أكاديمية السيرة النبوية وسير الصحابة
الذهاب إلى القناة على Telegram
(دراسات سير النبي صلى الله عليه وسلم والصحابة والتابعين والأئمة الكرام) . [ From the Prophetic legacy ﷺ to Ummah Revival ] . Our Facebook page link- http://facebook.com/AkadimiyyatusSiratinNabawiyyah
إظهار المزيدلم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 081
المشتركون
-224 ساعات
+467 أيام
+37630 أيام
أرشيف المشاركات
بسم الله الرحمن الرحيم
প্রিয় নবিজীর ﷺ (পক্ষ থেকে)
প্রিয় যাবীহা! দেখবে, দেখবে চলো?
https://t.me/c/2130996707/1596
فداك أبينا وأمنا على حبيبنا محمد رسول الله وخاتم المرسلين
وصلى الله عليه وآله وصحبه وتابعيه وبارك وسلم
সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে, প্রাণাধিক প্রিয় সাহাবাতূর রসূল (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে, উম্মাহাতুল মু'মীনীন-এর পক্ষ থেকে পরাক্রমশালী এক আল্লহ'র জন্য উৎসর্গীকৃত প্রিয় সেই যাবীহা:বিস্তারিত: https://t.me/Akadimiyyatus_Siratin_Nabawiyyah/16 মূল ভিডিও যেখান থেকে নেওয়া: https://t.me/c/2130996707/1606
بسم الله الرحمن الرحيم
প্রাণাধিক প্রিয় নবিজীর ﷺ নাম উচ্চারণ করতেই ভাইটির গলায় কম্পন লেগে যায়।
এরপর... 'সাহাবাতূর রসূল' শব্দদ্বয় উচ্চারণ করতেই তাঁর স্বরযন্ত্র পাল্টে যায়। গলায় সুস্পষ্ট কম্পন টের পাওয়া যায়। তাঁর মুহাব্বাতমাখা ক্রন্দন শোনা যায়। এরপর কাঁদতে কাঁদতেই বলতে থাকেন- সাহাবাতূর রসূল ﷺ আস সিদ্দিক, সাহাবাতূর রসূল ﷺ উমার ইবনুল খাত্তাব, সাহাবাতূর রসূল ﷺ উসমান (রদ্বিআল্লহু আনহুম)-এর কথা।
যেন নাবী ﷺ প্রেমের পাশাপাশি সম্মানিত সাহাবায়ে কেরাম রদ্বিআল্লহু আনহুম আজমাইনগণের প্রতি এক অনুপম মুহাব্বাতের নজরানা রেখে দিলেন ভাইটি। হাফিযাহুল্লহ।
আর (ইনশাআল্লহ বিইযনিল্লাহ) কিয়ামত পর্যন্ত (নবিজীর ﷺ পাশপাশি) সাহাবায়ে কেরামের প্রতি ঠিক এমন কান্না ভেজা মুহাব্বাত শেখার এক 'আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন'/মাকসাদ নিয়ে যাত্রা হয়েছিল আমাদের প্রিয় প্রাণাধিক প্রিয় একাডেমীর:
أكاديمية السيرة النبوية وسير الصحابة[ আকাদীমিয়্যাতুস সিরাতিন নাবাউইয়্যাহ ওয়া সিয়ারিস সাহাবাহ ] (একাডেমীর) শুরুওয়াতটাই প্রাণাধিক প্রিয় নবিজী ﷺ, সম্মানিত সাহাবায়ে কেরাম (রদ্বিআল্লহু আনহুম) উম্মাহাতুল মু'মীনীন (রদ্বিআল্লহু আনহুন্না)-এর পক্ষ থেকে মহান আল্লহ'র জন্য কুরবানির এমন ভিডিও দিয়ে শুরু করার মহা সৌভাগ্য নসীব হবে আমরা কল্পনায়ও ভাবিনি। আমরা তো এর যোগ্যই ছিলাম না। ভিডিওতে শোনা যায়- সম্মানিত ভাই (হাফি) ভুলক্রমে তিন বার বলে ফেলেছেন মুহাব্বাতে মুস্তফা ﷺ নামটি। এ কী 'ভুল'? নাকি মহান আল্লহ'র পক্ষ থেকে অকল্পনীয় এক 'রিযক'? আল্লহু আকবার। প্রিয় নবিজী ﷺ গুরুত্বপূর্ণ কথা 'তিনবার' বলতেন। আল্লহু আকবার। অতঃপর, শ্রদ্ধেয় শাইখুনা (মুস্তাজিবুর রহমান আজহারি গুফিরালাহু) যিনি আমাদের সম্মুখে (আল্লহ'র ইচ্ছায়) মহা-সৌভাগ্যের এই সুযোগটি এনে দিয়েছেন, পরাক্রমশালী আল্লহ তাঁকে এর বিনিময়ে ফিরদাউসের উচ্চ শ্রেণিতে প্রিয় নবিজীর পাশে বিশাল সাম্রাজ্য দান করুন। এই কুরবানির জন্য যারাই অর্থ দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন, রবের পাশেই আপনাদের জন্য মণি-মুক্তা খচিত অনিন্দ্য সুন্দর প্রাসাদগুলো তৈরি হোক। সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে, প্রাণাধিক প্রিয় সাহাবাতূর রসূল (ﷺ)-এর পক্ষ থেকে, উম্মাহাতুল মু'মীনীন-এর পক্ষ থেকে পরাক্রমশালী এক আল্লহ'র জন্য উৎসর্গীকৃত প্রিয় সেই যাবীহা-এর ভিডিও: https://t.me/Akadimiyyatus_Siratin_Nabawiyyah/17 قل ان صلاتی و نسکی و محیای و مماتی للہ رب العلمین ﴿۱۶۲﴾ۙ فداك أبينا وأمنا على حبيبنا محمد رسول الله وخاتم المرسلين وصلى الله عليه وآله وصحبه وتابعيه وبارك وسلم ১২ ই যিলহজ্জ্ব | ১৪৪৭.
লেখাটির বিস্তারিত:
https://t.me/Akadimiyyatus_Siratin_Nabawiyyah/10
https://t.me/Akadimiyyatus_Siratin_Nabawiyyah/11
https://t.me/Akadimiyyatus_Siratin_Nabawiyyah/12
প্রিয় নবিজীর গরুhttps://t.me/c/2130996707/1584
প্রিয় আল্লহ'র নামে জবেহ হওয়ার দৃশ্য:https://t.me/c/2130996707/1606
কতো অনুভূতি! কতো স্বপ্ন! কতো আশা আকাঙ্ক্ষার কথা ব্যাকস্পেইসে কেটে যায়। আল্লহু আকবার। সব কথা কী আর লেখার মতো স্পেইস থাকে এই ধূলোর দুনিয়ায়? ভাষারাও কেমন স্তব্ধ হয়ে গেল - প্রিয় নবিজীর ﷺ শ্রেষ্ঠত্বের কাছে। সাথে মনে হলো গরুটির মর্যাদা ও যেন বুলন্দ হয়ে গেছে। মনে হলো আমি গরু নামক প্রাণীকে এখন থেকে আগের চেয়েও কোটি গুণ বেশি ভালোবাসতে আরম্ভ করলাম।
এই পশুটির মালিক, যিনি তাঁকে পেলে পুশে বড় করেছেন এবং যিনি কিনে এনেছেন এবং জবেহ করার আগ অবদি যার যত্নে ছিল, এই পশুটি কেনার জন্য যাদের ঘাম ঝরা মেহনত ছিল, তাঁদের সকলের ওপর দুনিয়া ও আখিরাতের সমস্ত কল্যাণ বর্ষিত হোক, যে সব কল্যাণ আল্লহ নবিজীকে দিয়েছেন।
'ফিদাকা আবি ওয়া উম্মি ইয়া রসূলাল্লহ ﷺ' বলে যারাই এই গরু কেনার জন্য অর্থের জোগান দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন - মহান রব আপনাদের বারযাখের যিন্দেগীতে প্রিয় নবিজীর ﷺ প্রতিবেশী করুন।
শ্রদ্ধেয় শাইখুনা হাফিযাহুল্লহ যিনি (আল্লহ'র ইচ্ছায়) আমাদের এই সুযোগটি করে দিলেন, প্রিয় নবিজীর ﷺ রব, তাঁকে ফিরদাউসের উচ্চ শ্রেণীতে আমার নবিজীর ﷺ পাশেই বিশাল বড় সাম্রাজ্য দান করুন! যেখান থেকে সাহাবায়ে কেরাম রদ্বিআল্লহু আনহুম আজমাইনগণদের প্রাসাদেও বেড়াতে যাওয়া যায়।শাইখুনার পক্ষের প্রতিজন বার্তাবাহকের জন্য একদম নবিজীর ﷺ প্রাসাদটির আশেপাশেই কোথাও দুর্দান্ত সবুজ মণিমুক্তা খচিত চমৎকার প্রাসাদগুলো তৈরি হোক। আল্লহ'র ইজ্জতের শপথ! আল্লহ'র বড়ত্বের শপথ! এই জীবনে এমন কোনো খুশির ইদ আমার জন্য অতীতে আসেনি। ইয়া উম্মাতা মুহাম্মাদ ﷺ ইয়া উম্মাতা মুহাম্মাদ ﷺ পৃথিবীর সব খুশি একত্রিত করে তাই বলছি। আপনাকেই বলছি-
ইদ মুবারাক। ইদ মুবারক!
تقبل الله منا ومنكمقل ان صلاتی و نسکی و محیای و مماتی للہ رب العلمین ﴿۱۶۲﴾ۙ فداك أبينا وأمنا على حبيبنا محمد رسول الله وخاتم المرسلين وصلى الله عليه وآله وصحبه وتابعيه وبارك وسلم ১০ যিলহজ্জ্ব | ১৪৪৭ | ইয়াওমুল খামীস | ২০২৬ | মে।
নবিজীর ﷺ স্বাগতিক হতে প্রতিযোগিতা করেন অনেকেই। কিন্তু সেই সৌভাগ্য জোটেছিল কার নসীবে? আবূ আইউব আনসারি রদ্বিআল্লহু আনহু! দ্রুত এসে উটনীর জিন ধরে ফেলেছিলেন তিনি। টেনে নিয়ে চলেন নিজের বাড়ির দিকে। নবী ﷺ কৌতুকস্বরে বলেছিলেন, 'বাহন যেদিকে যাচ্ছে, আরোহীকে তো সেদিকেই যেতে হবে!'
উটের লাগামটি ধরেছিলেন কে? আসআদ ইবনু যুরারা রদ্বিআল্লহু আনহু। উটনীর যত্ন-আত্তির সুযোগটি যায় কার ঝুলিতে? তাঁর ঝুলিতেই।
আল্লহু আকবার। মানসপটে ভেসে উঠলো প্রিয় মাদীনাহ হিজরতের সেই স্মৃতিগুলো। সেই উট। সেই জিন। আবূ আইয়ুব আনসারি রদ্বিআল্লহু আনহুর সেই বাড়িটিও।
ভাবতে লাগলাম, তাহলে এই গরুটির রশিটা কে ধরলেন? টেনে টেনে নিয়ে গেলেন কে? জবেহ করার আগ অবদি সারারাত পাহারা কে দিলেন? কার ঘরে গরুটি রাখা হলো? যত্ন আত্তির মহা সৌভাগ্য গেল কার ঝুলিতে? গরুটির রক্ত ছিটকে পড়লো কার হাতে? জবেহ করার সময় গরুটির চোখে কোনো পানি ছিল?
আমার আকাশ জুড়ে ঘন কালো মেঘের ঘনঘটা শুরু হলো। খুব করে কান্না পেল। মনে হলো জবেহ করার আগেই প্রিয় গরুটির কপালে যদি একটু হাত বুলিয়ে দিতে পারাতাম? শরীরটাতে যদি একটু চুমু এঁকে দিতে পারলাম? যদি বলতে পারতাম?
প্রিয় গরু! তুমি কার পক্ষ হতে মহান আল্লহ'র নামে কুরবান হতে যাচ্ছো জানো?তখন-ই আবার মনে পড়ে গেল সেই উটগুলোর কথা, যারা কিনা কুরবানী হওয়ার জন্য একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছিল যে, কে কার আগে নিজের ঘাড় নবিজীর ﷺ সামনে পেশ করতে পারে। যেন নবিজীর ﷺ হাতে জবাই হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়াটাই তাদের জন্য পরম আকাঙ্ক্ষিত।
بسم الله الرحمن الرحيم
গতকাল থেকে অধীর আগ্রহে ছটফট হৃদয় নিয়ে অপেক্ষা করছিলাম কখন দেখবো প্রিয় নবিজীর ﷺ পক্ষ থেকে জবেহ করার জন্য কিনে আনা সেই সম্মানিত গরু?
চ্যানেলে প্রবেশ করে বুঝলাম, শ্রদ্ধেয় শাইখুনা (মুস্তাজিবুর রহমান আজহারি (গুফিরালাহু/হাফিযাহুল্লহ) প্রিয় গরুটির ছবি আপলোড করেছেন। আল্লহু আকবার। অনেকটা প্রাণ হাতে নিয়ে ক্লিক করতে গিয়েছিলাম বহু আকাঙ্ক্ষিত প্রিয় গরুটির ছবি। এক পৃথিবী উৎসাহ/অনুপ্রেরণা /স্বপ্ন ভর করেছে সারা দেহ মনে। কেমন অনুভূত হচ্ছিল তা ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব।
ভাগ্যক্রমে গরুর ছবি আপলোড হচ্ছিল না। নেটওয়ার্ক সমস্যায়। এলাকায় তুমুল ঝড় তুফান। সব লণ্ডভণ্ড। নেটওয়ার্ক কানেকশন সিগন্যাল বারে দাগ নেই। একদম জিরো। ফলে গরুর ছবি কিছুতেই দেখতে পারিনি। কান্না পাচ্ছিল। এরপর সাথে সাথে ফোন বন্ধ হয়ে গেল। সারাদিন আর খুললো না। বৈদ্যুতিক খুঁটি নষ্ট হয়ে বিদ্যুৎ ও আর আসলো না। গরুর ছবি দেখতে দেরি হওয়ায় আবারও কান্না পেল। কিন্তু..... কিছুক্ষণ পর মনে হলো -
'আল্লহু আকবার! দেখিনি। ভালোই তো হলো'। প্রিয় নবিজীর ﷺ পক্ষ থেকে আল্লহ'র নামে কুরবানী দেওয়ার গরু! প্রিয় নবিজীর ﷺ পক্ষ থেকে। সুবহানাল্লহ। এ কী আর সাধারণ কোনো গরু আর রইলো? কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই আমি সম্মানিত পশুটি দেখবো কী করে?
শ্রদ্ধেয় শাইখুনা হাফিযাহুল্লহ'র মাধ্যমে আল্লহ যে আমাদের সামনে এতো বড় একটা সুযোগ করে দিয়েছেন, পরাক্রমশালী আল্লহ'র কাছে সলাতুশ শোকর আদায় না করেই দেখে ফেলবো? দুরুদ না পড়েই দেখে ফেলবো? মেহেদী দিয়ে (অন্তরের গহীনে) অনুষ্ঠান না করেই দেখে ফেলবো? নতুন জামা না পড়েই দেখে ফেলবো? খুশবু না লাগিয়েই দেখে ফেলবো? হই হুল্লোড় হর্ষধ্বনির আয়োজন না করেই দেখে ফেলবো?
এ অসম্ভব! নবিজীর ﷺ পক্ষ হতে কুরবানীর হওয়ার দরুণ এই গরুটির মর্যাদা বুলন্দ হয়ে গেছে।
তাই দৃঢ়চিত্তে ঠিক করলাম উপরের সবকটি কাজ না করা অব্দি আমি এই সম্মানিত পশুটির চেহারা দেখবো না।
এরপর শুরু হলো...
মহান আল্লহ'র প্রশংসা। প্রিয় নবিজীর ﷺ ওপর দুরুদ। শ্রেষ্ঠ দুরুদ। শাফায়াত লাভের দুরুদ। সাদাকাহ'র সওয়াব লাভের দুরুদ।
বাড়ির 'অবুঝ-অবোধ' শিশুদের শুনিয়ে শুনিয়ে দুরুদ পড়া হলো। তাঁদের কচি কচি আঙুল দিয়ে কাউন্টারে গুণা হলো (যাতে তাঁরা দুরুদ-পড়নেওয়ালাদের দলে শামিল হয়ে যায়)!
বাড়িতে যতো শিশু ছিল, সবাইকেই সমস্ত পৃথিবীর সব খুশি একত্রিত করে বলতে আরম্ভ করলাম -
নবিজীর ﷺ গরু এসে গেছে। নবিজীর ﷺ গরু এসে গেছে। দেখবে চলো। প্রিয় নবিজীর ﷺ গরু এসে গেছে, তোমরা দেখবে বলো? নবিজীর ﷺ গরু এসে গেছে। নবিজীর ﷺ গরু এসে গেছে। আমার নবিজীর ﷺ গরু এসে গেছে। দেখবে? দেখবে? চলো?বাড়ির আবালবৃদ্ধবনিতা সকলকেই বলতে লাগলাম:
নবিজীর ﷺ গরুটি এসে গেছে।আম্মুকে বলতে লাগলাম:
নবিজীর ﷺ গরু এসে গেছে।ওই মুহূর্তে মনে হচ্ছিল -
এই গরুটির প্রতি টান সে এক অদ্ভুত অন্যরকম টান এক অন্যরকম অনুভূতি আমার অস্তিত্বে আমি নির্জনে অনুভব করছি তাকে আমার -ই' জন্যেআল্লহু আকবার। আল্লহু আকবার। আমি হৃদয়ে অন্য রকম সাম্রাজ্য দেখতে পেলাম। অন্যরকম আনন্দ! অন্যরকম হিল্লোল। আমার হৃদয়ে যেন তামাম দুনিয়ার সমস্ত বসন্ত এসে গেছে! আমি চলে গেলাম। আমি হারিয়ে গেলাম আজ থেকে প্রায় ১৫ শ বছর আগে। নবিজীর ﷺ মাদীনায় হিজরতের দিনগুলোয়। যখন 'নবিজী ﷺ এসে গেছে, নবিজী ﷺ এসে গেছে'- স্লোগানে মুখরিত হয়ে গিয়েছিল প্রিয় মাদীনার আকাশ বাতাস! আমি হারিয়ে গেলাম, যখন নারী পুরুষ শিশুদের উৎফুল্ল ভীড় প্রিয় নবিজী ﷺ- কে স্বাগত জানাতে আসে। আমি হারিয়ে গেলাম মাদীনার অলি- গলি। আমি যেন শুনতে পেলাম - নারী ও শিশুদের হর্ষধ্বনি। শুনতে পেলাম ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হয়ে যাওয়া সেই স্বাগত গজল-
طَلَعَ الْبَدْرُ عَلَيْنَا مِنْ ثَنِيَّاتِ الوَدَاعِ وَجَبَ الشُّكْرُ عَلَيْنَا مَا دَعَا لِلَّهِ دَاع أَيُّهَا الْمَبْعُوثُ فِينَا جِئْتَ بِالْأَمْرِ الْمُطَاعِকল্পনায় ডুবে ডুবে ত্বলা আল বাদরু আলাইনা-এর সুরে সুরে আমি আনমনে কীভাবে জানি প্রিয় এই গরুটাকেই স্বাগত জানাতে লাগলাম। আমার মন হারিয়ে গেল বিশাল বড় এক প্রশ্নের সাম্রাজ্যে।
গরুটিকে লালান পালন করা মহাসৌভাগ্যবান মানুষটি কে? তিলে তিলে যত্ন করেছেন কোন সেই জন? বিক্রি করার আগ অবদি তিনি কী জানতেন? এই গরু কার পক্ষ থেকে কুরবানী হবে? আল্লহু আকবার।মনে পড়ে গেল আস সিদ্দিক রদ্বিআল্লহু আনহুর কথা। প্রিয় নবিজীর ﷺ সাথে হিজরতের পথ ধরার জন্য তিনিও বড় সযত্নে দুইটি উট লালন পালন করেছিলেন। বাবলা পাতা খাইয়ে বড় করতে লাগছিলেন। এই গরুটি কী খেয়ে বড় হলো? আমার মনটি হারিয়ে গেল মাদীনার সেই পথ ধরে, যে পথ ধরে চলছিল আল্লহ'র রসূলের উটনী। একেকজন এসে একেকবার ধরছিল তার লাগাম। মনে আশা, উটনীটি হয়তো তার বাড়ির সামনেই থামবে আর রসূলুল্লহ ﷺ সে ঘরকেই বানাবেন আপন বসত। নবী ﷺ কী বলেছিলেন সেদিন? বলেছিলেন-
'ওকে ওরমতো চলতে দাও, আল্লহ-ই ওকে পথ দেখাচ্ছেন'!
