ar
Feedback
সমকামী গল্প

সমকামী গল্প

الذهاب إلى القناة على Telegram

গল্পঃ গুলো নিয়ে কারোর কোনো মতামত থাকলে আমাকে message করতে পারো @Panutaru_bot Email us: panutaru319@gmail.com অন্যান্য channel গুলো: https://t.me/addlist/WK8ntttrKkkzOTZl https://t.me/mytelegramchannelslink

إظهار المزيد
নতুন বাংলা গল্পالشبكة:নতুন বাংলা গল্পلم يتم تحديد البلدالفئة غير محددة
1 596
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
لا توجد بيانات7 أيام
لا توجد بيانات30 أيام
أرشيف المشاركات
পেপার ওয়র্ক সেরে মা মিস সেনগুপ্তা র সঙ্গে উঠে এসে ওর কেবিনে এসে বসলো। কফি খেতে খেতে দুজনের মধ্যে প্রাথমিক আলাপ সেরে, সাধারণ কথা বার্তা শুরু হল। মিস সেনগুপ্তা মা কে ভালো করে জরিপ করতে করতে বলল, ফিগার তো তোমার দারুন রেখেছো, এখন মেইন যেটা শিখতে হবে হাই ক্লাস পার্টি কে বিছানায় আর বিছানার বাইরে সন্তুষ্ট করা। তোমাকে কয়েক টা ট্রিক শিখিয়ে দেবো, বাকিটা তুমি সহজে এডপ্ট করে নেবে। তুমি যে শাড়ি টা পড়ে আছো সেটা ঠিক হি আছে, ব্লাউজ টা পাল্টে ফেলো, এই দাড়াও আমার কাছে একটা আছে, তোমার মনে হয় ফিটিংস হয়ে যাবে, এই বলে মিস সেনগুপ্তা ওর অফিস টেবিলের ড্রয়ার খুলে একটা কালো রঙের নুডল strap bra bar করলো। ওটা মার হাতে দিয়ে বললো, " নাও ইন্দ্রানী এটা পরে নাও, এটা পড়লে ইউ লুকিং গর্গেস। তোমার দিক থেকে চোখ ফেরানো যাবে না।" মা কে ব্লাউজ টা পাল্টে নুডল স্ট্রাপড ব্রা পরে নিতে হল। ওটা পড়ার কিছুক্ষন পর থেকে মার বগলের তলা থেকে ঘামের বিন্দু বিন্দু স্রোত বের হাতে শুরু করলো। তার ফলে মার ব্রা টা ভিজে যাচ্ছিলো, এই অবস্থায় মার মুখ অস্বস্তি টে শুকিয়ে গেছিল। মিস সেনগুপ্তা কে বললো, "আমি কি আমার ব্লাউজ টা পড়ে নিতে পারি? এটা ভীষণ টাইট, আর চাপ হাওয়ায় ভীষণ ঘাম হচ্ছে।" মিস সেনগুপ্তা হেসে বললো, " না না ইন্দ্রানী, ছাড়বে না, ইউ লুকিং হট, ইউ লুকিং লাইক এ পারফেক্ট স্লাট, তোমাকে এরকম কস্টিউম পরা হ্যাবিট করতে হবে, আর যাতে টাইট লাগে , বগল আর বুকের খাঁজে ঘাম হয় সেজন্য তই এধরনের পোশাক পড়া, বুঝলে না, এছাড়া জলদি বুকের নিপলস এ আর কোমরের নাভি হোল এ piercing করিয়ে নেবে, আমার চেনা জায়গা আছে ওরাই তোমাকে সব কিছু করে দেবে, আর কোমরের কাছে অথবা কাধের পিছনে একটা অ্যাট্রেক্টিভ ট্যাটু করাতে হবে। আমি তো আছি, আস্তে সব কিছু শিখে যাবে।" " আর একটা বিষয় মাথায় রেখো, এবার থেকে অফিস অথবা হোটেল রুম তাকেই বাড়ি বানিয়ে নাও। চলো আমার সাথে, আমরা সামনের ঐ শপিং মলে যাই, তোমার জন্য কয়েক টা অফিস সুইট সিলেক্ট করে দি এবার থেকে কোনো বড়ো বিজনেস মিটিংএ এলে শাড়ি র পাশাপাশি অফিস সুইট ও পড়তে হবে। মা সেদিন ই ওদের অফিস থেকে বেরিয়ে মিস সেনগুপ্তর সঙ্গে গিয়ে দুটো সুইট আর তার সঙ্গে পড়ার জন্য তিনটে লাইট কলরের শার্ট, ট্রান্সপারেন্ট ব্রা প্যান্টি, একটা স্কার্ট, একটা টাইট ফিটিংসের ট্রাউজার কিনলো। বাড়িতে এসে আয়নার সামনে ট্রায়াল করে দেখা গেলো, মার পুরো লুক টাই পাল্টে গেছে ঐ সুট আর ট্রাউজার পরে। পরের দিন থেকে মার অফিসিয়াল ডিউটি স্টার্ট হলো, রবি আঙ্কেল মা কে আরো অনেক টাকা রোজগারের স্বপ্ন দেখিয়ে একটা বড়ো কোম্পানির কাছে রীতিমত বিক্রি করে দিয়েছিল। কন্ট্রাক্ট এর টার্ম অ্যান্ড কন্ডিশন অনুযায়ী, মার দুই বছরের আগে ঐ কাজ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো পথ খোলা ছিল না। মা আমার চোখের সামনে থেকে মিস সেনগুপ্তের দেখানো স্টাইলে সেজে গুজে গট গট করে আবার ঐ এয়ার পোর্ট সংলগ্ন ফাইভ স্টার হোটেলে র উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলো, মা বেরিয়ে যাওয়ার পর, রুমা আণ্টি ও আমাকে কল করলো। আমাকে ওর ফ্ল্যাটে ডেকে পাঠালো, আমিও বাড়ি তালা বন্ধ করে আন্টির নিমন্ত্রণ রক্ষা করলাম। কাজেই যে দিন মা ঐ কোম্পানির হয়ে প্রথম বার হোটেল রুমে গিয়ে ডেবিউ করলো সেদিন আমি বাড়ি থাকতে পারলাম না। তাই মা সেদিন কখন বেড়ালো, কার সাথে কিরকম সেজে গুজে বেরিয়েছিল সেসব আপডেট আমি পরে পেয়ে ছিলাম। রুমা আণ্টি আমি ওর ফ্ল্যাটে বেশ কয়েক দিন বাদে যাওয়ার পর বললো, " এই যে সুরো তোর মা তো নিজেকে হাই ফাই জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে সঠিক জায়গায় সঠিক মানুষের সঙ্গে শুয়ে, তুই এগোতে এত কেনো এত ভয় পাচ্ছিস বল তো?" আমি বললাম কোথায় আমিও তো করছি। রেজাল্ট টা বেরোলে, আমিও একটা জায়গায় পৌঁছাবো। " আমি তোর অ্যাকাডেমিক কেরিয়ার নিয়ে চিন্তিত নই। আমি তোর পার্শনাল লাইফ নিয়ে ওরিড, তুই চাষ তো এটা আরো কলোর ফুল বানাতে পারিস। নতুন সম্পর্কে জড়াতে পারিস, এত কম বয়েসে এতটা একাকিত্ব তোকে পাগল করে দেবে" আমি উত্তরে বলি এই ভাবেই ভালো আছি। চাহিদা মেটানোর জন্য তোমরা তো আছো" রুমা আণ্টি বললো, " লাইফ অত সোজা না বুঝলি, তোর একটা সঙ্গিনী দরকার, যে তোর মন কে বুঝবে, তোকে সঙ্গ দেবে। এরকম এক জনের সন্ধান পেয়েছি বুঝলি। ওর সঙ্গে ডেট করে দেখ, ভালো লাগবে।" আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইনি আবার কে? কবিতা আণ্টি দের মতন ওতো আগ্রেশিভ হবে না তো?"

হোটেল রুমের ভেতর ঐ বয়েসী ক্লায়েন্ট তার সিনিওর কলিগের কথা সমর্থন করে বললো, ঠিক হে, ইসকো সিলেক্ট করতে হে, পজিটিভ মেসেজ ভেজতে হে, স্যাটিসফাই কিয়া হুমলোগ কো, ইটনা তোহ ইনকা হক বন্টাই হে। এ ম্যাডাম হামারে রিক্রুট হে হামারে হার baat মানেগী।" বয়োস্ক ক্লায়েন্ট এর জবাবে বলল, " ওকে অভি ইসকো পেমেন্ট দে কে ছর দো, ইসস এসকর্ট কী জো ম্যানেজার হে উস্কো কল কার দো। ও যাতে এখানে এসে ওকে নিয়ে যায়, তারপর আমাদের ও তো মর্নিং ফ্লাইট ধরে সিঙ্গাপুর যেতে হবে। " এই ভাবে মায়ের জীবন এর যতটুকু অংশ spoiled Howa বাকি ছিল সেইটুকুও সর্বনাশ হবার শিলমোহর ঐ রাতে ঐ এয়ারপোর্ট সংলগ্ন ফাইভ স্টার হোটেল রুমের ভেতর পরে গেলো। আমার মা জানতেই পারলো না যে কখন তার ছবি আর ওদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটানোর ভিডিও ফুটেজ মুম্বাই টে ঐ কোম্পানির হেড অফিসে বোর্ড ডিরেক্টর দের কাছে পৌঁছে গেলো। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ওখান থেকে ইমেলে সবুজ সংকেত আসলো। মা বাড়িতে রবি আঙ্কেল এর সঙ্গে হাং আউট করছিল, গত রাতের অভিজ্ঞতা র হাং ওভার তখনও কাটে নি। ঐ ফাইভ স্টার হোটেল রুমে দুজন এর সঙ্গে ক্ষেপে ক্ষেপে প্রায় ১০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে সেক্স করায়, মার শরীরের গাটে গাট এ ব্যাথা করছিল। এমন সময় রবি আঙ্কেল এর ফো নে ঐ কোম্পানির এক সিনিওর এক্সিকিউটিভ এর কল এলো। এই ফোন কল টা আসার পর রবি আঙ্কেল এর মুখের ভাব গেলো পাল্টে। " Yes Sir, she definitely sign and join the job from tomorrow, it's our great fortune to serve you." Phone ta rekhe ma ke joriye ekta jhappi kheye rabi আঙ্কেল আনন্দে আত্মহারা হয়ে বললো, " ইন্দ্রানী champain আনাও , আজ সেলিব্রেট করবো। ঐ কোম্পানির ইস্টার্ন জোনের প্রোজেক্ট ম্যানেজার ফোন করে ছিল, you are selected! Yes ইন্দ্রানী you just made it." " ওদের কোম্পানি তোমাকে দুই বছরের জন্য জব দিতে চায়, ভালো স্যালারি, আর হোটেল রুমে স্পেশাল অপারেশন এ গেলে এক্সট্রা compensation। দারুন খবর কী বলো। কাল সকাল দশটায় ওদের অফিসে রিপোর্টিং।" মা এই খবর টা শুনে খুব একটা খুশি হলো না। বরং চ মুখে একটা চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে রবি আঙ্কেল কে বললো, " রবি আমার এদের ব্যাপারটা মোটেই ভালো লাগছে না। কাল ওরা যেভাবে আমাকে ভোগ করলো, সেটা দেখার পর, আমার ওদের কোম্পানি টে বাধা কর্পোরেট এসকর্ট রূপ এ যোগ দিতে ভয় করছে।" রবি আঙ্কেল মার কাধে হাত দিয়ে, তাকে আশ্বস্ত করে বললো, " কম অন ইন্দ্রানী, এত বড়ো চান্স পেয়ে তুমি ছেড়ে দেবে, কত নামী মডেল অ্যাকট্রেস এই জব টা পাওয়ার জন্য অডিশন দিয়েছিল তুমি সেটা জানো। এরকম একটা নিচ্চিন্ত চাকরি কেউ ছারে? আগামী দুই বছরে তুমি যা টাকা সম্পত্তি বানিয়ে নেবে আমি নিচ্চিত তোমার আগামী তিন প্রজন্ম সেফ বসে খাবে। আর আমার ধারণা মাত্র দুই বছর না তোমাকে পেলে ওরা যতদিন পর্যন্ত তুমি বিছানায় পারফর্ম করার মতন সক্ষম থাকবে ঠিক ততদিন তোমাকে পুষবে। আরে সপ্তাহে মাত্র দুই থেকে তিনটে এটেম্পট, জলদি সব অভ্যাস হয়ে যাবে, বুঝলে, কম অন এই নাও মাল খাও, নার্ভ স্টেডি করো, সামনে অনেক বড়ো কাজ পরে আছে। অনেক বড়ো বড়ো রাঘব বোয়াল দের খিদে তোমাকে মেটাতে হবে।" মা রবি আঙ্কেল এর কথা শুনে, পরের দিন অফিসে গেল। ওখানে গিয়ে কিছু অফিসিয়াল ফর্মালিটি অর্থাৎ পেপারে সাইন করে নেওয়ার পর, প্রোজেক্ট ম্যানেজার মিস্টার সর্খেল বেল টিপে বেয়ারা কে বললো, সেনগুপ্তা ম্যাডাম এসেছেন, ওনাকে একটু আমার কেবিনে ডাকো তো। বেয়ারা মাথা নেড়ে আদেশ পালন করতে চলে গেলো। মিনিট খানেক এর মধ্যে অসাধারণ দেখতে এক মডার্ন মধ্য যৌবনের স্মার্ট একজন লেডি মিস্টার সর্খেল এর কেবিনে প্রবেশ করলো। ওকে দেখে মিস্টার সরখেল বললো, ওয়েলকম মিস সেনগুপ্তা, মিট ইউর নিউ কলিগ মিসেস রায়। একে চট পট ঘষে মেজে তৈরি করার ভার এখন তোমার হাতে, আজ থেকেই কাজে লেগে যাও। She is all yours।"

ওটা প্লিজ অফ করুন না। " যার বয়স কম ছিল সে মার বুকে নিজের মুখ ঘষতে ঘষতে উত্তর দিয়েছিল, " একদম ঘাবড়াবেন না ম্যাডাম, আপনি একটা টেস্ট দিচ্ছেন, তাই ওটা রেকর্ড হচ্ছে। আপনার পারফরমেন্স যদি আমাদের কোম্পানির তিনজন বোর্ড ডিরেক্টর এর ভালো লাগে তাহলে আপনি খুব তাড়াতাড়ি একটা গুড নিউজ পাবেন।" মা বললো, সে ঠিক আছে, কিন্তু এসব ভিডিও রেকর্ড করছেন কেনো।" এইবার বয়োস্ক ক্লায়েন্ট মার ঠোট এর পাতা কামড়ে ধরে বলল, " আপনি বোধ হয় খুব বেশি দিন এই লাইনে আসেন নি তাই না ম্যাডাম, এসব প্রথম যারা আমাদের মতন বড়ো কোম্পানি টে কাজ করতে আসে তাদের সঙ্গে হয়েই থাকে। তুমি এসব নিয়ে না ভেবে তোমার আজকে যে কাজ তার জন্য এসেছ তাতে ফোকাস করো। সমঝ গয়ী না" এরপর মা আর ওদের কাছে কোনো ট্যা ফ করার সুযোগ পেলো না। আরো এক দেড় ঘণ্টা ক্রমাগত বিছানায় গতর খাটিয়ে মা কে ক্লান্ত করে ওরা ডিনার ব্রেক নিয়েছিল। এই ব্রেকের মধ্যে মা কে ওরা কোনো ড্রেস পড়তে allow করলো না। ওরা টেলিফোনে খাবার অর্ডার করে মা কে নির্দেশ দিল, এই মৌকায় যা খাবার খেয়ে নিতে নাহলে সকালের আগে কিছু খাবার জুটবে না। মা বললো আমি এখন কিছু খাবো না, আপনারা খেয়ে নিন। আমি একটু জিরিয়ে নি। মিনারেল বোতলের ছিপি খুলে ঢক ঢক করে অনেক খানি জল খেয়ে বাথরুমে গিয়ে মা ফ্রেশ বিছানা য় ফিরে সবে মাত্র বসেছে, এমন সময় রুমের ডোর বেল বেজে উঠল, বাইরে থেকে কণ্ঠস্বর এলো, "স্যার আপনাদের ডিনার এসেছে।" বয়স্ক ক্লায়েন্ট মা কে নির্দেশ দিল, যাও দরজা টা ওপেন করে রুম বয় কে ভেতরে নিয়ে আসো, আর হ্যা এই ভাবেই যাবে বুঝলে, ফুল নেকেড।" মা যন্ত্রের মতন মাথা নেড়ে ঐ ক্লায়েন্ট এর নির্দেশ পালন করলো। মা নগ্ন অবস্থা তেই দরজা খুলে দিল, রুম বয় ভেতরে এসে ঐ কিং সাইজ বেড এর সামনে সুদৃশ্য টেবিলে ট্রে তে করে আনা ডিনার ডিস গুলো নামিয়ে রাখতে রাখতে আর চোখে মার শরীরের উপর লোলুপ দৃষ্টিতে চোখ বুলালো। মা কে অন্য দিকে তাকিয়ে এই অপমানকর লজ্জায় ভরা মুহূর্ত টা হজম করতে হয়েছিল। রুম বয় খাবার রেখে টিপস নিয়ে চলে যাওয়ার পর মা কেই ওদের কে খাবার পরিবেশন করতে হয়েছিল। খেতে খেতে ওদের এতো মাংসের পিস ও মুখে নিতে হচ্ছিল। আধ ঘন্টার মত সময় এই ডিনার এর জন্য ব্যয় করে ওরা আবার মূল কাজে মনোনিবেশ করল, এই বার মায়ের চুলের উপর যত্ন করে আটা হেয়ার ক্লিপ খুলে ফেলে দিয়ে তার চুল টা ছেড়ে দিল। তারপর আবার দুই দিক থেকে চেপে ধরে চলল অবাধ যৌন মিলন। মা ভালো মতই টের পেয়েছিল যে কোন খেলোয়াড় দের খপ্পরে পড়েছে, ওরা ওদের কোম্পানির পক্ষে দারুন এক্সপার্ট টেস্টার ছিল। বিগত তিন চার মাসে মা পাকাপাকি বেশ্যা গিরি করতে করতে রবি আঙ্কেল দের সাথে শুয়ে যা যা শিখেছিল, সব টা ওদের কাছে উজাড় করে দিচ্ছিল। রাত সাড়ে তিনটা অবধি উল্টে পাল্টে থ্রী সাম সেক্স চললো। তারপরও ওরা মা কে বেশ অনেকক্ষন ধরে চটকালো, তার সহ্যের শেষ সীমায় তুলে দিয়ে মা যখন ওরা ছাড়লো তখন মার শরীরের যাবতীয় এনার্জি শেষ হয়ে গেছে। চোখ বন্ধ করেওদের পাশে শুয়ে থেকে মা শুনতে পেলো। ওর ক্লায়েন্ট রা সিগারেট ধরিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে, " উফফ ক্যা কারাক মাল হে স্যার , আইসা মাল দেল্লী মে ভি নেহি মীলেগা। আচ্ছা ফুটেজ ভি মিলা , আজ মজা আ গয়া।" বয়স্ক ক্লায়েন্ট ওর কথার রেশ টেনে বললো, বয়স একটু বেশি আছে এই ম্যাডাম এর তাও বলছি টেম্পোরারি বেসিসে she will be right choice।"

পরের দিন মা তাড়াতাড়ি lunch sere বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। যাওয়ার আগে মা ঘুণাক্ষরেও জানত না যে তার জীবনে একটা কত বড়ো পরিবর্তন আসতে চলেছে। পার্লারে গিয়ে রূপ চর্চা করে রবি আঙ্কেল এর সঙ্গে নির্দিষ্ট ফাইভ স্টার হোটেলে নির্দিষ্ট রুমের ভেতরে গিয়ে হাজির হলো। রবি আঙ্কেল মা কে ক্লায়েন্ট এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে যথারীতি রুমের বাইরে বেরিয়ে যায়। ওরা দুজনেই অবাঙালি ছিল। একজনের বয়স একটু বেশি ৫০+ আরেকজন এই ৩৫-৩৬ হবে। দুজনেই বেশ সুপুরুষ, লম্বা চওড়া চেহারা। আলাপ পর্ব মেটার পর, ওরা মিউজিক চালিয়ে তাড়াতাড়ি মা কে জানলার কাচের দেওয়ালের সামনে দাড় করিয়ে রেখে স্ট্রিপ টিজ পারফর্ম করতে নির্দেশ দিল। মা কোনোদিন মিউজিক এর তালে তালে স্ট্রিপ টিজ করে নি। ক্লায়েন্ট দের থেকে পিছন দিক ফিরে আস্তে আস্তে শাড়ির আঁচল সরিয়ে ব্লাউজের পিছনের দড়ি টান মেরে খুলে স্ট্রিপ টিজ পারফর্ম করতে শুরু করলো। মিনিট দশেক একই ভাবে স্ট্রিপ টিজ করতে করতে শাড়ি আর ব্লাউজ খুলে ফেলে জাস্ট ব্রা আর শায়া পড়া অবস্থা তে আসতেই একজন ক্লায়েন্ট যার কম বয়েশ ছিল সে উঠে পড়ে মার কাছে এসে মিউজিক এর তালে তালে নাচতে লাগলো। সেই ব্যাক্তি মার পিছনে এসে চুপিসারে তার ব্রা র হুক খুলে দিল। ব্রার হুক খুলে দিতেই মা স্ট্রিপ টিজ করা থামিয়ে দিল। দুজন অচেনা পুরুষের সামনে শরীরের অনাবৃত অংশ ঢাকতে চেষ্টা করলো। কিন্তু পারলো না, ব্রা যখন মার বুকের উপর ঝুলছে এমত অবস্থায় ঐ ক্লায়েন্ট মা কে নিয়ে আরেক পাশে র সোফা তে নিয়ে আসলো। তারপর শার্ট এর বাটন খুলে মার গায়ে গা লাগিয়ে বসে তার হাত ধরে চেপে কাধে কানের পাশে চুমু খেতে আরম্ভ করলো। মা বাধা দিতে পারলো না। মুখে জোর করে একটা হাসি এনে ঐ ক্লায়েন্ট কে নিজের কাছে টেনে নিতে বাধ্য হলো। আরেক জন ক্লায়েন্ট যার বয়েস বেশি ছিল সে সামনের সোফা টে বসে মা আর ঐ ব্যাক্তির কাম লীলা দেখতে দেখতে মদ পান করছিলেন। আদর করতে করতে মার সায়ার লেস এও হাত পড়লো। ঐ ক্লায়েন্ট টান মেরে সায়া টাও মার শরীর থেকে আলাদা করে দিলেন। সায়া টেনে খুলে ওটা সামনে মদের গ্লাস নিয়ে বসে থাকা ভদ্রলোকের দিকে ছুড়ে দিল। ঐ ভদ্রলোক ওটা লুফে নিয়ে নিজের গায়ে জড়িয়ে নিল। কম বোয়েসের ক্লায়েন্ট মার ঠোট তাকে আঙ্গুর চোষার মত করে চুষতে লাগছিল, কুড়ি মিনিট ধরে খেপে খেপে চুষে মার লাল লিপস্টিকের রং ঠোঁট থেকে তুলে ফেলে তার উন্নত পুরুষ্টু মাই জোড়া র দিকে নজর দিল। মিনিট খানেক এর মধ্যে ওগুলো নিয়ে খেলতে খেলতে মার হাল বেহাল করে ছাড়লো, ঐ ক্লায়েন্ট এর অত্যাচারে মা যখন ছট পট করছে সেইসময় বয়স্ক্ ব্যাক্তি টিও নিজের প্যান্ট খুলে ঐ সোফায় যোগ দিলো। মা চোখ মেলে ঐ ব্যাক্তির দিকে তাকাতেই চমকে উঠেছিল। ঐ ব্যক্তি আগে থেকেই ইন্টারকোর্স করার জন্য এক নামী বহুজাতিক সংস্থার ব্র্যান্ডেড স্ট্রবেরি ফ্লাভর কনডম পরে রেডি ছিলেন। আর তার পেনিস টাও খাড়া হয়ে মায়ের দিকে উচিয়ে ছিল। তারপর শুরু হলো দুই দিক থেকে চেপে ধরে যৌন নিপীড়ন। দুজন ক্লায়েন্ট এর মধ্যে একজনের মুখ মায়ের বুকে আর একজনের যোনীদেশে দেশে ঘোরা ফেরা শুরু করতে ই মা যৌন উত্তেজনার পাগল হয়ে উঠলো। দুজনের বিশাল সাইজের পেনিস প্রায় একই সময়ে মায়ের শরীরে প্রবেশ করলো। মা ডবল পেনালট্রেশন এ সেভাবে অভ্যস্ত ছিল না। তাই রবি আঙ্কেল এর উপদেশ মেনে, বাড়ি থেকেই হোটেলের উদ্দ্যেশে যাওয়ার সময় দুটো ছিদ্রেই ভালো করে জেল লাগিয়ে নিয়েছিল। তাই ওরা যখন একই সঙ্গে একই ছিদ্রে দুটো বড়ো ৭ ইঞ্চি বাড়া ঢোকালো মার ব্যাথা একটু হলেও কম হয়েছিল। মার গুদ বয়েসের তুলনায় টাইট ছিল, কাজেই ওরা কুড়ি মিনিট ঠাপানোর পর অর্গানিজম রিলিস করে ফেললো। মা তখন ওদের যৌন চাহিদা পূরণ করে রীতিমত ক্লান্ত, তাই ওরা দশ মিনিট মত একটা ড্রিংক ব্রেক দিল। সামান্য জিরিয়ে নিয়ে, মা ওদের কে হাসি মুখে ড্রিংক বানিয়ে সার্ভ করলো। ওদের আবদার রেখে নিজেও একটা স্মল পেগ বানিয়ে খেললো। ঐ ড্রিঙ্কস ব্রেক এর পর আবার ওরা মা কে নিয়ে খেলতে আরম্ভ করলো, এই বার খেলা টা বিছানায় হল। বিছানায় ওদের কে নিয়ে একসাথে সেক্স করতে করতে আচমকা মায়ের দৃষ্টি বেড সাইড টেবিলের উপর পড়েছিল, সেখানে একটা ছোটো আধুনিক হ্যান্ডিকাম ক্যামেরা অন অবস্থায় রাখা ছিল। অর্থাৎ মা ঐ রুমে এসে যা যা করছিল সব রেকর্ড হচ্ছিল। ওটা অন অবস্থায় সেট করা আছে দেখে মা চমকে উঠেছিল, দুজন এর আদর সামলাতে সামলাতে জিজ্ঞেস ও করলো, " ঐ ক্যামেরা টা ওখানে চালানো আছে কেনো?

রবি আঙ্কেল তাকে জড়িয়ে ধরে গালে চুমু খেতে খেতে বলল, " কম অন ইন্দ্রানী, সব ক্ষেত্রে বাড়িতে বা আমার ফ্ল্যাটে থেকে হবে না বুঝলে, ফাইভ স্টার হোটেল রুমে আজকাল এসব করা টোটালি সেফ, ভয় এর কিছু নেই। হোটেল রুমে মিট করলে, এটা আলাদা ক্লাস বাড়বে, আমরা ক্লায়েন্ট দের থেকে রেট টাও বেশি চাইতে পারবো । তুমি কোনদিন যাও নি বলে ভয় পাচ্ছো, একবার যেতে যেতে দেখবে অভ্যাস হয়ে যাবে। তখন বাড়িতে আর করতে চাইবে না" এই বলে মা কে সোফার উপর চেপে ধরে ঠোঁটে চুমু খেতে লাগল। তার সাথে মাই টে হাত ঘষতে লাগলো। স্পর্শকাতর দুটো জায়গায় রবি আঙ্কেল এর ছোয়া পেয়ে পাগল হয়ে উঠলো। সোফার উপর এই হাউস কোট এর লেস খুলে, আঙ্কেল কে আদর করতে শুরু করলো। রাত শেষ হবার আগেই রবি আঙ্কেল মা কে পরের দিন ফাইভ স্টার হোটেল রুমে ক্লায়েন্ট দের সার্ভিস দেওয়ার বিষয়ে রাজি করে ফেললো। মা প্রথমে হোটেলে গিিয়ে তাদের কে সার্ভিস দেওয়ার বিষয়ে নিম রাজি থাকলেও শেষে নেশার ঘোরে আরো একবার রবি আঙ্কেল এর কথায় এসে রাজি হয়ে গেল। মা বেশ্যা হয়ে মোটের উপর ভালোই রোজগার করছিলো, সপ্তাহে তিন চার দিন গতর খাটিয়ে মা যা পাচ্ছিল তাতেই সন্তুষ্ট ছিল কিন্তু রবি আঙ্কেল এর ওতে পেট ভরছিল না। তাই রবি আঙ্কেল এর লোভের জন্য এই ভাবে অজান্তে মা অনেক নতুন জিনিস এ অভ্যস্ত হতে শুরু করলো। এই ভাবে শুরু হলো আমার মায়ের বেশ্যা জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায়।

আঙ্কেল মায়ের কথা কান দিল না। কিছুটা জোর করেই মা কে ঐ রুপম এর সাথে এক রুমে র ভেতরে পাঠিয়ে দিলেন। রবি আঙ্কেল রুপম কে হালকা ড্রিংক খাইয়ে অর্ধেক বেসামাল করে রেখেছিল। মা ওর সামনে গিয়ে কাপড় খুলতেই বাকি টা হয়ে গেল। সে মাকে বলেছিল, ইউর বুবস আর সো বিউটিফুল আণ্টি। মা তাকে রিপ্লাই ও দিল, " দেখতেই এখন এত ভালো লাগছে, জারা সোচো রুপম এগুলো হাতে নিয়ে খেলতে নিয়ে বিছানায় গিয়ে মুখ দিয়ে খেতে কত না ভালো লাগবে। চলো তোমাকে আমি আজ তবে শেখাই। " এরপর মায়ের থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্রয় পেয়ে রুপম এর মতন ছেলে মায়ের রূপে মাতোয়ারা হয়ে তাকে জড়িয়ে ধরলো। ভালো করে মায়ের মাই গুলো নিয়ে খেলা শুরু করলো। এই খেলতে খেলতে মায়ের সেক্স উঠে গেলো, সে আর থাকতে না পেরে রুপম কে নিজের বুকে চেপে ধরলো। রুপম মুখ থেকে অস্ফুটে একটা উত্তেজনা মেশানো awaz বের করলো। রুপম এর পর আর নিজেকে সাম লাতে পারলো না, বিছানা র উপর আমার মা কে পেয়ে তার উপর শুয়ে মায়ের দেখানো পথে আদর করতে শুরু করলো। মার বুকের মাই চুষতে চুষতে রুপম মায়ের শরীরের সামনে বেশিক্ষন টিকতে পারলো না। পাঁচ মিনিটেই ওর বীর্য বেরিয়ে গেছিল, ও নিস্তেজ হয়ে মার পাসে শুয়ে পড়তেই, মা ওকে হাত ধরে টেনে ওর দুই হাত ফের মায়ের কোমরে এনে চেপে ধরে বলছিল, " কম অন রুপম এত অল্পেতে তোমার মাল আউট হলে চলবে না। ওঠো, আমাকে আবার চাগাও, আমাকে আদর কর সোনা। তোমাকে পারতে হবে , কম অন সোনা, আমাকে পাগল করে দাও, এই শরীর টা নিয়ে খেল, কম অন রুপম , আমাকে পাগলের মতন আদর কর, গুড বয় এই তো এভাবে এগিয়ে চল, আহহহ..." রুপম মায়ের উস্কানি টে অল্প সময়ের মধ্যে আবারও গরম হয়ে উঠলো। মার যোনিতে আবারো নিজের লিঙ্গ সেট করে ঠাপ দেওয়া শুরু করলো। এবার বেশি উত্তেজিত থাকায় দশ মিনিট পর মাল রিলিস করলো। এরকম খেপে খেপে আরো বার কয়েক অর্গানিজম নির্গত করে রুপম ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লো, এক ঘন্টা মতন এর রুপমের সঙ্গে ঘরের ভেতর কাটিয়ে আমার মা হাউস কোট টা পরে দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে আসলো। বাইরে ড্রইং রুমে রবি আঙ্কেল তখনও বসে এন্তার সূরা পান করে যাচ্ছে। মা রবি আঙ্কেল এর হাত থেকে বোতল টা ছিনিয়ে নিয়ে নিজেই একটা খালি গ্লাসে নিজের জন্য মদ ঢালতে ঢালতে বললো, " আজকের মতন কাম সূত্র র প্রথম পাঠ শিখিয়ে দিয়েছি। আমার সাথে বেশিক্ষণ পারলো না। বাচ্চা ছেলে আমিও বেশি জোর করলাম না। এখন আমার শরীরের আগুন কে নেভাবে?" মা এই বলে মদের গ্লাসে র চুমুক দিয়ে রবি আঙ্কেল এর দিকে তাকালো , রবি আঙ্কেল বললো, " চিন্তা করো না ডারলিং আমি তো আছি। আজকে আমাকে দিয়েই খিদে মেটাও, কাল তোমার জন্য এমন ডবল ক্লায়েন্ট ফিক্স করেছি না, তোমাকে পেলে ভোর রাতের আগে ছাড়বে না। তোমার সব রস বের করে তবে ছাড়বে।" মা চুমুক দিয়ে এক নিশ্বাসে মদের গ্লাস টা শেষ করে দিয়ে আা : করে একটা আওয়াজ করে, বললো" তাই নাকি, কত দিচ্ছে এক এক জন। দুজন কি একসাথেই করবে নাকি?" রবি আঙ্কেল: না না সোনা , দুজনে as group বুকিং করেছে 50 হাজার দেবে এক রাতের জন্য। মা: বাহ ভালোই ডিল করেছ। তবে আবার গ্রুপ ? না না এক এক করে করতে বলো প্লিস। রিসোর্ট এর ইনসিডেন্ট টার পর আমার ভয় করে। রবি আঙ্কেল: কম অন ইউ শুড হ্যাভ ফান। তোমার কাছে দুজন কোনো ব্যাপারই না। মাঝে মাঝে ড্রিঙ্কস ব্রেক নিয়ে ব্যাপার টা ইজি করে নেবে বুঝলে। মা: বুঝলাম, অ্যাডভান্স নিয়েছ? রবি আঙ্কেল: ইয়েস হানি, পুরো ফিফটি পার্সেন্ট টাকা ট্রান্সফার করে দিয়েছে অলরেডী। খুব ভালো পার্টি। তোমাকে মনে ধরলে ওদের মাল্টিন্যাশনাল কর্পোরেট কোম্পানির বাধা এসকর্ট রূপে তোমার সব ডেট রিজার্ভ করবে, মানে তুমি শুধু ঐ কোম্পানির হয়েই সব কাস্টমার দের সার্ভ করবে। তার আগে ওদের বাধা যিনি এসকর্ট আছেন মিস সেনগুপ্তা তোমাকে ঘষে মেজে দেশি বিদেশি ক্লায়েন্ট দের সাথে ওঠা বসা করার যোগ্য বানিয়ে দেবে। একটা পার্মানেন্ট ইনকাম এর সোর্স আসবে। মাস গেলে একটা স্যালারি রূপে একগাদা টাকা তোমার একাউন্ট এ ঢুকবে, বুঝলে এটা কত বড়ো opotunity? মা গ্লাসে আবার পানীয় ঢালতে ঢালতে বললো, বাঃ বেশ, শুনে তো ভালো ই মনে হচ্ছে। দেখা যাক ওদের খুশি করতে পারি কিনা। কাল কখন নিয়ে আসছ ওনাদের আমার এখানে? রবি আঙ্কেল মায়ের হাত ধরে তাকে আরো একটু কাছে টেনে কাধের কাছে চুমু খেয়ে বললো, " হুমম ডার্লিং সেখানেই একটা ছোট প্রব্লেম আছে। ওরা যথেষ্ট হাই লেভেল এর পার্টি ওদের কে কিছুতেই তোমার বাড়ি আসতে ইনসিস্ট করতে পারলাম না। ওরা এই মিটিং টা কাল এয়ারপোর্ট এর কাছে যে বড়ো ফাইভ স্টার হোটেল টা আছে সেখানেই করতে চায়। ওখানে রুম অলরেডী বুক করে ফেলেছে। আমাকে কাল বিকেল চারটে নাগাদ তোমাকে ওখানে হাজির করতে হবে।" মা হাত থেকে গ্লাস নামিয়ে রেখে আঙ্কেল এর থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে সোজা হয়ে বসে বললো, " এর মানে কি? আমাকে হোটেল রুমে গিয়ে করতে হবে, এরকম কথা তো ছিল না। আমাকে জিজ্ঞ্যেস না করে তুমি ওদের বুকিং কনফার্ম করে দিলে, টেল মি why??

" কম অন ইন্দ্রানী, ধান্দা টে এইসব ফালতু ইমোশন এর কোনো জায়গা নেই। গুপ্তা জির একমাত্র ছেলে, গুপ্তা জির সাথ এ তো তুমি করেছো বলো। গুপ্তা অ্যান্ড সনস কোম্পানির ৫০% share ekhon EI baccha ছেলেটির নাম এ লিখে দেওয়া হয়েছে। আমাদের কাছে সোনার ডিম পাড়া হাস। এই ঘরানার ছেলেদের একটু এসব সুন্দরী নারীর সঙ্গে ফুর্তির অভ্যাস থাকবে না টা কি করে হয়। রুমা সোনালী দের কাছে গেলে এর সর্বনাশ হয়ে যেত, তাই তো তোমার কাছে আনা হয়েছে। ওকে তৈরি করে দাও যাতে তোমার কাছে ছাড়া আর কারোর দরজায় ওকে যেতে না হয়। " মা: এটা ঠিক হচ্ছে না রবি। ছেলেটা একেবারে নিষ্পাপ। রবি: হ্যা তাকে গুপ্তা জির কিসমের বানাতে হবে। যাতে ও নারী দের অন্য নজরে দেখে। মা: আমি পারবো না। এটা ঠিক হচ্ছে না। রবি আঙ্কেল: ঠিক ভুল তোমার না ভাবলেও চলবে। বুঝলে তুমি শুধু আমার কথা শুনে চল। টাকার জন্য কাজ করো।

রুমা আন্টির কথা মতন বিকেল বেলা ওর ফ্ল্যাটে যেতেই রুমা আণ্টি আমাকে বেশ আদর আপ্যায়ন করে ভেতরে নিয়ে গিয়ে বসালো। কবিতা চৌধুরী আমার জন্য স্বচ্ছ রাত্রি বাস পরে বেডরুমের মধ্যে অপেক্ষা করছিল।রুমা আণ্টি আমাকে তড়িঘড়ি সেখানে ঢুকিয়ে দেওয়ার পর, কবিতা আণ্টি আমাকে দেখে নিজের নাইট গাউনের বোতাম খুলতে খুলতে বললো, " সেদিন তো আমার আগুন না নিভিয়ে ই চলে গেলে আজ কিন্তু কোনো ছাড়া চাড়ি নেই। এসো আগে আমাকে ঠান্ডা করো তারপর আমার বোন সাবিতা ও আসছে তোমার ক্লাস নিতে।" এই বলে কবিতা আণ্টি আমার শার্টের কলার ধরে টেনে আমার উপর রীতিমত ঝাঁপিয়ে পড়ল। আমার শার্ট এর বোতাম গুলো খুলে আমার বুকে হামলে পড়ে চুমু খেতে শুরু করলো। আমি নিজেকে খুব বেশি ক্ষণ সামলে রাখতে পারলাম না। কবিতা আণ্টি জোর করে আমার মুখ টা নিজের বুকের পুরুষ্ট স্তনদুটি র মাঝে গুজে দিতেই আমি সেক্স এর উন্মাদনায় হারিয়ে গেলাম। আধ ঘন্টা ভীষণ জোরে কবিতা আণ্টি কে ঠাপিয়ে, অর্গানিজম বের করে যখন বিছানায় বসেই জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছি। এই সময় ঐ বেডরুমের দরজা আবার খুলে গেলো। দরজা খুলে একজন অচেনা সুন্দরী পূর্ণ বয়োস্কা মহিলা ঘরের ভিতর প্রবেশ করলেন। কবিতা আণ্টি আলাপ করিয়ে দিল। উনি আর কেউ না, ওনার বোন সবিতা দেবী। উনি এসেই আমার নগ্ন শরীর আর ভেজা ঠাটানো বাড়া দেখে মুগ্ধ হয়ে গেছিলেন। তাড়াতাড়ি কাপড় চোপড় খুলে নিয়ে কবিতা আণ্টি র জায়গায় এসে বসলেন। কবিতা আণ্টি আমাকে দেখিয়ে ওনার বোন কে বললো, " কিরে বলেছিলাম না, ভীষণ কিউট ভদ্র একটা ছেলে, বিছানায় দারুন পারফরমেন্স দিতে পারে, শুনেছি এর মা ও এক নম্বরের হাই ক্লাস বেশ্যা। তুই আসার আগে ওকে গরম করে দিয়েছি, নে he is all your's, enjoy।" EI bole কবিতা চৌধুরী নিজের বোনের হাতে আমাকে ছেড়ে উঠে গেলো। কবিতা আণ্টি দরজা ভিজিয়ে চলে যেতেই আমি হারে হারে টের পেলাম, সবিতা দেবী কি না জিনিস। ঠোঁটে ঠোঁট চেপে চুমু খেতে শুরু করলো। সবিতা দেবীর উন্নত মাই গুলো আমার মার থেকেও সাইজে বড়ো ছিল। ওগুলো দেখতে দেখতে চট জলদি গরম হয়ে গেছিলাম। বিছানায় শুয়ে সবিতা দেবীর সাথ এ যৌন সঙ্গম করতে করতে আমার খালি মায়ের কথা মনে হচ্ছিল। কারণ একটাই সবিতা আণ্টির ফিগার এর সঙ্গে মায়ের ফিগারের একটা অদ্ভুত মিল ছিল। সবিতা দেবী কে বিছানায় শান্ত করতে করতে আমি। ভাবছিলাম এই অবস্থায় মা এখন বাড়িতে কি করছে। আঙ্কেল কি আজও বাড়িতে আসবে? আর আসলে একা আসবে নাকি আগের দিনের মতন কোনো ক্লায়েন্ট ধরে আনবে। এছাড়া গত রাতে মার আর ঐ ব্যাক্তির যৌন মিলন এর দৃশ্য গুলো মনে করতে করতে সবিতা দেবী কে ঠাপ দিতে লাগলাম। প্রায় পঞ্চাশ মিনিট মত করে দুইবার অর্গানিজম নির্গত করে সবিতা আণ্টি খান্ত হলেন আমাকে চুমু খেয়ে আমার হাতে মোটা টাকা বকশিস দিয়ে যখন আমাকে ছাড়লেন তখন ঘড়িতে রাত নটা বেজে গেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে দুইবার দুই স ম ত্ত নারীর সঙ্গে হার্ড কোর সেক্স করার ফলে আমার পুরুষ অঙ্গ টা ব্যাথায় টন টন করছিল। রুমা আণ্টি তাই আমাকে সেই রাতে ভোগ না করেই ছেড়ে দিয়ে ছিলেন। তবে যাওয়ার আগে দিবাকর আঙ্কেল এর থেকে সম্প্রতি পাওয়া মার লেটেস্ট গ্রুপ সেক্স এর ভিডিও টা রুমা আণ্টি আমাকে আমার দেখার জন্য গিফট করলেন। বাড়ি ফেরবার পথে আমার স্মার্ট ফোনে আমি ঐ ভিডিও টা সাউন্ড মিউট করে কিছুক্ষনের জন্য চালিয়েছিলাম। মার মুখ স্পষ্ট বোঝা না গেলেও তিন জন সমত্ত ভালো স্বাস্থ্যের পুরুষ এর সঙ্গে মা গ্রুপ সেক্স করছে এটা বুঝতে অসুবিধা হলো না। সব থেকে বড় ব্যাপার মার সঙ্গে রিসোর্ট এর একটা রুমে গ্রুপ সেক্স করা তিনজন পুরুষের একজন কেও চিন্তে পারলাম না। ওরা তিনজন মিলে এমন ভাবে মার উপর অত্যাচার করছিলো যে এক মিনিটের বেশি ওটা দেখতে পারলাম না, বাড়ি ফিরে দেখলাম আঙ্কেল এসে গেছে সঙ্গে এই আমার থেকেও কম বয়েশি একটা ছেলে। ভালো রাইস খানদান এর ছেলে। মিউজিক নিয়ে পড়ছে। ওর মুখে সব সময় একটা সরল বন্ধুত্ব পূর্ণ হাসি লেগে আছে। মা তাদের জন্য ফ্রয়েড রাইস আর চিকেন তৈরি করেছে। খাওয়া দাওয়ার পর আমি কোনো কথা না বলে নিজের রুমে চলে আসতেই আমি শুনতে পেলাম, রবি আঙ্কেল বলছে, বেটা তুম যাও আন্ডার ইন্দ্রানী আণ্টি কি রুম পে যাকে আরাম করো। তার কিছুক্ষন বাদে মা আঙ্কেল কে বলছে, " এটা কাকে নিয়ে আসলে রবি। এত বাচ্চা সরল নিষ্পাপ একটা ছেলে। আমার নিজের সন্তানের থেকেও বছর দুয়েক এর ছোট। না না এর সাথ এ আমি এসব পাপ করতে পারবো না। তুমি ওকে নিয়ে যাও।" রবি আঙ্কেল হেসে মার কথা য় জবাব দিল,

টানা দুই ঘণ্টা কনস্ট্যান্ট ঠাপিয়ে ঐ ক্লায়েন্ট মায়ের হাল বেশ সঙ্গীন করে ছেড়েছিল। আমি প্রথম আধ ঘন্টা দেখে আর মায়ের সঙ্গে ঐ ব্যাক্তির sex দেখতে পারি নি। ঐ ব্যক্তি মা কে আদর করে বেশ ভালো পরিমাণ অর্থ বকশিস হিসাবে তার বুকের ভাজে গুজে রেখে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার মিনিট পাঁচেক এর মধ্যে রবি আঙ্কেল মায়ের বেডরুমের ভেতর প্রবেশ করলো। আর মা তখন ক্লান্ত বিধ্বস্ত হয়ে চোখ বন্ধ করে জোরে জোরে নিশ্বাস নিচ্ছে। রবি আঙ্কেল এসে বুকের মাঝে থেকে টাকা গুলো নিয়ে মাই দুটো টিপতে শুরু করতে, মায়ের চোখ খুলে যায়। সে অনুযোগ এর সুরে রবি আঙ্কেল কে বলে," কোথা থেকে এই লোক গুলো কে জোগাড় কর রবি। এই দেখো না, কত বার বারণ করা সত্ত্বেও দেখো এই এখানে দাত বসিয়ে দিয়েছে।" রবি আঙ্কেল মার গালে চুমু খেয়ে বললো, " কি করবে বল, সবাই কি সমান হয়, ভালো মন্দ মিশিয়ে তো এই পৃথিবী। যাই করে থাকুক, ভালো দাম পাওয়া গেছে। এখন কি করবে ঘুমাবে না আমার সঙ্গে শোবে? ঘড়িতে রাত তিনটে বাজে।" মা বললো, " এখন ঘুমাবো, প্রচন্ড ক্লান্ত লাগছে।" রবি আঙ্কেল নিজের শার্ট খুলে বিছানায় রেখে মার পাসে বসে বললো, " তাহলে আমিও একটু শুয়ে ঘুমিয়ে নি তোমার সাথে?এত রাতে বাড়ি ফিরে আর কি করবো।" মা রবি আঙ্কেল এর গালে একটা চুমু খেয়ে জবাব দিলো," ওকে এখানে আমার সাথে শুয়ে ঘুমালে ঘুমাতে পার। তবে হ্যা একদম দুষ্টুমি করবে না। আর সাড়ে সাত টা নাগাদ রত্না বলে আমাদের বাড়ির কাজের মেয়ে টা আসে। সাড়ে সাত টা র আগে বেরিয়ে যাবে।" রবি আঙ্কেল মা কে জড়িয়ে শুয়ে বেড সাইড ল্যাম্পের আলো টা নিভিয়ে দিয়ে বলল, " ইটস ওকে ডার্লিং, সাতটা র সময় বেরিয়ে যাবো, নও কাম অন লেট স্লিপ।" মা রবি আঙ্কেল কে বললো, "উফফ রবি তুমিও না, শান্ত ছেলে হয়ে শোও প্লিজ, দুষ্টুমি কর না। " রবি আঙ্কেল: তুমি তো তো জানো ইন্দ্রানী তোমাকে আর আগের মতো একার জন্য পাই না, তাই যখন তোমাকে কাছে পাই আমি নিজেকে কিছুতে সামলাতে পারি না। মা: আহ্ আহ্ রবি তোমার আদর ভরা স্পর্শ আমাকে পাগল করে দেয়। বেশ তো ছিলাম, হটাৎ করে আমার জীবনে এসে আমাকে এই ভাবে নষ্ট নারী টে রূপান্তর কেনো করলে বোলো তো? আমার চরিত্র নষ্ট করে কী লাভ হলো তোমার? রবি আঙ্কেল: প্লিজ ইন্দ্রানী, এভাবে বলো না, তোমার মত নারী কিছুতেই এক পুরুষ মানুষের কাছে সন্তুষ্ট থাকতে পারে না। আমি সেটা প্রমাণ করে দিয়েছি বলো। এসব কথা রাখো এখন কাছে এসে আমাকে ভালো করে ঠান্ডা করো তো। মা: আমি এখন খুব ক্লান্ত রবি। একটু আগেই একজন আমাকে যথেষ্ট ভাবে ভোগ করে ক্লান্ত করে গেছে। সব ই বোঝো তবু কেন জেদ কর বলো তো? রবি আঙ্কেল: কি করি বলো তো তোমাকে দেখলে লোভ সামলাতে পারছি না। এমন নেশা ধরিয়েছ মদের নেশার থেকেও ঝাঁঝালো। প্লিস সোনা জাস্ট একবার করেই ছেড়ে দেবো। জাস্ট একবার। মা: তুমিও না, আমাকে পেলে কিছুতেই ছাড়তে চাও না। ওকে একবার মানে একবার ই করবে ঠিক আছে, এসো শুরু করো। রবি আঙ্কেল এরপর মায়ের অর্ধ নগ্ন শরীরের উপর জাস্ট ঝাঁপিয়ে পড়ল। তাকে পরম আবেশে চটকাতে শুরু করলো, আস্তে আস্তে পজিশন করে পুক করে নিজের লার্জ সাইজ পেনিস টা মার গোপন অঙ্গে মওকা মতন ঢুকিয়ে দিল। মা আহ্ আহ্ ওহ্ পারি না উফফ আহ্ আহ্ ওহ্ শব্দ করতে করতে রবি আঙ্কেল এর আদর খেতে লাগলো। আমিও ব্যার্থ মনোরথ হয়ে নিজের বিছানা য় এসে ঘুমের ওষুধ সেবন করে ঘুমিয়ে পরলাম। পরদিন সকালে রবি আঙ্কেল বেরিয়ে যেতেই মা যখন ক্লান্ত হয়ে ঘুমাচ্ছে, তখন রুমা আণ্টি আমাকে কল করেছিল। আমি ওর ফোন কল রিসিভ করতেই রুমা আণ্টি আমাকে বলল, " কি গো হ্যান্ডসম, তোমার মা তো তার প্রফেশন join করলো। তুমি আবার কবে থেকে শুরু করছো। অনেক দিন হল, আমি বিরক্ত করি নি তোমায়। কিন্তু এবার তো তোমাকে আমার জন্য কাজ করতেই হবে।" আমি এসব করতে আর পারবো না রুমা আণ্টি। প্লিস ছেড়ে দাও। রুমা আণ্টি: দূর বোকা, সপ্তাহে দুই দিন মাত্র করবি তাতে অসুবিধার কি আছে। আজ বিকেলে আমার ফ্ল্যাটে চলে আসবি। একজন বিশেষ অতিথি তোর জন্য অপেক্ষা করবে। উহু না শুনবো না। আসতেই হবে। আর একটা কথা তোর মায়ের নতুন কিছু ভিডিও জোগাড় করলি? আমি: না না। আমি ওসব জিনিস আর খুজবো না। তুমিও এসব ভুলে যাও। রুমা আণ্টি: এসব জিনিস মায়ের ফোন অথবা আঙ্কেল এর ফোন ঘেঁটে খুঁজে পেলে তোর ই কিন্তু লাভ। যদি চাস মায়ের রুমে আর বাথরুমে হিডেন ক্যামেরা ইনস্টল করতে পারিস। হি হি হি হি... আমি: ছি ছি এসব তুমি কি বলছ। ছেলে হয়ে শেষে কিনা নিজের মায়ের ই.... রুমা আণ্টি: ঠিক আছে রে বাবা ঠিক আছে আমি এমনি সম্ভাবনার কথা বললাম। তোকে ওসব কিছু করতে হবে না। তোর মায়ের প্রাইভেট ভিডিও লাগলে ঠিক জোগাড় করা যায়। আজ তুই অায় তোকে একটা নতুন ভিডিও দেখাবো। দেরি করিস না।

photo content

নার্সিং হোম থেকে ফেরার সাত দিনের মাথায় রবি আঙ্কেল একজন অচেনা অজানা বড় মানুষ কে আমাদের বাড়ি নিয়ে এলেন। দূর থেকে ওদের কথা বার্তা শুনে মনে হলো উনি বাঙালি। এবারের এই ক্লায়েন্ট ভদ্রলোক পেশায় একজন পারফিউম ম্যানুফ্যাকচারার ফার্মের মালিক ছিলেন। ওনার বয়ষ ছিল ৪৫-৪৮ বছর। সেই সময় আমি দো তলার ব্যালকনি টে ছিলাম। রবি আঙ্কেল এর সঙ্গে ঐ ব্যাক্তির বড়ো গাড়ি করে এসে আমাদের বাড়ি র সামনে এসে নামা, তারপর আস্তে আস্তে দরজা খুলে ওপরে মায়ের কাছে তার রুমের ভিতর চলে আসা সব আমি উপর থেকে লক্ষ করলাম। মা এই ক্লায়েন্ট কে সার্ভ করতে কোথাও যেন একটু অস্বস্তি টে ভুগছিল, বার বার না না করছিলো। নিজের মনের অস্বস্তি বোধ কাটাতে সামান্য ড্রিঙ্ক ও করেছিল। রবি আঙ্কেল শেষ পর্যন্ত মা কে মানিয়েই ছাড়লো। মা পাতলা ট্রান্সপারেন্ট নীল রঙের সিল্ক শাড়ি আর সঙ্গে ম্যাচিং লো স্লিভ নেট ব্লাউজ পরে রেডি হয়ে ক্লায়েন্ট এর সামনে আসতেই, ক্লায়েন্ট মায়ের রূপে মন্ত্র মুগ্ধ হয়ে মার চার্জ এর পুরো টাকা টাই অ্যাডভান্স বার করে দিল। রবি আঙ্কেল সেই টাকার নোট গুনতে গুনতে মা কে নির্দেশ দিল, " কম অন ইন্দ্রানী, যাও বাবু কে ভেতরে নিয়ে যাও।" মা আমতা আমতা করে বলল, " রবি আমি কিন্তু পুরো পুরি নিচ্চিন্ত নই, আবার ব্যাথা শুরু হলে। রবি আঙ্কেল বললো," একবার করে দেখো সোনা, ১:১ তোমার কোনো প্রব্লেম হবে না। ওকে।" মা ঐ ব্যক্তি কে নিয়ে নিজের বেডরুমে গিয়ে দরজা দিতেই, আমার বুকের ভেতর দুরু দুরু উত্তেজনা শুরু হয়ে যায়। পাশের ঘরে থাকার ফলে, মার সেই রাতের প্রেম আলাপ দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। দুটি ঘরের মাঝে একটা আলমারির ঠিক উপরে হাওয়া পাস করার ভেন্টিলেটর ছিল, আলমারির ঠিক পাসে ছিল, বাবার ব্যাবহারের একটা কাঠের টেবিল। আমি একটা হাতল ছাড়া চেয়ার টেবিলের উপরে রেখে ঐ ৪৮ " চওড়া পুরনো আলমারির মাথায় চড়ে বসে ভেন্টিলেটর এর ফাকে চোখ রাখলাম। পাশের ঘর অর্থাৎ মায়ের বেডরুমের ভেতর কার দৃশ্য স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। মা ওর সেই পয়সা ওলা ক্লায়েন্ট কে বিছানায় বসিয়ে তার শার্ট এর বাটন খুলে দিয়ে, তার সামনে পিছন ফিরে শাড়ি র আঁচল টেনে খুলতে আরম্ভ করেছিল। শাড়ি টা খুলতে ই যখন মায়ের শরীর এর কাধ পিঠ কোমর মাই এর উপরের অংশ ঐ ক্লায়েন্ট এর সামনে একদম উন্মুক্ত হয়ে গেলো। ক্লায়েন্ট এসে পিছন দিক থেকে মা কে জাপটে জড়িয়ে ধরলো, আর জড়িয়ে ধরে, মার কাধে আর পিঠে নিজের মুখ ঘষতে লাগলো। ক্লায়েন্ট এর হাত দুটো মায়ের পুরুষ্ট সাইজের দুধু টা আকরে ধরেছিল। মা একটু হি হি করে হেসে উঠলো, তারপর বললো, " চলুন আমরা বিছানায় যাই, দাড়িয়ে দাড়িয়ে করতে আমার খুব প্রব্লেম হয়।" ক্লায়েন্ট খুশি মনে মা কে ধরে কোলে তুলে নিয়ে বিছানায় গেলো। তারপর বিছানায় শুয়ে মার উপর এসে মার ব্লাউজ খুলতে খুলতে মা কে বললো," আমি কিন্তু sex করতে কনডম পরি না। তোমার এটে প্রব্লেম নেই তো।" মা নিজের ব্লাউজ টা খুলে পাশে রাখতে রাখতে জবাব দিলো," উহু হাই ক্লাস বেশ্যার আবার এত ছুট মাগ থাকতে নেই। আপনাদের ইচ্ছেতেই কম্ম। আগে প্রব্লেম হতো। তবে এখন আমি একেবারে নিচ্ছিন্ত । ৭ দিন আগে আমি নার্সিং হোম থেকে ফিরেছি। সেখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রপ্রচার হয়েছে, ডক্টর রা sterilization surgery করে আমাকে এ জনমের মত প্রেগনেন্সির জ্বালা থেকে মুক্তি দিয়েছে। কাজেই আপনি বা আপনাদের মতন ব্যাক্তি রা আমার কাছে সুখের সন্ধানে আসেন। তারা এবার থেকে আমার ভেতরে নিজেদের বীর্য ঢালতে পারবেন।। আই ডোন্ট মাইন্ড।" ক্লায়েন্ট ব্যাক্তি সব শুনে বলল," ইটস গ্রেট, তোমার বয়স একটু বাড়তি হলেও, ইউ মাইন্তেন্ড ইউর সেল্ফ কয়াইট নাইসলি।" এই বলে নিজের মুখ টা মায়ের বুকের ভাজে ঢুকিয়ে দিল। জোড়ে জোড়ে নিজের মুখ আর ঠোঁট মার বুকের মাঝে ঘষতে আরম্ভ করলো। মা একবার যৌন উত্তেজনায় ককিয়ে উঠল, আহ্ আহ্ উফফ... আআস্তে! বলে, ক্লায়েন্ট কে চাপা স্বরে বলল, পাশের ঘরে আমার ছেলে ঘুমাচ্ছে, একটু আস্তে করুন প্লিজ, ও টের পেয়ে গেলে আমার অস্বস্তি বাড়বে। এমনিতেই ওর সামনে এখন মুখ দেখাতে পারি না।" ক্লায়েন্ট মার কোমরের পিছন দিক থেকে প্যান্টি টেনে নামাতে নামাতে বলল, " তুমি যা যা বলবে, তাই হবে। তোমার মতন সুন্দরীর সব কথা শুনবো" এই বলে মা কে পজিশনে এনে দুই হাত দিয়ে আকরে ধরে ঠাপ মারতে শুরু করলো। প্রতি ঠাপে খাট টা কেপে কেপে উঠছিলো। মা তার ক্লায়েন্ট এর ঠাপ এর রেসপন্স দিতে দিতে বলল, " হাত বাড়িয়ে বেড সাইড লাম্প এর সুইচ অফ করে দেবেন প্লিজ। অন্ধকারে আমার আপনার শরীরের সাথে একাত্ম হতে সুবিধা হবে।" ক্লায়েন্ট মার অনুরোধ রাখলো, সারা ঘরে অন্ধকার নেমে আসলো। যৌন সঙ্গমের শব্দে সারা বাড়ি মুখরিত হতে শুরু করেছিল। আমার মা যে কত বড় বেশ্যা টে রূপান্তর হয়েছে তার এরকম হাতে নাতে প্রমাণ পেয়ে আমার গায়ের প্রতিটি লোম শিউরে উঠছিল।

এক সপ্তাহ নার্সিং হোমে কাটিয়ে মা যখন ফাইনালি বাড়ি ফিরলো , আমি ভেবেছিলাম মা এবার অন্তত উচিত শিক্ষা পেয়ে এই ধান্দা থেকে সরিয়ে নেবে। কিন্তু আমি ভুল ছিলাম, আঙ্কেল রা মা কে পেয়ে রক্তের স্বাদ পেয়ে গেছিলো। আমি মার এই অবস্থার এক্সাক্ট কারণ কিছুদিনের মধ্যেই জানতে পেরেছিলাম। মা রিসোর্টে গিয়ে যেভাবে দফায় দফায় গ্রুপ sex korte বাধ্য হয়েছিল। তিনদিন রাত দিন কনস্ট্যান্ট যৌনাচার মা কে তার শরীরের সহ্যের শেষ সীমায় পৌছে দেয়। চতুর্থ দিন ও মার শরীরের ক্লান্ত বিধ্বস্ত অসুস্থ অবস্থা দেখে ও আঙ্কেল দের দয়া হয় নি। রবি আঙ্কেল অমিত আঙ্কেল মা কে শেষ দিন বিছানায় রিলিফ দিলেও, দিবাকর আঙ্কেল এর নেতৃত্বে বাকিরা মা কে ছিড়ে খেয়েছিল। আর টা থেকেই, মার যৌনাঙ্গের ভেতরে আঘাত পাওয়া, ভ্যাজিনা র টিস্যু ছিড়ে যাওয়া, যোনীর মুখ কেটে ছড়ে সেখানে একটা ক্ষত তৈরি হয়ে গেছিলো। যাওয়া খুবই সাধারণ একটি ব্যাপার। রিসর্ট এ মার প্রতি টি যৌন সঙ্গীর লিঙ্গের আকার যদি মার যৌনাঙ্গের তুলনায় অনেক বড় থাকায় মার এমনিতেই অসুবিধা বেড়ে গেছিল, আর তাই জন্য মা ওদের সঙ্গে সহবাসের সময় তৃপ্তির বদলে তীব্র ব্যথা অনুভব করেছিল। তার পরেও আঙ্কেল রা মা কে রেহাই দেয় নি। যতক্ষণ তার জ্ঞান ছিল ততক্ষণ মার যোনি টে তাদের বাড়া রেখে ইন্টারকোর্স করে গেছিলো। মার বারণ স্বত্ত্বেও যখন আঙ্কেল রা মার সাথে একরকম জোর করেই যৌন সঙ্গম জারি রাখে , তাদের ব্যাবহৃত একাধিক কনডমের ঘর্ষণে মার যৌনাঙ্গের ভেতরে গুরুতর আঘাত পাওয়া, ভেতরে ছিড়ে যাওয়া, কেটে যাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা ছিল। মা যখন রিসোর্ট এ চতুর্থ দিন বিছানায় পরে ব্যাথায় কাতরাচ্ছিল একদল জানোয়ার প্রবৃত্তির মানুষ সেটার মজা নিচ্ছিল। প্রতি টা ইন্টার কোর্স এর পর মা স্বাভাবিক এর তুলনায় অনেক বেশি তীব্র ব্যথা অনুভব করছিল । কামুকি নারীরাও এসব ক্ষেত্রে যৌনতা উপভোগও করতে পারেন না। মাও পারে নি, ব্যথায় কাদছিল , অমানুষিক যন্ত্রণায় ছট পট করছিল। দ্রুত কামনায় অধীর হয়ে সহবাস করলে অনেক সময়েই ভ্যাজাইনায় আঘাত লাগতে পারে সেটা আঙ্কেল রা ভুলে গেছিল। আঙ্কেল রা যখন মা কে চূড়ান্ত ভাবে ভোগ করে রিসোর্ট ছেড়ে পালিয়ে যায়, অমিত আঙ্কেল রবি আঙ্কেল এর মতন খেলোয়াড় রাও মা কে আনতে গিয়ে তার অবস্থা দেখে আতঙ্কে শিউরে ওঠে। তড়িঘড়ি তিনঘন্টা র মধ্যে মা কে নার্সিং হোম এ এডমিট করা হয়। মার যেধরণের ইনজুরি হয়েছিল সেটা রিকোভার করতে নূন্যতম হলেও ১০ দিন সময় লাগে। নার্সিং হোমের ডাক্তার সেই মতই পরামর্শ দিয়েছিল। নার্সিং হোমে ট্রিটমেন্ট, নার্সিং হোম আর রিসোর্ট মিলে, ১২ দিন বাড়ির বাইরে কাটিয়ে অবশেষে বাড়ি ফেরা এত বড়ো খবর মা বাবা র কাছ থেকে সম্পূর্ণ ভাবে লুকিয়ে গেছিল। আমি জানাতে চেয়েছিলম। কিন্তু মা রবি আঙ্কেল দুজনেই বাবাকে এসব খবর জানাতে বারণ করেছিল, তাদের মতে এসব খবর বাবা পেলে অশান্তি বাড়বে বৈ কমবে না। তার থেকে এই ভালো, আমার মা তার মতন, আর বাবা বাবার মতন নিজের জায়গা নিজের কাজের দুনিয়ায় ব্যাস্ত থাকুক। আঙ্কেল রা নার্সিং হোম থেকে মা ফেরার ৭ দিনের মাথায় আবারো তাকে তাদের যৌন চাহিদা নিবারণের কাজে ব্যাবহার করতে শুরু করলো। মা ওদের কে বাধা দিতে পারলো না। বাধা দিলেও আঙ্কেল রা শুনতো না। রবি আঙ্কেল তো মায়ের নামে একটা বিজনেস কার্ড ছাপিয়ে নিয়েছিল। নামের পয়লা দুটো ডিজিট আর মায়ের ফোন নম্বর ছাড়া ঐ কার্ডে আর কিছু ছিল না।

রুমা আন্টির আবদার মেনে আমাকে বাথরুমে আসতেই হলো। আমার সামনে দেখিয়ে দেখিয়ে রুমা আণ্টি নগ্ন হলো। আমাকেও নগ্ন করে শাওয়ার এর নিচে দাড় করালো। উষ্ণ গরম জল , তাতে সুগন্ধী গোলাপের পাপড়ি বাথ টাব এর মধ্যে রেডী ছিল। পাঁচ মিনিট ধরে আমাকে জাপটে ধরে শাওয়ার নিয়ে সেই বাথ টাবের জলের উপর ঠেলে ফেললো। রুমা আণ্টি আমার কান ঠোঁট কাধের চামড়া দাত দিয়ে কাটতে কাটতে যন্ত্রণা দেওয়া শুরু করলো। আমি ককিয়ে উঠলাম, বললাম " আহ্ লাগছে..." রুমা আণ্টি বললো," এসব অত্যাচার নেওয়ার অভ্যাস করে নে, কবিতা চৌধুরী ভদ্র, সেরকম মাগীর খপ্পরে পরলে তোর হাল খারাপ করে ছেড়ে দেবে।" বললো কিরে খাঙ্কির ছেলে...কেমন বুঝছিস.... তোর মায়ের মতন তোকেও আমরা ইউজ করবো বুঝলি। আমার শরীর গরম হয়ে উঠেছিল। ক্রমাগত গরম অশ্লীল কথা শুনে আমার মুখ আর কান লাল হয়ে গেছিলো, তার উপর রুমা আন্টির দাঁতের কামড় নখের আঁচড় সহ্য করে আমি আর বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারলাম না। রুমা আণ্টি কে নিজের শরীরের সঙ্গে চেপে ধরে জলের মধ্যেই রুমা আন্টি র ভেতরে নিজের পুরুষ অঙ্গ ঢুকিয়ে গায়ের জোরে ঠাপানো শুরু করলাম। রুমা আন্টি খুশি হয়ে বললো, এই তো সোনা জেগে উঠেছে, সব কিছু ভুলে যাও, প্রাণ ভরে উপভোগ করো। আজ রাতে তুমি আর আমি , কেউ আমাদের মাঝে বিরক্ত করতে আসবে না। ওহ সুরো... তোমার দণ্ড টা আমাকে পাগল করে দিচ্ছে, আরো জোড়ে করো সোনা। আরো জোরে। আজ সারা রাত আমার সাথে জড়িয়ে থাকবি এই ভাবে। আধ ঘন্টা ঘনিষ্ঠ ভাবে ঐ বাথ টাবের মধ্যে চরম মুহূর্ত কাটানোর পর, রুমা আণ্টি আমাকে নিয়ে ফের বিছানায় আসলো। আবার মায়ের সেই এম এম এস ভিডিও টা চালিয়ে আমাকে উত্তপ্ত করলো। তারপর আমাকে ভালো করে তরপিয়ে শরীরের রন্ধ্যে রন্ধ্যে মা আর আঙ্কেল এর প্রতি রাগ বিতৃষ্ণা, আর স্বাভাবিক কামনার আগুন ধরিয়ে সেই আগুনের তাপে নিজের শরীর কে সেকলো। ভোর রাত অবধি একাধিক বার আমরা একে অপরের সঙ্গে যৌন সঙ্গম করলাম। রুমা আন্টির ফ্ল্যাট থেকে ফিরে ব্যাথা যন্ত্রণায় আমার শরীরের যা হাল হলো, দুদিন আর বাড়ি থেকে বেরোতে পারলাম না। ভাগ্যিস মা বাড়িতে ছিল না। তাই কোনরকমে চুপি সাড়ে বাড়িতে রেস্ট নিয়ে সেরে ওঠবার মওকা পেলাম। দুদিন বাদে কবিতা চৌধুরী র সাথে মিটিং ছিল। আবার সেই সেম দিন আমার মার ও আঙ্কেল দের সঙ্গে রিসোর্ট এ তিন চারদিন কাটিয়ে বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু মা সেদিন বাড়ি ফিরতে পারলো না। রিসোর্ট এর ৮-৯ জন সক্ষম শক্তিশালী পুরুষ এর সঙ্গে লাগাতার চার রাত চুটিয়ে অ্যানাল sex korar ফলস্বরূপ মার শরীরে আর কিছু অবশিষ্ঠ ছিল না, মা শেষ দিন কিছুতেই নিজের ভ্যাজিনা র ব্লিডিং বন্ধ করতে পারে না। আশঙ্কা জনক ভাবে তাকে বাড়ি ফেরবার দিন একটা বেসরকারি প্রাইভেট নার্সিং হোমে অ্যাডমিট করতে হয়। কবিতা চৌধুরী র সাথে একটা ফাইভ স্টার হোটেল রুমে যৌনাচারে এনগেজড ছিলাম। কবিতা চৌধুরী কাপড় চোপড় খুলে আমার সঙ্গে শুয়েছিল। রবি আঙ্কেল এর ফোন কল মারফত আমি খবর টা পাওয়া মাত্রও তক্ষুনি কবিতা আণ্টি কে বিছানায় অর্ধ তৃপ্ত অবস্থায় রেখেই ছুটে সেই নার্সিং হোম এ ছুটে এসেছিলাম। ওখানে মার বিপদের সময় রবি আর অমিত আঙ্কেল ছাড়া কেউ উপস্থিত ছিল না, অথচ তাকে রিসোর্টে ভোগ করার সময় সবাই উপস্থিত ছিল। আমি নাসিং হোম এ আসার মিনিট দশেক পর একটা তাৎক্ষণিক সুখবর পেলাম, চিন্তার কোন কারন নেই, আমার মা এখন অনেকটা বিপদ মুক্ত, ডক্টর রা অনেক চেষ্টা করে মার গোপন অঙ্গ থেকে ব্লিডিং বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে। আমি খবর শুনে উতলা হয়ে এক ঝলক মা দেখবার জন্য ছট পট করছিলাম কিন্তু ডাক্তার allow করলো না। সেদিন মা কে না দেখেই নার্সিং হোম থেকে বাড়ি ফিরলাম। কবিতা চৌধুরীর কাছ থেকে খবর পেয়ে রুমা আণ্টি আমাকে ফোন করেছিল, আমি মা কে নিয়ে ভয়ানক আপসেট থাকায় আমি কল রিসিভ করলাম না। নার্সিং হোম থেকে ফেরার সময় আঙ্কেল দের গাড়ি থেকে মার লাগেজ আর কাধের ভ্যানিটি ব্যাগ নিয়ে বাড়ি ফিরলাম। মায়ের কাধের ব্যাগ টা স্বাভাবিক এর তুলনায় অনেক বেশি ভারী মনে হলো। বাড়ি ফিরে মায়ের কাধের ভানিটির ব্যাগ এর চেন খুলে দেখেছিলাম। ব্যাংক থেকে তুলে আনা নতুন নোটের কয়েক গোছা বান্ডিল দেখে পুরো shocked হয়ে গেলাম। আমি এত টাকা একসাথে এর আগে কোনোদিন দেখি নি। এত টাকা মার ব্যাগে দেখেও এক বিন্দু আনন্দ হচ্ছিল না। কারণ আমি এটাও ভালো করে জানতাম আমার মা কিসের বিনিময়ে ঐ টাকা কামিয়েছে।

মাথা নেড়ে কবিতা চৌধুরী র প্রস্তাবে সম্মতি দিলাম। আমার এই কবিতা দেবী কে রহস্যময়ী নারী বলে মনে হলো। উনি আমাকে পিছন দিক থেকে ব্লাউজ এর সে স্ট্রিপ বাঁধতে হেল্প চাইলেন। আমিও প্রথম বার কোনো নারীর ব্লাউজের পিঠের দড়ি বেঁধে দিলাম। এটা করতে আমার বেশ miss feelings হচ্ছিল। কবিতা দেবী আমাকে ১০০০০ টাকা খুশি হয়ে বকশিস দিয়েছিলেন। সেটা আমাকে কবিতা দেবীর মান রাখতে নিতেই হয়েছিল। কবিতা চৌধুরী আমাকে আদর করে বেরিয়ে যেতে আমি আমার সম্বিত খুঁজে পেলাম। মার মতন আমিও কত বড়ো ভুল করে ফেলেছি তার খানিক টা উপলব্ধি হতেই ছুটে ঘর থেকে শার্ট টা তুলে নিয়ে বেরিয়ে যাবো বলে উঠেছি। এমন সময় রুমা আণ্টি এসে ঘরের ভেতর ঢুকে আবার দরজা টা বন্ধ করে দিল। আমি অবাক হয়ে বললাম, আজ আমাকে ছেড়ে দাও রুমা আণ্টি প্লিজ, তুমি যা বললে আমি তো তাই করলাম বলো।" রুমা আণ্টি আমার কাছে এসে আমার পাশে বসে আমার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বললো, কবিতা চৌধুরী র মতন মাছ কে তুমি খেলিয়ে তুলেছ সে এখন আমাদের পার্মানেন্ট কাস্টমার। বুঝলে।। তাই আজ রাতে ট্রিট না নিয়ে তোমাকে তো ছাড়া যাবে না সুরো বাবু। চলো আমরা একসাথে একটা শাওয়ার নিয়ে নি, তারপর ফ্রেশ হয়ে খেলা টা শুরু করি। আমি বললাম, প্লিজ রুমা আণ্টি আমাকে ছেড়ে দাও, মিসেস চৌধুরী এত জোরে করেছে, আমার যন্ত্র টা এখনো ব্যাথায় টন টন করছে, আমি আজ আর পারবো না।" রুমা আণ্টি আমার কান টা মুলে দিয়ে বললো, " এত বড়ো খাঙ্কি বেশ্যা মায়ের ছেলে হয়ে বলছো আর পারবে না। তোমার না কে হ্যা কিভাবে করতে হয় আমার টা ভালো করে জানা আছে।" এই বলে আমার ফোন বার করে, নিজে নিজে গ্যালারি ঘেটে মায়ের একটা এমএমএস ভিডিও বার করে চালিয়ে দিল। সাথে সাথে ফোনের সাউন্ড ফুল ভলিউম করে আমার কানের কাছে এনে ধরলো। নিজের মায়ের গলার আত্ম যৌন শীৎকার শুনে আমার কান গরম হয়ে গেল, মুখ লজ্জায় মাটিতে মিশে যাচ্ছিল। আমি বারং বার রুমা আন্টির কাছে অনুরোধ করলাম, দোহাই এটা বন্ধ করো। পায়ে পড়ছি ভিডিও টা বন্ধ করো। রুমা আন্টি হেসে জবাব দিলো, " তোর মা যখন চোখ বন্ধ করে দিন রাত গাদন খাচ্ছে, তার ছেলে হয়ে তুই এত নখরা দেখাচ্ছিস কেনো, কম অন সুরো, এখনো তো রাত জওয়ান আছে। কোনো কথা না বলে চুপ চাপ চলে আয় আমার সাথে।"

মিনিট দুয়েক এর ভেতর রুমা আণ্টি যাকে নিয়ে ভেতরে নিয়ে আসলেন তাকে দেখে আমার চোখ কপালে উঠে গেলো। কবিতা দেবী ছিলেন দেখতে অসম্ভব রুপসি। মাঝারি হাইট, ৩৬-৩৭ বছর বয়স বড়োঘরের খানদানি ধনী গৃহবধূ, নিরসঙ্গতায় ভুগে শরীরের চাহিদা মেটাতে বাধ্য হয়ে রুমা আন্টির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এক নজরে দেখে চোখে পরলো, কবিতা দেবীর মাঝারি গরন, ফর্সা গায়ের রং, আরামদায়ক জীবন যাপনের অভ্যাসের ফলে শরীরে একটু বাড়তি মেদ জমেছে। মুখ টাও ভারী সুন্দর দেখতে। সারল্য আর নির্ভিকতার ছাপ তার চোখে মুখে চেহারায় পরিষ্কার ফুটে উঠেছে। নীল রঙের কাঞ্জিভরম সিল্ক শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং লো স্লিভ ব্লাউজে বেশ দারুন আকর্ষণীয় লাগছিল। ওনাকে দেখে আমি লজ্জা পাবো কি, কবিতা দেবী নিজেই আমাকে দেখেই অসংকোচে লজ্জায় অন্য দিকে তাকিয়ে রইলো। শেষে রুমা অ্যান্টি এগিয়ে এসে আমাদের মধ্যে আলাপ করিয়ে দিল। কবিতা আণ্টি দেখলাম ড্রিঙ্ক করেন না। ওর জন্য রুমা আন্টি ফ্রিজ থেকে পেপসি নিয়ে আসলো। আস্তে আস্তে মিনিট দশেক পর, সাধারণ কথা বার্তা বলতে বলতে কবিতা আণ্টি আমার সামনে বেশ কিছুটা সহজ হলো। আরো কিছুক্ষন পর আসল পরীক্ষার মুহূর্ত উপস্থিত হলো। ড্রিঙ্ক করার ফলেই আমার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম ফুটে উঠেছিল। রুমা আন্টি আমার পাশে এসে বললো, " একি সুরো, তুমি তো ঘামছ, এক কাজ করো না, শার্ট টা খুলে ফেল না, আমাদের সামনে লজ্জা কি।" আমাকে রুমা আন্টির জন্য কবিতা চৌধুরীর সামনে টপলেস হতে হলো। আমাকে টপলেস দেখে কিছুক্ষনের মধ্যেই কবিতা দেবীর কপালেও বিন্দু বিন্দু ঘাম ফুটে উঠল। সেটা দেখে রুমা আণ্টি বললো " কবিতা তুমি পাশের রুমে গিয়ে , একটু জিরিয়ে নাও, ওখানে সব ব্যবস্থা করা আছে। তোমার ভালো লাগবে। সুরো যাও এনাকে নিয়ে ভেতরে যাও।" এই বলে আমার হাত কবিতা চৌধুরী র হাতে তুলে দিলো। তারপর আমার চোখে চোখে ইশারা করে দ্রুত কবিতা চৌধুরী কে পাশের রুমে নিয়ে যেতে বললো। আমি ওনার হাত ধরে পাশের রুমে আসতেই চমকে উঠলাম, ওখানে রুমা আণ্টি আগের থেকে ক্যান্ডেল জ্বালিয়ে ফুল দিয়ে সাজিয়ে ঘরের চেহারা একেবারে পাল্টে দিয়েছিল, আমরা রুমা আন্টির কথা মতন ঘরে প্রবেশ করতেই ঘরের দরজা রুমা আণ্টি বাইরে থেকে বন্ধ করে দিয়েছিল। আমি কবিতা চৌধুরী র মতন একজন mature নারীর সামনে একা একটা রুমের ভিতর এসে মনে মনে ভীষন uncomfortable fil করছিলাম। আমি ওনার চোখের দিকে তাকাতে পারছিলাম না। কি করে কথা বলে চৌধুরী র মতন নারী কে নিজের চরিত্র হনন থেকে রুখব এটা ভাবছি , এটা ভাবতে ভাবতে যখন ই কবিতা দেবীর দিকে তাকিয়েছি। আমি অকল্পনীয় একটা দৃশ্য দেখে স্তম্ভিত হয়ে গেলাম। যে কবিতা দেবী কে সৎ ভালো বনেদি বাড়ির গৃহবধূ ভেবে আমি ওনার সঙ্গে শরীরিক ভাবে ঘনিষ্ট হতে ইতস্তত বোধ করছিলাম, সেই নারী ই আমার কয়েক মুহূর্তের অমনোযোগী হবার সুযোগে নিজের থেকেই শাড়ি র আঁচল টেনে খুলতে শুরু করেছে। আমি ওনাকে জিজ্ঞেস করলাম, আরে মিসেস চৌধুরী এটা কি করছেন?" কবিতা দেবী শাড়ি টা টান মেরে শরীর থেকে আলাদা করে দিয়ে আমাকে বললো, কেনো তোমার কাজ ই এগিয়ে দিচ্ছি, নাও এখন আমার কাছে এসো। এই মিটিং এর জন্য আমি অনেক দিন অপেক্ষা করে ছিলাম। আজ কে তোমাকে পেরেছি যখন ফুল পয়সা উসুল না করে ছাড়ছি না।" আমি কিছু বলার আগেই কবিতা চৌধুরী এগিয়ে এসে প্যান্টের বেল্ট খুলে দিয়ে আমাকে নিজের দিকে টেনে বাহু বন্ধনে আটকে নিল। ঠোঁটে ঠোঁট চেপে কিস করা শুরু করতেই, আমার পক্ষে কবিতা চৌধুরী র মতন আকর্ষণীয় নারীর আবেদন অস্বীকার করা কঠিন হয়ে পড়লো। বিছানায় টেনে নিয়ে গিয়ে কবিতা চৌধুরী আমাকে পাগলের মত আদর করতে শুরু করলো। ঠোঁট মুখ দিয়ে আতি সহজে আমাকে গরম করে তুললেন। তারপর আমিও কবিতা চৌধুরী কে পাল্টা আদরে ভরিয়ে দিতে লাগলাম। যৌণ উত্তেজনায় পাগল হয়ে কনডম বের করে পরে নিয়ে কবিতা চৌধুরী কে উদোম নগ্ন করে নিজের ঠাটানো বাড়াটা ওনার গুদে সেট করে দিলাম। কবিতা দেবী আআহ্ আহ্ আহ্ করে উঠলো। কবিতার মতন বিবাহিত ভদ্র বনেদি বাড়ির বউ সেজে থাকা মাগীর থেকে প্রশ্রয় পেয়ে আমিও কেমন জানি ভেতর থেকে চাগিয়ে উঠেছিলাম। নেশা করার জন্যই হয়তো আমার মধ্যে জানোয়ার প্রবৃত্তি ভর করেছিল। আমি কবিতা দেবীর শরীরে নিজের মনের জ্বালা যন্ত্রণার ওষুধ খুঁজ্জিলাম। ৪০ মিনিট একটানা মিশনারী পো জে sex korbar por jokhon কবিতা চৌধু রি ঠান্ডা হলেন, এসির মধ্যেও আমার সারা গা ঘামে ভিজে গেছিল। আর পেনিস টা খুব জোরে ব্যাথায় টন টন করছিল। কবিতা চৌধুরী আমার গালে একটা চুমু খেয়ে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লো। আমাকে কমপ্লিমেন্ট দিয়ে বললো, অনেক মাস অনেক বছর বাদে কোনো সাচ্চা মরদের বাচ্চার চোদোন খেলাম, ইউ আর awesome দুদিন পর আমার সন্ধ্যে বেলা তোমাকে আমার চাই এট মাই সার্ভিস। তোমাকে নিয়ে নাইট লাইফ এঞ্জয় করবো, কোনো না শুনবো না। তোমাকে চাই মানে চাই। " আমি একটু হাসি হাসি মুখ করে,

সেই রাত টা আমি আর রুমা আণ্টি একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় মায়ের বেডরুমের ভেতরেই কাটালাম। পরদিন সকাল হতেই রুমা আণ্টি আমাকে আরো এক দফা আদর করে, মার ভিডিও গুলোর কপি নিয়ে নিজের ফ্ল্যাটে ফিরে গেলো। তারপর সারাদিন মায়ের কোনো ফোন না পেয়ে সারাদিন বেশ চিন্তায় চিন্তায় কাটিয়ে সন্ধ্যে হতেই, রুমা আণ্টি র ফ্ল্যাটের উদ্দেশ্যে কোনো এক নিষিদ্ধ আকর্ষণে বেরিয়ে পরলাম। সন্ধ্যা ৬ টা বেজে ১৫ মিনিটে রুমা আন্টির ফ্ল্যাটে পৌঁছতেই, রুমা আণ্টি বেশ আদর আপ্যায়ন করে আমাকে ভেতরে নিয়ে গিয়ে বসালো। প্রথমেই একটা সাদা টাকা ভর্তি খাম দিয়ে বললো, " নে এটা তোর জন্য।" আমি জিজ্ঞেস করলাম, এটা কি? রুমা আণ্টি জবাব দিল, " তোর বাড়ি থেকে বেরিয়ে ই আমি গেছিলাম হার্মিত এর কাছে। সেখানে তোর মায়ের দুটো ভিডিও ওর খুব পছন্দ হয়েছে, এটা তার ই দাম। আমি সামান্য কমিশন কেটে নিয়ে প্রায় পুরোটাই তোকে দিয়ে দিচ্ছি। হর্মিত বলেছে একসপ্তাহের মধ্যে এডিট করে পাবলিশ করে দেবে সাইটে। খাম খুলে টাকা গুলো গুনে দেখ একবার। পুরো ১০ হাজার আছে। আরো এই কোয়ালিটির ভিডিও থাকলে আমাদের কাজে লাগবে বুঝলি।" আমি খামের দিকে তাকিয়ে রুমা আণ্টি কে বললাম, " এই কাজ টা ঠিক হলো না। এত তাড়াহুড়ো করার কি ছিল।" রুমা আণ্টি: ওহ তুই আবার এসব নিয়ে ঘ্যান ঘ্যাণ করিস না। একটু বস, আমি ড্রিঙ্ক নিয়ে আসি বুঝলি। এখন একটু ড্রিঙ্ক খেয়ে নে দেখবি নার্ভাসনেস টা কেটে যাবে। এদিকে কবিতা এই আসলো বলে।" আমি: আচ্ছা এই কবিতা টা আবার কে? রুমা আণ্টি ড্রিঙ্ক সার্ভ করতে করতে বলল, " কবিতা কে, একটু বাদেই আলাপ হয়ে যাবে। বলেছিলাম না আজ একজন স্পেশাল গেস্ট আসছে তোর সাথে মিট করতে। " আমি ওয়াইন এর গ্লাসে চুমুক দিয়ে অপেক্ষা করতে শুরু করলাম। আমরা ড্রিঙ্ক নেওয়া আরম্ভ করার মাত্র পাচ মিনিটের মধ্যে রুমা আন্টির ফ্ল্যাটে র কলিং বেল টা বেজে উঠলো। রুমা আণ্টি সেটা শুনে উঠে পরে বললো, " এই যে এসে গেছে কবিতা চৌধুরী, ভীষণ puntual দেখছি। তুই এখানে বস, আমি এক্ষুনি দরজা খুলে দিয়ে ওকে ভেতরে নিয়ে আসছি।"

আমার নিজের থেকেই রুমা আণ্টি র প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আদর শুরু করতে ই রুমা আণ্টি আমার প্রতি বেশ সন্তুষ্ট হলো। আণ্টি বললো" এই তো আমার গুড বয়। আমার সাথে থাকতে থাকতে দেখো না তোমাকে কি থেকে কি বানিয়ে দি, হি হি হি... আমি ভালো ভাবে জানি, তোমার মধ্যে নারী কে আকৃষ্ট করার ক্ষমতা আছে। তুমিও তোমার মার মতন খুব জলদি সব কিছু শিখে যাবে।" চলো একটা কাজ করি, আমরা আজ তোমার মায়ের বেডরুমে গিয়ে শুই।" আমি বললাম, " না না, ওখানে না। এখানেই যা করার কর।" আণ্টি বললো" দূর বোকা ছেলে, ভয় কিসের, তোমার মা বাড়িতে নেই। তাই তোমার মা আঙ্কেল দের সঙ্গে যেখানে শোয় আজ আমরা না হয় সেখানেই শুয়ে করবো। তাছাড়া দেখতেই পারছো এই খাট টা কতটা ছোট। তোমার মায়ের রুমে গিয়ে করলে আজকের sex ta আরামদায়ক ভাবে হবে" রুমা আণ্টি আমার কোনো কথা শুনলো না। মায়ের রুমে নিয়ে যেতেই হলো। রুমা আণ্টি ঘরের মধ্যে ঢুকে ac ta চালিয়ে ঘরের ভেতর চারপাশ টা ঘুরে দেখলো, তারপর ওখানে আলনার উপর রাখা মার একটা নাইটি তুলে নিল, তারপর বললো," এটা পড়ে নি কি বলিস, এটা পড়লে আমাকেও তোর মায়ের মতন হট দেখাবে। " আমি আপত্তি করার আগে, আমাকে দেখিয়ে দেখিয়ে আমার সামনেই চেঞ্জ করে ঐ মায়ের লাইট আকাশী কলোরের নাইটি টা পড়ে নিল। আর সত্যি সত্যি ওটা পরে নেওয়ার পর রুমা আণ্টি কে দেখে সাইড থেকে মায়ের মতন ই লাগছিল। আমি দ্যাব দ্যাব করে চেয়ে আছি দেখে, রুমা আণ্টি এক পা দুই পা করে আমার সামনে এগিয়ে এসে ঐ স্লিভলেস নাইটির সামনের দুটো বোতাম খুলে দিয়ে আমাকে নিজের দুধু দেখাতে দেখাতে বললো, "আসো তো সোনা ঐ ভিডিও টায় তোমার আংকেল যেভাবে তোমার মায়ের দুধু গুলো চাটছিল সেইভাবে তুমিও আমাকে আরাম দেওয়া শুরু করো। আমার যা আছে সব কিছু তোমার সামনে খোলা পরে আছে। শুরু করে দাও।।" আমি ভয় আর সংকোচ বোধ এর কারণে একটু থেমে গেলো। রুমা আণ্টি সাথে সাথে আমার কানে হাত দিয়ে আমার কান টা আলতো করে মুলে দিয়ে বললো," কী হলো থেমে গেলে কেনো? তোমাকে থামতেই বলেছি? শুরু করো। লজ্জা ঘৃণা ভয় তিন থাকতে নয় বুঝেছ! " এই বলে আমার মুখ তাকে নিজের বক্ষ মাঝারে চেপে ধরলো। রুমা আন্টির স্তন থেকে একটা সুন্দর মিষ্টি গন্ধ বেরিয়ে এসে আমার স্নায়ু কে অবশ করে দিচ্ছিল। মিনিট দুয়েক এই ভাবে আমার মুখ নিজের স্তনের ভাজে ঘষে আস্তে আস্তে আমার উপর চড়ে উঠলো। আমার প্যান্ট নামিয়ে কোমরের উপর বসে শরীর টা নাচাতে আরম্ভ করলো। আন্টির পুরুষ্টু মাই দুটো আমার মুখের সামনে নাচছিল। আস্তে আস্তে আমিও গরম হচ্ছিলাম। রুমা আণ্টি আমার মার নামে যা নয় তাই বলতে আরম্ভ করলো, সে গুলো শুনতে শুনতে আমার কান লাল হয়ে গেছিলো, আমি উত্তেজিত হয়ে পড়ছিলাম। আমার ঠাটানো বাড়াটা দেখে মনে হচ্ছিল রুমা আন্টির মতন ১০ জন নারী কে ঠাপিয়ে শান্ত করে দেবে। এই সময় রুমা আণ্টি বার বার আমাকে বেশ্যার ছেলে বলে সম্বোধন করায় আমার ও রাগ হচ্ছিল। শেষে রুমা আণ্টি কে চেপে ধরলাম, গায়ের জোরে ঠাপাতে শুরু করলাম। রুমা আণ্টি ও চোখ বন্ধ করে পাগলের মতো আমার সেই ঠাপন সহ্য করতে আরম্ভ করলো। একটানা আধ ঘন্টা ঠাপিয়ে রুমা আন্টির সমস্ত তেল বের করে, আমার অণ্ডকোষের ভিতর সঞ্চিত সমস্ত বীর্য ঢেলে দিলাম রুমা আন্টির লুজ ভিজে লদলদে যোনির ভেতরে । রুমা আন্টির শরীরটা জোরে কেপে উঠে স্থির হয়ে গেল। তার পর ধপ করে আমার পাশে শুয়ে পরে তার মাথায় হাত দিয়ে রুমা আণ্টি জোরে নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে বললো, " বলেছিলাম না, তোর মায়ের মতন তুই ও এই সব ব্যাপারে একেবারে নেচারাল, ঠিক ভাবে উত্তপ্ত করতে পারলে , তোর মতন সুখ কেউ দিতে পারবে না। আজ আবার প্রমাণ করে দিলাম।" আমি বললাম " তুমি কি চাও?" রুমা আণ্টি আমার কাঁধের কাছে ঠোঁট এনে চুমু খেয়ে বললো, " আমি কি চাই, সে তো তোকে আগের দিন খুলে বলেছি। তোর শরীর টাকে ঠিক মতন ব্যাবহার করতে চাই, এটে সবারই লাভ। উহু আর আপত্তি শুনবো না। আমি বুঝে গেছি, তুই ও ঠিক তোর মায়ের মতন হয়েছিস। এসব ছাড়া তুই থাকতে পারবি না। কাল সন্ধ্যে বেলা ৬ টা নাগাদ আমার ফ্ল্যাটে পৌঁছে যাবি। কাল স্পেশাল গেস্ট থাকবে তোর জন্য , তার সাথে একান্তে মিটিং সেরে, খেলা খেলে, একসাথে ডিনার করে বাড়ি ফিরে আসবি। আর চাইলে রাত টা আমার সঙ্গে কাটিয়েও দিতে পারিস।" আমি ভয় মেশানো গলায় বললাম, " এসব যদি মা জেনে যায়, আমি মুখ দেখাতে পারবো না।" রুমা আণ্টি আমাকে জড়িয়ে ধরে রিপ্লাই দিল, কম অন এটা তোমার ব্যাক্তিগত জীবন সোনা, তাই মা মা করা টা এইবার ছাড়ো। ভয়ের কি আছে আমি তো আছি। দেখবি খুব মস্তি হবে। আর এক দু বার করার পর ভয় টা ও কেটে যাবে, ব্যাপার টা ইজি হয়ে যাবে। বুঝলি?"

রুমা আণ্টি: ভেরি গুড। তুই আজ আমাকে দুটো ভিডিও কপি করে দে। আমি স্যাম্পল হিসাবে নিয়ে গিয়ে ওই হারমিত কে দেখাই। ওর পছন্দ হলে গুড নিউজ আর অ্যাডভান্স হিসাবে অনেক গুলো টাকা নিয়ে কালকেই সন্ধ্যেবেলা তোর সাথে দেখা করবো। কিরে রাজি তো? বল। আমি: প্লিজ এসব করো না। ছেড়ে দাও। আমার ভয় করছে। রুমা আণ্টি,: দূর বোকা, ভয় এর কি আছে, তোর কি ধারণা তোর রবি আঙ্কেল এইসব ছবি ভিডিও কোথাও ছারে নি। কিছু বাছাই করা অ্যাডাল্ট সাইটে নিয়মিত চোখ রাখলে এতদিনে জানতে পারতিস কত হাজার হাজার লোক ইতিমধ্যে এসব ভিডিও পিস দেখে ফেলেছে। তোর মা জানতে পারবে না। Harmit এর এডিটিং এর পর কেউ কিছু বুঝতেও পারবে না। এই বলে রুমা আণ্টি আমার কাধের দুপাশে হাত রেখে নিজের ঠোঁট টা আমার মুখের দিকে এগিয়ে আনলেন। আমি আমার মুখ টা সরিয়ে নিতে চাইলাম কিন্তু পারলাম না। রুমা আণ্টি আমার ঠোঁটে ঠোট চেপে ধরে গভীর ভাবে চুমু খেটে শুরু করলো। তারপর আস্তে আস্তে আমার শার্ট এর বাটন খুলতে খুলতে বললো, তুমি কিছু ভেবো না সুরো বাবু দেখো না তোমাকে কি থেকে কি বানিয়ে দি। আমি আছি ভয় পাবে না। খালি মস্তি নাও। লেট হ্যাভ ফান টুগেদার।" তারপর আণ্টি নিজের থেকে তার ট্রান্সপারেন্ট ব্রা টা টেনে খুলে ফেলতেই, আমিও ধীরে ধীরে চোখ বন্ধ করে একটা নেশার টানে রুমা আণ্টি র প্রতি এগিয়ে গেলাম। আলো নিভিয়ে বিছানায় নিয়ে গিয়ে রুমা আণ্টি কে আদর করতে শুরু করে দিলাম।

মার ফোনের পর আমি আরো একবার মায়ের রুমে গিয়ে হাজির হলাম। মার ফোন টা টেবিলের উপর থেকে নিয়ে সুইচ অফ না করে চার্জার সমেত আমি আমার রুমে নিয়ে আসলাম। ফোন টা ফের সুইচ অন করে ভেতরে কি আছে দেখতে লাগলাম। এক একটা জিনিস যত বের হয়ে আসছিল, তা দেখে আমার চোখ ততই কপালে উঠে আসলো, আঙ্কেল দের অনুরোধ রাখতে, মা তার প্রাইভেট পার্টস এর ছবি তুলেও বার বার আঙ্কেল এর সঙ্গে শেয়ার করেছে। রবি আংকেলের পাঠানো নোংরা নোংরা ছবি আর ভিডিও তেই মার ইনবক্স ভরে ছিল। সেগুলোর মধ্যে কতগুলো বাছাই করা আইটেম আমি আমার ফোনে নিয়ে নিলাম, পরে খুটিয়ে দেখবো বলে। একটা কথা আমার বুঝতে তখন আর বুঝতে বাকি রইল না, এই সব অ্যাডাল্ট কন্টেন্ট নিয়মিত পাঠিয়ে মার ব্রেইন ওয়াস করা হয়েছে। এবং এর ফলে আজ মা এতদূর চলে গিয়েছে যে ফিরে আসার রাস্তা টুকু হারিয়ে ফেলেছে। আঙ্কেল রাও যে মা কে পেয়ে ফুল এক্সপ্লয়েড না করে ছাড়বে না এটা যে বলাই বাহুল্য সেটাও দিনের আলোর মত পরিস্কার বোঝা যাচ্ছিল। মার ফোনের সব ফাইল কপি করা হয়ে গেলে আমি মার ফোন টা যথাস্থানে রেখে আসলাম। তারপর এই মার ব্যাপার টা নিয়ে সাত পাঁচ ভাবছি এমন সময় রুমা আন্টির কল আসলো। রুমা আণ্টি ফোন করেই তার প্রথম লাইনে আমাকে বললো," হেলো হ্যান্ডসম, তোমার মা তো আমার কাস্টমার নিয়ে নিচ্ছে। এই ভাবে চললে তো ভাতে মারা যাবো।" আমি বললাম," কি হয়েছে?" রুমা আণ্টি: আরে আজ পুরনো একজনের সঙ্গে মিটিং ছিল। শেষ মোমেন্ট এ উনি ওনার বুকিং ক্যান্সেল করলেন। আমি কনফার্ম খবর পেলাম, উনি রিসোর্টে যাচ্ছেন, তোমার মা কে ভোগ করতে। এরকম যদি চলতে থাকে তাহলে তো মুশকিল। আমি: মা কে বেশ্যার লাইন থেকে সরিয়ে দিতে পারলেই একমাত্র মুক্তি। মাও তার আগের জীবনে ফিরে আসতে পারবে, আর তোমার ও ক্লায়েন্ট ভাগবে না। রুমা আণ্টি: আমার সেটা মনে হয় না। তোমার মা সব কিছু জেনেই আট ঘাট বেধে এই প্রফেশনে নেমেছে। অনেক পয়সা ওলা লোকেদের বাক আপ পাচ্ছে। তাছাড়া সে নতুন হওয়ায় ভাগ্য তার সাথে চলছে। আমার পক্ষে তোমার মার সঙ্গে পেরে ওঠা মুশকিল। আমি: তুমি কি চাইছো? রুমা আণ্টি: তোমাকে..... হি হি হি হি..... আমি: মানে? রুমা আণ্টি: তুমি যদি আমার কথা শুনে চলো, আমরা দুজনেই আর্থিক ভাবে ভীষণ লাভ বান হতে পারি। তোমার মধ্যে একটা এক্স ফ্যাক্টর আছে। সেটা কে ব্যাবহার করে আমরা বাজিমাত করবো। আগের দিন বলেছিলাম না, ভুলে গেছো। তুমি সবাই কে মাত করে দেবে। আমি: না না আমি কখনো এসব করতে পারবো না। ছি ছি! রুমা আণ্টি: উফফ সুরো, ভয় পাচ্ছো কেন? জাস্ট হাভিং ফান। মজা করবে এবং টাকা কামাবে that's it। নিজের মা কে দেখে কিছু শেখ। আমি: না না, আণ্টি এসব কথা আমায় আর বলো না। রুমা আণ্টি: বুঝেছি, এই ভাবে ফোন এ ভাল কথায় কাজ হবে না। দাড়াও আমি আসছি, তোমার কাছে। তোমাকে কিভাবে রাজি করাতে হয় আমার ভালো করে জানা আছে। আজ রাত টা তোমার বাড়িতেই কাটাবো। তোমার মা যখন নেই, আমাকে আটকানোর ও কেউ নেই। এই বলে রুমা আণ্টি ফোন রেখে দিল। আধ ঘন্টা র মধ্যে সত্যি সত্যি আমার কাছে চলে আসলো। এসেই আমাকে হাত ধরে টানতে টানতে আমার নিজের বেডরুমে নিয়ে আসলো। তারপর নিজের টপ এর লেস খুলতে খুলতে আমার বিছানায় ল্যাপটপ টা ওপেন আছে দেখে, কি দেখছিলে সুরো, কোনো ভালো পর্ণ ভিডিও থাকলে আমাকেও দেখাও। আমি তখন মার কিছু আনকাট ভিডিও দেখছিলাম যা আমি ফোন থেকে পেয়েছিলাম। আমি তাই সাথে সাথে লাপটপ বন্ধ করতে উদ্যত হলাম। কিন্তু রুমা আণ্টি ব্যাপার টা আচ পেয়ে, আমাকে আটকে দিল, আমার চোখের সামনে থেকে ছ মেরে ল্যাপটপ টা তুলে নিয়ে ঐ বিশেষ ফাইল টা ওপেন করে ফেললো। তারপর ওখান থেকে আমার শেষ দেখা ভিডিও টা ক্লিক করে প্লে করতেই মার আর আঙ্কেল এর শাওয়ার নেওয়ার প্রাইভেট ভিডিও আমার ল্যাপটপ স্ক্রিন জুড়ে অন হয়ে গেলো। কয়েক সেকেন্ড মুগ্ধ চোখে ওটা দেখার পর, রুমা আণ্টি বললো," বাহ এই তো চাই। সুরো তোর মা তো রবি আঙ্কেল এর খপ্পরে পরে একবারে বাজারি বেশ্যাতে পরিনত হয়েছে রে। আমি একজন কে চিনি বুঝলি, যে না এই ভিডিও টা পেলে লুফে নেবে আর আমাদের পকেট টাকা টে ভরে যাবে বুঝলি? আমি: এসব তুমি কি ভুল ভাল বলছো? এসব আমি ডিলিট করে দেবো। রুমা আণ্টি: খবর দার না। এটা সোনার খাজানা, কেউ ডিলিট করে নাকি। তুই আমার কথা একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভাবার চেষ্টা কর। এই ভিডিও গুলো টে শুধু নামী অ্যাকট্রেস পর্ণ অ্যাকট্রেস দের ফেস এডিট করে দিতে পারলেই ভালো মানের পর্ণ ভিডিও বানানো হয়ে যাবে। আমার ঐ চেনা ব্যাক্তি এসবের কারবার করে বুঝলি। আমিও ওর বেশ কয়েকটা কাজ নিজে করে দিয়েছি। এটে ভালো পেমেন্ট পাওয়া যায় বুঝলি। আর মুখ টা অন্যজনের থাকে কাজেই কেউ বুঝতে পারবে না শরীর টা আসলে কার। হ্যা রে এরকম ভিডিও কতগুলো আছে রে? আমি: ১০ টা মত পেয়েছি, সব ওখানেই পর পর সেভ করা আছে।

রবি আঙ্কেল: এরকম করে না ইন্দ্রানী। আই নিড ইট নাউ। চলো যাওয়ার আগেই একবার গরম করে দি।" এই বলে মা কে টেনে সোজা বিছানায় শুয়ে দিল। তারপর রবি আঙ্কেল মায়ের উপর শুইয়ে পড়েছিল। মা আঙ্কেল কে বাধ্য হলো শখ মেটাতে।। এই sex করতে গিয়ে বেরোতে দেরি হয়ে গেল। আঙ্কেল সত্যি sex kore মার সাজ পোশাক খারাপ করে দিয়েছিল। মা কে চেঞ্জ করেতে হয়েছিল। মা শাড়ির সঙ্গে যে কালো রঙের ব্যাকলেস ব্লাউজ টা পড়েছিল সেটা এতটাই ছোট ছিল যে দূর থেকে দেখলে ব্রা বলে মনে হচ্ছিল। গাড়ি এসে যাওয়া টে মা রেডি হয়ে চট পট বেরিয়ে গেলো। বেরোনোর আগে ঘর টা গুছোনোর আর সময় পেলো না। মা আর আঙ্কেল রা আমাকে সী অফ করে বেরিয়ে যেতেই, আমি ওপরে মায়ের ঘরে আসলাম। আর এসে দেখি মার রুমের খাটটা পুরো লন্ডভন্ড হয়ে রয়েছে। চাদরটা গুটিয়ে মাটিতে জড় করা আছে। বিছানাতে পরে রয়েছে মার সায়া আর ব্লাউজটা। সায়াটাতে হাত দিতে বুঝলাম আঙ্কেল এর বীর্যে এখানে ওখানে ভিজে রয়েছে ওটা। হটাৎ আমার মনে কি হলো, হাত বাড়িয়ে মার ছেড়ে যাওয়া ব্লাউজটা নিয়ে মুখে চেপে ধরে জোরে শ্বাস টানলাম। বুক ভরে শুঁকলাম মার স্তনের সেই তীব্র মিষ্টি ঘর্মাক্ত গন্ধ। রবি আংকেলের সঙ্গে দ্রুত ৩০ মিনিটের একটা সেক্স্যুয়াল ইন্টারকোর্স এর পরিশ্রমে আজ খুব ঘেমেছে মা। ব্লাউজটা মার ঘামে আধ ভেজা হয়ে রয়েছে। সব মিলিয়ে পুরো ঘর টায় কেমন একটা যৌনতার আবেশ ছড়ানো ছিল। এরকম ছবি কয়েক মাস আগেও দেখতে পাওয়া অসম্ভব ব্যাপার ছিল। ঘর থেকে বেরিয়ে আসবো এমন সময় মার পুরনো ফোন টা যেটা বিছানার পাশে টেবিলের উপর রাখা ছিল। সেটা জোরে বেজে উঠলো। আমি রিসিভ করে কিছু বলার আগেই, এক অচেনা পুরুষ কণ্ঠ হেলো বলে ওঠে, জানু, লাস্ট দে ইউ আর আওসম, তুমারই এক ভিডিও মেনে আপনি ফোন সে লিয়া ঠা ইয়াদ হে, তুমকো ভেজদি হুন। মাস্ত ভিডিও আই হে তুমারী , এ ভিডিও অ্যাডাল্ট সাইট মে ছোর নে পে না বহুত জ্যাদা পপুলারিটি মিল যায়গা।" এরপর ফোন টা রেখে দিল।। তার পর মুহূর্তে একটা ফোনের নোটিফিকেশন টিউন হলো। আমি নেট অন করলেই, একটা ভিডিও মার মেসেজ অ্যাপ এ ঢুকলো। মার ফোনে কোনো পাশ ওয়ার্ড দেওয়া ছিল না, পুরনো ফোন বাড়িতে তার ঘরেই থাকতো বলেই হয়তো তার ক্লায়েন্ট আর বন্ধুদের পাঠানো মেসেজ ছবি ভিডিও কোনো কিছুই লুকিয়ে রাখবার প্রয়োজন বোধ করতো না। আমি সহজেই মার ফোন থেকে ঐ ক্লায়েন্ট এর পাঠানো ভিডিও টা বের করতে কোনো অসুবিধা হলো না। ওটা খুঁজে বের করে প্লে করতেই আমার আত্মারাম খাঁচাছাড়া হয়ে গেলো, ওটার সঙ্গে দেশি এইচ ডি পর্ণ ভিডিওর কোনো তফাত নেই। ভিডিও টি তে বেশ স্পষ্ট পরিষ্কার ভাবে মার ড্রেস খুলবার সিন, ক্লায়েন্ট এর পেনিসের উপর কনডম পড়ানো, আর তারপর স্নানের আই মিন শাওয়ার নেওয়ার সিন রেকর্ড হয়ে ছিল। পুরোটা দেখবার আগেই আমার হাত কাপছিল, আমি ফোন টা বন্ধ করে তরিঘরি মায়ের ঘর থেকে বেরিয়ে । নিজের ঘরে এসেও কোনো কাজে মন বসাতে পারলাম না। ঘরে বসে বসে আমার খালি মনে হচ্ছিল এই সব ভিডিও আর ছবি তুলে আঙ্কেল রা করে কি? কার কার সাথে share Kore? এইসব ফটো ভিডিও করার ব্যাপারে আঙ্কেল দের এত ইন্টারেস্ট কেনো। এই বিষয়ে অদ্ভুত একটা আকর্ষণ অনুভব করছিলাম। মার রেখে যাওয়া ফোন টা আমাকে টানছিল, আমার খালি মনে হচ্ছিল ঐ ফোনটা সময় নিয়ে ঘাটলে আমি হয়তো অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবো। আর এদিকে , রিসোর্ট এ পৌঁছতে পৌঁছতে মার বেলা গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেছিলো। রিসোর্ট এ চেক ইন করে মা আমাকে কল করেছিল। কিছু সাধারণ কথা বার্তা সারার পর মা এও জানিয়ে দিল যে, আগামী তিন দিনের জন্য তাকে একদম ফোন করে বিরক্ত করা যাবে না। মা খুব ব্যাস্ত থাকবে। আর একটা বিষয়, মার পুরনো ফোন টা অন অবস্থায় রেখে এসেছে, আমি যেনো সেটা ঐ বেড সাইড টেবিলের উপর থেকে তুলে সুইচ অফ করে ঐ টেবিলের ড্রয়ার এর ভেতর রেখে দি। মার গলার স্বর শুনে তাকে ভীষণ ক্লান্ত লাগছিল। মাঝে আমার মনে হলো জিজ্ঞেস করি কতজন ক্লায়েন্ট রবি আঙ্কেল এর সৌজন্যে ঐ রিসোর্টে উপস্থিত হয়ছে? তার যেতে যেতেই ওদের সার্ভ করা শুরু করতে হয়েছে কিনা? মা অস্বস্তি টে পরে যাবে বলে অনেক কষ্ট করে নিজের মনের প্রশ্ন গুলো মনেই রেখে দিলাম।