রূপের একটুখানি প্রশংসা করুন।
এছাড়াও তৃপ্তির বিষয়ে গবেষণায় আরও দেখা গেছে, মোজা পরে সঙ্গম করলে চরম সুখ প্রাপ্তি হয়
।
বিজ্ঞানীদের মতে, পায়ে মোজা পরা থাকলে যৌন সুখ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে উত্কট রহের মোজা পরলে হিতে বিপরীত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
হাসিখুশি পুরুষের প্রতি আদৌ কোনো যৌন আকর্ষণ বোধ করে না নারী। বরং গোমড়া মুখের সঙ্গীর প্রতি দৈহিক মিলনের তীব্র কামনা অনুভব করে নারী।
অন্যদিকে, নারীর হাসিমুখ দেখে পুরুষের যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সুতরাং কাতুকুতু দিলেও কোনো মতে পুরুষের হাসি চেপে রাখাই বিধেয়।
রৌদ্রস্নানে টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি পায়। এর ফলে স্ত্রী পুরুষ উভয়েরই মনে তীব্র মিলনের কামনা জাগে। মিলনের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলতে রোদ পোহানো অভ্যেস করতে পারেন।
পূর্বরাগ পর্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে পুরুষের নাক। নাকের সামনের নরম অংশের স্পর্শে নারীর যৌন চেতনা জেগে ওঠে। তীব্র কামোন্মাদনা তৈরি হয়।
ঘর্মাক্ত পুরুষ দেখলে অধিকাংশ নারীর প্রবল যৌন ইচ্ছা তৈরি হয় বলে এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে। আসলে পুরুষের ঘামের সঙ্গে অ্যান্ড্রোস্ট্যাডিএনোন ক্ষরণের ফলে জাগ্রত হয় নারীর যৌন চেতনা।
একটি ভুল ধারণা প্রচলিত আছে তা হলো, পেশিবহুল পুরুষ মাত্রই নারীকে চরম যৌন তৃপ্তি দিতে সক্ষম। কিন্তু বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যে সমস্ত পুরুষের শরীরের মধ্যপ্রদেশ স্ফীত, তাঁরাই দীর্ঘ সম্ভোগ করতে পারেন। আসলে শরীরে চর্বি থাকার মানে হলো স্ত্রী হরমোন এস্ট্র্যাডিওল-এর আধিক্য। এই হরমোনের সাহায্যে চরম রতিসুখের স্তরে পৌঁছাতে সাধারণের তুলনায় অন্তত ৫ মিনিট বেশি সময় লাগে ভুঁড়ি সমৃদ্ধ পুরুষের। তাই সিক্স প্যাক্স-এর মোহ ত্যাগ করে নারীরা স্থূল শয্যাসঙ্গী বাছলেই অধিক যৌন তৃপ্তি লাভ করবেন।
যত্ন করে দাড়ি কামানো মুখের চেয়ে গালে খোঁচা খোঁচা দাড়িই নারীকে বেশি আকর্ষণ করে বলে গবেষণায় জানা গেছে। এলোমেলো চুল আর অগোছাল দাড়ির পুরুষের সঙ্গে যৌন মিলনে তৃপ্ত হন বেশির ভাগ নারী।
অন্তরঙ্গতা বাড়াতে চুমুর বিকল্প নেই, জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যে যুগল ঘন ঘন চুম্বনে অভ্যস্ত, দেখা গেছে দীর্ঘায়িত যৌন মিলনের আনন্দ তাঁরাই উপভোগ করেন।
মশলাদার খাবার পুরুষের যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে বলে কথিত আছে। পছন্দের পুরুষের থেকে সম্পূর্ণ দৈহিক সুখ লাভ করতে হলে তাঁকে মশলা মিশ্রিত সুস্বাদু পদ পরিবেশন করুন।
মাথা ধরার অব্যর্থ দাওয়াই হলো রতিসুখ, জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের মতে, যৌন তৃপ্তি অনেক সময় আংশিক অথবা পুরোপুরি মাইগ্রেন সারাতে সক্ষম।
বিজ্ঞানীদের মতে, বয়স্কা নারীরা অল্পবয়েসীদের চেয়ে তুলনায় দ্রুত যৌন সুখের চরম সীমায় পৌঁছান। এই কারণে বয়সে বড় নারীর সঙ্গে পুরুষের সঙ্গম বেশি তৃপ্তিদায়ক বলে মনে করেন তাঁরা।
জানেন কি, ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও বহু মানুষ রতিক্রিয়াশীল থাকতে পারেন? ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে খাওয়া অথবা হেঁটে-চলে বেড়ানোর অভ্যাসের মতো কেউ কেউ ঘুমন্ত অবস্থায় দিব্যি যৌন মিলনে লিপ্ত হতে পারেন। এই অসুখের নাম 'সেক্সমনিয়া'। মজার কথা, ঘুম ভাঙলে ঘটনাটি একেবারেই ভুলে যান তাঁরা।
©Konna
1 996
ছেলেদের ত্বকের যত্ন কিভাবে নিবেন?
৫ টি পরামর্শ
১. অতিরিক্ত রোদ, ধূলা বালি এড়িয়ে চলুন। রোদে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হলে অবশ্য সান মাস্ক ইউজ করুন।
২.বাসায় ফিরে এসে দ্রুত কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন তারপর ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।
৩. ফেস ওয়াশ কয়েক ধরনের
ছেলেদের ত্বক রুক্ষ, তৈলাক্ত থাকে সেজন্য ফোম ফেশওয়াশ, স্ক্রাবিং টা সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করুন
৪. ফেসওয়াশ টা যেন অতিরিক্ত খার না হয় এটা খেয়াল রাখতে হবে তবে এক এক জনের ত্বক একএক রকম যেটা আপনার স্কিনের সাথে শুট করে ওটা নিয়মিত ব্যবহার করুন এজন্য কয়েকটি ট্রায়াল করে নিবেন।
৫. মুখে ব্রণ থাকলে হাত দিবেন না,প্রচুর পানি পান করুন।
৬. চোখের নিচে কালো দাগ হলে অতিরিক্ত রাত জাগবেন না।
৭. ত্বকের আদ্রতা বজায় রাখার জন্য শশা খান এতে প্রচুর পরিমানে পানি থাকে এবং কচি ডাবের পানি ও বেশ উপকারী।
স্কিনের বয়সের ছাপ দূর করতে ভিটামিন সি খাবার খেতে পারেন।
৮. শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজিং লোশন ব্যবহার উত্তম অথবা ভালো অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।
৯. যারা ত্বকে রেজার বা ব্লেড ব্যবহার করেন একটু সচেতন থাকতে হবে ভুলেও একই রেজার বা ব্লেড বারবার ব্যবহার করবেন না। প্রতিদিন সেভ না করাই উত্তম।
সম্ভব হলে দাড়ি রেখে দিবেন।
দাঁড়ি ছেলেদের সৌন্দর্য।
1 996
স্ত্রী সহবাসের সময় পরিধান কৃত কাপড় কি নাপাক হয়ে যায়।
উত্তর----স্ত্রী সহবাসের কারণে জামা-কাপড় নাপাক হয়ে যায় না। বরং কাপড়ে নাপাকি লাগলে তা নাপাক হয় এবং ধৌত করে পবিত্র করে নিতে হয়। অন্যথায় নয়। রাসূলুল্লাহ ﷺ আম্মার রাযি.-কে বলেন,
يَا عَمَّارُ إِنَّمَا يُغْسَلُ الثَّوْبُ مِنْ خَمْسٍ: مِنَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ وَالْقَيْءِ وَالدَّمِ وَالْمَنِيِّ
‘হে আম্মার! নিশ্চয় ৫টি কারণে কাপড় ধৌত করতে হয়। যথা- ১. পায়খানা, ২. প্রশ্রাব, ৩. বমি, ৪. রক্ত, ৫. বীর্য। (সুনানে দারা কুতনী ৪৫৮)
ফিকহের কিতাবে এসেছে,
أَنْ كُلَّ مَا يَخْرُجُ مِنْ بَدَنِ الْإِنْسَانِ مِمَّا يَجِبُ بِخُرُوجِهِ الْوُضُوءُ أَوْ الْغُسْلُ فَهُوَ نَجِسٌ، مِنْ الْبَوْلِ وَالْغَائِطِ وَالْوَدْيِ وَالْمَذْيِ وَالْمَنِيِّ، وَدَمِ الْحَيْضِ وَالنِّفَاسِ
‘নিশ্চয় যে সকল জিনিস মানুষের শরীর থেকে বের হলে অযু অথবা গোসল ওয়াজিব হয়ে যায় তা নাপাক। যেমন, পেশাব, পায়খানা, ওদী, মযী, বীর্য, হায়েয এবং নেফাসের রক্ত। (বাদাইয়িউস সানায়ী ১/৬০ আলমুহীতুল বুরহানী ১/৫০)
متاح الآن! بحث تيليغرام 2025 — أهم رؤى العام 
