ar
Feedback
Study on Telegram! (SOT) - Admission News Platform

Study on Telegram! (SOT) - Admission News Platform

الذهاب إلى القناة على Telegram

🔰 সঠিক সময়ে, সঠিক সংবাদ ❝হোঁচট খাওয়া মানেই হেরে যাওয়া নয়, জয়ের অনীহা থেকেই পরাজয় শুরু হয়।❞ 👥 𝐂𝐨𝐦𝐦𝐮𝐧𝐢𝐭𝐲 𝐆𝐫𝐨𝐮𝐩: @HSCAdmissionHelpline 📲 𝐒𝐞𝐧𝐝 𝐔𝐬 𝐅𝐞𝐞𝐝𝐁𝐚𝐜𝐤: @SOTfbBot ©️ SOT

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Study on Telegram! (SOT) - Admission News Platform

تُعد قناة Study on Telegram! (SOT) - Admission News Platform (@study_on_telegram) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 32 579 مشتركاً، محتلاً المرتبة 5 866 في فئة التعليم والمرتبة 588 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 32 579 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 21 يوليو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -625، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -30، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 8.31‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 4.23‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 2 709 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 1 378 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
🔰 সঠিক সময়ে, সঠিক সংবাদ ❝হোঁচট খাওয়া মানেই হেরে যাওয়া নয়, জয়ের অনীহা থেকেই পরাজয় শুরু হয়।❞ 👥 𝐂𝐨𝐦𝐦𝐮𝐧𝐢𝐭𝐲 𝐆𝐫𝐨𝐮𝐩: @HSCAdmissionHelpline 📲 𝐒𝐞𝐧𝐝 𝐔𝐬 𝐅𝐞𝐞𝐝𝐁𝐚𝐜𝐤: @SOTfbBot ©️ SOT

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 22 يوليو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة التعليم.

32 579
المشتركون
-3024 ساعات
-1627 أيام
-62530 أيام
أرشيف المشاركات
কোন পরীক্ষা বাতিল হইছে বাঁ হবে এমন কোন অফিশিয়াল নোটিশ দেয় নাই। তাও আলোচনা হচ্ছে গতদিনের এক্সাম নিয়ে। কালকের এক্সাম নিয়ে কোথাও কথা হচ্ছে না। সো কালকের জন্য চুপচাপ সব অফ রেখে পড়তে বসও। যদি কিছু হয় বাঁ কালকের এক্সাম না হয় তাইলে তা তোমার বাবা মাই তোমাকে টিভির নিউজ দেখে জানাবে। আমাকে গালি দিয়ে বাঁ সরকারকে গালি দিয়ে আপাতত লাভ নাই। যদি এক্সাম হয় তাইলে সামনের কিছু সময় পড়ে নিজের রেসিডুয়াল নলেজের উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা দিয়ে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। Just switch off the phone and try to study. Its already 10.00 pm। মাহাদী আমিনের পোস্ট দেখলাম একটু আগে সেখানের কথা অনুযায়ী এক্সাম হবে এটাই বলা যায়। – Sadiqur Rahman Sadab (Battle of Biology)

ফার্মের মুরগি মোরগ রা সাড়া দেও দেখি তোমগো রে🤭

দূর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি এটাই যে, এটা বাংলাদেশ। এখানে যারা উপরের সারিতে বসে কোনটা সঠিক, কোনটা ব্যাঠিক নির্বাচন করেন, তাঁদের সন্তানরা আদোতে দেশে পড়াশুনা করে না। বা করলেও তাদের লেভেল আলাদা থাকে। তারা আমাদের মতো সাধারণ স্টুডেন্টদের ভোগান্তি কখনও দেখবে না। কারণ, তাঁরা বা তাদের সন্তান এগুলো ফেস করে না। পরিস্থিতি যা বুঝছি স্টুডেন্টরা মরে গেলেও তাদের কিছু যায় আসেনা। কারণ, সন্তান তো তাঁদের না। এখন, পড়াশুনায় ফোকাস করা ছাড়া অন্য উপায় দেখিনা। যদি পরীক্ষা স্থগিত করে, আলহামদুলিল্লাহ। না করলে ঠিকই পরীক্ষা দেয়া লাগবে। এদিকে যা বোঝা যাচ্ছে, এডমিশনও দ্রুত শুরু হবে। অন্যান্য বোর্ডদের আগে পরীক্ষা শেষ হলেও চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষার পরে বাকি পরীক্ষাগুলো হবে। এখন একটাই অপশন দেখা যাচ্ছে, এখন HSC এর প্রপারেশনের সময় যা পড়তেছো, সেগুলো ভালো করে পড়ো। এডমিশনে গিয়ে এমনিতেই শুরু থেকে পড়ার সময় থাকে না। যারা কোনো রকমে পড়ে যাচ্ছো, তারা সামনে চোখে সরষে ফুল দেখার জন্যে প্রস্তুত থাকো। সব মিলে একটাই বলবো, এখন ভালোমতো পড়ার বিকল্প নাই। গত ব্যাচে টাইম একদমই দেয়নাই। এবারও দিবেনা। আগে এডমিশনে মোটামুটি সময় পাওয়া যেতো। এখন ঝটপট সব হয়ে যাবে।

শিক্ষামন্ত্রী মিলন আজকে জোর করে এইচএসসি পরীক্ষাটা নিয়েছে। দেশের চারদিকের বন্যা, জলাবদ্ধতা দেখে স্টুডেন্টরা ভেবেছিল হয়তো তাদের প্রতি একটু মায়াদয়া করা হবে, পরীক্ষাটা পেছানো হবে। কিন্তু নির্দয় শিক্ষামন্ত্রী সেসব করেনি। সে নিজের ইগো বাঁচাতে গিয়ে হুট করেই রাত ৭ টায় ঘোষণা দিয়েছে পরীক্ষা হবে। যেহেতু পদার্থবিজ্ঞানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা ছিল তাই শিক্ষার্থীরা বহু আকুতি মিনতি করেছিল কিন্তু সে মানেনি। তাই আজকে স্টুডেন্টরা বৃষ্টি মাথায় নিয়েই পরীক্ষার হলে গিয়েছে। কেউ গাড়ি পেয়েছে, কেউ পায়নি। গাড়ি না পেয়ে কেউ কেউ কোমর সমান পানিতে হেঁটে হেঁটেই হলে পৌঁছেছে। হাঁটতে গিয়ে এক পরীক্ষার্থী মেয়ে বারবার পড়ে যাচ্ছিল। তার ইউনিফর্ম, প্রবেশপত্র সবকিছু ভিজে যাচ্ছিল। কিন্তু তবুও সে উঠে দাঁড়িয়েছে। পরীক্ষাটা দিতে হবে যে! তারপর পরীক্ষার পুরোটা সময় জুড়ে ভেজা শরীর নিয়ে, ভেজা প্রবেশপথ নিয়ে কাঁপতে কাঁপতে ওরা পরীক্ষাটা দিয়েছে। এই পরীক্ষার সাথেই কতশত স্বপ্ন যে জড়িত। পরিবারের স্বপ্ন, বাবা-মায়ের স্বপ্ন , ওদের নিজেদের স্বপ্ন। নাটোরের আরেক ছেলে মাত্র ১৫ মিনিট দেরি করায় তাকে হলে ঢুকতে দেয়া হয়নি। ছেলেটার বাবা নেই, মা টাও অসুস্থ। ছেলেটা কেঁদে কেঁদে স্যারকে বহু আকুতি মিনতি করেছিল। বলেছিল- বৃষ্টির কারণে গাড়ি পাইনি স্যার, কোমর সমান পানিতে হেঁটে আসতে গিয়ে দেরি হয়ে গেছে। প্লিজ স্যার, ঢুকতে দেন। কিন্তু তাকে ঢুকতে দেয়া হয় নাই। ছেলেটার এ বছরের পরীক্ষাটা বাতিল হয়ে গেল। না জানি কত স্বপ ছিল ছেলেটার। না জানি তার অসুস্থ মা টার কত স্বপ্ন ছিল। চট্টগ্রামের আরেক মেয়ের ঘরবাড়ি, গরু-ছাগল সবকিছু ভেসে গেছে। ঘরে বিদ্যুৎ নাই, খাবার নাই, পানি নাই। মেয়েটা চোখের পানি মুছতে মুছতে বলছিল- আমরা অনেক কষ্টে আছি, আমার বই ভিজে গেছে। কথাগুলো বলেই কাঁদছিল মেয়েটা। ঘরে খাবার নেই কিন্তু বইগুলোর জন্যে দরদ কারণ পরীক্ষাটা তো দিতে হবে, বাবা-মায়ের স্বপ্নটা পূরণ করতে হবে। এমন শত শত পরীক্ষার্থী আজকে পরীক্ষা দিতে পারে নাই। যারা দিতে পেরেছে তাদেরও লেট হয়েছে কিংবা পরীক্ষাটা খারাপ হয়েছে। কারণ বন্যায় ভেসে যাওয়া ঘরবাড়ি আটকাতে গিয়ে পড়ার সুযোগটাই পায়নি ওরা। পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার নাম্বার বুয়েটসহ সব ইঞ্জিনিয়ারিং এডমিশনেই প্রভাব ফেলে। নম্বইয়ের নিচে নাম্বার পেলে আবেদনটা পর্যন্ত করা যায় না। এ কারণে বহু স্টুডেন্ট সু*ইসাইডও করে। অথচ আজকে ওরা এমন কঠিন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দিয়েছে যে পাশ করাটাই একটা যুদ্ধ। এখন না জানি কতজনের এডমিশনের স্বপ্নটা নষ্ট হয়ে গেছে। পরীক্ষার্থীদের স্বপ্ন নষ্ট হোক তাতে শিক্ষামন্ত্রীর কিচ্ছু যায় আসে না। ওরা তো আর শিক্ষামন্ত্রীর সন্তান না। শিক্ষামন্ত্রী ঠিকই তার মেয়েকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে আমেরিকার 'জন জে অব ক্রিমিনাল জাস্টিস' কলেজে পড়িয়েছে। এ কলেজে শুধুমাত্র পড়াশোনার খরচই ছিল ১,৮১,৫৮৪ মার্কিন ডলার যা বাংলা টাকায় প্রায় ২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা! অথচ খোঁজ নিলে দেখা যাবে এগুলো আমার আপনারই কষ্টের ট্যাক্সের টাকা। প্যরাসাইড মুভিতে ধনী বাড়িওয়ালা তার ড্রাইভারকে শুনিয়ে শুনিয়ে বলেছিল- আজকের বৃষ্টিটা কত সুন্দর, আকাশটা কত নীল, কোনো দূষণও নেই। বৃষ্টিকে ধন্যবাদ। অথচ এই বৃষ্টিতেই ড্রাইভারের পুরো ঘরবাড়ি ভেসে গেছে, সবকিছু তলিয়ে গেছে। বৃষ্টিটা একজনের জন্যে রোমান্টিকতার হলেও আরেকজনের জন্যে চরম দুর্দশার ছিল। আমাদের শিক্ষামন্ত্রীর জন্যেও এই বৃষ্টিটা রোমান্টিকতার। কারণ তার বাড়ি আছে, গাড়ি আছে, আমেরিকায় পড়া শিক্ষিত মেয়ে আছে। অথচ সাধারণ জনগণের এসব নেই। ওদের ঘরভর্তি পানি, রাস্তায় পানি, পরীক্ষার হলে পানি। এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হবার কিছুদিন পরই রেজাল্ট দিবে। সেদিন স্টেজে উঠে শিক্ষামন্ত্রী হাসি হাসি মুখ করে কড়া করে ভাষণ দিবে, নিজের ক্রেডিট নিবে। অন্যদিকে আজকের পরীক্ষাটা খারাপ হওয়ায় বহু শিক্ষার্থীর A+ মিস হবে, এডমিশন মিস হবে, স্বপ্নটা ভেঙে যাবে। না জানি কতজন সু*ইসাইডের পথটাও বেছে নিবে। ওরা মরলে মরুক তাতে শিক্ষামন্ত্রীর কিইবা আসে যায়? দোষ আসলে শিক্ষামন্ত্রীর না, দোষটা পরীক্ষার্থীদেরই কারণ ওরা কোন মন্ত্রীর ঘরে জন্মায়নি। ওরা চাষাভুষা এক গরিব বাবার ঘরে জন্মেছে, যে ঘরটা সামান্য বৃষ্টি হলেই তলিয়ে যায় - Ibrahim Khalil Shawon

মিলনের পদত্যাগের দাবিতে কোনো আন্দোলন করলে তাতে অগ্রিম সংহতি জানিয়ে রাখলাম।

HSC Exam সারাদেশের স্থগিতের ঘোষনা আসার সম্ভাবনা রয়েছে আজ রাতে

প্রশ্ন কেমন হইছে?

এইচএসসি পরিক্ষার্থীরা আজকে কোমর সমান পানি ভেঙে পরীক্ষা দিতে গিয়েছে। একটা ভিডিওতে দেখলাম কয়েকটা মেয়ে রাস্তায় পড়ে গিয়েছে পানির কারণে! তারপরও ভেজা শরীর নিয়ে তাদেরকে পরীক্ষার টেবিলে বসতে হচ্ছে! শিক্ষামন্ত্রীর কাছে বারবার দাবি জানানোর পরেও পরীক্ষাটা স্থগিত করলো না! ছেলেমেয়েগুলোর দুর্ভোগের কথা চিন্তা করলো না। অবশ্য চিন্তা করবে কিভাবে! আমাদের এমপি-মন্ত্রীরা তো আর তাদের সন্তানদেরকে দেশের স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করান না। দেশের শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ওনারা কি বুঝবেন! তবে আজকে সস্তা জনপ্রিয়তা নিতে গিয়ে মিলন সাহেব অনেক শিক্ষার্থীর ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ালেন!

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সব যায়গার পরীক্ষা স্থগিত করা উচিৎ ছিলো। কিন্তু, কতৃপক্ষকে এটা কে বোঝাবে 🫠

HSC 26, আপনাদের দুর্ভোগ বোঝার কেউ নাই, এই দেশে এটাই স্বাভাবিক। শুভকামনা আগামীকালের পরীক্ষার জন্য।
HSC 26, আপনাদের দুর্ভোগ বোঝার কেউ নাই, এই দেশে এটাই স্বাভাবিক। শুভকামনা আগামীকালের পরীক্ষার জন্য।

📌 HSC-25: DCU Update ✨ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মানবিক বিভাগের ভর্তি পরীক্ষার  ফলাফল প্রকাশিত।
ওয়েবসাইটে লগিন করে দেখা যাবে
Website Link: https://dcuadmission.org

📝 পরীক্ষা শুরু হয়েছে... বিষয় : পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র ( ফুল সিলেবাস ) পরীক্ষার লিংক : https://www.rayvila.com/g.php/2607
📝 পরীক্ষা শুরু হয়েছে... বিষয় : পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র ( ফুল সিলেবাস )
পরীক্ষার লিংক : https://www.rayvila.com/g.php/260711194650

আসসালামু আলাইকুম। যারা সেকেন্ড টাইম পরীক্ষা দিবে, তাদের জন্যে এই চ্যানেল Second Time Preparation (STP) ও Second Timer Discuss
আসসালামু আলাইকুম। যারা সেকেন্ড টাইম পরীক্ষা দিবে, তাদের জন্যে এই চ্যানেল Second Time Preparation (STP)Second Timer Discussion গ্রুপ খোলা হয়েছে। নিজে যুক্ত হয়ে যাও। সাথে বন্ধুদেরও জানাও😊। 𝙻𝚎𝚝'𝚜 𝚝𝚛𝚢 𝚊𝚐𝚊𝚒𝚗 𝚃𝚘𝚐𝚎𝚝𝚑𝚎𝚛!

📌 HSC-26: Chattogram Board Update ✨ বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে ১৬ জুলাই পর্যন্ত HSC পরীক্ষা স্থগিত! 🎓 St
📌 HSC-26: Chattogram Board Update ✨ বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে ১৬ জুলাই পর্যন্ত HSC পরীক্ষা স্থগিত! 🎓 Study on Telegram!

আসসালামু আলাইকুম.. ফিজিক্সের আগে মাত্র একদিন গ্যাপ আগামিকাল..সময় নেই বললেই চলে একদম
আর গ্রুপ সাবজেক্ট গুলোর মধ্যে ফিজিক্সটা আপনি হাতে কলমে না করলে অনেক বেশিই সাফার করতে পারেন...কেননা বোর্ড থেকেও অন্য সাবজেক্ট প্যাঁচ না লাগালেও ফিজিক্সের দুই পত্রের যেকোনো একটা ম্যাক্সিমাম সময় একটু ঘুরিয়ে দেয়..আমি কোনো ভয় দেখাচ্ছি না রিয়েলিটিটা তুলে ধরতেছি 😃 রিকুয়েস্ট থাকবে অযথা ক্লাস না করে নিজে নিজে রিভাইজ করুন..আর ক্লাসের স্লাইড চাইলে দেখতে পারবেন। আমার সামনে হঠাৎ উদ্ভাসের ক্লাস আসায় একটু চেক করলাম আর দেখলাম তাদের ১ম পত্রেরই পার্ট ২ টা। আর ২ পার্ট মিলে ক্লাস ১৯ ঘন্টা 😅 তো এইটা আধোও কোনো স্টুডেন্ট এর সম্ভব? তাও আবার একদিনের সময়ে। শুধু যে সময়ের ব্যাপার তা না..এমন এক্সামের আগে আসলেই ওয়ান শট বা ম্যারাথন গুলো সবার জন্য কার্যকর হয়না..স্লাইডগুলো দেখে নিলে বরং আরো বেশি লাভ হয়। সবাই একটু জিনিসগুলো খেয়াল রাইখো..আর রাতে বা কালকের মধ্যে তো চ্যানেল গ্রুপে সব গুছিয়েই দেওয়া হয় দেখলাম, এগুলোই হয়তো প্র‍্যাক্টিসের জন্য এনাফ হয়ে যাবে 😊 ফি আমানিল্লাহ 🤍
- তাওসিভ (Admin of PDF Multiverse)

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই আজকাল বলে—পাবলিক ভার্সিটি নাকি ওভার-হাইপড! কিন্তু রিয়েলিটি একটু অন্যরকম । যাদের বাবা-মায়ের combined in
সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই আজকাল বলে—পাবলিক ভার্সিটি নাকি ওভার-হাইপড! কিন্তু রিয়েলিটি একটু অন্যরকম । যাদের বাবা-মায়ের combined income মাসে ৩০-৪০ হাজার টাকাও না, তাদের জন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ওভার-হাইপড ফ্যান্টাসি নয়, এটা একটা lifeline ! চরম ফাইনান্সিয়াল ক্রাইসিসের মাঝেও যারা উন্নত দেশে Higher Education ও ক্যারিয়ারের এর স্বপ্ন দেখে, তাদের স্বপ্নপূরণের প্রথম Step-ই হলো পাবলিক ভার্সিটি

ICT Exam কেমন হলো বাচ্চা রা .

[সর্বশেষ তথ্য অনুসারে] সিলেটে পরীক্ষা স্থগিত হচ্ছে না

একটা জিনিস হয়তো লক্ষ করেছো, আমি সবসময়ই সেকেন্ড টাইমারদের নিয়ে সবসময়ই আলাদা করে কাজ করি। কোনো ব্যাচের জন্যে কিছু করি আর না করি, হুট করে এসে সেকেন্ড টাইমারদের জন্যে কিছু না কিছু অফার করি। এর পিছনে একটা কারণ আছে। আমি নিজেই একজন সেকেন্ড টাইমার ছিলাম। তাই, একজন সেকেন্ড টাইমার কি কি ফেস করতে পারে, সবই দেখেছি। নিজের সাথে যুদ্ধ করা লাগে, ফ্যামিলির সাথে যুদ্ধ করা লাগে, পরিবেশ, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধ-বান্ধব এর সাথে যুদ্ধ আরও কত কি। বাহিরের সবকিছু বাদ দিলেও, নিজের মধ্যে যে একটা অপরাধবোধ, পরীবারের লোকদের দিকে তাকাতে না পারা - এগুলোর একটা আলাদা কষ্ট কাজ করে। যখন অনলাইনে আসলে দেখো, সব বন্ধুরা নিজ নিজ ইউনিভার্সিটির আপডেট দিচ্ছে, ডে দিচ্ছে, নতুন বন্ধুদের সাথে ছবি অনলাইনে দিচ্ছে, তখন ভিতরে যে কষ্টটা অনুভব হয়, তা অন্য কেউ বুঝবে না। আমার নিজের লাইফের কিছু কিছু কাহিনী @GST_Preparation চ্যানেলে ভয়েসে দিতাম। আমার ভয়েসেই হয়তো সেই সময়ে আমার কেমন লেগেছিলো, সেটার আভাস পাবে। এজন্যে, নর্মালি আমি অন্য সময় কিছু করি আর না করি, সেকেন্ড টাইমারদের জন্যে কিছু না কিছু করার চেষ্টা করি। আবারও মাথায় ভুত ডুবেছে। একটা প্লান মাথায় ঘুরছে। এজন্যে এই পোস্টটা দিয়েছিলাম। সেকেন্ড টাইমাররা আগ্রহী থাকলে সেটা শেয়ার করা শুরু করবো ইনশাআল্লাহ।