ar
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

الذهاب إلى القناة على Telegram

إظهار المزيد
لم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 221
المشتركون
+424 ساعات
+347 أيام
+4630 أيام
أرشيف المشاركات
স্ত্রী বৃদ্ধা হোক কিংবা যুবতি, তার মুখে দাঁত থাকুক বা না থাকুক, কোনো অবস্থাতেই তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা যাবে না। বৃদ্ধার প্রতি
স্ত্রী বৃদ্ধা হোক কিংবা যুবতি, তার মুখে দাঁত থাকুক বা না থাকুক, কোনো অবস্থাতেই তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা যাবে না। বৃদ্ধার প্রতিও খেয়াল রাখতে হবে। কারণ সে তো তার স্বামীর সাথে সাথেই বৃদ্ধা হয়েছে। আগে স্বভাবজাত কারণে তাকে ভালোবাসতে, এখন আল্লাহর নির্দেশের কারণে তাকে মায়া করো। তার মাথা ব্যথা করলে ওষুধের ব্যবস্থা করতে হবে, সদয় আচরণ করতে হবে। অনেকে ভাবে আমার মা-বাবা ভুল মহিলা বাছাই করেছে। আমার স্ত্রী যেমন সুন্দরী হওয়া দরকার ছিল তেমনটা হয়নি। মনে রাখতে হবে, আল্লাহ তাআলা যা নির্ধারণ করে রেখেছেন, তার বাইরে কিছু হয় না। যার ভাগ্যে আল্লাহ যেটা লিখে রেখেছেন, সেটা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা উচিত। দুনিয়ার অসুন্দর স্ত্রী জান্নাতে হুর থেকেও বেশি সুন্দর হয়ে যাবে। [প্রশান্ত অন্তর : ২২৫]

photo content

photo content

অর্থসহ মুনাজাতে মাকবুল হলে উমেদেরটা, ব্যাখ্যাসহ হলে আশরাফেরটা।
অর্থসহ মুনাজাতে মাকবুল হলে উমেদেরটা, ব্যাখ্যাসহ হলে আশরাফেরটা।

প্রি অর্ডার শুরু হয়েছে। https://www.facebook.com/share/p/173oGKx3Zn/
প্রি অর্ডার শুরু হয়েছে। https://www.facebook.com/share/p/173oGKx3Zn/

photo content

photo content

তোমাকে ভালোবাসি হে নবী
তোমাকে ভালোবাসি হে নবী

photo content

photo content

photo content

জেনারেল পড়ুয়াদের জন্য অবশ্যপাঠ্য দুটি বই। যাদের দ্বীনের বুঝ নেই, তাদের এই দুটি বই হাদিয়া দিতে পারেন।
জেনারেল পড়ুয়াদের জন্য অবশ্যপাঠ্য দুটি বই। যাদের দ্বীনের বুঝ নেই, তাদের এই দুটি বই হাদিয়া দিতে পারেন।

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

সত্যকথা হলো, আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে দুআ করতেই জানি না। যে ব্যক্তি দুআ করতে পারে, দুনিয়া ও আখেরাতে তার জন্য সফলতা নিশ্চিত। আল্লাহ তাআলা যদি দুআ করার যোগ্যতা দান করেন, দুআ করার গুরুত্ব উপলব্ধি করার তাওফীক দান করেন, দুআ করার আগ্রহ দান করেন এবং সর্বোপরি দুআ করার তাওফীক দান করেন তাহলে বুঝে নিন—সবকিছু অর্জন হয়ে গেছে। হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ. কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত দুআগুলোর একটি সংকলন প্রস্তুত করেছেন। সেটি মূলত 'আল-হিযবুল আযম' এর খোলাসা। আর 'আল হিযবুল আযম' হলো মোল্লা আলী কারী রহ.-এর রচনা ও সংকলন। তাতে তিনি কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত দুআগুলো জমা করেছেন। সেটি বেশ লম্বা এবং বিস্তৃত। যা আমাদের মতো দুর্বল মানুষের জন্য সংক্ষিপ্ত করা প্রয়োজন। তাই হযরত থানভী রহ. 'মুনাজাতে মাকবুল' নামে দুআর একটি সংক্ষিপ্ত সংকলন প্রস্তুত করেছেন। সেখানে উল্লেখকৃত দুআসমূহকে তিনি সাত ভাগে ভাগ করেছেন। প্রত্যেক ভাগের নাম দিয়েছেন 'মানযিল'। এরপর সপ্তাহের সাত দিনের জন্য একটি একটি করে মানযিল নির্ধারণ করেছেন। যেমন, শনিবারের মানযিল, রবিবারের মানযিল, সোমবারের মানযিল—এভাবে। তবে তার অর্থ এটা নয় যে, নির্ধারিত মানযিলের দুআগুলোর সাথে ওই দিনের বিশেষ কোনো সম্পর্ক আছে। বরং উদ্দেশ্য হলো, এক সপ্তাহে যেন এই সবগুলো দুআ করা হয়। আমরা তো দুআ করতেই জানি না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি আমাদের জীবন কুরবান হোক, তিনি আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়েছেন—কীভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে হবে এবং কী কী জিনিস চাইতে হবে? শিখিয়ে দিয়েছেন—কোন শব্দে এবং কোন বাক্যে চাইতে হবে? 'মুনাজাতে মাকবুল' মূলত এসবেরই সংকলন। যাইহোক, এর প্রথম মানযিলে তিনি ওই সকল দুআ জমা করেছেন যেগুলো কুরআন মাজীদে অবতীর্ণ হয়েছে। এরপর ওই সকল দুআ জমা করেছেন যেগুলো হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে। এগুলোর প্রতিটি দুআ এমন, যার একটি কবুল হয়ে গেলেও পুরো যিন্দেগী কামিয়াব হয়ে যাবে। -মুফতী তাকী উসমানী দা. বা. [কুরআনী দুআসমূহের ব্যাখ্যা : ১/৫৩, মাকতাবাতুল আশরাফ]