বাংলা-Bangla
الذهاب إلى القناة على Telegram
@Bangla Channel এ আপনাকে স্বাগতম! আপনার সেলফি, ফটোগ্রাফি,ভিডিও ট্রাভেল ব্লগস অথবা আপনার প্রতিভার ভিডিও আমাদের @Bangla Channel এ পোস্ট করতে আমাদের এই চ্যানেলের গ্রুপে যেয়ে প্রথমে পোস্ট করুন : @GoldenBangla 📵🚷🚱🚯🚭🚳❤💙💚
إظهار المزيدبنغلاديش3 062الفئة غير محددة
7 309
المشتركون
+224 ساعات
-157 أيام
+3330 أيام
جاري تحميل البيانات...
القنوات المماثلة
سحابة العلامات
لا توجد بيانات
هل تواجه مشاكل؟ يرجى تحديث الصفحة أو الاتصال بمدير الدعم الخاص بنا.
الإشارات الواردة والصادرة
---
---
---
---
---
---
جذب المشتركين
أغسطس '26
أغسطس '26
+194
في 0 قنوات
يوليو '26
+172
في 2 قنوات
Get PRO
يونيو '26
+187
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '26
+161
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '26
+138
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '26
+78
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '26
+204
في 1 قنوات
Get PRO
يناير '26
+265
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '25
+193
في 1 قنوات
Get PRO
نوفمبر '25
+214
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '25
+238
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '25
+264
في 1 قنوات
Get PRO
أغسطس '25
+219
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '25
+232
في 1 قنوات
Get PRO
يونيو '25
+259
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '25
+259
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '25
+208
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '25
+154
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '25
+201
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '25
+186
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '24
+194
في 4 قنوات
Get PRO
نوفمبر '24
+231
في 8 قنوات
Get PRO
أكتوبر '24
+353
في 1 قنوات
Get PRO
سبتمبر '24
+306
في 3 قنوات
Get PRO
أغسطس '24
+365
في 2 قنوات
Get PRO
يوليو '24
+433
في 10 قنوات
Get PRO
يونيو '24
+410
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '24
+240
في 1 قنوات
Get PRO
أبريل '24
+271
في 3 قنوات
Get PRO
مارس '24
+194
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '24
+219
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '24
+223
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '23
+196
في 14 قنوات
Get PRO
نوفمبر '23
+185
في 4 قنوات
Get PRO
أكتوبر '23
+321
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '23
+276
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '23
+246
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '23
+229
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '23
+224
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '23
+220
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '23
+184
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '23
+172
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '23
+195
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '23
+184
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '22
+175
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '22
+183
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '22
+180
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '22
+238
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '22
+202
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '22
+255
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '22
+286
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '22
+288
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '22
+237
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '22
+236
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '22
+168
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '22
+166
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '21
+130
في 0 قنوات
Get PRO
نوفمبر '21
+116
في 0 قنوات
Get PRO
أكتوبر '21
+122
في 0 قنوات
Get PRO
سبتمبر '21
+143
في 0 قنوات
Get PRO
أغسطس '21
+178
في 0 قنوات
Get PRO
يوليو '21
+204
في 0 قنوات
Get PRO
يونيو '21
+107
في 0 قنوات
Get PRO
مايو '21
+90
في 0 قنوات
Get PRO
أبريل '21
+113
في 0 قنوات
Get PRO
مارس '21
+98
في 0 قنوات
Get PRO
فبراير '21
+170
في 0 قنوات
Get PRO
يناير '21
+137
في 0 قنوات
Get PRO
ديسمبر '20
+2 379
في 0 قنوات
| التاريخ | نمو المشتركين | الإشارات | القنوات | |
| 28 أغسطس | +6 | |||
| 27 أغسطس | +6 | |||
| 26 أغسطس | +8 | |||
| 25 أغسطس | +2 | |||
| 24 أغسطس | +5 | |||
| 23 أغسطس | +8 | |||
| 22 أغسطس | 0 | |||
| 21 أغسطس | +8 | |||
| 20 أغسطس | +19 | |||
| 19 أغسطس | +10 | |||
| 18 أغسطس | +10 | |||
| 17 أغسطس | +9 | |||
| 16 أغسطس | +10 | |||
| 15 أغسطس | +5 | |||
| 14 أغسطس | +6 | |||
| 13 أغسطس | +5 | |||
| 12 أغسطس | +12 | |||
| 11 أغسطس | +8 | |||
| 10 أغسطس | +5 | |||
| 09 أغسطس | +4 | |||
| 08 أغسطس | +10 | |||
| 07 أغسطس | +6 | |||
| 06 أغسطس | +6 | |||
| 05 أغسطس | +5 | |||
| 04 أغسطس | +2 | |||
| 03 أغسطس | +5 | |||
| 02 أغسطس | +7 | |||
| 01 أغسطس | +7 |
منشورات القناة
| 2 | লোকটার বয়স ৩৮ বছর।
ফুটবল মাঠে ৩৮ বছর মানে কী সেটা একটু বুঝিয়ে বলি। তোমার এলাকার যে বড় ভাই আছে যে বলে, আরে আমরা তখন কী ফুটবল খেলতাম, সে এখন মাঠে নামলে পাঁচ মিনিটে হাঁটু ধরে বসে পড়বে। আর মেসি? ৩৮ বছর বয়সে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এ আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরে গেছে।
তিনটা গোল। ১৭ মিনিটে, ৬০ মিনিটে, ৭৬ মিনিটে। আর্জেন্টিনা জিতেছে ৩-০।
কিন্তু শুধু এইটুকু বললে গল্পটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
মেসি এই হ্যাটট্রিক দিয়ে বিশ্বকাপে মোট ১৬টা গোল করে ফেলেছে। মানে সর্বকালের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোজের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে। আর মাত্র একটা গোল করলেই একা দাঁড়িয়ে থাকবে ইতিহাসের শীর্ষে।
এই লোকটা ছোটবেলায় গ্রোথ হরমোনের সমস্যায় ভুগছিল। চিকিৎসার খরচ দিতে পারছিল না পরিবার। বার্সেলোনা ট্রায়ালে গিয়ে একটা ন্যাপকিনে কন্ট্র্যাক্ট সই করিয়ে এনেছিল মাত্র এই কারণে যে কোনো কাগজ ছিল না হাতের কাছে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে এসে একের পর এক ফাইনাল হেরেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনাল হেরেছে। কোপা আমেরিকা ফাইনাল হেরেছে। একবার না, তিনবার। অবসরও নিয়েছিল হতাশায়। তারপর ফিরে এসেছে। ২০২১ এ কোপা জিতেছে। ২০২২ এ বিশ্বকাপ জিতেছে।
আর এখন ৩৮ বছর বয়সে আবার মাঠে। আবার হ্যাটট্রিক।
কোচ স্কালোনি ম্যাচের পর বলেছেন, এটা বর্ণনা করার ভাষা আমার কাছে নেই।
ভাষা না থাকাটাই স্বাভাবিক। কারণ যা দেখছি সেটা শুধু ফুটবল না। এটা একটা জীবনের গল্প।
কিন্তু এই গল্পটা তোমার জীবনের সাথে কীভাবে মেলে সেটাই আসল কথা।
তুমি হয়তো এখন কোনো একটা কাজ করছো। ডেভেলপমেন্ট শিখছো, ডিজাইন শিখছো, ব্যবসা করার চেষ্টা করছো, পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছো। আর বারবার মনে হচ্ছে হচ্ছে না। ইন্টার্নশিপে রিজেক্ট হচ্ছো, প্রজেক্ট ফেল করছে, রেজাল্ট ভালো হচ্ছে না।
মেসি কিন্তু এই জায়গাতেই ছিল। শুধু সে একটা কাজ করেছে যেটা বেশিরভাগ মানুষ করে না। সে থামেনি। হেরেছে, উঠেছে। আবার হেরেছে, আবার উঠেছে। অবসর নিয়েছে, আবার ফিরে এসেছে। আমরা ট্রল করেছি। আর প্রতিবার ফেরার সময় আগের চেয়ে ভালো হয়ে ফিরেছে।
৩৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক এমনি এমনি হয় না। এইটার পেছনে আছে বিশ বছরের ঘাম, শত শত ট্রেনিং সেশন, হারের রাতে ঘুম না আসা, আবার সকালে উঠে মাঠে যাওয়া।
ডেডিকেশন মানে এইটাই।
ডেডিকেশন মানে একদিন মন ভালো থাকলে কাজ করা না। ডেডিকেশন মানে মন খারাপ থাকলেও, ক্লান্ত থাকলেও, মনে হচ্ছে কিছুই হচ্ছে না তারপরেও প্রতিদিন একটু একটু করে এগোনো।
মেসি যদি ২০১৬ সালে অবসরের পর সত্যি সত্যি চলে যেত, আমরা কখনো ২০২২ এর বিশ্বকাপ জয় দেখতাম না। আর আজকে এই হ্যাটট্রিক তো কল্পনাই করা যেত না।
তোমার জীবনেও এমন একটা মুহূর্ত আসবে যখন মনে হবে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। সেই মুহূর্তে মেসির কথা মনে করো।
লোকটার বয়স ৩৮। মাঠে নেমেছে। হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরেছে।
তোমার অজুহাতটা আবার কী ছিল? | 10 192 |
| 3 | 🌟 চে গুয়েভারার উত্তরাধিকারকে সম্মান: বিপ্লবী চেতনার ৯৭ বছর 🌟
আজ ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী বিপ্লবী আর্নেস্তো "চে" গুয়েভারার ৯৮ তম জন্মবার্ষিকী। ছোটবেলা থেকেই আমি তাকে সাহস, ত্যাগ এবং ন্যায়বিচার ও সাম্যের প্রতি অটল নিষ্ঠার প্রতীক হিসেবে দেখেছি।
চে এর জীবন ছিল তার অসাধারণ রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং উন্নত বিশ্বের জন্য তার নিরলস সাধনা দ্বারা সংজ্ঞায়িত। নিপীড়িতদের প্রতি তার অঙ্গীকার, বিপ্লবী পরিবর্তনের প্রতি তার বিশ্বাস এবং তার আদর্শের জন্য সবকিছু ত্যাগ করার ইচ্ছা বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। কিউবান বিপ্লবে তার ভূমিকা হোক বা বলিভিয়ায় তার প্রচেষ্টা, চে-এর প্রভাব অনস্বীকার্য এবং চিরস্থায়ী।
চে এর সম্পর্কে আমি যা সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করি তা কেবল তার রাজনৈতিক অবস্থান নয়, বরং তার চরিত্রের সত্যতা এবং শক্তি। অসংখ্য চ্যালেঞ্জ এবং বিপদ সত্ত্বেও তার নীতি অনুসারে জীবনযাপন করার ক্ষমতা তাকে একজন সত্যিকারের নেতা হিসেবে আলাদা করে। এমন একজন নেতা যিনি প্রতিকূলতার মুখেও এমন একটি বিশ্বের জন্য লড়াই করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন যেখানে স্বাধীনতা এবং সাম্য বিকশিত হতে পারে।
আজ আমরা যখন তাকে স্মরণ করছি, তখন আমরা কেবল একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকেই নয়, বরং প্রতিরোধ, সততা এবং ত্যাগের এক অবিচল চেতনাকে সম্মান জানাচ্ছি। আমি সর্বদা চে গুয়েভারাকে একজন মহান নেতা হিসেবে বিবেচনা করব এবং সেই শ্রদ্ধা ও প্রশংসা আমার কাছে আজীবন থাকবে। | 10 036 |
| 4 | 😆 | 13 320 |
| 5 | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এখন পর্যন্ত সফট পাওয়ার ব্যবহার করেননি কারণ দলের মধ্যে অনেকগুলো গাদ্দার ঢুকে পড়েছে তাদেরকে ধরার জন্য। কোন দেশদ্রোহী রেহাই পাবে না কারণ এখন শো টাইম | 12 487 |
| 6 | Share like and subscribe please | 11 246 |
| 7 | ইতিহাস বড় নির্মম, আবার ইতিহাস বড় সত্যনিষ্ঠ।
আজ যখন রূপপুরের গম্বুজ আকাশ ছুঁতে চাইছে, তখন আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে। যারা বলেন রূপপুর হঠাৎ করে হয়েছে, তারা মিথ্যে বলছেন। যারা এর কৃতিত্ব নিতে চান, তাদের জানা উচিত এই ইটের নিচে কতটা রক্ত আর মেধা মিশে আছে।
১৯৬১ সালে যখন ২৬০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হলো, তখন বাংলার মানুষের চোখে ছিল এক সোনালী স্বপ্ন। কিন্তু সেই অগ্রগতির রথ থমকে গেল কেন? উত্তরটা পরিষ্কার, তৎকালীন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক নীতি।
১৯৬৩ সালে রূপপুরের জন্য একটি রিয়্যাক্টর অনুমোদিত হয়েছিল। কোথায় গেল সেই রিয়্যাক্টর? সেটি কৌশলে করাচি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে (KANUPP) সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। বাঙালির পকেটের টাকায় বরাদ্দ হলো, অথচ আলো জ্বললো করাচিতে।
বারবার রূপপুরের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার করা হয়েছে। এটি শুধু আর্থিক অনিয়ম ছিল না, এটি ছিল একটি জাতির মেধা ও ভবিষ্যতের ওপর চরম আঘাত। তারা জানত, পূর্ব বাংলা যদি একবার জ্বালানি শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, তবে তাদের দাসত্ব থেকে আমরা মুক্তি পাব।
১৯৭১-এ দেশ স্বাধীন হলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দায়িত্ব নিয়েই ১৯৭৩-৭৪ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে নতুন করে আলোচনার টেবিলে বসলেন। তিনি বুঝতেন, শিল্পায়ন ছাড়া মুক্তি নেই। কিন্তু ১৯৭৫-এর ১৫ই আগস্ট শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়নি, সেদিন বাংলাদেশের 'নিউক্লিয়ার ড্রিম' বা পারমাণবিক স্বপ্নকেও সপরিবারে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
এরপর যে সরকার গুলো এসেছে, তারা ছিল নতজানু। কোনো সরকার বড় ধরনের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি নিতে চায়নি, কারণ তাদের দেশপ্রেম ছিল ঠুনকো। তারা চেয়েছিল এ দেশ আমদানিনির্ভর হয়ে থাকুক।
আজ এই মহান দিনে দাঁড়িয়ে আমি একজনের নাম উচ্চারণ না করলে পাপ হবে। তিনি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া। লোকে তাকে চেনে বঙ্গবন্ধুর জামাতা হিসেবে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর স্বামী হিসেবে কিন্তু আমি তাকে চিনি এই প্রকল্পের 'ত্রাতা' হিসেবে।
ড. উসমানী ছিলেন পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্ণধার এবং ড. ওয়াজেদ মিয়ার মেন্টর। ১৯৬৩ সালের মূল পরিকল্পনায় ড. উসমানীর যে স্বপ্ন ছিল, তাকে কারিগরিভাবে পূর্ণতা দিয়েছিলেন ড. ওয়াজেদ মিয়া।
পঁচাত্তর পরবর্তী দীর্ঘ সময় যখন রূপপুর ছিল একটি পরিত্যক্ত ধূলিময় ফাইল, তখন ড. ওয়াজেদ মিয়া হতাশ হননি। পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি লড়াই করেছেন জমিটুকু রক্ষা করার জন্য। তিনি জানতেন, জমি একবার হাতছাড়া হলে এই স্বপ্ন আর কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না।
তিনি কোনো পলিটিক্যাল লিডার ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন খাঁটি বিজ্ঞানী। তিনি বই লিখেছেন, গবেষণাপত্র তৈরি করেছেন এবং রূপপুরের কারিগরি ও প্রশাসনিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন।
২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন এই প্রকল্পের দায়িত্ব নিলেন, তখন তাকে জিরো থেকে শুরু করতে হয়নি। ড. ওয়াজেদ মিয়া যে রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছিলেন, সেই নকশাই ছিল আমাদের মূল শক্তি।
ড. ওয়াজেদ মিয়া তার মেধা দিয়ে রূপপুরকে নথিপত্রে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন বলেই আজ আমরা রাশিয়ার প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করতে পারছি। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ কেবল বিদ্যুৎ উৎপাদনের কেন্দ্র নয়, এটি ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার দেশপ্রেম এবং ধৈর্যের এক জীবন্ত স্মৃতিস্তম্ভ।
ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না, আবার কাউকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে ভুল করে না। আজ রূপপুরের প্রতিটি ইউনিট যখন চালু হবে, তখন বাংলার প্রতিটি ঘরে যে আলো জ্বলবে, সেই আলোর ভেতরে আমি ড. ওয়াজেদ মিয়ার সেই নিরলস পরিশ্রমের ছায়া দেখতে পাই।
এটিই তার প্রতি জাতির শ্রেষ্ঠতম শ্রদ্ধা। | 10 806 |
| 8 | আওয়ামী লীগ সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও জনগণের দৃঢ় সমর্থনে বাংলাদেশ আজ ইতিহাস গড়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট সফলভাবে চালু, এটি এক নতুন যুগের সূচনা।
আজ সারা বাংলাদেশ আনন্দিত, গর্বিত এবং আশাবাদী ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
এটি শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়, এটি আমাদের উন্নয়নের প্রতীক।
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশকে আরও শক্তিশালী করবে এই অর্জন।
গ্রাম থেকে শহর, আলো পৌঁছে যাবে প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি স্বপ্নে।
আরও একটি ইউনিট নির্মাণাধীন, যা আমাদের অগ্রযাত্রাকে করবে আরও গতিশীল।
এই সাফল্য প্রমাণ করে, ঐক্য থাকলে বাংলাদেশ অসম্ভবকেও সম্ভব করতে পারে।
#RooppurNPP #NuclearPower #EnergySecurity #PoweringBangladesh #Rosatom #BangladeshRussiaFriendship | 7 975 |
| 9 | ১৯৩৫ সালে, পথপ্রদর্শক ফটোসাংবাদিক মার্গারেট বর্ক-হোয়াইটকে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছিল—একটি আকাশচুম্বী অট্টালিকার চূড়ায় বসে, হাতে ক্যামেরা নিয়ে, মাথা ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো উচ্চতা থেকে একটি ছবি তুলছিলেন তিনি। তাঁর নির্ভীক মনোভাব এবং যুগান্তকারী কাজের জন্য পরিচিত, তিনি ছিলেন প্রথম মহিলা যুদ্ধ সংবাদদাতাদের একজন এবং লাইফ ম্যাগাজিনের প্রথম মহিলা ফটোগ্রাফার। এই ছবিটি ফটোগ্রাফির প্রতি তাঁর সাহসী দৃষ্টিভঙ্গিকে নিখুঁতভাবে তুলে ধরে, যেখানে তিনি প্রায়শই নিখুঁত শটটি পাওয়ার জন্য নিজেকে ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফেলতেন। তাঁর কাজ কেবল ইতিহাসকেই নথিভুক্ত করেনি, বরং সাংবাদিকতা ও ফটোগ্রাফিতে নারীদের জন্য বাধাও ভেঙেছে। | 7 446 |
| 10 | > Donald Trump said he would “send Iran back to the Stone Age.”
Sounds like someone still stuck in the Stone Age mentally, confusing reckless threats with leadership.
When noise replaces intelligence, even a microphone can look more qualified than the man using it. | 10 999 |
| 11 | لا يوجد نص... | 10 019 |
| 12 | This is not about choosing sides anymore.
Not about who supports Iran or who stands with the US and Israel.
What we are witnessing is something far more dangerous.
A conflict that is no longer limited to two or three countries.
It’s already pulling in multiple nations, and even those who are not directly involved are starting to feel the impact.
If this continues, the damage will not just be military.
It will be economic, humanitarian, and psychological.
And recovering from it will take years, maybe decades.
The real question is not who has more weapons.
Not who will win or who will lose.
The real question is,
who will have the courage to stop this?
Because in war, those who fight often become nothing more than names on a list of the dead.
And those who cheer for war from a distance are, in truth, the biggest fools of all.
Someone, somewhere, needs to say it clearly:
Enough. Stop this war.
#StopTheWar #NoWar #PeaceNow #PrayForPeace #WorldPeace #CeasefireNow #StopWarNow #HumanityFirst #WarIsNotTheAnswer #GivePeaceAChance #NoMoreWar #PeaceOverWar #DiplomacyNotWar #SaveLives #StopViolence #GlobalPeace #EndTheWar #WarKills #ChoosePeace #StandForPeace #PeaceForAll #StopTheConflict #PrayForHumanity #VoicesForPeace #EndWarNow | 9 284 |
| 13 | গত ১৭ থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত কেমন কেমন দিন যাপন করেছেন আপনারা? দেশের কত উন্নয়ন করলো প্রফেসর ইউনুস?
নেক্সটে কি হতে পারে আপনাদের কোন আইডি আছে? | 7 798 |
| 14 | যখন প্রায় ১০০০টি পোলিশ বাচ্চা সমুদ্রে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে ছিল এবং বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলো একই উত্তর দিয়েছিল " তারা তাদের উদ্ধার করবে না”।
১৯৪২ সাল।
আরব সাগরে একটি জাহাজ ভেসে বেড়াচ্ছিল, যেন একটি ভাসমান কফিন।
সেই জাহাজে চড়ে ছিল প্রায় ১০০০টি পোলিশ ( পোল্যান্ডের ) বাচ্চা – অনাথ, দুর্বল এবং আশাহীন।
তারা সোভিয়েত শ্রমশিবির থেকে বেঁচে ফেরা, যেখানে তাদের বাবা-মা ক্ষুধা, রোগ এবং ঠান্ডায় মারা গিয়েছিল।
ইরানের পথে কোনোরকমে বেরিয়ে এসেছিল তারা, কিন্তু এখন তাদের সামনে দাঁড়িয়েছিল আরও নিষ্ঠুর সমাজ ।
কোনো দেশ তাদের গ্রহণ করতে রাজি ছিল না।
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য, তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় শক্তি, ভারতের বন্দরগুলোতে একের পর এক দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল।
“এটা আমাদের দায়িত্ব নয়। জাহাজ ফিরিয়ে নিয়ে যান।”
খাবার শেষ হয়ে আসছিল, ওষুধ ছিল না, সময় হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল।
বারো বছরের একটি মেয়ে তার ছোট ভাইয়ের হাত শক্ত করে ধরে ছিল। মা মরার আগে তার কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নিয়েছিল: “আমার ছেলের খেয়াল রাখিস।”
কিন্তু যখন পুরো দুনিয়া মুখ ফিরিয়ে নেয়, তখন একটি ছোট্ট মেয়ে কাউকে কীভাবে বাঁচাতে পারে?
গুজরাটের একটি প্রাসাদে নতুন আশা
খবর পৌঁছাল গুজরাটে – নওয়ানগরের শাসক জাম সাহেব দিগ্বিজয় সিংহজীর প্রাসাদে।
তিনি কোনো শক্তিশালী সম্রাট ছিলেন না; ব্রিটিশরা বন্দর, সেনা এবং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করত।
তার কাছে চুপ করে থাকার পূর্ণ কারণ ছিল।
উপদেষ্টারা বললেন: “হুজুর, প্রায় ১০০০টি বাচ্চা সমুদ্রে আটকে আছে। ইংরেজরা কোনো বন্দরে নামতে দিচ্ছে না।”
জাম সাহেব শুধু জিজ্ঞাসা করলেন: “কতগুলো বাচ্চা?”
“প্রায় এক হাজার, হুজুর।”
তিনি এক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন… তারপর শান্তভাবে বললেন:
“ইংরেজরা আমার বন্দরগুলোতে শাসন করতে পারে, কিন্তু আমার বিবেকের উপর নয়।
এই বাচ্চারা নওয়ানগরে নামবে।”
উপদেষ্টারা ঘাবড়ে গেলেন: “যদি ইংরেজদের চ্যালেঞ্জ করেন তাহলে…”
জাম সাহেব কথা কেটে দিলেন: “তাহলে আমি এখানেই থেমে যাই।”
জাহাজে খবর পাঠানো হল: তোমাদের এখানে স্বাগত।”“তোমরা এখন আর অনাথ নও”
অগাস্ট ১৯৪২-এ, জ্বলন্ত সূর্যের নিচে জাহাজ নওয়ানগরের বন্দরে প্রবেশ করল।
বাচ্চারা দুর্বল, নীরব, খালি চোখ নিয়ে নামল। আশা করতে তাদের ভয় লাগত, কারণ আশা সবসময় ভেঙে গিয়েছে।
জাম সাহেব নিজে বন্দরে উপস্থিত ছিলেন, সাধারণ সাদা পোশাকে।
তিনি বাচ্চাদের সামনে হাঁটু গেড়ে বসলেন, যাতে তাদের চোখের সমান হন।
অনুবাদকের মাধ্যমে বললেন সেই কথাগুলো, যা তারা বছরের পর বছর শোনেনি:
“তোমরা এখন আর অনাথ নও। আজ থেকে তোমরা আমার বাচ্চা। আমি তোমাদের বাপু – তোমাদের বাবা।”
ভারতে একটি ছোট্ট পোল্যান্ড
জাম সাহেব কোনো সাধারণ শিবির বানাননি; তিনি ঘর বানিয়েছিলেন।
বালাচড়িতে ভারতের ভিতরে একটি ছোট্ট পোল্যান্ড গড়ে উঠল।
পোলিশ শিক্ষক, পোলিশ খাবার (স্মৃতির স্বাদ নিয়ে), পোলিশ গান ভারতীয় বাগানে, এমনকি গরম আবহাওয়ায় সাজানো ক্রিসমাস ট্রি।
তিনি বলতেন: “দুঃখ মানুষকে মুছে ফেলতে চায়, কিন্তু তোমাদের ভাষা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য পবিত্র। এগুলোকে এখানে জীবিত রাখব।”
বাচ্চারা আবার হাসতে, খেলতে, পড়তে শিখল। তারা নিরাপদ বোধ করতে শিখল।
জাম সাহেব প্রায়ই দেখা করতে আসতেন – নাম মনে রাখতেন, জন্মদিন উদযাপন করতেন, কাঁদতে থাকা বাচ্চাদের জড়িয়ে ধরতেন।
ডাক্তার, শিক্ষক, কাপড়, খাবার – সবকিছু তিনি নিজের পকেট থেকে দিয়েছিলেন।
চার বছর ধরে, যখন দুনিয়া যুদ্ধে জ্বলছিল, এই ১০০০টি বাচ্চা শরণার্থী নয়, একটি পরিবার হয়ে বেঁচে ছিল।
স্মৃতি যা কখনো মরবে না
যুদ্ধ শেষ হলে ফিরে যাওয়ার সময় চোখের জল পড়ল। বালাচড়ি তাদের প্রথম এবং শেষ সত্যিকারের ঘর ছিল।
তারা বড় হল – ডাক্তার, শিক্ষক, ইঞ্জিনিয়ার, মা-বাবা, দাদা-দাদি হল। কিন্তু কখনো ভুলল না।
পোল্যান্ডে ‘গুড মহারাজা স্কোয়ার’ তৈরি হয়েছে, স্কুলগুলোকে তার নাম দেওয়া হয়েছে, সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু আসল স্মৃতিস্তম্ভ পাথরের নয় – সেটি এই ১০০০টি জীবিত জীবন।
আজ, বহু বছর পরে, সেই বাচ্চারা (এখন বৃদ্ধ) তাদের নাতি-নাতনিদের গল্প শোনান:
“একজন ভারতীয় রাজা ছিলেন, যিনি রাজনীতি নয়, মানবতা বেছে নিয়েছিলেন।” | 10 637 |
| 15 | Welcome 2026 | 9 953 |
| 16 | Merry Christmas 2025! 🎄
May this Christmas fill our hearts with love, kindness, and hope.
As we celebrate the end of 2025, let us pray for a better future.
May 2026 bring peace to the world and happiness to all people. ✨🌍
Wishing everyone a joyful and blessed 🎄🎁 | 9 871 |
| 17 | মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে-নারী প্লাটুনের সদস্যদেরকে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার মুক্তিকামী মানুষ তাদেরকে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাচ্ছে। এই প্লাটুনের বেশির ভাগ নারী সদস্যই একাত্তরের রণাঙ্গনে গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। | 7 992 |
| 18 | রাশিয়ার শিক্ষাব্যবস্থায় পরীক্ষার সর্বোচ্চ নম্বর ধরা হয় ৫। আর আশ্চর্যজনকভাবে, যদি কোনো ছাত্র একটিও উত্তর না লিখে খাতা জমা দেয়, তবুও সে পায় ২।
প্রথমদিন মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে আমি যখন এই নিয়ম জানলাম, তখন সত্যিই বিস্মিত হলাম। আমার কাছে মনে হলো, কেউ যদি কিছুই না লিখে, তার তো প্রাপ্য শূন্য হওয়া উচিত।
আমি কৌতূহলী হয়ে প্রশ্ন করলাম ড. থিওদর মেদ্রায়েভকে, “স্যার, একজন ছাত্র কিছু না লিখে ২ পাবে, এটা কিভাবে যুক্তিযুক্ত?”
মেদ্রায়েভ হাসলেন। তারপর শান্ত গলায় বললেন, “শূন্য মানে যার কোনও অস্তিত্ব নেই। মানুষ যতক্ষণ চেষ্টা করছে, ততক্ষণ সে শূন্য কীভাবে হয়? ভেবে দেখো, একজন ছাত্র কত ত্যাগ স্বীকার করে প্রতিদিন সকালে ক্লাসে আসে। হয়তো কনকনে শীতের মধ্যে সে ভোরে ঘুম থেকে উঠেছে, লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে বাসে, ট্রামে কিংবা ট্রেনে দাঁড়িয়ে এসেছে। খালি খাতা জমা দিলেও সে ক্লাসে এসেছে, মানে চেষ্টা করেছে। এখন বলো, আমি কীভাবে তাকে শূন্য দিই?”
তিনি আরও বললেন, “ছাত্রটি হয়তো উত্তর লিখতে পারেনি। কিন্তু তাই বলে তার সব প্রচেষ্টা বৃথা যাবে? সে যে রাত জেগে পড়াশোনা করেছে, নোটবুক কিনেছে, বই খুলে চেষ্টা করেছে, সেই শ্রম কি আমরা অবহেলা করবো?
না বাবা, মানুষ শূন্য নয়। শূন্য দিলে আমরা তার আত্মবিশ্বাস কেড়ে নেবো, তার ভেতরের আগুন নিভিয়ে দেবো। আর আমরা শিক্ষক হিসেবে চাই, ছাত্র যেন বারবার উঠে দাঁড়াতে পারে, হেরে না যায়।”
আমি নির্বাক হয়ে শুনছিলাম। সেই মুহূর্তে আমার ভেতরটা কেঁপে উঠল। বুঝলাম, শিক্ষা মানে শুধু নম্বর বা খাতার উত্তর নয়, শিক্ষা মানে মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা, তার প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেওয়া।
মেদ্রায়েভ সেদিন আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য শিখিয়েছিলেন— শিক্ষা শুধু জ্ঞান বিতরণ নয়, শিক্ষা হচ্ছে মানবিকতার চর্চা।
শূন্য নম্বর অনেক সময় ছাত্রদের জন্য মৃত্যুঘণ্টা হয়ে দাঁড়ায়। খাতায় শূন্য দেখে তারা ভয় পায়, আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। ধীরে ধীরে পড়াশোনার প্রতি বিতৃষ্ণা তৈরি হয়। অথচ একজন শিক্ষকের দায়িত্ব হলো ছাত্রকে উত্সাহিত করা, তাকে বোঝানো— "তুমি পারবে, আবার চেষ্টা করো।"
যখন আমরা একটি খালি খাতার জন্যও ন্যূনতম নম্বর দিই, তখন আমরা আসলে বলি— "তুমি শূন্য নও, তুমি এখনও যোগ্য। তুমি ব্যর্থ হওনি, শুধু সফল হতে পারোনি। আবার চেষ্টা করো।"
এটাই হলো আসল শিক্ষা।
শিক্ষকের হাতেই ছাত্রের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠে। তাই শিক্ষকেরা যদি একটু মানবিক হন, যদি নম্বরের বাইরেও ছাত্রদের প্রচেষ্টা দেখতে শেখেন, তবে অনেক হতাশ ছাত্র হয়তো নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারবে।
আমার কাছে মনে হয়েছে, এই গল্পটা শুধু রাশিয়ার নয়, সারা বিশ্বের শিক্ষকদের শোনানো উচিত। কারণ শূন্য নম্বর কখনো শিক্ষা নয়, শূন্য নম্বর মানে কাউকে শেষ করে দেওয়া। মানুষ যতক্ষণ চেষ্টা করছে, তার প্রাপ্য অন্তত একটি আশ্বাস, একটি স্বীকৃতি।
রাশিয়ায় অধ্যয়নরত এক ছাত্র এটি লিখেছে, নাম জানা নেই।
আপনিও এই লেখাটিকে শেয়ার করুন আপনার প্রিয় শিক্ষকের কাছে, যাতে শিক্ষাব্যবস্থায় একটা ক্ষুদ্র পরিবর্তন আসে।
#মানুষকোনদিনশূন্যনয় #শিক্ষারদর্শন #StudentMotivation #শিক্ষকওশিক্ষার্থী #EducationPhilosophy #মানবিকশিক্ষা #InspirationForStudents #PositiveEducation #চেষ্টারস্বীকৃতি #MotivationalStory #LifeSavingSkills #lifestylephotography #lifestylefacts #Ananimesh #facts #motivationdaily #storytelling #stories #motivation #story #motivational #storytime #weeklyinspiration | 8 005 |
| 19 | বাংলাদেশের ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন (অক্টোবর ৭১) সীমান্ত সংলগ্ন বনগাঁ এলাকা দিয়ে ভারতের বাগদা প্রবেশের মুহূর্তের একটি ফটো।
photographer সন্তোষ বসাক এই দুর্লভ ছবিটি তুলেন।
ছবিতে আছেন ৯৯ বছরের একজন বৃদ্ধা এবং তার ৭৯ বছর বয়সী সন্তান।
বসাক সেই লোকটিকে জিজ্ঞেস করেছিলেন,
'কে এই বৃদ্ধা মহিলা? '
উত্তরে লোকটি জানান,
'তিনি আমার মাতা। আমার মা !
এখন একটি শিশুর মতো। তিনি ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না। এই অবস্থায় আমি তাকে ছেড়ে কিভাবে যাই!! '
★উল্লেখ্য, এই ছবিটি পরবর্তীতে World Press Photo 1972 পুরস্কার লাভ করে। | 8 445 |
| 20 | মেয়ে বিষ্ণুপ্রিয়াকে ঠাট্টা করে বলতেন, “ষাট বছর বয়স হলে বিপ্লবী আর বিপ্লবী থাকে না। প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে যায়।”
উৎপল দত্ত'র মত নাট্যব্যক্ত্বিত্ব তাঁর আগেও কেউ আসেননি,পরেও কেউ নয়।
চলচ্চিত্র অভিনেতা উৎপল দত্তও, ছিলেন অতুলনীয়। সত্যজিত রায়ও মুগ্ধ ছিলেন তাঁর প্রতিভায়। বলেছিলেন, ‘উৎপল যদি রাজি না হত, তবে হয়তো আমি আগন্তুক বানাতামই না।’ ‘আগন্তুক’ ছবিতে উৎপল দত্তকে নিজের প্রতিভূ হিসেবেই ব্যবহার করেছিলেন সত্যজিত রায়।
১৯৯৩ সালের ১৯ অগস্ট ৬৪ বছর বয়সে “সারা ভারতের শ্রেষ্ঠ স্টেজ স্টলওয়ার্ট" উৎপল দত্ত'র জীবনাবসান হয়। | 9 702 |
