Bangladesh Media monitor
الذهاب إلى القناة على Telegram
Media Watchdog and Think Tank Telegram: https://t.me/bdmediamonitor
إظهار المزيدلم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
208
المشتركون
-124 ساعات
+27 أيام
+530 أيام
أرشيف المشاركات
প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম বলেছেন, এ সরকার কাউকে (সাংবাদিকক ও গণমাধ্যম) ডিজিএফআই বা এনএসআই দিয়ে হয়রানি করে নাই। আপনি কি তার বক্তব্যের সাথে একমত?
https://www.facebook.com/share/p/16NSYPhbkp/
Three Journalists Rescued by Police After Attack in Fatullah
https://bdmediamonitor.org/media-crew-attacked-camera-smashed-during-news-collection/
আজকের পৃথিবীতে বার্তা পাঠানো মানেই শুধু যোগাযোগ নয়, এটা নিজের চিন্তা ও স্বাধীনতার প্রকাশ। কিন্তু যখন প্রতিটি মেসেজ নজরদারির আওতায় থাকে, তখন ভয় আমাদের কণ্ঠরোধ করে। তাই প্রয়োজন এমন যোগাযোগের মাধ্যম, যেখানে গোপনীয়তা বাস্তব । সেই নিরাপত্তা দেয় সিগ্ন্যাল (Signal) ম্যাসেঞ্জার। এটি এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপটেড, কোনো ডেটা বিক্রি করে না, এমনকি নিজেও আপনার বার্তা দেখতে পায় না। সিগন্যাল মানে ভয়মুক্ত কথা বলা, বিশ্বাসের যোগাযোগ, আর এমন এক ডিজিটাল পরিসর যেখানে স্বাধীন চিন্তা আবারও বেঁচে উঠতে পারে।
ট্রান্সকম গ্রুপের দৈনিক প্রথম আলোর এই সংবাদে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বিএনপির মধ্যে আসন ভাগাভাগি ও মন্ত্রী হওয়া নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে। তবে পুরো প্রতিবেদনে কিছু কৌশল ব্যবহৃত হয়েছে, যেগুলো প্রতিবেদনটিকে একটি 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' বা 'প্রোপাগান্ডামূলক' সংবাদে পরিণত করতে পারে।
সংবাদটিতে বারবার 'সূত্র বলছে', 'জানা গেছে', 'একজন নেতার ভাষ্য' এই ধরনের অস্পষ্ট সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এগুলোকে বলে 'উইজল ওয়ার্ডস' অর্থাৎ এমন শব্দ বা বাক্য যা কিছু একটা বলা হলো বটে, কিন্তু কে বলেছে বা প্রমাণ কী তা স্পষ্ট নয়। এর ফলে পাঠকের মনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
প্রতিবেদনে এনসিপির কয়েকজন নেতা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগ রাখছেন বলে দাবি করা হয়েছে, অথচ কোনো নাম বা প্রমাণ দেওয়া হয়নি। একে বলে 'অ্যাসোসিয়েশন বায়াস', যার মাধ্যমে এক দলের সঙ্গে বিতর্কিত অন্য একটি দলের নাম জুড়ে দিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি করা হয়। এটি একধরনের 'গিল্ট বাই অ্যাসোসিয়েশন' কৌশল।
প্রতিবেদনটির ভাষা কিছু কিছু জায়গায় এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন পাঠকের মনে 'সন্দেহ' ও 'গা ছমছমে' ভাব তৈরি হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, 'জামায়াত বিএনপির চেয়েও বেশি ছাড় দিতে চায়।' এখানে কেউ কোনো বক্তব্য দেননি, কিন্তু এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন জামায়াত খুব সক্রিয়ভাবে এনসিপিকে দলে টানার চেষ্টা করছে। এটি 'লোডেড ল্যাংগুয়েজ' বা কৌশলে দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়া ভাষা ব্যবহার। কারণ জামায়াতের হয়ে প্রথম আলো নিশ্চই 'ছাড়' দেয়ার কাজ করতে পারবে না।
পুরো কন্টেন্টটির এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে পাঠকের চোখে বিএনপি এক ধরনের দুর্বল অবস্থানে আছে বলে মনে হয়। যাদের প্রার্থী আছে, কিন্তু প্রয়োজনে প্রার্থী সরিয়ে নিতে পারে। অন্যদিকে, এনসিপিকে এমনভাবে দেখানো হচ্ছে যেন তারা অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী । এই ধরনের গল্প সাজানোর কৌশলকে বলে 'ফ্রেমিং', যার মাধ্যমে পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
সংবাদে বিএনপির অবস্থান বা বক্তব্য খুবই কম এসেছে, অথচ এনসিপির নেতাদের নাম, কোন আসন থেকে কে দাঁড়াবে, কে মন্ত্রী হতে চায় এসব অনেক বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে। এতে একটি পক্ষকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে অন্য পক্ষকে আড়ালে রাখা হয়েছে। এটাকে বলে 'ইমব্যালেন্স ইন কাভারেজ' অর্থাৎ সংবাদ পরিবেশনে ভারসাম্যহীনতা।
এই সব মিলিয়ে বলা যায়, সংবাদটি পুরোপুরি মিথ্যা না হলেও এটি আংশিকভাবে 'প্রোপাগান্ডামূলক'। এতে অস্পষ্ট তথ্য, পক্ষপাতদুষ্ট ভাষা ও একতরফা কাঠামো ব্যবহৃত হয়েছে, যার মাধ্যমে পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গি প্রভাবিত হতে পারে। তার উপর দায়বদ্ধতা এড়ানোর জন্য এমন একটা 'স্পেশাল' রিপোর্টে প্রতিবেদকের নামও ব্যবহার করেনি। এমন সংবাদ পড়ার সময় পাঠকদের সচেতন থাকতে হবে। তথ্য কে দিচ্ছে, প্রমাণ কী, আর কাদের স্বার্থ এতে জড়িত এই প্রশ্নগুলো করা দরকার।
#mediamirror #Bmm
যমুনা গ্রুপের পত্রিকা যুগান্তরের ফেসবুক ফটোকার্ডটির শিরোনাম নিশ্চিত করছে , মনোয়নয়ন পাওয়ার পরই দিঘিতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা হয়েছে। কিন্তু রাজশাহী ব্যুরো থেকে করা সংবাদটির ভেতরে দেখা যাচ্ছে, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এর ভিত্তিতে সংবাদ তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া সংবাদটিতে কোন অনুসন্ধান বা প্রমাণ পত্রিকাটি করতে পারেনি যা যুগান্তরের শিরোনামের সাথে মেলে। সে জায়গা থেকে শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে 'বিচারকের' ভূমিকায় এই শিরোনামটি করেছে ব্যবসায়িক গোষ্ঠির এই পত্রিকাটি। যেটার 'ধরণ' দেখে বোঝা যায় এটি একটি 'উদ্দেশ্যপ্রণোদিত' প্রতিবেদন।
#mediamirror #Bmm
ঢাকার গণমাধ্যমের 'ক্লিকবেট শিরোনাম ও ফটোকার্ড' প্রায়ই ভয়াবহ 'বিভ্রান্তি' তৈরি করে। যে কাজটায় বসুন্ধরার মালিকানাধীন ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের গণমাধ্যমগুলো বড় 'ভূমিকা' রাখছে। সেটার একটা ক্ল্যাসিক উদাহরণ হিসেবে আমরা কালেরকন্ঠের এই সংবাদ ও ফেসবুকের ফটোকার্ড 'চিহ্নিত' করেছি। এখানে ফটোকার্ডের লেখা পড়ে বেশিরভাগ পাঠক বিভ্রান্ত হয়েছেন। তারা মনে করেছেন, এই অভিযোগ বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে। কিন্তু ভেতরে সংবাদে গেলে দেখা যাচ্ছে, এটা আগের সরকারের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ।
#mediamirror #Bmm
নজরদারি কোনো নিরাপত্তা নয়, এটি ভয় সৃষ্টি করে। যখন নাগরিক জানে তার প্রতিটি অনলাইন পদক্ষেপ কেউ দেখছে, তখন সে আর প্রশ্ন করে না, সত্য খোঁজে না বরং চুপ করে থাকে। আর এই নীরবতাই গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় হুমকি। গণতন্ত্র টিকে থাকে মুক্ত মত, স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতায় । নজরদারি রাষ্ট্র সেই জায়গাগুলো ধ্বংস করে দেয়। তাই আমরা বলি, নজরদারি বন্ধ হোক, গড়ে উঠুক বিশ্বাসের বাংলাদেশ। যেখানে প্রযুক্তি হবে স্বাধীনতার হাতিয়ার, ভয় নয়।
একটি সমাজ তখনই শক্তিশালী হয়, যখন মানুষ ভয় ছাড়া কথা বলতে পারে, সত্য বলতে পারে। চুপ করিয়ে দিলে শুধু কণ্ঠ নয়, হারিয়ে যায় ন্যায়বিচার, জবাবদিহি আর গণতন্ত্রের প্রাণ। কণ্ঠ নয়, সত্যকে বাঁচাই।
#SayTheTruthBangladesh #Bmm #BMMConect #FreedomOfExpression #democracyneedsfreedom #voiceisnotacrime
Journalists Attacked Covering Illegal Tree Cutting in Gazipur
https://bdmediamonitor.org/three-reporters-assaulted-in-kapasia-forest-area/
আইনিজীবি ও টিভি উপস্থাপক মানজুর-আল-মতিন বলেছেন, প্রথম আলো কোন সংবাদ প্রকাশ করলে ধরে নিই ঠিক আছে। আপনিও কি তার বক্তব্যের সাথে এক মত?
ভোট দেয়ার লিংক: https://www.facebook.com/share/p/1CDy4aFgai/
Reporters Beaten and Kicked by Police
https://bdmediamonitor.org/police-assault-journalists-during-protest-coverage-at-press-club/
সাংবাদিক দম্পত্তি সাগর-রুনি হত্যার বিচার নিয়ে তাদের সন্তান মেঘের বক্তব্য..
Journalists Harassed by Pro-Jamaat Lawyers at Fardin Case Hearing
https://bdmediamonitor.org/magistrate-summons-journalists-to-dock-issues-jail-threat/
যিনি সত্য প্রকাশ করছেন তার থেকে দূরে না থেকে, তাকে সত্য প্রকাশে সহয়তা করুন। এক হয়ে লড়াই করে সত্যকে জনগণের সামনে নিয়ে আসুন। একা সাংবাদিক সেল্ফ-সেন্সর করতে বাধ্য হয়।
At that time, they were explicitly told not to send female reporters in the future.
https://bdmediamonitor.org/two-female-reporters-denied-entry-to-event/
Two Journalists Attacked by Jamaat Supporters in Satkhira
https://bdmediamonitor.org/two-journalists-attacked-by-jamaat-supporters-in-satkhira/
CRAB President, GS's DRU Membership Cancelled Over Misconduct
https://bdmediamonitor.org/dru-revokes-memberships-of-mirza-tamal-and-m-m-badsha/
The High Court has granted the high-level task force investigating the sensational Sagar Sarowar and Meherun Runi murder case another six months to submit its investigation report. The journalist couple, Maasranga Television News Editor Sagar Sarowar and ATN Bangla Senior Reporter Meherun Runi were brutally murdered in their rented apartment in West Rajabazar, Dhaka, on the night of February 11, 2012. Despite the long period and changes in government, no authority has been able to submit the investigation report.
