ar
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

الذهاب إلى القناة على Telegram

إظهار المزيد
لم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 217
المشتركون
+324 ساعات
+297 أيام
+4230 أيام
أرشيف المشاركات
দ্বীন প্রচার ও শিক্ষা দেয়ার চিন্তায় লিপ্ত হয়ে নিজের আত্মশুদ্ধির কথা ভুলে যেয়ো না। -শায়খুল হাদীস মাওলানা সালীম ধোরাত হাফি. [চল্লিশ নাসীহাহ : ৬]

জাফর বলেন, আমি মালিক ইবনু দিনারকে বলতে শুনেছি, দুনিয়ার জন্য যত চিন্তা করবে, অন্তর থেকে পরকালের চিন্তা ততো কমে যাবে। আর পরকালের জন্য যে পরিমাণ চিন্তা করবে, অন্তর থেকে দুনিয়ার চিন্তাই সে পরিমাণ দূর হয়ে যাবে। [শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা : ৯৯]

বন্ধু কখনো আক্ষরিক অর্থে দুঃখের ভাগিদার হতে পারে না। হৃদয়ের রক্তক্ষরণ থামিয়ে দেবার ক্ষমতা ভালোবাসার মানুষটিরও নেই। নির্ঘুম রাতগুলো কেউ কারো হয়ে জেগে থাকে না। নিজেকে নিজেরই দেখে রাখতে হয়। সামলে রাখতে হয়। জীবনের ঘটনাগুলো যতখানি গুরুত্ব পাবার দাবি রাখে, ততটাই দেওয়া চাই, না বেশি, না কম। এটুকু জেনে রেখো, যদি তুমি ভেঙে পড়ো উঠে দাঁড়াতে হবে তোমাকেই—তোমাকে টেনে তোলার কেউ নেই। যদি তুমি হেরে যাও, তোমাকে জেতাতে পারে শুধুই তোমার জিদ। হোঁচট খেয়ে উঠে দাঁড়ানো, আবার চলতে শেখা—তোমারই কাজ। নিজের কদর লোকের চোখে খুঁজতে যেয়ো না; তুমি নিজেই জানবে তোমার মর্যাদা আসলে কতখানি। তুমি ওপরে উঠবে তখনই, যখন তুমি বিবেকের সাথে সৎ হতে পারবে। আর নিজেকে যদি সত্যিই চিনে থাকো, তবে কে কী বলল তাতে কিছু যায়-আসে না। জীবন নিয়ে দুশ্চিন্তার বোঝা বয়ে বেড়িয়ো না, সে বোঝা আল্লাহই নিয়ে নিয়েছেন। আয়-রোজগার নিয়ে ভেবো না, সেটাও আল্লাহ আগে থেকেই লিখে রেখেছেন। ভবিষ্যতের জন্যেও উদ্বিগ্ন হোয়ো না, ওটাও আল্লাহ তাআলা নির্ধারিত করে দিয়েছেন। তোমার চিন্তা করা বা না করাতে কিছুই বদলাবে না। একটা চিন্তাই মাথায় গেঁথে নাও: কীভাবে আল্লাহকে খুশি করা যায়। যদি তুমি তাকে খুশি করতে পারো, তিনি তোমাকে খুশি রাখবেন, তোমার ইচ্ছা পূরণ করবেন, তোমাকে দেবেন প্রয়োজনের চাইতেও অধিক। যে জীবন তোমায় কাঁদিয়েছে, তার জন্য কেঁদো না, শুধু বলো, হে আমার রব, আমাকে এই জীবন ও আখিরাতের জীবনে উত্তম বিনিময় দান করো। বান্দা যখন রবের কাছে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে, সেই একটি সিজদাহ এক পৃথিবীর সমস্ত দুঃখ বেদনাকে বিদায় জানায়। আনন্দ ফিরে আসে অন্তর-চিঁড়ে-বেরোনো একটি দুআয়। আল্লাহ তোমার কাজের কথা ভোলেন না। তিনি সে অন্তরের কথা জানেন, যার ব্যথা তুমি দূর করেছ; সে চোখের কথাও জানেন, যে চোখ কাঁদতে গিয়ে তোমার কথায় হেসে উঠেছে। জীবনে চলার পথে একটি কথাই মাথায় রেখো—ভালো কাজ করে যাও, কারও কাছে বিনিময়ের আশা রেখো না। কারণ, তুমি কোনো মানুষের জন্য ভালো কাজ করছ না, তুমি ভালো কাজ করছ আল্লাহর জন্য। কেননা আল্লাহ ভালো কাজকারীদের ভালোবাসেন ... —ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ

আমাদের তৈরী এসব মাদরাসা ও খানকাসমূহ উচ্চ চিন্তাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব তৈরী করছিল, যারা ফকিরের চাঁটাই এর উপর বসেও রাজা বাদশাদেরকে খাতির করেননি। যারা নিজের পোশাকে তালি লাগিয়ে পরেছেন তথাপি শাহী শেরওয়ানীতে হাত লাগাননি। এ ধরনের ব্যক্তিত্বের আজও প্রয়োজন, প্রয়োজন খোদার প্রেমে মত্ত এ জাতীয় দরবেশের। আর তাদের জন্মের আশা করা যায় কেবল খড়কুটা নির্মিত নিকেতন এবং সাদাসিধা স্থানে। আপনারা ইসলামের ইতিহাসে বিশেষ করে সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে যাদের নাম শুনে থাকেন এবং পড়ে থাকেন তারা হচ্ছেন সেসব ব্যক্তিত্ব, যারা নিম্নবিত্তদের ঘরে জন্ম নিয়েছেন, সাদাসিধে পরিবেশে গড়ে উঠেছেন, যাদের জীবনে এমনও একটি মুহূর্ত গিয়েছে, যখন তাদের উদরপুরে আহার জোটেনি এবং মাতাপিতাও তাদের সন্তানদের আহার যোগাতে পারেননি। এক সময় সেই ঝুঁপড়ি হতে আত্মপ্রকাশ করেছে এমন উজ্জ্বল প্রদীপ, যা আলোকিত করেছে গোটা বিশ্বকে। -সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. [ঈমানের দাবী : ২৪]

আজকে মাদরাসায় ইফতিতাহি মজলিসে (উদ্বোধনী বৈঠক) ছাত্রদের জন্য বলা কথাগুলোর সারসংক্ষেপ ছিল এই : সারাবছর ৪টি কাজ যেন করে সবাই। সেগুলো হলো : ১. জামাতের সাথেই না শুধু; বরং তাকবিরে উলার সাথে প্রতিদিন নামাজ পড়া। ২. নামাজের আগে পরে ৫ পৃষ্ঠা করে তিলাওয়াত করা৷ যেন দৈনিক কমপক্ষে মোট ১ পারা তিলাওয়াত করা হয় এবং মাসে ১ খতম। এতে সময়ে বরকত হবে। ৩. সবসময় ওজুর সাথে থাকা। ওজু ছাড়া দারসে না বসা। এতে ইলমে নূর পয়দা হবে৷ ৪. একটা আলাদা নোটখাতা/ডাইরি রাখা। সেখানে দারসের বাইরেও বিভিন্ন মজলিসে নানান বিষয়ে উস্তাদদের থেকে শোনা উপদেশ ও ইলমী কথামালা/ফাওয়ায়েদ গুরুত্ব সহকারে নোট রাখা। বছর শেষে দেখা যাবে পাঠ্যবইয়ের বাইরে অনেক বড় একটা জ্ঞানভন্ডার জমা হয়েছে তার কাছে৷ © মাওলানা আবদুল্লাহ আল মাসউদ

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

হিজরত বা স্থানান্তর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কখনো স্থান কখনো সম্পর্কে আমাদের হিজরত হয়। কত শত পথ পাড়ি দিতে হয়। কাঙ্ক্ষিত মানুষের কাছে বা স্থানে যেতেই যদি এত পরিবর্তন এবং শিষ্টাচার শেখার প্রয়োজন পড়ে ; দিনশেষে তো আল্লাহর কাছেই গন্তব্য। তাই সারাজীবনের ঘটনাপ্রবাহ দিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের প্রস্তুত করেন! © মুহাম্মদ মারুফ আলী

photo content

বিয়ে নিয়ে মাকতাবাতুল ফুরকান থেকে থানভী রহ.-এর একটা বই আছে। সেটা পড়তে পারেন। বিয়ের আগে বিয়ে সংক্রান্ত মাসয়ালা, তালাক সংক্রান্ত
বিয়ে নিয়ে মাকতাবাতুল ফুরকান থেকে থানভী রহ.-এর একটা বই আছে। সেটা পড়তে পারেন। বিয়ের আগে বিয়ে সংক্রান্ত মাসয়ালা, তালাক সংক্রান্ত মাসয়ালা-মাসায়েল ভালো করে পড়ে নিয়েন। সম্ভব হলে আল্লাহওয়ালা, দ্বীনদার কোনো মুরুব্বীর কাছ থেকে দাম্পত্যজীবন রিলেটেড পরামর্শ/অভিজ্ঞতা নিয়েন। এটা অনেক কাজে আসবে।

আবু মুহাম্মাদ জাফর বিন মুহাম্মাদ আল-আব্বাসি ইনতিকালের আগে অসিয়ত করেছেন যে, তার কবরের ওপর যেন এই কথাটি লিখে দেওয়া হয় : 'অনেক প্রয়োজন অপূরণীয় রয়ে গেছে। অনেক আশা বাস্তবায়িত হয়নি। অনেক মানুষ আক্ষেপ করে মারা গেছে।' [সময়ের সঠিক ব্যবহার কীভাবে করবেন? : ৩৩]

মানুষ রাত-দিন খেটে সম্পদ উপার্জন করতে পারে, বাংলো তৈরী করতে পারে, গাড়ী ক্রয় করতে পারে, মিল-কারখানা প্রতিষ্ঠা করতে পারে, কিন্তু এসব বস্তু দ্বারা প্রকৃত সুখ ও শান্তি লাভের জন্য যে সুস্থতা প্রয়োজন এবং যে শান্তিপূর্ণ পারিবারিক সুসম্পর্ক প্রয়োজন এবং যে মানসিক শান্তি আবশ্যক তা টাকা-পয়সার শক্তিতেও লাভ করা যায় না এবং কোনো মেশিনও তা প্রস্তুত করতে পারে না। তা সম্পূর্ণরূপেই মানব-শক্তির ঊর্ধ্বের বস্তু। তা একমাত্র আল্লাহর দান। এ দানে তাঁর সাথে আর কেউ শরীক নেই। তিনি চাইলে খড়ের ঝুপড়িকেও জান্নাত বানাতে পারেন, আর চাইলে এ সবকিছু হরণ করে নিয়ে আলীশান মহলকে অঙ্গারের বিছানায় পরিণত করতে পারেন। মহান আল্লাহর এ দানের নামই 'বরকত', যা সম্পূর্ণরূপে অংশীদারিত্বমুক্ত একমাত্র তাঁরই কুদরতের হাতে সংরক্ষিত। এ 'বরকত' লাভ হলে অল্প জিনিসই যথেষ্ট হয়ে যায় এবং অল্প সামগ্রীতেই কাঙ্খিত উপকারিতা লাভ হয়। কিন্তু 'বরকত' না থাকলে সম্পদের স্তূপও মানুষের উপকার করতে পারে না। বরকতের অপর একটি দিক হলো দুনিয়ার কোনো সাজ-সরঞ্জাম দ্বারা সাময়িকভাবে আরাম লাভ হওয়ার সাথে সাথে তার পরিণতিও মঙ্গলজনক হওয়া। একজন ডাকাত লক্ষ লক্ষ টাকা লুট করে তিনদিন পর্যন্ত খুব মৌজে কাটাল, কিন্তু চতুর্থ দিনই কারাগারে নিক্ষিপ্ত হল। তাহলে এই তিনদিনের মৌজ তার কি কাজে এলো? বিধায় দুনিয়ার যাবতীয় সুখ-শান্তি, আরাম-আয়েশ তখনই মূল্যবান হবে, যখন তার পরিণতি বড় আকারের কষ্টের রূপে আত্মপ্রকাশ না করবে। 'বরকতের' অর্থের মধ্যে এ দিকটিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। -মুফতী তাকী উসমানী হাফি. [যিকর ও ফিকর : ৯৬-৯৭]

তালিবুল ইলমদের সংগ্রহে রাখা ও পড়ার মতো কিছু বই : বড় যদি হতে চাও তালিবে ইলমের জীবন গঠন, মাওলানা ইবরাহিম খলিল তালিবুল ইলম গঠনের আদর্শ রূপরেখা, শায়খ আওয়ামা মনীষীদের কাছে সময়ের মূল্য, (শায়খ আব্দুল ফাত্তাহ আবু গুদ্দাহ রহ.-এর বাকি দুইটা বইও) মনীষীদের দৃষ্টিতে সময়ের মূল্য জীবন পথের পাথেয় তালিবানে ইলম : পথ ও পাথেয় আকাবিরে দেওবন্দের ছাত্রজীবন ১-৩ মনীষীদের ছেলেবেলা দরদী মালীর কথা শোনো ১-৩ ইলম চয়নিকা ১-২ প্রিয় লেখক প্রিয় বই

উনার বাণীর একটা বই নাশাত থেকে এসেছে।
উনার বাণীর একটা বই নাশাত থেকে এসেছে।