ar
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

الذهاب إلى القناة على Telegram

إظهار المزيد
لم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 194
المشتركون
+224 ساعات
+77 أيام
+2930 أيام
أرشيف المشاركات
মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা-তে একটি দুআ আছে— اَللّهُمَّ اشْفِنِيْ مِنَ النَّوْمِ بِيَسِيْرٍ، وَارْزُقْنِيْ سَهَرًا فِيْ طَاعَتِكَ . (15/302) ‘ইয়া আল্লাহ, সামান্য ঘুম দ্বারাই আমার প্রয়োজন পূরণ করুন এবং আপনার আদেশ পালনে রাত্রিজাগরণের তাওফীক দিন।’ . সুস্থতা ও কর্মক্ষমতা রক্ষা করার জন্য ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে। তবে আল্লাহ যদি চান তাহলে তিন চার ঘন্টার ঘুমেও আট ঘন্টার সুফল দান করতে পারেন। যাতে তাহাজ্জুদ ও তেলাওয়াত এবং অধিক মুতালাআর সুযোগ পাওয়া যায়। বুযুর্গ তাবেয়ী হাম্মাম ইবনুল হারিছ ও মি’যাদ এই দুআ করতেন এবং নামকেওয়াস্তে সামান্য ঘুমিয়ে রাতভর তাহাজ্জুদ পড়তেন। —মাওলানা আব্দুল মালেক দা.বা.

photo content

আমি দেড়শ রুপিই নেব হজরত মাওলানা বদরে আলম মিরাঠি মুহাজিরে মাদানি রহ, বলেন, 'আল্লামা হজরত মাওলানা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরি রহ.-কে আমি বেতন গ্রহণ করার সময় কাঁদতে দেখেছি। ওই সময় তাঁর চোখে অশ্রু টলটল করত। মিরাঠি রহ, বলেন, কাশ্মীরি রহ. বলতেন, 'যদি আমার মাঝে ইখলাস থাকত তাহলে আমি দারুল উলুম দেওবন্দে বিনা বেতনেই পড়াতাম।' দারুল উলুম দেওবন্দের পক্ষ থেকে হজরত শাহ সাহেব রহ.-কে বেতন হিসেবে দুইশ রুপি দেওয়ার উপর্যুপরি অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু হজরত সাহেব সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে বলেন, 'আমি দেড়শ রুপিই নেব।' (এর বেশি নেব না।) পরিশেষে দু-পক্ষের সমন্বয়ে পৌনে দুইশ রুপি বেতন নির্ধারিত হয়। [আকাবির মনীষীদের দুনিয়াবিমুখ জীবন : ৯৮]

হে যুবকেরা, যৌবনকালকে গুরুত্ব দাও। আমার জীবনে এমন রাত খুব কম অতিবাহিত হয়েছে, যে রাতে আমি এক হাজার আয়াত তিলাওয়াত করিনি। আমি এক রাকাতে পূর্ণ সূরা বাকারা পড়ে থাকি। রজব, জিলকদ, জিলহজ ও মুহাররম- পবিত্র এই চার মাসজুড়ে আমি রোজা রাখি। এ ছাড়া প্রতিমাসে তিন দিন এবং প্রতি সপ্তাহে সোম ও বৃহস্পতিবারও রোজা রাখি। আমি এগুলো অহংকারবশত বলছি না; বরং আল্লাহ তাআলার নিয়ামতের শুকরিয়াস্বরূপ বলছি। -আবু ইসহাক সাবিঈ রহ. [যুবকদের প্রতি সালাফের উপদেশ : ১০]

হযরত শাহ ছাহেব রহ, বলতেন, আমি কিতাবের অধীন। কাজেই আমি অধ্যয়নকালে কখনও কিতাবকে নিজের অধীন মনে করি না। বরং নিজকে কিতাবের অধীন মনে করে থাকি। এমন ব্যক্তি যে সর্বদা কিতাব নিয়ে ডুবে থাকে, কিতাব সম্পর্কে তার এই উক্তি কিতাবের প্রতি আদব ও ভক্তির পরম নিদর্শনের পরিচয় বহন করে থাকে। এ সম্পর্কে ক্বারী মুহাম্মাদ তাইয়্যেব রহ. বলেন, আমরা হযরত শাহ ছাহেব রহ.কে সফরে কিংবা বাড়িতে অবস্থানকালে কোনো সময়েই শুয়ে শুয়ে কিতাব পড়তে দেখিনি। কোনো সময় কিতাবের উপর কনুই ঠেকিয়ে ভর দিতেও দেখিনি। তাঁকে আমরা কিতাব সামনে রেখে এমন আদবের সাথে বসে পড়তে দেখেছি, যেন কোনো শাইখের সামনে বসে তাঁর নিকট হতে পাঠ নিচ্ছেন। হযরত শাহ ছাহেব রহ. বলেন, আমার বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত আমি কোনো দ্বীনী কিতাব ওযু ছাড়া পাঠ করিনি। [নূরানী কাফেলা : ২৬]

শাইখুল হাদীস মাওলানা যাকারিয়া রহ. পুরো জীবন (শুক্রবারে) আসরের নামায পড়ার সময় মসজিদে এতেকাফের নিয়তে ঢুকতেন এবং মাগরিব পড়ে বের হতেন। এ সময় কারও সাথে কোনো কথাবার্তা বলতেন না। তার জীবনীতে পাওয়া যায়, সফরে থাকলে গাড়িতে এতেকাফের নিয়তে বসে থাকতেন। আর সঙ্গীদের বলে দিতেন, আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত তার সাথে কেউ যেন কোনো কথা না বলে। গাড়িতে সফর করছেন। বসে আছেন। কিন্তু ওই সময় তার সাথে কারও কথা বলার অনুমতি ছিল না। [মুমিনের ইবাদত : ১২-১৩]

নেছাবের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের জন্য সালাফে ছালেহীনের নূর ও নূরানিয়াতের কাছে ফিরে যাওয়া; ইলমে আমলে, আখলাকে, আফকারে ও চিন্তায়-চেতনায় তাঁদেরই ছায়া গ্রহণ করা। যেকোনো ফনের কিতাব পড়ার মাধ্যমে যা অর্জিত হয় সেটার নাম মা'লুমাত, অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের তথ্য। এই তথ্যজ্ঞানের অবশ্যই প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এর মেছাল হলো টেনে নেয়া বা ঠেলে নেয়া গাড়ি। চলবে, তবে গতি হবে কম। পক্ষান্তরে ফন ও বিষয়ের প্রাজ উস্তাযের ছোহবতে যা হাছিল হয় তার নাম হলো যাওক বা রুচিবোধ। রুচিজ্ঞানও বলতে পারো। ছোহবতের উপকারিতা সময়ের দৈর্ঘ্য দ্বারা নির্ধারিত হয় না, হয় ভক্তি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার গভীরতা দ্বারা। এমনকি তুমি যদি দূর থেকেও কারো প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করতে পারো; তাঁর প্রতি, তাঁর চিন্তা-চেতনার প্রতি এবং তাঁর জীবনদর্শনের প্রতি হতে পারো নিবেদিত, যাকে বলা হয় ফানাইয়্যাত বা আত্মত্মবিলোপতার স্তর, সেটা যদি অর্জন করতে পারো তখন তাঁর কিতাব থেকেও তুমি ছোহবতের ফায়দা হাছিল করতে পারো। -আদীব হুযুর দা. বা. [দরদী মালীর কথা শোনো : ৩/২৮৮-২৯০]

দুনিয়ার শিক্ষায় একজন শিক্ষার্থী নামায না পড়ে, রোযা না রেখে এবং গানবাজনার মধ্যে থেকেও, অর্থাৎ ইবাদতমুখী ও আল্লাহমুখী না হয়েও শিক্ষা অর্জন করতে পারে, যদি পরিশ্রম থাকে, সাধনা ও অধ্যবসায় থাকে। কিন্তু দ্বীনের ইলম হাছিল হওয়ার জন্য ইবদাত অপরিহার্য, আল্লাহমুখী হওয়া অপরিহার্য। তাকওয়া, তাহারাত ও ইনাবাত ছাড়া এখানে কিছুই হয় না। একারণেই দ্বীনের ইলম শিক্ষার্থীর উপযোগী কি না আগেই ভাবা দরকার। এই সব শর্ত যে রক্ষা করতে পারবে না, তার জন্য অনেক ভালো হবে দুনিয়ার শিক্ষাঙ্গনে গিয়ে অন্তত নিজের দুনিয়াটা গড়ে তোলার চেষ্টা করা এবং সেটা যথেষ্ট সহজ। -আদীব হুযুর দা. বা. [দরদী মালীর কথা শোনো : ৩/২৯৪]

মুসলমানের জীবনে ইসলামের প্রভাব কোথায়? | - হযরত মাওলানা আহমদ লাট সাহেব দা. বা.

জীবনের দুশ্চিন্তা ও সংকট কেন দূর হয় না? - মাওলানা জুলফিকার আহমেদ নকশবন্দী।

photo content

প্রতিটি কোলই হোক মাদরাসা দাওয়াত ও তাবলীগের পুরনো সাথী প্রফেসর আনোয়ার সাহেব এক তৃতীয় হযরতজী মাওলানা এনামুল হাসান সাহেব রহ.-কে জিজ্ঞাসা করলেন, হযরত, আজকাল এত এত মাদরাসা, তারপরও আমাদের সন্তানদের তা'লীম-তরবিয়ত ঠিক সেভাবে হয়ে ওঠছে না। এর কারণ কী? হযরতজী রহ. বললেন, আজকাল কোথায় এত এত মাদরাসা দেখলে? মাদরাসা তো আগেই বেশি ছিল। এখন বরং কমেছে! প্রফেসর সাহেব বললেন, এটা আবার কীভাবে হয়? হযরতজী রহ. বললেন, দেখো ভাই, আগের জমানায় প্রতিটি কোলই বাচ্চার জন্য মাদরাসা ছিল। বাচ্চা মায়ের কোলে আছে, তো মা নিজেই তা'লীম-তরবিয়তের মাদরাসা ছিল। বাচ্চাকে নানি-দাদির কোলে দিলে সেখানেও সে তা'লীম তরবিয়ত পেয়েছে। তারাও মাদরাসা ছিলেন। এমনিভাবে বাচ্চাকে বোন, খালা, চাচী, ফুফু, মামী, ভাবী সহ যার কোলেই দেয়া হয়েছে সেখান থেকেই সে কিছু না কিছু তা'লীম-তরবিয়ত পেয়েছে। আজকাল তো বিশ বিশ, ত্রিশ ত্রিশ বাচ্চার জন্য একজন করে উস্তাদ। তিনি তাকে তা'লীম দিবেন নাকি তরবিয়ত দিবেন এটা ভেবেই তো পেরেশান। ..…......... তাই উম্মাহর সেই পুরনো গৌরব ফিরিয়ে আনতে শিশুর জন্য প্রতিটি কোলকে মাদরাসায় পরিণত করা অত্যাবশ্যক। এজন্যই প্রতিটি ঘরে তা'লীম হওয়া চাই। সুন্নতের মশক হওয়া চাই। আমলের পরিবেশ থাকা চাই। ইলমের চর্চা হওয়া চাই। গুনাহমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা চাই। দ্বীন বিমুখ আসবাব, বন্ধু-বান্ধব এমনকি বইপুস্তকও পরিত্যাগ করা চাই। এর বিপরীতে সাদাসিধা দ্বীনি আসবাব, সহজ সরল দ্বীনদার লোকদের বন্ধুত্ব আর দ্বীনি বইপুস্তককে আপন করে নেয়া চাই। © আহমাদ ইউসুফ শরীফ সাহেব

দুনিয়া জীবন্ত জাগ্রত স্বর্গ হজরত মাওলানা আহমদ আলি লাহোরি রহ. তাঁর একটি জীবনগল্প আমাদের শোনান। তিনি বলেন, আমার শ্বশুর ছিলেন বেশ বুদ্ধিমান মানুষ। তিনি আমাকে তখনই চিনতে পেরেছিলেন, যখন এই আহমদ আলি আহমদ আলি ছিল না। এখন তো আহমদ আলি আহমদ আলি হয়ে গেছে। আমার শ্বশুর যখন দেখতে পান। যে, তার মেয়ে বিয়ের উপযুক্ত হয়ে উঠেছে তখন তিনি একজন যোগ্য নেককার পাত্রের সন্ধানে একে একে অনেকগুলো মাদরাসায় যান। শেষতক দেওবন্দে পৌঁছেন। কীভাবে যেন আমার সন্ধান পেয়ে যান। তখন তিনি নানা মারফতে আমার ব্যাপারে তথ্যানুসন্ধান করেন। অবশেষে আসাতিযায়ে কেরামের মাধ্যমে বিয়ের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। বিয়ের পর শুরু হয় প্রচণ্ড অভাবের জীবন। এমনও হয়েছে, শুধু গাছের পাতা খেয়ে আমরা স্বামী-স্ত্রী দিনের পর দিন কাটিয়ে দিয়েছি। কিছু দিন পর আমার স্ত্রী যখন তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান তখন তিনি আমার শাশুড়িকে বলেন, 'আম্মা, আমি তো শুনেছিলাম, মানুষ মৃত্যুর পর জান্নাতে যায়; কিন্তু আমি তো দুনিয়াতেই জীবন্ত জান্নাতে পৌঁছে গেছি।' আল্লাহ তাআলা হজরতকে অত্যন্ত ধৈর্যশীল, কৃতজ্ঞ স্ত্রী দিয়েছিলেন। তার ধৈর্যের বদৌলতে শেষতক আল্লাহ তাআলা রিজিকের দুয়ার খুলে দেন। এমন সোনালি মুহূর্তও এই পরিবারের হাতে ধরা দেয় যে, সরগোধা এলাকার অভিজাত কালিয়ার পরিবারের মহিলা বরকতের জন্যে হজরতের বাড়িতে এসে ঝাড়ু দিত। [আকাবির মনীষীদের দুনিয়াবিমুখ জীবন : ৪৬]

হজরত মাওলানা মুহাম্মদ ইদরিস কান্ধলভি রহ. ছিলেন জামিয়া আশরাফিয়া লাহোরের শায়খুত তাফসির ও শায়খুল হাদিস। দেশভাগের আগে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দে শায়খুত তাফসির ছিলেন। ওই যুগে তিনি পঞ্চাশ রুপি বেতন পেতেন। এই স্বল্প বেতন দিয়ে তিনি দুনিয়াবিমুখ নির্লোভ জীবন অতিবাহিত করেছেন। একদিনের ঘটনা। হজরতের কাছে তাঁর স্ত্রী এসে বললেন, হজরত, আমি সারা বছর সঞ্চয় করে প্রায় দুশ রুপি জমিয়েছি। আপনার এখানে দেশের অনেক বড় রথী-মহারথীরা আসেন। তাদেরকে মাটির মাদুরের ওপর বসতে হয়। আপনি এই রুপিগুলো দিয়ে কুরসি-টেবিল কিনে আনুন। যেন তারা এখানে এসে শেঠ ও বণিকের যথাযোগ্য সম্মান অনুসারে ভালো আসনে বসতে পারে। এর সঙ্গে সম্মানিত স্ত্রী এ কথাও যোগ করলেন, আমি চল্লিশ রুপি বেতন দিয়ে অনায়াসে সংসার চালিয়ে নিতে পারব। উত্তরে হজরত বললেন, দুনিয়াদারদের সঙ্গে আমার কী সম্পর্ক! তাদের কাছ থেকে আমার যেমন নেওয়ার কিছুই নেই, তেমন তাদের কাছে আমার কোনো চাওয়া-পাওয়াও নেই। আমার বাসায় প্রত্যেককে স্বাগতম। সাগ্রহে বরণ করে নেব। তবে বসতে হলে মাটির মাদুরেই বসতে হবে। এ কথা বলে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের হিসাবরক্ষককে ডেকে পাঠালেন। স্ত্রীর কাছ থেকে দুশ রুপি নিয়ে তার হাতে তুলে দিয়ে বললেন, মিয়াঁ, আপনি আমাদেরকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত বেতন দিচ্ছেন। এই টাকাগুলো ফেরত নিন। আগামীতে পঞ্চাশের পরিবর্তে প্রতি মাসে চল্লিশ রুপি করে দেবেন। [আকাবির মনীষীদের দুনিয়াবিমুখ জীবন : ৭৯]

Repost from N/a
সংক্ষিপ্ত, সুন্দর, সাবলীল। ছোট-বড় সবার জন্য।
সংক্ষিপ্ত, সুন্দর, সাবলীল। ছোট-বড় সবার জন্য।

photo content

আসমা রাযি. ছিলেন অনেক বড় দানশীল মহিলা। শুরুতে তিনি হিসেব করে মেপে মেপে দান-খয়রাত করতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বললেন, সম্পদ বেঁধে রেখে দিয়ো না। হিসাব করে করে খরচ না করে সাধ্যমতো খরচ করতে থাকো। এরপর থেকে তিনি বেশি বেশি দান-খয়রাত করতে লাগলেন। নিজের মেয়ে ও ঘরের অন্যান্য মহিলাদের তিনি উপদেশ দিয়ে বলতেন, আল্লাহর রাস্তায় খরচ তথা দান করার সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ হওয়া এবং সম্পদ বেঁচে যাওয়ার অপেক্ষা করবে না। প্রয়োজনের অতিরিক্ত হলে দান করবে এমন অপেক্ষায় থাকলে আর কখনো দান করার সুযোগ পাবে না। পক্ষান্তরে ধারাবাহিকভাবে দান করতে থাকলে, দান করার কারণে তোমার সম্পদে কোনো ঘাটতি আসবে না। ফায়দা: সাহাবীরা দারিদ্র্য ও সংকটের মধ্যে বেশি বেশি দান-খয়রাত ও আল্লাহর পথে খরচ করতেন। বর্তমানে মুসলমানরা সব সময় নিজেদের অভাব ও দুরবস্থার কথা জাহির করে বেড়ায়। কিন্তু ক্ষুধার যন্ত্রণায় পেটে পাথর বেঁধেছে অথবা একনাগাড়ে কয়েক দিন অভুক্ত অবস্থায় গেছে, এমন একদল লোক মনে হয় না তাদের মধ্যে পাওয়া যাবে। [ফাযায়েলে আমাল : ৭৯৭]

বইটা পড়েছেন? বেশ দারুণ একটা বই। এখনকার সময়ে একেবারে অনালোচিত। অথচ মৃত্যু নিয়ে বেশ দারুণ একটা বই এটা।
বইটা পড়েছেন? বেশ দারুণ একটা বই। এখনকার সময়ে একেবারে অনালোচিত। অথচ মৃত্যু নিয়ে বেশ দারুণ একটা বই এটা।

কুরআন কারীম প্রথমে নিজের জন্য। সর্বপ্রথম যেন এর হেদায়েত আমার নিজের মধ্যে আসে। একটা আয়াত পড়লাম; এর ওপর আগে নিজে ঈমান আনলাম, নিজের আমলের চিন্তা করলাম। প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলাম, এর নূর ও হেদায়েত যেন আমার মধ্যে আসে। মানুষের মাঝে হেদায়েত ছড়ানো পরবর্তী কাজ। আল্লাহ তাআলা যেন আমার দ্বারা মানুষকে কুরআনের দিকে নিয়ে আসেন এবং কুরআনের হেদায়েত যেন আমি ব্যাপক করতে পারি—এ নিয়ত তো থাকবেই। তবে তার আগে নিজের আমলের মধ্যে সেটা নিয়ে আসতে হবে। এটা না হলে খুব একটা ফায়দা নেই। —মুফতী আবুল হাসান মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ হাফি. [মাসিক আলকাউসার, আগস্ট ২০২৪]

আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এই দুনিয়া আসলে ভোগের উপকরণ, আর এর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ উপভোগ্য উপকরণ হলো নেককার স্ত্রী। [তাহযীবুল আখলাক; প্রকাশনী : উমেদ/দারুল ফিকর, প্রকাশিতব্য]