আকাবির-কথন
الذهاب إلى القناة على Telegram
إظهار المزيد
لم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 099
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
+227 أيام
+2630 أيام
أرشيف المشاركات
1 099
মৃত্যুর স্মরণ অন্তরের আমল। আর তুমি যখন জিহ্বা নাড়িয়ে জিকির করো, তখন তা যদি অন্তরে প্রভাব না ফেলে, তবে এই জিকিরে কী ফায়দা হবে?
তুমি যখন মৃত্যুকে স্মরণ করবে, এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার অসারতা সব সময় তোমার সামনে জেগে থাকবে। স্ত্রী-পুত্র কিংবা ধনসম্পদ সবকিছুকেই যে তোমাকে একদিন ছাড়তে হবে এবং নেক আমল ছাড়া যে তোমার সঙ্গে কিছুই থাকবে না, তা সর্বক্ষণ তোমার মনে ঘুরপাক খাবে। ফলে সব সময় আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার একটি দুর্নিবার বাসনা তোমার হৃদয়কে আলোকিত করে রাখবে।
বর্ণিত আছে, ইবনে মুতি একদিন তার বাড়ির দিকে তাকালেন। বাড়িটির সৌন্দর্য তাকে ভীষণ মুগ্ধ করল। তারপর তিনি কেঁদে কেঁদে বললেন, যদি মৃত্যু না থাকত, তবে আমি তোমাকে নিয়ে আনন্দিত হতাম। যদি সংকীর্ণ কবরই আমার আসল ঠিকানা না হতো, তবে তোমাকে দেখে আমি চোখ জুড়াতাম। এই বলতে বলতে তার কান্নার বেগ আরও বেড়ে গেল।
[জীবনের ওপারে : ৪৬]
1 099
একবার আহমদ ইবনে হাম্বল রহ. একটি মজলিসে আগমন করলেন। সেখানে তিনি হারেস মুহাসাবির আলোচনা শুনে অনেক ক্রন্দন করলেন। এরপর তিনি বললেন, হৃদয়ের গভীরে কোনো বিগলন আমাকে এভাবে কাঁদায়নি। কিন্তু পরিবেশটাই এমন হয়ে উঠেছিল যে, ক্রন্দনকে আবশ্যক করেছে।
কোনো কোনো মানুষের পরিবেশ কায়েম করার এই এক আশ্চর্য ক্ষমতা আল্লাহ তাআলা দিয়ে থাকেন। তাদেরকে সেটা সঠিক কাজে ব্যবহার করা উচিত।
সালাফে সালেহিনের কেউ কেউ ওয়াজ বা বক্তৃতার মাঝে ঘটনার মিশ্রণকে দূষণীয় মনে করতেন এবং যারা এমনটি করে, তাদের মজলিসে উপস্থিত হতে নিষেধ করতেন। অবশ্য আজকের দিনে সেটা আর সর্বক্ষেত্রে দূষণীয় নয়। কেননা, তখনকার সময়ে মানুষ ইলমচর্চা নিয়ে ব্যস্ত থাকত। সেখানে ঘটনা-কাহিনির উপস্থিতি তাদের জন্য ছিল একটি প্রতিবন্ধকতা। আর আজ ইলমের প্রতিবন্ধকতা অনেক বেড়ে গেছে। সুতরাং আজ ওয়াজের মজলিস—মানুষদের অধিক উপকার করে, তাদেরকে গোনাহ থেকে বিরত রাখে এবং তাওবার দিকে ধাবিত করে। তাই ওয়াজের মধ্যে প্রাসঙ্গিক ঘটনা ও কাহিনি বলতেও কোনো অসুবিধা নেই।
-ইবনুল জাওযি রহ.
[হৃদয়ের দিনলিপি : ১৯০]
1 099
নির্জন মুহূর্তে রিক্তহন্তে অশ্রুসজল নয়নে আল্লাহর কাছে রোনাজারি করলে তিনি দুহাত ভরে দেন। অথচ তার পরিবর্তে মানুষ একাকী সময় পেয়ে আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়; ফলে তিনি হিদায়াত থেকে বঞ্চিত করে দেন।
যেই একাগ্র সময়গুলোতে আল্লাহর মহব্বত লাভের সুযোগ ছিল, সে সময়ে তাঁর মহব্বত তালাশ না করে সেই সময়েই বান্দা আল্লাহর ক্রোধ জাগ্রতকারী কাজ করে ধৃষ্টতা প্রদর্শন করছে। তার মতো হতভাগ্য আর কে হতে পারে!
[যে রোগে অন্তর মরে : ১৭৯]
1 099
আল্লামা শামী রহমতুল্লাহি আলাইহি ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে বর্ণনা করেন, ইসমে আজম হচ্ছে স্বয়ং 'আল্লাহ' শব্দটি। তিনি আরও লিখেছেন যে, আল্লামা তহাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি সহ অনেক উলামায়ে কেরাম এবং অধিকাংশ আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিগণ একই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। এ জন্যেই আল্লাহওয়ালা সুফীদের দরবার ও মজলিসে এই পবিত্র নামের যিকির অধিক পরিমাণে হয়ে থাকে।
[ফাযায়েলে আমাল : ৪৫৫]
