C.H.Article 07
الذهاب إلى القناة على Telegram
رَبَّنَا لَا تُزغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً إنّكَ أَنْتَ الْوَهّابً.. [হে আমাদের রব! হিদায়াত দেওয়া পরে আমাদের অন্তরকে বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ হতে আমাদের রহমত দান করুন।নিশ্চয় আপনি মহানদাতা••]
إظهار المزيد582
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
لا توجد بيانات7 أيام
لا توجد بيانات30 أيام
أرشيف المشاركات
পুরুষ শিক্ষকের দ্বারা ছাত্রী harassment এর ঘটনা অনেক সময়ই সামনে আসছে। হয়তো সবগুলোই সত্য। আবার কিছু হয়তো রটনা। তবে এসব ঘটনা গার্লস স্কুল - কলেজে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে। শতকরা ৯৮ ভাগই গোপন থাকে।
কুফরি রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ব্যভিচারের সমস্ত সুযোগ উম্মুক্ত। দিন রাত ব্যভিচারের জীবাণু মানুষের রক্তে ঢুকিয়ে দেয়া হচ্ছে ইলেকট্রনিক এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। এসব বর্তমান রাষ্ট্র বা গ্লোবাল সিস্টেমের কাছে জীবানু নয় বরং বিনোদন৷। সহ শিক্ষা, পুরুষ শিক্ষক দিয়ে নারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানো বা নারী শিক্ষিকা দিয়ে ছাত্রদের পড়ানো সবকিছুই কুফরের সিস্টেম। এক কথায় মানুষের জৈবিক চাহিদাকে উগ্রতা দিয়ে পশুত্বে নিয়ে যাচ্ছে পুরো সিস্টেম। সশস্ত্র যুদ্ধে অবতীর্ণ হোন। যুদ্ধ চলমান। জাতীয়তাবাদের নোংরা পতাকা টয়লেটে ছুড়ে ফেলুন। তাওহীদের পতাকা, খিলাফতের পতাকা প্রতিষ্ঠিত করুন।
ভিডিওতে যেসব হাদিস রেফারেন্স দেয়া হচ্ছে তা এখানে উল্লেখ করা হলো৷
হাদিসে খিলাফতের সীমান্তরক্ষীর কথা বলা হয়েছে। তাগুতের ক্ষমতা রক্ষাকারী, জাতীয়তাবাদী সীমানা পাহারাদার কাফেরদের কথা বলা হয় নাই।
যে ব্যক্তির মৃত্যুর পরে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জান্নাতি হওয়া সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন সেই ব্যক্তি কাফেরদের রক্ষায় দ্বায়িত্ব পালন করে নাই৷ সেই ব্যক্তি রাতে মুজাহিদদের শিবির পাহারা দিয়েছিল।
দুর্ভাগ্য এসব তথাকথিত দাঈদের জন্য৷ মুসলমানদের সর্বনাশ এরাই করে যাচ্ছে।
সাহাল ইবন সা‘দ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন “আল্লাহর পথে একদিন সীমান্ত পাহারা দেওয়া দুনিয়া ও এর উপর যা কিছু আছে তা থেকে উত্তম। জান্নাতে তোমাদের কারো এক চাবুক পরিমাণ স্থানও দুনিয়া ও তার উপরে যা আছে তা থেকে উত্তম। আল্লাহর পথে এক সকাল চলা বা এক বিকাল চলা দুনিয়া ও এর উপরে যা আছে তা থেকে উত্তম”।
(বুখারী ও মুসলিম)
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু বাহরাম দারিমী (রহঃ) ..... সালমান (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, একটি দিবস ও একটি রাতের সীমান্ত প্রহরা একমাস সিয়াম পালন এবং ইবাদাতে রাত জাগার চেয়েও শ্রেষ্ঠ। আর যদি এ অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে, তাতে তার এ আমলের সাওয়াব জারী থাকবে যে আমল সে করত এবং তার (শহীদসুলভ) রিযক অব্যাহত রাখা হবে এবং সে ব্যক্তি ফিৎনাসমূহ থেকে নিরাপদে থাকবে। ( মুসলিম)
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে মারফু‘ হিসেবে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
“দুটি চোখকে জাহান্নাম স্পর্শ করবে না, যে চোখ আল্লাহর ভয়ে কাঁদে আর যে চোখ আল্লাহর পথে পাহারায় বিনিদ্র রজনী যাপন করে।” ( তিরমিজি)
শরীফ থেকে শরীফা গল্প নিয়ে অনেক আন্দোলন, সেমিনার, মাহফিলে বক্তাদের চিৎকার.... অনেক কিছু হচ্ছে। এতে হয়তো এই গল্পটা পাঠ্যপুস্তক থেকে সরে যাবে। কিন্তু মনে রাখবেন কুফর সিস্টেমের কোন একটা মাধ্যমে ( শিক্ষা, সংস্কৃতি, বাণিজ্য, অর্থনীতি, রাজনীতি, প্রশাসন, আইন) যদি নতুন কোন কুফর বা শিরক প্রবর্তন হয় তো আন্দোলনের মুখে সাময়িক ভাবে সেটা বন্ধ হলেও আরও ব্যপক আকারে ফিরে আসে - এসেছে। একসময় সেই কুফর বা শিরকটাই জনসাধারণের মনে - মগজে গেঁথে গিয়েছে এবং অভ্যাসে পরিনত হয়েছে৷ আজকের শরীফ থেকে শরীফার কাহিনিদিয়ে যেটা শেখাতে চেয়েছে সেই শিক্ষা আগামীতে কুফর শিক্ষা ব্যবস্থার স্তরে স্তরে পৌঁছে যাবে। বিভিন্ন নাটকে - ওয়েব সিরিজ - ফিল্মে এসব ঘুরে ফিরে আসতে থাকবে। আগামী ১০-১৫ বছর পরে ট্রান্সজেন্ডার বিষয়টা আমাদের সমাজের - চারপাশের অনেকেই গ্রহণ করে নিবে। এরা তারাই যারা আজ বিরোধিতা করছে, অথবা তাদের সন্তানরা। এটাই কুফরের নিয়ম। এটাই ইতিহাসের শিক্ষা৷ সুতরাং এসব আন্দোলন, চিৎকার, ভিডিও ব্লগিং বা বইয়ের পাতা ছেঁড়াতে নিজের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ না রেখে সশস্ত্র জিহাদের পথে আসুন৷ কুফর এবং মুসলিম নামের কাফের - তাগুতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নিন। মুজাহিদদের সমর্থন এবং সহায়তা করুন। আর ধ্বংসের দিকে যাবেন না। জিহাদ বর্জনের ফলাফল হিসেবে আমরা আগুনের শিখার খুব কাছে চলে এসেছি৷
উম্মাহ আজ কাফেরদের দাস, নিজেদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী হানাহানিতে লিপ্ত, খিলাফত বিস্মৃত, কাফেরদের বোমায় ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে কিন্তু কাফেরদের মোকাবেলার শক্তি বা সাহস পাচ্ছে না। এসবের কারণ তাওহীদ ফেলে জাতীয়তাবাদী আকিদা গ্রহণ।
জাতীয়তাবাদী আকিদা এবং জাতীয়তাবাদী যুদ্ধ / আন্দোলন / সংগ্রাম জায়েজ করেছে আলেম নামের ব্যক্তিরা৷
দুর্ভাগ্য তাদের জন্য এই দুনিয়ায়, দুর্ভাগ্য তাদের জন্য শেষ বিচারের দিনে৷
ডাক্তার, হসপিটাল, ক্লিনিক গুলোতে মানুষ মারার কারবার চলে। অবহেলা বা ভুল চিকিৎসায় মানুষ মারা যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কখনও রোগী মারা যাওয়ার পরে কয়েক ঘন্টা পর্যন্ত স্বজনদের মৃত্যুর খবর না জানিয়ে কেবিনে বা আই সি ইউ'তে রেখে দেয়া হয়৷ কারণ বিল বাড়ানো। হসপিটাল বা ক্লিনিকে ওষুধের দাম বাজার মূল্যের চাইতে বাড়িয়ে ধরা হয়৷টাকার জন্য ডাক্তারদের পৈশাচিকতার এরকম অজস্র প্রমাণ আছে। সবকিছুর কারণ একটাই অর্থ উপার্জন। ডাক্তার হওয়ার জন্য টাকার বন্যা বইয়ে দিতে হয়৷ ডাক্তার হয়ে মানুষের জীবন নিয়ে ব্যবসা করে তারা এমনকি লাশ নিয়েও।
ক্যাপিটালিজম মানুষকে পশু বানিয়ে ফেলে। পুরো কওম, পুরো দুনিয়ার মুল আকিদা প্রফিট। লাভের জন্য, টাকার জন্য যা ইচ্ছে কর৷ যত কৌশল আছে খাটাও তাও বড়লোক হও৷ নয়তো তোমার জীবন ব্যার্থ। ক্যাপিটালিজমের ধর্মই এটা৷
জিহাদ শুধু পুলিশ, আর্মি বা মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে নয়, জিহাদ ক্যাপিটালিজমের প্রতিটি পিলারের বিরুদ্ধে।
Repost from N/a
IMEI number মোবাইল হ্যান্ডদেটের গুরুত্বপূর্ণ অংশ৷ আপনার লোকেশন ট্র্যাকিং করতে এই নাম্বারই যথেষ্ট৷ স্মার্ট হ্যান্ডসেটের বক্সের পিছনে উক্ত সেটের IMEI নাম্বার লেখা থাকে৷ অথবা *#06# ডায়াল করেও সেটের IMEI জানা যায়৷ বাটন মোবাইল সেটের ক্ষেত্রেও *#06# ডায়াল করে জানা যাবে। যেসব সেটে দুটো সিম থাকে সেসব সেটে IMEI number দুটো৷
তাগুত বাহিনী যদি কাউকে ধরতে চায় তাহলে তার লোকেশন ট্রেস করতে মোবাইলের IMEI number ব্যবহার করে। যাকে খুঁজছে তার IMEI নাম্বার যদি পুলিশের কাছে থাকে তো কথাই নেই।কিন্তু যদি না থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির ফোন নাম্বার পাওয়ার চেষ্টা করে। সেই নাম্বারে কল দিবে wrong number call যেরকম আসে ঠিক তেমনটাই৷ উক্ত ব্যক্তি কলটি রিসিভ করার সাথে সাথেই IMEI number তাদের কাছে চলে যাবে৷ উক্ত ব্যক্তির ন্যাশনাল আইডি কার্ড যদি তাগুতের কাছে থাকে বা অন্তত এন আই ডি'র নাম্বারটা থাকে বা তারা পেয়ে যায় তাহলে উক্ত আইডি দিয়ে কয়টি সিম নেয়া হয়েছে এবং সেগুলোর নাম্বার পাওয়া কয়েক সেকেন্ডের কাজ৷ মোবাইল কোম্পানিগুলো এসব ক্ষেত্রে তাগুত বাহিনীর সহায়ক হিসেবে কাজ করে৷ এছাড়া উক্ত ব্যক্তির নাম্বারের কল লিস্ট নিয়ে নেয়। সে কাদের সাথে কথা বলেছে এবং সেসব caller দের লোকেশনও ট্রেস করে নেয়। এতে উক্ত ব্যক্তির অবস্থান নির্ণয় সহজ হয়৷
এছাড়া সে যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে তখন সে কোন আইপি এড্রেস থেকে করে এবং সে আইপির লোকেশন কোথায় তাও বের করে।
ফেইসবুক বা অন্য কোন অনলাইন মাধ্যমে পোস্ট কারীদের প্রথমে আইপি এড্রেস ট্রেস করে। এরপর কোন ডিভাইস থেকে পোস্ট করা হলো সেটা ট্রেস করে। আইপি ট্রেস করে ডিভাইসটি খুঁজে বের করা হয়৷ ডিভাইস এর খোঁজ পাওয়া মাবে উক্ত ডিভাইসের IMEI number খুঁজে পাওয়া৷ এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর ফোন নাম্বার আর প্রয়োজন নাই৷
বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী foolish ই আছে৷ কিন্তু যেসব প্রযুক্তি তারা ব্যবহার করে সেসব প্রযুক্তি ইসরায়েলের উন্নত প্রযুক্তি। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের তাগুত সরকার বিপুল অর্থের বিনিময়ে এসব প্রযুক্তি কিনেছে যার বেশির ভাগ সম্পর্কে জনসাধারণ অবগত নয়৷ এসব প্রযুক্তির ব্যবহার শুধুমাত্র তাগুত বাহিনীর মধ্যে সীমাবদ্ধ। সাধারণ মানুষ বা কোন কোম্পানি বা কোন সংস্থা / সংগঠন এসব প্রযুক্তির ছোঁয়াও পায় না৷
জেল খানায় দাগী আসামি, অনেক বছরের কারাগারে থাকা ব্যক্তিরাই ওখানকার রাজা বাদশাহ৷ অথচ জেলের বাইরে যে সমাজ সেখানে তাদের স্থান নেই। আমাদের এই ক্রীতদাস সমাজে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বা সুদভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের অফিসার বা তাগুতের গোলাম অফিসার কত সম্মানিত। অথচ তাওহীদের ভুমিতে, সুন্নাহভিত্তিক পরিচালিত অঞ্চলে তারা সবচাইতে ঘৃণিতদের চাইতেও ঘৃণিত৷ একজন মুজাহিদ তাগুতী ব্যবস্থায় ঘৃণিত সন্ত্রাসী৷ আর আল্লাহ'র বিধানে পরিচালিত রাষ্ট্রে সম্মানিত বীর৷
সুতরাং আমরা কোন পরিচয় চাই তা ঠিক করার দ্বায়িত্ব আমাদের৷
বাংলাদেশে ঘোষণা দিয়ে যুদ্ধ শুরু করার প্রয়োজন বা পরিস্থিতি নাই৷ শহীদ শায়খ আব্দুর রহমান সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে কুফরি রাষ্ট্র ঘোষণা করে জিহাদ ঘোষণা করেন। এরপর সে জিহাদ স্তিমিত হয়ে পড়লে মুফতি জসীমউদ্দিন রাহমানী আবার শানিত করেন। যদিও শায়খ আব্দুর রহমান এবং জসীমউদ্দিন রাহমানীর যুদ্ধ কৌশল পার্থক্য ছিল৷ সেটা সামরিক প্রয়োজনে হতেই পারে। এরপর দাওলাতুল ইসলামের যোদ্ধারা গুলশানে বেকারিতে এট্যাকের মাধ্যমে সে যুদ্ধকে নবরুপ দেন। যুদ্ধ চলমান এখনও। যারা নিজেদের মুজাহিদ হিসেবে তৈরী করতে চান তাদের উদ্দেশ্য বলছি, কোন ঘোষণার অপেক্ষা করবেন না। যুদ্ধ চলছে৷ ইহুদি, নাসারা মুশরিকরা এবং তাদের কোম্পানি, তাগুত সরকার - প্রশাসন - কোম্পানি আমাদের শত্রু। এদের জীবন আমাদের টার্গেট এবং সম্পদ আমাদের গণিমত। সর্বাবস্থায় নিজেকে যোদ্ধা ভাবুন এবং সে ভাবেই সবকিছুকে মূল্যায়ন করুন। তবে অবশ্যই হিকমাহ্'র সাথে, মাথা গরম করে কোন ধরনের বোকামি করবেন না।
জাতীয়তাবাদ আর গনতান্ত্রিক আদর্শের জন্য বার্মার হাজার হাজার মানুষ জীবন দিয়ে দিচ্ছে, ঘরবাড়ি ছেড়েছে৷ অর্থ উপার্জন বা ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন - ইচ্ছে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে৷ অথচ এসবের বিনিময়ে আখেরাতে কিছুই নাই বরং জাহান্নাম অপেক্ষা করছে৷ তারা এসব ত্যাগ করে যাচ্ছে শুধু নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন এক বার্মা ( মায়ানমার) গড়ার লক্ষ্যে।
আমরা মুসলিমরা তাওহীদ প্রতিষ্ঠার জন্য, খিলাফার জন্য সামান্য কিছু করলেও তার জন্য পুরস্কার রয়েছে আখেরাতে৷ আল্লাহ'র পথে কাটানো একটা মুহূর্তের মূল্য দুনিয়ার সবকিছুর চাইতে মুল্যবান। আর যদি পুরো জীবন,সুখের স্বপ্ন, উন্নত ক্যারিয়ার এমনকি শেষ নিঃশ্বাসও আল্লাহ'র জন্য কুরবানি দেয়া হয় তাহলে কত বেশি পুরস্কার রয়েছে তা ভাবাও যায় না।
আমরা কি পারি না?
Repost from N/a
CRI ( Center for research and information) বাংলাদেশের একটা অলাভজনক ( non profitable) প্রতিষ্ঠান। এর কাজ হলো ডিবেট, সেমিনার আয়োজন করা। তরুন - তরুনীরাই এই প্রতিষ্ঠানের টার্গেট। এছাড়া ব্লগার তৈরী বা মেধাবী ব্লগার খুঁজে বের করা, মেধাবী ডিবেটর খুঁজে বের করা। এছাড়া জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা, স্পৃহা সৃষ্টি করা। ইতিমধ্যে এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের আলোচনা, বিতর্ক আয়োজন করেছে। এছাড়া অনলাইনে ব্লগার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর খুঁজে বের করছে।
এতটুকু পড়লে খুবই চমৎকার মনে হবে প্রতিষ্ঠানটিকে। এবার আসুল এই প্রতিষ্ঠান কারা চালায় তাদের চেনা যাক।
CRI চেয়ারম্যান সজিব ওয়াজেদ জয় ( শেখ হাসিনার ছেলে) CRI এর মেম্বারদের মধ্যে আছে, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ( শেখ হাসিনার মেয়ে) , রেদোয়ান মুজিব সিদ্দিকী ( শেখ রেহানার ছেলে) ।
এছাড়া রয়েছে আরও প্রায় ৫০/৬০ জন।যাদের সবাই আওয়ামী লীগ সরকারের খুবই আস্থাভাজন। এদের একটা বিরাট অংশই হিন্দু অর্থাৎ ভারতীয়।
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মগজে তাগুত শেখ হাসিনা এবং তার পিতা তাগুত শেখ মুজিব, কুফরি ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদ ঢুকিয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছে৷ তারা খুঁজে বের করছে মেধাবীদের যাদের মেধা ব্যবহার করে এরা নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। এছাড়া এদের রয়েছে অনেক স্পাই আইডি । এই আইডি গুলো বিভিন্ন নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। এই আইডি গুলো যারা সরকার বিরোধী অথবা জিহাদের পক্ষের তাদের তাগুতের হাতে তুলে দিতে কাজ করে। বিভিন্ন ভিডিও - পোস্ট এরা আপলোড করে সেখানে পাওয়া রিএক্ট এবং কমেন্টস্ গুলো খেয়াল করে। যারা সরকার বিরোধী তাদের সাথে অনেক সময় তর্ক বির্তকে জড়ায়। প্রয়োজন বন্ধুত্ব করে। যাবতীয় তথ্য বের করে কৌশলে। এরপর তাগুত পুলিশ - র্যাবকে সেসব তথ্য দিয়ে দেয়।
এছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আপলোড করা ভিডিও - পোস্টেও এরা নজর দেয় কাউকে পাওয়া যায় কিনা। স্পাইং করে দুটো কাজ হয় -- ১) সরকার বিরোধী বিশেষ করে তাগুত বিরোধী খুঁজে বের করা, ২) সরকারপন্থী মেধাবী অথবা নিরপেক্ষ মেধাবী খুঁজে বের করা।
সরকার বিরোধী বা তাগুত বিরোধী হলেই তারা টার্গেট করে ফেলে না। তারা দেখতে থাকে সেই ব্যক্তি সরকার বা প্রচলিত সিস্টেমের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।
সুতরাং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
Repost from N/a
CRI ( Center for research and information) বাংলাদেশের একটা অলাভজনক ( non profitable) প্রতিষ্ঠান। এর কাজ হলো ডিবেট, সেমিনার আয়োজন করা। তরুন - তরুনীরাই এই প্রতিষ্ঠানের টার্গেট। এছাড়া ব্লগার তৈরী বা মেধাবী ব্লগার খুঁজে বের করা, মেধাবী ডিবেটর খুঁজে বের করা। এছাড়া জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা, স্পৃহা সৃষ্টি করা। ইতিমধ্যে এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের আলোচনা, বিতর্ক আয়োজন করেছে। এছাড়া অনলাইনে ব্লগার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর খুঁজে বের করছে।
এতটুকু পড়লে খুবই চমৎকার মনে হবে প্রতিষ্ঠানটিকে। এবার আসুল এই প্রতিষ্ঠান কারা চালায় তাদের চেনা যাক।
CRI চেয়ারম্যান সজিব ওয়াজেদ জয় ( শেখ হাসিনার ছেলে) CRI এর মেম্বারদের মধ্যে আছে, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ( শেখ হাসিনার মেয়ে) , রেদোয়ান মুজিব সিদ্দিকী ( শেখ রেহানার ছেলে) ।
এছাড়া রয়েছে আরও প্রায় ৫০/৬০ জন।যাদের সবাই আওয়ামী লীগ সরকারের খুবই আস্থাভাজন। এদের একটা বিরাট অংশই হিন্দু অর্থাৎ ভারতীয়।
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মগজে তাগুত শেখ হাসিনা এবং তার পিতা তাগুত শেখ মুজিব, কুফরি ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদ ঢুকিয়ে দিতে কাজ করে যাচ্ছে৷ তারা খুঁজে বের করছে মেধাবীদের যাদের মেধা ব্যবহার করে এরা নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। এছাড়া এদের রয়েছে অনেক স্পাই আইডি । এই আইডি গুলো বিভিন্ন নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়। এই আইডি গুলো যারা সরকার বিরোধী অথবা জিহাদের পক্ষের তাদের তাগুতের হাতে তুলে দিতে কাজ করে। বিভিন্ন ভিডিও - পোস্ট এরা আপলোড করে সেখানে পাওয়া রিএক্ট এবং কমেন্টস্ গুলো খেয়াল করে। যারা সরকার বিরোধী তাদের সাথে অনেক সময় তর্ক বির্তকে জড়ায়। প্রয়োজন বন্ধুত্ব করে। যাবতীয় তথ্য বের করে কৌশলে। এরপর তাগুত পুলিশ - র্যাবকে সেসব তথ্য দিয়ে দেয়।
এছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের আপলোড করা ভিডিও - পোস্টেও এরা নজর দেয় কাউকে পাওয়া যায় কিনা। স্পাইং করে দুটো কাজ হয় -- ১) সরকার বিরোধী বিশেষ করে তাগুত বিরোধী খুঁজে বের করা, ২) সরকারপন্থী মেধাবী অথবা নিরপেক্ষ মেধাবী খুঁজে বের করা।
সরকার বিরোধী বা তাগুত বিরোধী হলেই তারা টার্গেট করে ফেলে না। তারা দেখতে থাকে সেই ব্যক্তি সরকার বা প্রচলিত সিস্টেমের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ।
সুতরাং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
তাগুতের প্রশাসনে তারা, সরকারে তারা। মানে নিজেরাই তাগুত। তাগুতের উপসনালয়গুলোতেও চাকরি চায়৷ হায়রে আকিদা। সহি আকিদা মানে কি শুধু মাজার পুজা বর্জন? লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মানে কি শুধু মূর্তি পুজা আর মাজার - পীর বর্জন? আফসোস। এদের অবস্থা ইসলাম আগমনের সময়ের ইহুদি আলেমদের মতো হয়ে গিয়েছে।
তাগুতি ব্যবস্থার ফলাফল। এক শ্রেণী হাজার হাজার টাকা খরচ করছে এক ওয়াক্ত খাবারের জন্য। এত বেশি খাবার যে খেতে না পেরে ফেলে দিচ্ছে। অপর অংশ মাছের কাঁটা খাচ্ছে, ডাষ্টবিনের উচ্ছিষ্ট খাচ্ছে। এটাই কুফর গনতন্ত্র। এটাই কুফর পুজিবাদ৷
আল্লাহ এভাবেই সত্য উন্মোচন করেন। কাফেররাই নিজেদের আসল এজেন্ডা প্রকাশ দিচ্ছে অথচ সেটা বুঝতেও পারছে না৷
হে উম্মাহ! হে কওম! ক্বিতাল ফি সাবিলিল্লাহ ( আল্লাহ'র পথে যুদ্ধ) ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই, আর কোন রাস্তা নাই৷
প্রতিবাদ করে জালিমের জুলুম বন্ধ হয় নাই, তাগুতের রীতি পরিবর্তন হয় নাই। তাগুত বা জালিম হয়তো তার অবস্থানে অনড় থেকেছে নয়তো ভিন্ন রাস্তায় মোড় নিয়েছে। কিন্তু তার এজেন্ডা সে বাস্তবায়ন করেই ছেড়েছে। তাগুত বা জালিমের উপযুক্ত ওষুধ সশস্ত্র পন্থা।
চলমান আন্দোলনমুখর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সহ বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদী হয়ে ওঠা তরুন - যুবকদের জ্ঞতার্থে।
গার্মেন্টসের পোশাকের বিদেশি ক্রেতারা ( বায়ার) মজুরি হিসাব করেই দাম নির্ধারণ করে। মজুরী যত বেড়েছে সেটা যোগ করে ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হচ্ছে৷ সুতরাং বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকদের উপর বাড়তি কোন চাপ পড়ছে না। উপরন্তু বায়ারকে মজুরিটা দেখানো হচ্ছে ডলারে। তার থেকে ক্রয়মূল্যের সাথে সেটা নেয়াও হচ্ছে ডলারে। কিন্তু শ্রমিককে দেয়া হচ্ছে টাকায়। ডলারের দাম বেড়ে গেলে স্বাভাবিক ভাবে শ্রমিকের মজুরিও বাড়ার কথা। কিন্তু বাড়ে না৷ বাড়তি টাকা চলে যায় গার্মেন্টস ফ্যক্ট্রির মালিকের পেটে।
কিছু থার্ডওয়ে বায়িং হাউজ আছে যাদের ট্রেডিং কোম্পানি বলা হয়৷ বাংলাদেশি মালিকানার যেমন আছে, অন্য দেশের মালিকানারও আছে। এরা পোশাকের মুল ক্রেতা থেকে অর্ডার নিয়ে ফ্যক্ট্রিকে দেয়। যে দামে অর্ডার নেয় তার চাইতে কিছু কম দামে বিভিন্ন ফ্যক্ট্রিকে অর্ডার গুলো দেয়। অর্ডার নেয়া এবং ফ্যক্ট্রিকে দেয়ার মাঝের ব্যালেন্সটাই ট্রেডিং কোম্পানির প্রফিট। ট্রেডিং কোম্পানি ফ্যক্ট্রিতে যে পরিমাণ শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হবে তার সংখ্য বায়ারকে দেয়। বায়ার শ্রমিকদের বাড়তি মজুরি সহ যোগ করে ট্রেডিং কোম্পানিকে পণ্যের দাম পরিশোধ করছে।
কিন্তু ট্রেডিং কোম্পানি সেই বাড়তি টাকা ফ্যক্ট্রিকে দেয় না। ফ্যক্ট্রির সাথে তারা যখন চুক্তি করে তখন যতটা কমে করা যায় করে। এসব ফ্যক্ট্রিতে শ্রমিকদের বেতন সবসময় কম৷ মালিকরা তাদের লাভ কোনভাবেই কমাতে রাজি না। পেটের দায়ে শ্রমিকরা কম মজুরিতে চাকরি করতে বাধ্য হয়।
যেসব ফ্যক্ট্রি সরাসরি বায়ার থেকে অর্ডার নিতে পারে ( ট্রেডিং কোম্পানির মাধ্যম ছাড়া) তাদের পক্ষে নতুন কাঠামোর মজুরি দেয়া সম্ভব। কিন্তু তারাও সুযোগ বুঝে এদিক সেদিক করে। মুলত মালিকদের লাভই সবক্ষেত্রে বেশি থাকে।
এই হচ্ছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরের মজুরি কাঠামো।
