এসো সংশোধনের পথে
الذهاب إلى القناة على Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
إظهار المزيد801
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
لا توجد بيانات7 أيام
-130 أيام
أرشيف المشاركات
২০ অক্টোবর ২০১৯ ঈসায়ী রবিবার ভোলায় নবীজী ﷺ কে অবমাননা করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে ১৩ বছরের শহীদ আবু রাইহান রহ. এর মৃত্যুর আগের মর্মস্পর্শী ঘটনা যা পাষাণ হৃদয়কেও নাড়া না দিয়ে পারে না।
শেরে বাংলা হাসপাতালে একজন গুরুতর আহত ভাইয়ের মর্মস্পর্শী কারগুজারী।
-শাইখুল হাদীস মুফতী মাহবুবুল্লাহ কাসেমী দা: বা:
মুতাওয়াল্লীঃ খানকাহ হুসাইনিয়া মাদানীয়া, মাসকান্দা, মোমেনশাহী
খলিফাঃ হযরত মাওলানা আবদুল মুমিন রহ. হবিগঞ্জ
Repost
http://t.me/pathofisla
জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট স্কুলের দুইজন ভদ্র-মার্জিত ও দীনদার শিক্ষককে সুন্নতি পোশাক পরার অপরাধে (?) বহিষ্কারের ঘটনা চরম উদ্বেগজনক৷ কর্তৃপক্ষের জন্যে এটি চরম ধৃষ্টতাপূর্ণও৷
আবদুল হালিম স্যারের সাথে আমি কথা বলেছি৷ ঘটনা সত্য৷ তারা মৌখিকভাবে তাদেরকে আর স্কুলে যেতে না করে দিয়েছেন৷ স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন-ভাতাও আর দিবে না৷
কিছুদিন আগে আড়ংয়ের সুন্নাহ বিদ্বেষী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সাড়া দেশ তোলপাড় হয়ে গেলো৷ এখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সুন্নাহ বিদ্বেষী কার্যক্রম উদ্বেগজনকহারে বেড়েছে৷
আমরা এখনই ব্যাপকভাবে সোচ্চার না হলে ভবিষ্যত পরিস্থিতি বড় সঙ্গীন হবে৷ ইসলাম নিয়ে রাসুলের সুন্নাহ নিয়ে চলাই এ দেশে কঠিন৷
কালেক্টেড ফ্রম জিয়াউর রহমান হাফিজাহুল্লাহ
◈ ইন্টারনেট-টাচ মোবাইল কেবল আল্লাহর থেকে দূরত্বই সৃষ্টি করে।
◈ আতরের দোকানে ঘ্রাণ আর ঘ্রাণ গন্ধ নাই কিন্তু ফেসবুকে গন্ধ আর গন্ধ সেখানে ঘ্রাণ থাকতেও পারে নাও পারে।
◈ফেসবুক ইউটিউবে ঘ্রাণ আনতে গেলে সেখানে দুর্গন্ধের অভাব নেই। আর দুর্গন্ধের মধ্যে ঘ্রাণের কোন দাম নেই।
◈আল্লাহওয়ালাদের কাছে যাও সেখান ঘ্রাণ আর ঘ্রাণ দুর্গন্ধ নাই।
───────⊱◈◈◈⊰───────
হযরত মুফতী মাসউদুর রহমান কাসেমী সাহেব দামাত বারকাতুহুম
#প্রশ্ন:
বিভিন্ন পণ্যের গায়ে নারীদের ছবি দেয়া থাকে। এগুলোর দিকে তাকানোর হুকুম কী?
.
#উত্তর:
পণ্যের গায়ে নারীদের যে সব ছবি দেয়া থাকে সেগুলোর দিকে তাকানোও গুনাহ। তাই এগুলো থেকে দৃষ্টি হেফাযতের চেষ্টা করতে হবে। তবে অনিচ্ছা সত্ত্বেও হঠাৎ দৃষ্টি পড়ে গেলে গুনাহ হবে না। তবে এক্ষেত্রে দৃষ্টি পড়ার সাথে সাথে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিতে হবে। এধরনের পণ্য ঘরে এমনভাবে রাখবে যেন ছবি দৃশ্যমান না থাকে। প্রয়োজনে ছবির মুখ কালি দিয়ে মুছে দিবে, অথবা অন্য কিছু দিয়ে ঢেকে দিবে।
প্রকাশ থাকে যে, পণ্যের গায়ে এবং বিজ্ঞাপনে নারীর ছবি ব্যবহার করা হারাম। এতে যেমন নারীর অসম্মান হয় তেমনি এর কারণে বদনযরীর গুনাহও হয়। তেমনিভাবে পণ্যের গায়ে পুরুষের ছবি ব্যবহার করাও নাজায়েয। এসব শরীয়ত পরিপন্থী ও কুরুচিপূর্ণ কাজ থেকে সকল মুসলমানদের বিরত থাকা আবশ্যক।
.
- সহীহ মুসলিম, হাদীস ২১৫৯; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ২২৯৭৪; রদ্দুল মুহতার ৬/৩৭২; ইমদাদুল ফাতাওয়া ৪/২৬০
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/JnJ0e8জপম্ফেফগঠবম্ননক্সভ
গান শুনা কি জায়েজ হবে?
. মাসায়েল নং-৩১৮৬
───────⊱◈◈◈⊰───────
হযরত মুফতী মাসউদুর রহমান কাসেমী সাহেব দামাত বারকাতুহুম
🔉🔉অডিও মালফূয ৯২🔉🔉🔉
-আরেফবিল্লাহ্ শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
অনেক ওয়াজ মাহফিলে প্রজেক্টরের মাধ্যমে মহিলা মহলে পুরুষ বক্তার ছবি দেখানো হয় যা সম্পূর্ণ নাজায়েজ। আবার অনেক মাহফিলে গেইট করা হয় যা নাজায়েজ।
http://t.me/khanqaSN
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৩০)
কারো কাছে হাত না পেতে আমাদের আকাবিরদের ক্ষুধার কষ্ট সহ্য করা এবং আমাদের মায়েদের দিল উজার করা খেদমতের এক টুকরো শিক্ষণীয় ঘটনা
উস্তাদগণের অনেকেই অভুক্ত অবস্থায় আসতেন তা তাঁদের চেহারা দেখে বুঝা যেতো না। মৌসুমী চাঁদা বন্ধ। কোন ঐচ্ছিক দান পাওয়ার পথ খোলা ছিলো না। তারপরও মাওলানা শামসুল হুদা সাহেব প্রতি সপ্তাহে শিক্ষকদের কিছু কিছু দিতে চেষ্টা করতেন। জোহরের নামায পড়তে গিয়ে আমাদের একজন উস্তাদ মাথা ঘুরে পড়ে গেলেন। সবার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলো। তাঁর বাড়ী ছিলো মাদরাসা থেকে চার-পাঁচ মাইল দূরে। আগে জায়গীরে থাকতেন। এখন জায়গীর নাই। বাড়ী থেকেই তিনি হেঁটে আসতেন। সম্ভবতঃ অভুক্ত অবস্থায় এতদূরের পথ হেঁটে আসার পর তিনি আর শরীরের তাল সামলাতে পারছিলেন না। বৃহস্পতিবার আগের মতো হুজ্জাতুল ইসলাম সমিতির সাপ্তাহিক আলোচনা সভাও বসতো না। মাওলানা শামসুল হুদা সাহেব তখন কলিকাতায়। পাঁচবাগের পরিবেশ অনেকটাই প্রাণহীন। শুধু ইউনিয়ন বোর্ড অফিসের সামনে ভুখা-নাঙ্গা মানুষের ভীড়।
আমার সেই উস্তাদের বাড়ী ফেরার পথ ছিল আমাদের বাড়ীর কাছ দিয়েই। ধীর পদক্ষেপে তিনি হাঁটছিলেন। পা যেন চলছিল না। আমরা দুই-তিনজন তাঁর পিছু পিছু। এমনিতে তিনি খুব প্রাণবন্ত ছুফী ধরণের লোক ছিলেন। মজার মজার কথা বলে আমাদিগকে খুব হাসাতেন। সেসব কথার মধ্যেও থাকতো শিক্ষার উপকরণ। কিন্তু এদিন চুপচাপ। মুখ থেকে তাঁর কোন কথাই বের হচ্ছিল না। আমাদের একজন মিন মিন করে জানতে চাইল, হুজুরের শরীর ভালো কি না? ঠিক তেমনি মৃদুকন্ঠে জবাব দিলেন, বড্ড মাথাব্যাথা করছে।
আমার মনে হচ্ছিল, ক্ষুধার তাড়নায় তাঁর জীবন এখন ওষ্ঠাগত। আমাদের বাড়ীর কাছাকাছি আসার পর যেখান থেকে আমাদের পথ পৃথক হয়ে যাওয়ার কথা, ঠিক সেখানে এসে আমি হুজুরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। বললাম, আমাদের বাড়ীতে ওষুধ আছে। আপনাকে সে ওষুধ নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু হুজুর নানা কথায় আমাকে বুঝাতে চেষ্টা করছিলেন যে, এখন তাঁর হাতে মোটেও সময় নাই। কিন্তু আমি নাছোড়বান্দা। শেষ পর্যন্ত আমি তাঁর পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলাম। আমার যেন মনে হচ্ছিল, আজকের রাতটা এভাবে অতিক্রান্ত হলে আমার এই প্রিয় উস্তাদ নির্ঘাত মরে যাবেন। অভুক্ত মানুষকে মরে পড়ে থাকতে দেখেছি। প্রতিদিনই দেখছিলাম গ্রামে গ্রামে মরার মিছিল। কেন জানি আমার মনে হচ্ছিল, এই মরার মিছিলে আমাদের এই প্রিয় শিক্ষকও শরীক হতে যাচ্ছেন খুব শীঘ্রই! কিন্তু এ কথাটা আমি তাঁকে বলতে পারছিলাম না। আমার এই নির্বাক অবরোধ ভেদ করে তিনি আর অগ্রসর হতে পারলেন না। তাঁর চোখেও তখন পানির ধারা।
এই নির্বাক অবস্থায়ই বাড়ীতে পৌঁছে ছুটে ভিতরে চলে গেলাম। আম্মা তখন দুপুরের খাবার নিয়ে আমার জন্য অপেক্ষমাণ। আম্মাকে বিষয়টা বুঝিয়ে বলার সাথে সাথে তিনি প্রথমে বদনা ভরে পানি দিলেন, তারপর ঝটপট যৎসামান্য যা ছিল তাই ঠিকঠাক করে বাইরে পাঠিয়ে দিলেন। হুজুর সামনে খাবার দেখে কেমন যেন একটু থতমত খেয়ে গেলেন। কিছুতেই যেন তাঁর হাত খাবারের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল না। বেশী পীড়াপীড়ি করার পর বললেন, তুমি খাবে না? আমি বললাম, না আম্মার সাথে খেতে হবে। হুজুর খেলেন। খুব তৃপ্তির সাথেই খেলেন।
তাঁর খাওয়ার পর আমাদের জন্য আর অবশিষ্ট কিছু ছিল না। ঘরে পোড়া দেয়া দু'টি মিষ্টি আলু ছিল। সে দু'টি খেয়েই আম্মা আর আমি ক্ষুধা দূর করলাম। বিদায় বেলায় হুজুরের হাতে দেয়ার জন্য আম্না আড়াই-তিন সের পরিমাণ চালের একটা পুটলি দিয়ে দিলেন। আমার স্নেহময় শিক্ষক সেই পুটলিটা হাতে নিয়ে নীরবে বের হয়ে গেলেন। লজ্জায় যেন তাঁর মুখ দিয়ে কথা সরছিল না।
হুজুর চলে যাওয়ার পর আম্মা আমার চোখে-মুখে চুমু খেতে লাগলেন। বললেন- বাবা! আজকে তুমি যে বুদ্ধিমানের কাজটা করলে, এর তুলনা হয় না। আমি যে কি খুশী হয়েছি, তা তোমাকে বুঝাতে পারবো না! আহা! তোমাদের এই উস্তাদরা এক একজন এই যুগের সেরা মানুষ! সবাই আল্লাহর ওলী। অভাব-অনটন তো আর চিরকাল থাকবে না; তবে এঁদের কেউ যদি এই আকালে (বাংলা ১৩৫০ সালের মহাদুর্ভিক্ষ) কিছু একটা হয়ে যান তবে এ জাতির ইতিহাস চিরকালের জন্য কলঙ্কিত হয়ে থাকবে। যদি শরীরের গোশতও কেটে দিতে হয়, তবে তা দিয়েও উস্তাদের খেদমত করতে হবে। কথাগুলো যখন বলছিলেন, তখন আবেগে-আনন্দে আম্মার চোখ দিয়েও পানি পড়ছিল!
মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ. এর আত্নজীবনী "জীবনের খেলাঘরে"
পৃষ্ঠা ৬০-৬২
প্রকাশকঃ মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ.
প্রকাশনায়ঃ মদীনা পাবলিকেশন্স
প্রথম প্রকাশঃ সেপ্টেম্বর ২০০১ ঈসায়ী
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
০২/০৪/২০২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
আড়ংয়ে চাকরি করতে দাড়ি শেভ করার শর্ত এবং দুটি কথা
সেদিন এক ভাই প্রশ্ন করেছেন আড়ংয়ে চাকরি নেয়া জায়েয হবে কী না৷ আমি জায়েয হওয়ার পক্ষে মত দিলাম৷ কিন্তু আজ আড়ংয়ে চাকরি করতে হলে দাড়ি শেভ করতে হবে বলে যে ভিডিওটি দেখলাম, এর ভিত্তিতে তো বলতে হয়, দাড়ি শেভ করার শর্ত পূরণপূর্বক আড়ংয়ে চাকরি করা জায়েয নয়৷
জেনারেল থেকে উঠে এসে দীন প্র্যাকটিস করা ভাইদের ঈমান এত ঠুনকো নয়৷ অধিকাংশই তারা আযীমতের উপর চলতে অভ্যস্ত৷ সামান্য চাকরির জন্যে এরা রাসুলের চিরন্তন সুন্নাহ দাড়িতে হাত দিবে না৷ দীন পালনে এরা কম্প্রোমাইজ করবে না৷ এরা তাওয়াক্কুলের সবক খুব ভালো করে রপ্ত করা প্রজন্ম৷
সিলেটের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক৷ শুধু সহশিক্ষার পরিবেশে ক্লাস নিতে হবে বলে চাকরি ছেড়ে দিয়ে এখন ব্যবসার মতো কঠিন সংগ্রামে নেমেছেন৷ আরেক ভাই ইউরোপের সুখ-শান্তির হাতছানি উপেক্ষা করে ব্যবসা শুরু করে এখন আলহামদুলিল্লাহ অনেক বারাকাত পাচ্ছেন৷ আলহামদুলিল্লাহ এমন অনেক কুরবানির অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত এখন স্থাপিত হচ্ছে সর্বত্র৷
কথা হলো আড়ং কোম্পানির এত দুঃসাহস হলো কী করে যে, বাংলাদেশের মতো একটি মুসলিম দেশে ব্যবসা করে সে দেশের মুসলিম যুবকদের চাকরির জন্যে দাড়ি শেভ করার শর্ত দেয়৷ বিষয়টি গভীরভাবে ভাবার এবং জোরালো প্রতিবাদ করার৷ যাতে অন্যরা এমন দুঃসাহস না করে৷ collected
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/JnJ0e8jPmFEFGThBoMnnxv
*আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹
ছবির ঝামেলা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে পত্রিকা পড়ার উপায় সম্পর্কে কিছু কথা-
রবিউল আকরাম
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
t.me/islamijibon
key word for search : ছবি
পোষ্ট নং ১৫৩৯
খুছুছি মজলিসের গুরুত্বপূর্ণ ইসলাহী নসীহত
-শাইখুল হাদীস শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
বিষয়ঃ আমাদের দ্বীনদারীর এক্সরে রিপোর্ট!
http://t.me/khanqaSN
হক্কানী আলেমের সোহবত তথা সান্নিধ্যের উসিলায় এক অফিসারের জীবনে আমূল পরিবর্তন-
হাকীমুল উম্মত আশরাফ আলী থানবী রহঃ এর এক মুরীদ অফিসার ছিলেন।হযরত থানবী রহঃ এর সোহবতে আসার পর তার তওবা নসীব হয়, ফলে তিনি ঘুষের(চাকরি জীবনে ঘুষ খেতেন) সকল টাকা মানুষকে খুঁজে খুঁজে ফেরত দিয়ে দেন।
এরপর তিনি বাইতুল্লাহর জিয়ারতের জন্য অস্থির হয়ে পড়েন ও মুখে দাড়িও রেখে দেন।মোটকথা নেক জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন।
ঐ অফিসার সাহেব পরে 'আশরাফুল জওয়াব' নামে একটি কিতাবও সংকলন করেন যাতে আশরাফ আলী থানবী রহঃ (লোকজন কতৃক জিজ্ঞাসিত) বিভিন্ন জটিল জটিল প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। এ গাইরে আলেম অফিসার কতৃক সংকলিত কিতাব হতে এখন আলেমরা পর্যন্ত উপকৃত হচ্ছেন।সোহবত মানুষকে কতটা দামী বানিয়ে দেয় এ ঘটনা তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
উপসংহার : আমরা আলেম বা মুবাল্লিগ যাই হই না কেন, আমাদের উচিত কোনও একজন আল্লাহ ওয়ালা আলেমের তত্ত্বাবধানে জীবন অতিবাহিত করা, যেমনটি আমাদের আকাবিরদের(বড়দের) জীবনীতে দেখা যায়। তা না হলে যেকোনো সময় পদস্খলন ঘটতে পারে। আর বড়দের অনুসরণ করা তো আমার আপনার জন্য জরুরি।কেননা নবীজী সাল্লাল্লাহু-আলাইহি ওয়া-সাল্লাম বলেন, "আল খাইরু মা'আ আকাবিরিকুম"(মুস্তাদরাকে হাকিম)
অর্থ- সকল কল্যান বড়দের সঙ্গে। অর্থাত বড়রা যে মত ও পথ গ্রহণ করেছেন তা আকড়ে ধরার মধ্যেই দুনিয়া ও আখিরাতের সকল কল্যাণ নিহিত। হাদীসের সনদ সহীহ।
বড়দের সাথে আমাদের বড় একটি পার্থক্য হচ্ছে তারা আল্লাহ ওয়ালাদের সোহবতকে খুব গুরুত্ব দিতেন আর আমরা অনেকে আমল হয়ত বেশি করি কিন্তু সোহবতকে বিশেষ গুরুত্ব দিইনা।
মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহঃ, মাওলানা ইলিয়াস_রহঃ বা আমাদের জামানার যারা অনুসরণীয় তারা প্রত্যেকেই আল্লাহওয়ালাদের সংগে সম্পর্ক রাখতেন আর আমরা ---?
(মুফতী মনসূরুল-হক হাফিজাহুল্লাহ্ কতৃক 23/9/16 তারিখের জুমু'আর বয়ান অবলম্বনে)
রবিউল আকরাম
Whatsapp এ
''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/FGaPfuXBPJaHr26aQtc6aY
মেসেজ (প্রশ্নোত্তর) : আসসালামু 'আলাইকুম। হযরত, বোরকা পরিহিত মহিলা দেখলে ভালো লাগে এবং চোখ ফেরানো কঠিন হয়ে পড়ে। আমার এই রোগটা ভালো করার কি কোনো উপায় আছে? প্লিজ সাহায্য করেন।
আরেকটি প্রশ্নোত্তর ♥♥♥
https://t.me/alokitojibon/1925
রবিউল আকরাম
t.me/dinimazlis
t.me/islamijibon
key word for search : মেসেজ
পোষ্ট নং ১৫৩৩ কুদৃষ্টি
►আপনি এবং আপনার পরিবার অলক্ষ্যেই ঈমানহারা হচ্ছেন না তো◄
লিখেছেন : এ এস কে সুমন
আপনি খুবই দ্বীনি মেজাজের লোক, সাথে আপনার পরিবারের লোকও। চিন্তা করলেন ডিজিটাল যুগে এসে দ্বীনি কাজগুলোও কিছু ডিজিটাল করা দরকার। তাই প্রিয় মোবাইলকে বানালেন মাধ্যম, নামালেন কিছু দ্বীনি এপস। স্ট্যাডি করতে শুরু করলেন।
ভাল কথা। আপনি কি জানেন, আপনার ঈমান-আমল ধ্বংস করতে কত শত চোর ঘাপটি মেরে বসে আছে ? আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না বাতিলপন্থিরা আমরা ঈমান-আমল ধ্বংস করার জন্য কি পরিমান প্রস্তুতি নিয়ে বসে আসে। আপনি এপস নামাচ্ছে, বই পড়ছেন, ভিডিও দেখছেন, ভাল কথা।
কিন্তু একবারও কিন্তু আপনি যে আলেমকে গ্রহনযোগ্য মনে করেন তাকে একবারও এই জিনিষগুলো সোর্স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে নিয়েছেন ? আপনি বলবেন,"আরে ভাই আমার বিবেক আছে না?"
কথাটা এমন, আপনার অসুখ হল, আপনি ফার্মেসি গিয়ে কিছু সুন্দর ওষুধের প্যাকেট পছন্দ করলেন আর এখান থেকে দামি দামি ওষুধগুলো নিয়ে রোগের জন্য খেতে শুরু করলেন।
বাজারের ছোট পুটি মাছ কিনতেও তো অনেক যাচাই-বাছাই করেন, নিজের ঈমান-আমলের বিষয় সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে কিভাবে এত উদাসীন হতে পারেন! আপনার দ্বীন কি আপনার কাছে এতই মূল্যহীন, বাজারের সামান্য পুটিমাছের সমানও মূল্য কি আপনার দ্বীন আপনার থেকে পাওয়ার আশা করে না ?
তবে কিভাবে নাযাতের আশা করি আমরা ? যে ঈমান আপনার কাছে এত মূল্যহীন সে মূল্যহীন ঈমান কিভাবে আপনাকে পুলছিরাত পার করে এত মূল্যবান জান্নাতে নিয়ে যাবে ?
পোষ্টের উল্লেখিত ছবিগুলো কাদিয়ানীদের এপসের স্ক্রিনশট। আপনি ধারনাও করতে পারবেন না কিভাবে এগুলোর মাধমে তারা সাধারন সরলমনা মানুষদের ঈমানহারা করছে ...
Whatsapp এ
*"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে*
♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/FGaPfuXBPJaHr26aQtc6aY
*আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹
