এসো সংশোধনের পথে
الذهاب إلى القناة على Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
إظهار المزيد801
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
لا توجد بيانات7 أيام
-130 أيام
أرشيف المشاركات
স্মৃতির পাতা থেকে- ২
(মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ.)
♥♥♥
হায়াতে পালনপূরী -১
আমাকে রুমের দরজায় দেখা মাত্রই ভিতর থেকে বলে উঠতেন, আ-জা।(আয়), অনেক ব্যস্ত থাকলেও মাথা উঁচু করে ডাকতেন। তাঁর সাথে রিক্সায় চড়়তাম, নিজে একপাশে চেপে বসে, আব্দুল কাহহার! আজা ভাই। ছোটদের বড়়রা যেভাবে অাদর করে ডাকেন, আমাকে সেভাবে ডাকতেন। আ-জা শব্দটি আমি কোনভাবেই ভুলতে পারছিনা।
হায়াতে পালনপূরী -২
তাঁর কাছে আমি একদিন নয়, তিনটি বৎসর ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ এটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড়় নিয়ামাহ। কথাটি বলছি এজন্য যে, আমার হাতে মোবাইল ও ছিল। চাইলে কত ছবি আর ভিডিও যে আমি করতে পারতাম। এর বর্ণনা দেয়া অসম্ভব। ছাত্ররা যাস্ট আসরের পর তাঁর সাথে কথা বলার সুযোগ পেত, আমি ও আমাদের নাঈম ভাই দিনের যে কোন সময় প্রয়োজনে চলে যেতাম, তাঁর বাসা আমাদের নিজের বাসাই ছিল। তথাপি, কোনদিনও তাঁর একটি ছবি আমি উঠাইনি। হ্যাঁ অন্য এমন অালিমদের ছবি আমি শেয়ার করি যাঁরা তাঁর মতামত পোষন করেননা। কিন্তু তাঁর কোন ছবি বা ভিডিও আমার টাইমলাইনের কোথায় ও আপনারা পাবেন না, এটি এজন্য যে, আমি তাঁর বদদোয়ায় শামিল হতে চাইনা।কেননা তিনি ভীষণ অপছন্দ করতেন। নিজের বিবেক দিয়ে একটু ভাবুন।
হায়াতে পালনপূরী -৩
দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ী তাঁকে অনেক্ষন অনুরোধ করলেন যে, আপনি যাস্ট একটি দিন সময় দিন আমাদের কে, তিনি সরাসরি নিষেধ করে বললেন যে, মাদ্রাসার ক্লাশ চলাকালীন আমার পক্ষে কোথায়ও সফর করা সম্ভব নয়। ঐ ব্যবসায়ী অনেক অনুরোধের পরেও তিনি যখন মানলেননা, পরিশেষে তিনি বিদায়কালীন হযরতকে প্রায় ১০ হাজার রূপি হাদিয়ে দিতে চাইলেন, তিনি সরাসরি নিষেধ করে বললেন, আপনার টাকাটা নিলে আমাকে ক্লাস মিস দিয়ে সেখানে যেতে বাধ্য হতে হবে। প্লিজ আমি এটি নিতে পারবোনা। তিনি নেননি,। তাঁর কাছে যারা পড়়েছেন তাঁরা জানেন তাঁর কাছে পড়়া ও ছাত্রদের পাঠদানের কত গুরত্ব। অবাকের বিষয় হল, তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুর দিনও তিনি সবক মিস দেননি। সময়ের মূল্য, পড়়ানোর মূল্য তাঁর কাছে কতটুকু ছিল সহজে অনুমেয়। আসলে কী হারালাম আমরা।
হায়াতে পালনপূরী -৪
তাফসীরে হিদায়াতুল কুরআন লিখার সময় এত পরিমাণ গবেষনা করতেন যে, প্রায়ই রাত ২টায় ঘুমাতেন ৮০ বৎসর বয়সেও। কিন্তু ক্লাসের আগে আমাকে বললেন, মাথায় একটু তেল দিয়ে দে,আমি তেল দিলাম তিনি পড়়াতে চলে গেলেন। জমজামাট পড়়ালেন, কিন্তু কোন ছাত্রও উপলদ্ধি করেনি তিনি আসলে কতটুকু অসুস্থ। তাঁর ভাষ্য- "আমার পড়়তে, পড়়াতে ও লিখার সময় পৃথিবীর কোনকিছু স্বরণে থাকেনা" পড়়াশুনায় এত পরিশ্রম আমি আমার লাইফে আর কারো মধ্যে দেখিনি।
কপি মুহতারাম আবদুল কাহহার
এ বিষয়ে ১ নং পোষ্ট ♥♥♥
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1296429833889564&id=100005676781271
Whatsapp এ
''ইসলামী জীবন'' গ্রুপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/FGaPfuXBPJaHr26aQtc6aY
হাদিস ও আসারের আলোকে ছবি-
হাদিস শরীফ-১
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর ( রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন: "যারা ফটো বানায়, কিয়ামতের দিন তাদের শাস্তি দেয়া হবে এবং তাদের উদ্দেশ্যে বলা হবে, যা তোমরা বানিয়েছ তাতে জীবন দাও।" [বুখারি ও মুসলিম শরীফ]
হাদিস শরীফ-২
হযরত আবুহুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন: "ফেরেস্তা ওই ঘরে প্রবেশ করে না, যাতে প্রানীর ফটো রয়েছে।" [মুসলিম শরিফ]
হাদিস শরীফ-৩
হযরত হুজাইফা (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুদ নেয়া এবং দেয়া আর ফটো নির্মাতাদের ওপর লানত বর্ষণ করেছেন।" [বুখারি শরীফ]
আসার-১
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা:) কোনো ঘরে ফটো দেখতে পেয়ে ফেরত চলে আসলেন। (ঘরের ভেতর তিনি প্রবেশ করেননি)। [সহিহ বুখারি]
আসার-২
হযরত আবু মাসউদ আনসারী (রা:) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি তাঁর জন্য খাবার প্রস্তুত করে আমন্ত্রণ জানালেন। তিনি জানতে চাইলেন: ঘরে কোনো ছবি আছে কি? আমন্ত্রক জানাল: হ্যা। তিনি তার ঘরে যেতে অস্বীকৃতি জানালেন। এরপর ওই ব্যক্তি ছবিটি নষ্ট করে ফেললেই তিনি তার ঘরে প্রবেশ করলেন। (সুনানে বায়হাকি, খ: ৭, পৃ: ২৬৮)
আমরা যারা মোবাইল বা অন্য কোনো পন্থায় প্রতিনিয়ত ছবির ব্যাপারে শিথিলতা প্রদর্শন করছি, তারা এ সকল বর্ননার সাথে নিজেদের অবস্থা মিলিয়ে নিই। আর নিজের এহেন কাজের ব্যাপারে সতর্ক হই।
Collected n edited
Whatsapp এ
''ইসলামী জীবন'' গ্রুপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/FGaPfuXBPJaHr26aQtc6aY
ইউটিউবে বক্তা পাইলেই বয়ান শুনতে নেই, কন্ঠ ভালো হইলে বক্তা হওয়া যায় কিন্তু আলেম হওয়া যায় না।
আলেম হওয়ার জন্য লেখাপড়া লাগে, মুত্তাকী আলেম হওয়ার জন্য মুত্তাকী আল্লাহ ওয়ালাদের সোহবত এ যেতে হয়, তাহলে আল্লাহ ওয়ালা মুত্তাকী আলেম হওয়া যায়।
মাসায়েল নং-২৩৭২
http://t.me/MuftiMasudKasemi
৩১-৫-২০২০
মুফতী সাঈদ আহমাদ পালনপুরী রহ. প্রানীর ছবির ব্যাপারে বড় কঠোর ছিলেন। অথচ হযরতের মৃত্যুর পর ফেসবুকে তার ছবিসহ পোষ্ট করা হয়েছে যা অত্যন্ত দু:খ জনক।
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য)
প্রানীর ছবি সম্পর্কে আরেকটি পোষ্ট ♥♥♥
https://t.me/alokitojibon/1383
key word for search : ছবি
পোষ্ট নং ১২৬৩ (ফেসবুক)
শাওয়ালের ছয় রোযার ফযীলত
হযরত আবু আইয়ূব আনসারী রাঃ সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযুর সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখে সে যেন সারাটি বছরই রোযা রাখল। (মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ- ১৭৯ পৃঃ)
🌿ছয় রোযার মাসায়েল🌿🌿
০১. রমযানের পর শাওয়াল মাসে ছয়টি নফল রোযা রাখার অনেক ফযীলত রয়েছে। এটাকে আমাদের পরিভাষায় ছয় রোযা বলা হয়। এ ছয় রোযা রাখার ব্যাপারে অনেকে এরূপ মনে করেন যে, ঈদের পরের দিন হতেই এই ছয় রোযা রাখা আরম্ভ করলে প্রতিশ্রুত সাওয়াব পাওয়া যাবে, নতুবা নয়। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বরং পুরো শাওয়াল মাসের মধ্যে যে কোন সময় আদায় করতে পারলেই সে সাওয়াব পাওয়া যাবে। ঈদের পরের দিন থেকেই আরম্ভ করুক বা কয়েক দিন পর আরম্ভ করুক। পরপর রাখুক অথবা ভিন্ন ভিন্ন যেভাবেই রাখুক পূর্ণ সাওয়াব পাওয়া যাবে। (যাওয়ালুচ্ছিনাহ্)
০২. অনেকে এই ছয় রোযার মধ্যে নিজের আগের ক্বাযা রোযারও হিসেব করে। মনে করে- ছয় রোযাও আদায় হয়ে যাবে, ক্বাযাও (আদায়) হয়ে যাবে। এই ধারণাটিও সঠিক নয়। যদি ক্বাযার নিয়্যাত করে, তাহলে ছয় রোযার ফযীলত অর্জিত হবে না। সুতরাং এই দুই ক্ষেত্রের জন্যে পৃথক পৃথক রোযা রাখতে হবে। (যাওয়ালুচ্ছিনাহ্)
০৩. ছয় রোযা ঈদের কয়েকদিন পরে আরম্ভ করা উত্তম। কারণ এতে নাসারাদের রোযার সাথে সাদৃশ্যতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। (শাইখ আবদুল হক্ব মুহাদ্দিসে দেহলভী রহ. রচিত 'লুমআত')
তোহ্ফায়ে রমযান
(রোযার গুরুত্ব ও ফযীলত, সাহরী-ইফতার, সদক্বায়ে ফিতর, যাকাত, ই'তিকাফ, শবে ক্বদর, ঈদ ও ছয় রোযার আহকাম)
পৃষ্ঠাঃ ৪১
রচনায়ঃ হযরত আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মাদ ওমর দাঃ বাঃ
উস্তাদুল হাদীস ওয়াল ফিক্বহ-
হাটহাজারী মাদরাসা, চট্টগ্রাম
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবায়ে হেজাজ
হাটহাজারী, চট্টগ্রাম
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
০৯/০৬/১৯ ঈ.
Repost
http://t.me/pathofisla
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৩৬)
হযরত ফুলপুরী রহ. এর শান
-মুফতী শফী দা: বা:
খলিফাঃ হযরত করাচী রহ.
হযরতের বয়ান পেতে।
http://t.me/khankahbd
উওর শুনুন
http://t.me/mufteesofee
সংক্ষিপ্ত বয়ান
http://t.me/chotoboyan
ফেসবুক মেসেঞ্জারে বা ইমুতে বেগানা ছেলে-মেয়ের একান্তে মিলিত হওয়া বা চ্যাট করা নাজায়িয কাজ-
বেগানা ছেলে-মেয়ে বা নারী-পুরুষের নির্জনে বা একান্তে মিলিত হওয়ার ব্যাপারে ইসলামী শরীয়তে নিষেধ করা হয়েছে। তা নাজায়িয ও গুনাহর কাজ। এভাবে বাস্তবভাবে তাদের মিলিত হওয়া ও স্যোসাল ক্যাটাগরিতে মিলিত হওয়ার একই হুকুম। সে জন্য যে বেগানা ছেলে-মেয়ে বা নারী-পুরুষ ফেসবুকের ইনবক্সে বা মেসেঞ্জারে অথবা ইমুতে বিপরীত লিঙ্গের সাথে যুক্ত হচ্ছেন বা চ্যাট করছেন, তারাও সেই হুকুমের মধ্যে গণ্য হচ্ছেন বা এতে তারা বেগানা নারী-পুরুষের নির্জনে বা একান্তে মিলিত হওয়ার নিষিদ্ধতার হুকুমের মধ্যে পড়ছেন। তাদের উচিত সেই নিষিদ্ধ বিষয় থেকে পরহেজ করা।
সুতরাং সাবধান হোন, গুনাহর কাজ থেকে দূরে থাকুন !
এ ব্যাপারে হাদীস শরীফে রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন-
لا يخلون أحدكم بامرأة، فإن الشيطان ثالثهما.
“তোমাদের কেউ যেন (বেগানা) নারীর সাথে একান্তে মিলিত না হয়। কেননা, তখন শয়তান তাদের তৃতীয়জন হিসেবে উপস্থিত হয় (এবং তাদের মাঝে পাপাচার সংঘটিত করে)।” (মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং ১১৪)
মুফতী আবুল হাসান সাহেব
Whatsapp এ
''ইসলামী জীবন'' গ্রুপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/FGaPfuXBPJaHr26aQtc6aY
অহঙ্কারের উদ্দেশ্যে বিনয় ও বিনয়ের উদ্দেশ্যে বিনয়ের পার্থক্য
হযরত থানভী রহ. বলেন, অনেক সময় বিনয়ের সুরতেও অহঙ্কার হয়। তার আলামত এই যে, অহঙ্কারের উদ্দেশ্যে যে বিনয় হয় তার পরে গর্ব সৃষ্টি হয়। এমন বিনয় অবলম্বন করার পর কেউ সম্মান না করলে খারাপ লাগে। আর বিনয়ের উদ্দেশ্যে বিনয় হলে তার মধ্যে ভীতির সঞ্চার হয়। কেউ সম্মান না করলে নিজেকে অসম্মানের উপযুক্তই মনে হয়।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৭০৪
পৃষ্ঠা ৩২৭
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
২৬/০৫/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৩৫)
আমরা যাদেরকে আমাদের আকাবির ভেবে তৃপ্তি বোধ করি তাঁরা কেমন ছিলেন!!!
🔈🔈অডিও মালফূয ৭৯🔈🔈🔈
বিশ্ববিখ্যাত ফাতাওয়া গ্রন্থ "আহসানুল ফাতাওয়ার" লেখক মুফতী রশীদ আহমাদ রহ. এর তাকওয়ার একটি অনন্য শিক্ষণীয় ঘটনা
-শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দা: বা:
http://t.me/khanqaSN
http://t.me/pathofisla
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৩৪)
হযরত সাঈদ আহমাদ পালনপুরী রহ. এর সময়নিষ্ঠা
আমার এ ছোট্ট জীবনে পালনপুরি রাহিমাহুল্লাহ-এর চেয়ে সময়নিষ্ঠ মানুষ দ্বিতীয়জন দেখিনি। হুজুরের দরসে বসেছি সাকুল্যে পঁচিশ থেকে ত্রিশ দিন। শুরুর দিকে সাড়ে দশটা থেকে সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত এক ঘণ্টা পাঠদান করতেন। সপ্তাহখানেক পরে সামান্য একটু একটু করে ক্লাস টাইম আরও এক ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে নিলেন। এটা তার সবসময়ের রীতি ছিল।
একদিনের ঘটনা, লম্বা এক অধ্যায়ের আলাচনায় সময় প্রায় পুরোটা চলে গেল। (অধ্যায়টা ছিলো সহিহ বুখারীর قَوْلُ النَّبِيِّ : "أَنَا أَعْلَمُكُمْ بِاللَّهِ।) নির্ধারিত সময় শেষ হতে মাত্র চার কিংবা পাঁচ মিনিট বাকি ছিল।
আমরা ধারণা করলাম, যেহেতু নতুন পাঠ শুরু করে আজকের ক্লাসে শেষ করা যাবে না—তাই তিনি উঠে যাবেন। এজন্য কেউ কেউ আড়মোড়া দেওয়া শুরু করেছিল। কিন্তু না, সবার চিন্তাকে ভুল প্রমাণিত করে হযরত রাহ. সামনের অধ্যায়ের ইবারত (মূল টেক্সট) পড়তে লাগলেন। ধীরস্থির পাঠে যখন নতুন অধ্যায়ের ইবারত শেষ হলো—ঘড়ির কাঁটা তখন ক্লাস শেষের সময়ে এসে দাঁড়িয়ে গেছে। হুজুর কিতাব বন্ধ করে উঠে গেলেন।
আহ কি সময়নিষ্ঠা! এক মিনিটও বেকার যেতে নেই।
...
নিয়মনিষ্ঠা তো এতোটাই ছিলো, সারাজীবনের জন্য এই তকমা লেগে গিয়েছিলো—পালনপুরী মানে স্রোতের উল্টো চলা, প্রচলনের বিপরীতে কথা বলা। সত্য বলতে এক মুহূর্তও ভাবতেন না। ভুলের সমালোচনার জন্য সিকিপরিমাণও পরোয়া করতেন না।
দরসে বসার পর কেউ ক্লাসে ঢুকবে—এ ছিলো তাঁর সামনে এক অসম্ভব চিন্তা। তৃতীয় দিনের ক্লাসেই সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি পাঠদানের আসনে বসার পর কাউকে ক্লাসে ঢুকতে দেখলে পড়াবেনই না। যে রুদ্রমূর্তি ধারণ করে আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন, পরের দিন থেকে অন্তত নির্ধারিত সময়ের পর হুজুরের দৃষ্টি দিয়ে কাউকে ক্লাসে আসতে দেখিনি।
কপি : মুহতারাম Masrur Ahmed
http://t.me/pathofisla
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৩৩)
হযরত মুফতী সাঈদ আহমাদ পালনপুরী রহ. এর ভিডিও করা ও ছবি তোলার বিষয়ে কঠোরতার শিক্ষণীয় ঘটনা।
দারুল উলূম দেওবন্দের শাইখুল হাদীছ হযরত মুফতী সাঈদ আহমাদ পালনপুরী রহ. সিলেট এক মাদরাসায় আসেন। যখন জানতে পারলেন যে, স্টেজে ক্যামেরা লাগানো হয়েছে তখন হযরত.........
- বিশিষ্ট মুফতী মনসূরুল হক দা.বা.
প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস,
জামিয়া রহমানিয়া,মুহাম্মাদপুর,ঢাকা
http://t.me/pathofisla
http://t.me/qaumimalfuzat
তোমরা থাকো খুব আরামে যেই দালানের পাঁচতলায়
ওরা থাকে রোগ ব্যারামে সেই শহরের গাছতলায়........
http://t.me/pathofisla
বেলা ডোবার আগে🕯🕯🕯
"মুহূর্তে নিভিয়া যায় বাতি জীবনের
বৃথা শুধু অশ্রু ঝরে প্রিয়দের চোখের"
-শাহ্ আবদুল মাতিন বিন হুসাইন দা: বা:
http://t.me/pathofisla
পালিত মেয়ের কাছ থেকে কি পালিত বাবার পর্দা করতে হবে?
পালিত ছেলের কাছ থেকে কি পালিত মায়ের পর্দা করতে হবে?
হযরত মাওলানা মুফতি শফি সাহেব দামাত বারকাতুহুম।
•┈┈•✾🌿🌺🌺🌺🌿✾•┈┈•
#Maulana_mufti_sofe_DB
•┈┈•✾🌿🌺🌺🌺🌿✾•┈┈•
ঈদের নামাজ আদায় করার পদ্ধতি।
http://t.me/MuftiMasudKasemi
http://t.me/pathofisla
আলহামদুলিল্লাহ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে।
নতুন চাঁদ দেখলে (এই দু'আ) পড়বে
اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالأَمْنِ وَالإِيمَانِ ، وَالسَّلاَمَةِ وَالإِسْلاَمِ ، رَبِّي وَرَبُّك اللَّهُ .
অর্থঃ হে আল্লাহ! আপনি এ চন্দ্রকে ঈমান ও নিরাপত্তা এবং শান্তি ও ইসলামের সাথে উদিত করুন, (এবং হে চাঁদ!) আমার ও তোমার প্রতিপালক এক আল্লাহ।
(তিরমিযী, হাদীস নং-৩৪৬০/ মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস নং-৭৭৬৭)
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
📢📢একটি বিশেষ ঘোষণা📢📢📢
ইনশাআল্লাহ রমজান শেষ হওয়া পর্যন্ত আমাদের চ্যানেলের যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। রমজানের পরে যথারীতি আমাদের কার্যক্রম শুরু হবে। এই চ্যানেলের সাথে যে বা যারা বুদ্ধি, সময়, শ্রম এবং দু'আ দিয়ে সহযোগীতা করেছেন এবং যারা এই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার আছেন আল্লাহ্ তা'আলা সকলকে তাঁর গভীর নৈকট্য দান করেন। আমিন।
http://t.me/pathofisla
আবু আহমাদ,
বী-বাড়িয়া।
1608 নং উত্তর:
চেয়ারে বসে নামাজ পড়া সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
মসজিদে এতেকাফ অবস্থায় ফেসবুক, ইউটিউব ও খেলার খবর শোনা,পত্রিকা পড়া এগুলোর অনুমতি আছে কি?
http://t.me/MuftiMasudKasemi
